ব্যস্ত সময় পার করছে জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী -আনিসুরজ্জামান (শান্ত)

//মাহাবুব আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

আসন্ন আগামী (১৭অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচরণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সদস্য প্রার্থী আনিসুজ্জামান (শান্ত)। প্রচণ্ড রোদ ও বৃষ্টির মধ্যেও নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন‌‌। জায়গায় জায়গায় করছেন উঠান বৈঠক।

জেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন রয়েছে। জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী আনিসুজ্জামান (শান্ত) স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে যাচ্ছে। স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিয়ত ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছে। এরই মধ্যে ভোটারদের মাঝে সৎ ও যোগ‍্য প্রার্থী হিসেবে ব‍্যাপক সাড়া লাভ করেছে আনিসুজ্জামান (শান্ত)।
আনিসুজ্জামান (শান্ত) এর বাবা মরহুম আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালনসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদে দায়িত্ব পালন করে আন্দোলন সংগ্রামসহ এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আনিসুজ্জামান শান্তর ছোট ভাই আব্দুল কাইয়ুম পুষ্প উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করছে। পুষ্প তরুণ প্রজন্মের আইকন হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।

জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী আনিসুজ্জামান শান্ত বলেন বংশ গত ভাবে আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। সারা জীবন আমার বাবা জনকল‍্যাণে কাজ করে গেছেন। আমিও আমার বাবার মত এলাকার উন্নয়নে জনকল‍্যাণ মূলক কাজ করতে চাই। আমি জেলা পরিষদ নির্বাচনে টিউবয়েল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। ইনশাআল্লাহ ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে এটা আমি আশাবাদী।

এবারে জেলা পরিষদ নির্বাচনে হরিপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদসহ মোট ভোট সংখ্যা ৮১টি। ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৭ অক্টোবর।

 

রামপালে নিরুত্তাপ জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩ প্রার্থী

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

আসন্ন ১৭ অক্টোবর বাগেরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডের (রামপাল উপজেলা) সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন প্রার্থী। ১৩৩ জন জনপ্রতিনিধি এ ওয়ার্ডে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি বা সদস্য নির্বাচন করবেন। এ ওয়ার্ডের প্রার্থীরা হলেন রামপাল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্স, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো. গোলাম আজম ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অসিত বরন কুন্ডু। বাগেরহাট জেলা পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড রামপাল উপজেলা। এ ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা মোট ১৩৩ জন। ১০ টি ইউনিয়নে ১০ জন চেয়ারম্যান, ৯০ জন সাধারণ সদস্য ও ৩০ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যসহ মোট ১৩০ জন জনপ্রতিনিধি। এ ছাড়াও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্স তালা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। তিনি ক্লিন ইমেজ প্রার্থী। এলাকায় তার জনপ্রিয়তাও রয়েছে। তিনি আশাবাদী ভোটাররা তাকে রায় প্রদান করে সদস্য নির্বাচিত করবেন। তিনি তার দলগত অবস্থানের বাইরে রাতদিন প্রচারণায় সময় পার করছেন এবং দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গোলাম আজম ও আশাবাদী। তিনি স্বতন্ত্রভাবে হাতি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তিনি ও তার ক্লিন ইমেজ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। শ্রীফলতলাস্থ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মাতব্বর ছিলেন গণমানুষের নেতা। তিনি তার দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। আগামী নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে মানুষের পাশে থাকে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অসিত বরন কুন্ডু লড়ছেন টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে। তিনি ও আশাবাদী এবারও তিনি নির্বাচিত হবেন। তিনি বলেন জেলা পরিষদের বরাদ্দ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুকুর সংস্কার ও নতুন পুকুর খননসহ রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছি। তবে উন্নয়ন বরাদ্দে নয়ছয় বা অনিয়ম হয়নি বলে তিনি দাবী করেন। এবারো তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদী।

ওয়াকিব মহল মনে করেন এবার ভােটের মাঠে ভিন্ন ধরনের মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে। গত বছর যারা এককভাবে অসিত বরন কুন্ডুকে বিজয়ী হতে সহযোগিতা করেছিলেন এবার তারা প্রার্থী হয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি কে হাসবেন সেটি স্পষ্ট নয়। তবে কয়েকজন সাধারণ ভোটাররা বলেছেন যে যাই বলুন আমরা আমাদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিবো। আমাদের মতামতের উপর কেউ হস্তক্ষেপ করুক এটা আমরা চাই না। কয়েকজন চেয়ারম্যান অসিত বরনকে এগিয়ে রাখলেও ভিন্ন চিত্র মাঠের হিসাবে। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ওলোট পালোট হওয়ায় এক নেতার অধিপত্যে ভাটা পড়ে। এতে নতুন সমীকরণ দেখছেন সাধারণ মানুষ। শেষমেশ লড়াইটা ত্রিমুখী হবে না কি দ্বিমুখী হয় সেটি এখন দেখার বিষয়।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে শোভা রানী হালদার টেবিল ঘড়ি প্রতিক নিয়ে লড়ছে

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া //

খুলনা জেলা পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে সংরক্ষিত ২ নং মহিলা ওয়ার্ডে (বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা) সদস্য পদে ঘড়ি প্রতিক নিয়ে লড়ছেন জেলা পরিষদের সাবেক সদস‍্য  শোভা রানী হালদার । নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের শিক্ষক অরুন কুমার হালদারের এর স্ত্রী শোভা রানী হালদার  ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের ৩ বার ইউপি মেম্বার  নির্বাচিত হন। সেই থেকে আওয়ামী রাজনীতি সমাজ সেবা মুলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততা, থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস‍্য,  উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের  সভাপতির দায়িত্ব পালন

,  উপজেলা পরিষদের ভাইন্স চেয়ারম‍্যানসহ স্কুল ম‍্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। গত নির্বাচনে জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করে এলাকার সুখে দুখে জনগনের পাশে থেকে উন্নযন মুলক কর্মকান্ড করেছি। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেতে অসহায় দরিদ্র নারীদের নিয়ে কাজ করেছি। আশা করি জনপ্রতিনিধি ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে আমাকে জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ দিবেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৭ই অক্টোবর খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ডুমুরিয়ায় মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়া উপজেলা মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসারের বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিক্ষা ভবনে এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী ও উপজেলা শিক্ষক সমিতি বিদায়ী শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদকে ফুলেল শুভেচ্চা ও উপহার প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার ধননজয় মন্ডল, একাডেমিক সুপারভাইজার টিকেন্দ্রনাথ সানা, বান্দা কলেজিয়েট স্কুলের অধ‍্যক্ষ সৌমেন মন্ডল, ডুমুরিয়া মাধ‍্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক আইযুব হুসাইন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি বীরেশ্বর মন্ডল, সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, মাদ্রাসার সুপার বায়জিদ হুসাইন, বিলায়েত হোসেন প্রমুখ।

মাগুