ন‌ওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে নব নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

নব নির্বাচিত যশোর জেলা পরিষদ সদস্যের সাথে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাব কক্ষে উক্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলার (অভয়নগর- ৪) নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য আব্দুর রউফ মোল্যা।

নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ মাসুদ তাজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ফারুক আহমেদ, সুনীল দাস, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার আহমেদ,দপ্তর সম্পাদক শাহীন আহমেদ,সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি খায়রুল বাশার,সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, নির্বাহী সদস্য রবিউল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান, সহ- সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন প্রিন্স, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান দপ্তরী, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এম এম আলাউদ্দিন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আলাউদ্দিন খান হীরা, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি গাজী রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ মল্লিক খলিলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন হৃদয়, প্রেস ক্লাবের সদস্য আবুল হোসেন, রকিবুল ইসলাম রুবেল, ডি আর আনিস, শফিকুল ইসলাম পিকুল, আশরাফুল আলম লিপু, কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামান, মেম্বার ইকবাল হোসেন, যুবলীগ নেতা আব্দুল মুকিত মোল্লা, রাশেদুল ইসলাম, মোঃ রাসেল হোসেন, এস এম রিপন, মো: কবির হোসেন, শেখর কুমার বর্মন, মোঃ নাসির উদ্দিন, মো. মুক্তার হোসেন, বাঁধন দাস, মোল্লা নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

মতবিনিময় সভা শেষে প্রধান অতিথি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে গত সোমবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬৭ ভোট পেয়ে ৪ নং ওয়ার্ডের জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মোল্যা।

চরভৈরবী ইউপিতে ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী লোকমান মাস্টার সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন

মোঃ হোসেন গাজী।।

আগামী ২৮ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে হাইমচর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী ও তরুণ সমাজ সেবক মাষ্টার লোকমান হোসেন বেপারী ওয়ার্ড বাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন তিনি। দীর্ঘ বহু বছর জনগণের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি এলাকাবাসীর কাছে বেশ পরিচিত।

মাষ্টার লোকমান হোসেন বেপারীর সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন জনগণের প্রাপ্য ও প্রাপ্ত অধিকার পৌছে দিতে। এজন্যই তার প্রতি জনগণের আস্থা অর্জিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের মৌলিক সেবা পেতে কেউ তার দ্বারা হয়রানীর শিকার হবেনা।

জানা গেছে, আগে থেকেই এলাকা জুড়ে তার ন্যায় নীতি ও ভদ্রতার পরিচয় রয়েছে। তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছেন তার কর্মগুনে। সেজন্য এলাকাবাসীর দোয়া ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে ন্যায় বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন বলে আশা করছেন আগামী ২৮ নভেম্বর চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারনা শুরু হয়েছে। কর্মপরিকল্পনা জানান দিয়েছেন এলাকাবাসীর কাছে।

কারন তিনি সুশীল সমাজের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাই জনগণের চাওয়াই তার চাওয়া। এছাড়া এলাকাজুড়ে তার একটা সামাজিক অবস্থান ও পরিচিত রয়েছে। তিনি জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে সমৃক্ত করতে জনপ্রতিনিধি হতে নির্বাচনে এবারো প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী মাষ্টার লোকমান হোসেন বেপারী তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

ডুমুরিয়ায় ঐতিহ্যবাহী রুদাঘরা মিকশিমিল উচ্চ বিদ‍্যালয় এর ম‍্যানেজিং কমিটি সভাপতি নির্বাচিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
ডুমুরিয়া উপজেলার ঐতিহ্য বাহী রুদাঘরা মিকশিমিল উচ্চ বিদ‍্যালয় এর ম‍্যানেজিং কমিটি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের প্রাক্তন আহবায়ক ও খুলনা, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের হিসাব বি জ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এম এম ইমরান হোসেন।
১৯ অক্টোবর উপজেলা মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসে স্কুলের ম‍্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত ।  সভাপতি  পদে দুজন প্রার্থী থাকায়  শিক্ষা অফিসার দেবাশিষ বিশ্বাস স্কুলের নির্বাচিত অভিভাবক সদস‍্য টিআর প্রতিনিধির  মতামতের ভিত্তিতে গোপন ব‍্যালটে  ভোট প্রদান করেন।  প্রাপ্ত ফলাফলে এম এম ইমরান হোসেন ৩ ভোটও  গাজী  তোহিদ   আহম্মেদ  ২ ভোট পান।   টিআর প্রতিনিধি ৩ জন  ভোটার ভোট দানে বিরত থাকে।  এম এম ইমরান হোসেন কে বিজয়ী ঘোষনা করেন নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার দেবাশিষ বিশ্বাস।
জাহিদুর রহমান বিপ্লব

যশোর জেলা পরিষদের সদস্য পদে জয়লাভ করলেন ৪নং ওয়ার্ডের(অভয়নগর) আব্দুর মোল্যা

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

অভয়নগর উপজেলা যশোর জেলা পরিষদের নির্বাচনী এলাকা ৪ নং ওয়ার্ড।

এ ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে আব্দুর রউফ মোল্যা হাতি মার্কা ৬৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ড. প্রদীপ কুমার দে টিউবয়েল প্রতীক পেয়েছেন ২৯ ভোট অন্যান্য প্রার্থী মধ্যে,জি এম মনিরুজ্জামান মনি (সিলিং ফ্যান) পেয়েছেন ৮ ভোট, , ফারাজী আশিকুল ইসলাম বাঁধন (তালা) ১৪ ভোট, শেখ মাহাবুবুর রহমান (ফুটবল) শূন্য ভোট, ও মো:আজিম উদ্দীন ও শুন্য ভোট পেয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিলকিস সুলতানা সাথী (টেলিফোন) ৩ ভোট, মরিয়ম বেগম(বই) ১ ভোট, হাজেরা পারভীন দোয়াত কলম শুন্য ভোট, নাছিমা সুলতানা মহুয়া(হরিণ) ১ ভোট,রেহেনা খাতুন (লাটিম) ৭ ভোট, রাখী ব্যানার্জি (টেবিল ঘড়ি) (৫৯) লায়লা খাতুন (মাইক) ৪৪ ভোট, শাকিলা আপরোজ ফুটবল ৩ ভোট।

এ ছাড়া চেয়ারম্যান পদে সাইফুজ্জামান পিকুল ঘোড়া ১০৪ ভোট ও মারুফুজ্জামান কাজল আনারস প্রতীক পেয়েছে ১৩ ভোট।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল ৯ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলে।

বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মেয়র ও ইউএনওর বাকবিতণ্ডা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

ব‌রিশাল জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ভোট দি‌তে ক‌ক্ষে প্রবে‌শের সময় ব‌রিশাল সি‌টি কর্পোরেশ‌নের মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে সদর উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ম‌নিরুজ্জামানের বাকবিতণ্ডা হ‌য়ে‌ছে।

এসময় ‌ইউএনও মো. ম‌নিরুজ্জমা‌নের প্রতি ক্ষোভ দেখান মেয়র সা‌দিক। তিনি ইউএনওকে ‘স্টুপিড’ ব‌লে সম্বোধন করেন। সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দি‌কে ব‌রিশাল জিলা স্কুল কে‌ন্দ্রে এ ঘটনা ঘ‌টে।

মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহর ফেসবুক পে‌জে করা লাই‌ভে দেখা যায়, সকাল ৯টার দি‌কে জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ভো‌ট দি‌তে ব‌রিশাল জিলা স্কুল কে‌ন্দ্রে যান মেয়র। এসময় তার সঙ্গে বিনাপ্রতিদ্ব‌ন্দিতায় জেলা প‌রিষদের নব নির্বা‌চিত ‌চেয়ারম‌্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন, ব‌রিশাল সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের প‌্যা‌নেল মেয়র গাজী নইমুল হো‌সেন লিটু, র‌ফিকুল ইসলাম খোকন, ২১নং ওয়ার্ড কাউ‌ন্সিলর শেখ সাই‌য়েদ আহ‌ম্মেদ মান্না ও ৫নং ওয়ার্ড কাউ‌ন্সিলর কেফা‌য়েত হো‌সেন র‌নিসহ বেশ ক‌য়েকজন জনপ্রতি‌নি‌ধি উপস্থিত ছি‌লেন।

এক নম্বর ভোট ক‌ক্ষে প্রবে‌শের সময় ব‌রিশাল সদর উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ম‌নিরুজ্জামান মেয়র সা‌দিক আব্দুল্লাহ‌কে দল বে‌ধে ভোট ক‌ক্ষে প্রবেশ না কর‌তে অনু‌রোধ ক‌রেন। এসময় ইউএনও এর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান মেয়র।

মেয়র সা‌দিক উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্দে‌শ্যে ব‌লেন, ‘আমি কী ঢুক‌ছি এখা‌নে? কেন সিনক্রিয়েট কর‌তে‌ছেন? আপ‌নি কে? তারপরও আপ‌নি কথা বলতে‌ছেন। আমি কী বাচ্চা শিশু? স্টু‌পি‌ডের মত কথা ব‌লেন। যেভা‌বে ভাবটা ক‌রেন তা‌তে বুঝায় দল বাইধা ঢুক‌তে‌ছি। ভোটার হই‌ছে ১৭৪ জন। তাহ‌লে সমস‌্যা কোথায় আপনা‌দের তখন কাউন্সিলর শেখ সাই‌য়েদ আহ‌ম্মেদ মান্না পাশ থে‌কে ব‌লেন, এখা‌নে সবাই ভোটার, আপ‌নি চে‌নেন না। আপ‌নে ব‌রিশা‌লে ম‌নে হয় নতুন।

বিনাপ্রতিদ্ব‌ন্দিতায় নির্বা‌চিত ‌চেয়ারম‌্যান এ‌ কে এম জাহাঙ্গীর ইউএনওকে ব‌লেন, উনি ব‌রিশাল সি‌টি কর্পোরেশ‌নের মেয়র, আমি জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান এসময় ইউএনও ব‌লেন চেয়ারম‌্যান ম‌হোদয় আমি আপনা‌দের চি‌নি।

মেয়র সা‌দিক ইউএনওকে ব‌লেন, ‘‌আমি তো ভেত‌রে ঢু‌কি‌নি। আসার পর থে‌কে আপনারা বল‌তে‌ছেন। ফাইজলা‌মি ক‌রেন আপনারা। আপ‌নে কা‌নে কথা শু‌নেন‌নি। ইউএনও ম‌নিরুজ্জমান মেয়র‌কে বলেন, আপনা‌কে কিছু ব‌লি‌নি স‌্যার। এরপর মেয়র সা‌দিক আব্দুল্লাহ ইউএনও ম‌নিরুজ্জামা‌নের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। প‌রে ইউএনও ম‌নিরুজ্জমান‌কে থামান সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান সাইদুর রহমান রিন্টু ও বিনা প্রতিদ্ব‌ন্দিতায় জেলা প‌রিষ‌দের ‌নির্বা‌চিত চেয়ারম‌্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন।

ব‌রিশাল সদর উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ম‌নিরুজ্জামান সাংবা‌দিক‌দের ব‌লেন, ‘মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে আমার বাকবিতণ্ডার খবর স‌ঠিক নয়। ব‌রিশাল সি‌নিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে সহকা‌রি রিটা‌র্নিং অফিসার নুরুল আলম ব‌লেন, ‘ভোট ক‌ক্ষে ফেসবুক লাইভ করার কো‌নো বিধান নেই ।

জেলা পরিষদ নির্বাচন// খুলনায় আবারও চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ

//মোঃ কুরবান // 

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ হারুনুর রশীদ চেয়ারম্যান পদে আবারও জয়লাভ করেছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এম মোর্তজা রশিদী দারা ৪০৩ ভোট ও ডা. শেখ বাহারুল আলম ৩৭ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে ৯৭৮ ভোটারের মধ্যে ৯৭৭ জন ভোট প্রদান করেন।

দুপুরে নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা ও খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন।

সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খুলনা জেলার ১০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা ও খুলনা জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

জানা গেছে, দিনের প্রথম ঘণ্টায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। বেলা ১১টার পর থেকে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। প্রতিটি কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ভোটাররা কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই ভোট প্রদান করেছেন।

শেখ হারুনুর রশিদ খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ১১ বছর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ৬১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯১ সালের পর থেকে সাত বার খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দুই বার জাতীয় সংসদ সদস্য, বিরোধী দলীয় হুইপ, প্রায় ১১ বছর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচিত ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, আওয়ামী লীগের সব স্তরের কর্মী সমর্থক ও ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হারুনুর রশিদ। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে জেলা পরিষদের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদকে ‘মডেল জেলা পরিষদ’ করার অঙ্গীকার করেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচন// রাণীশংকৈলে স্বপন ও রিপা সদস্য নির্বাচিত

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল( ঠাকুরগাও)প্রতিনিধি।।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সোমবার (১৭ অক্টোবর)  জেলা পরিষদের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় আব্দুল বাতিন স্বপন (তালা প্রতিক) ৯৪ ভোট পেয়ে সদস্য পদে  নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আনোয়ারুল ইসলাম (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১৯ ভোট।

অপরদিকে রাণীশংকৈল, পীরগঞ্জ ও হরিপুর তিন উপজেলা মিলিয়ে ১৮২ ভোট পেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন রিপা (ফুটবল) মহিলা সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সেতারা হক( দেওয়াল ঘড়ি) পেয়েছেন ১৩৮ ভোট।

প্রশনগতঃএ উপজেলায় সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে র্প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন সমাজ সেবা অফিসার আব্দুর রহিম।

 

আলমাস খাঁন বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত

/সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বরগুনার ২নং ওয়ার্ড আমতলী উপজেলায় সদস্য পদে আজকের নির্বাচনে  বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আহুরুজ্জামান আলমাস খাঁন (হাতি প্রতিক)।

আমতলী উপজেলার সদস্য পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পর চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।এদের মধ্যে মোঃ আহুরুজ্জামান আলমাস খাঁন ও  আবুল বাসার নয়ন মৃধা উভয়ে সমান সংখ্যক (৪৫ ভোট) ভোট পেলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জেলা রিটার্নিং অফিসার এর নিকট প্রেরন করেন।

বিকেল পাঁচটায় জেলা রিটার্নিং অফিসার এর কার্যালয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত লাটারীতে মোঃ আহুরুজ্জামান আলমাস খাঁন বিজয়ী হওয়ায় তাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত  ঘোষণা করা হয়।

রামপালে জেলা পরিষদ সদস্য হলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শেষ হাসিটা হেসেছেন রামপাল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স। বাগেরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ড (রামপাল উপজেলা) এ উৎসবমুখর পরিবেশে ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা অডিটোরিয়ামে সোমবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এখানে সাধারণ সদস্য পদে ৩ জন ও সংরক্ষিত নারী আসনে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তালা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স, টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অসিত বরণ কুন্ডু ও হাতি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. গোলাম আজম। নারী আসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হরিণ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন অ্যাডভোকেট শরিফা হেমায়েত ও ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন অঞ্জলী রানী দাস। মনির আহমেদ প্রিন্স ভোট পেয়েছেন ৫৮ টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অসিত বরন কুন্ডু পেয়েছেন ৪১ ভোট। অপর প্রার্থী গোলাম আজম পেয়েছেন ৩৩ ভোট। নারী আসনে অ্যাডভোকেট শরীফা পেয়েছেন ১০৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অঞ্জলী রানী দাস পেয়েছেন ২৬ ভোট। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন মো. শাহিনুর রহমান। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিবুল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ সালাউদ্দিন দিপু। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন এডিশনাল এসপি ( ক্রাইম এন্ড অবস্ ) রাসেলুর রহমান, রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, ওসি (তদন্ত) রাধেশ্যম এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতা ও আওয়ামী লীগ দলীয় নেতা কর্মীরা।

ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।। সুমন সভাপতি, সোহেল সাধারণ সম্পাদক

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

ইতালির ভেনিসে বসবাসকারী অভিবাসী সাংবাদিকদের সংগঠন ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৬ অক্টোবার, (রোববর) মেসত্রের একটি রেষ্টুরেন্ট মিলনায়তনে। সকাল ন’টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলে দুপুর একটা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সকল সদস্য তাদের ভোট প্রদান করেছেন। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে গ্রহণ করা ভোটে যমুনা টিভি ও কালের কন্ঠ পত্রিকার ইতালি প্রতিনিধি জাকির হোসেন সুমন ১৮ ভোট পেয়ে আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সময় টিভির ভেনিস প্রতিনিধি মাকসুদ রহমান পেয়েছেন ১৬ ভোট।

ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।। সুমন সভাপতি, সোহেল সাধারণ সম্পাদক

সাধারণ সম্পাদক পদে বাংলাভিশনের ইতালি প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ সোহেল ২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আর টিভির ইতালি প্রতিনিধি মোহাম্মদ আসলামউজ্জামান পেয়েছেন ১২ ভোট।

অর্থসম্পাদক পদে একাত্তর টিভির সাবেক প্রতিনিধি জুম্মন অনিক বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইতালিসহ ইউরোপের দেশে দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী সাংবাদিকদের অনেক সংগঠন থাকলেও এই প্রথম ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব ঠিক করলো।

ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।। সুমন সভাপতি, সোহেল সাধারণ সম্পাদক

গত ১৩ আগষ্ট ২০২২ তারিখে ভেনিসের সিনিয়র সাংবাদিক পলাশ রহমানকে আহবায়ক, সোহানুর রহমান উজ্জলকে যুগ্মআহবায়ক এবং নাজমুল হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। আহবায়ক কমিটি একটি সফল নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রধান তিনটি পদ ঠিক করে দেয়।

ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।। সুমন সভাপতি, সোহেল সাধারণ সম্পাদক

গত প্রায় এক মাস যাবৎ ভেনিসের অভিবাসী পাড়ায় আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছিলো সাংবাদিকদের এই নির্বাচন।

উল্লেখ্য, এক যুগেরও বেশি সময় আগে ভেনিসের একটি সামাজিক সংগঠনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল নির্বাচনের মাধ্যমে। ব্যাপক সাড়া জাগানো ওই নির্বাচনের পরে এবারই প্রথম ভেনিসে এত জাঁকজমকপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

সাংবাদিকদের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেসত্রের ভোট কেন্দ্রে যেনো গোটা ভেনিসের বাংলাদেশি কম্যুনিটি ভেঙ্গে পড়ে ছিলো। ভোট শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে ভোট কেন্দ্র লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। শত শত অভিবাসী ভোট দেখার জন্য ভিড় জমান। ভেনিসের আশ-পাশের শহর থেকেও গাড়ি ভরে মানুষ আসেন ভোট দেখতে। এ যেনো এক অভাবনীয় দৃশ্য। বাঙ্গালী যে ভোট প্রিয় মানুষ তা আরেক বার প্রমাণিত হলো এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।। সুমন সভাপতি, সোহেল সাধারণ সম্পাদক

ভোট চলা কালে পর্যবেক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কম্যুনিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- শাজাহান কবির ইদ্রিস, নান্নু সরদার, আবদুল মান্নান, বিল্লাল হোসেন মেম্বর, আবদুল আজিজ সেলিম, সৈয়দ কামরুল সরোয়ার, জব্বার মাঝি, রিটন ঢালি, আমিনুল হাজারী, গোলাম মোস্তফা, শাহাদৎ হোসেন, প্রমূখ।

পর্যবেক্ষরা সাংবাদিকদের ভোটের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এমন স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য ভোটই তারা সাংবাদিকদের কাছে আশা করেছিলেন।

তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ঐক্য অতীতের যে কোনো সময় থেকে অনেক বেশি দৃঢ হবে। সাংবাদিকরা নির্ভয়ে বস্তুনিষ্ঠ খবর পরিবেশন করতে পারবেন। সমাজ বিনির্মানে অনেক বেশি ভূমিকা রাখতে পারবেন।

নির্বাচন শেষে আহবায়ক পলাশ রহমান ফলাফল ঘোষনা করেন এবং চার প্রার্থীই ফলাফম মেনে নেন। তারা বলিষ্ঠ কন্ঠে বলেন, সাংবাদিকরা যে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তা আমরা একসাথে কাজের মাধ্যমে আগামীতেও প্রমাণ করবো।
— খবর বিজ্ঞপ্তি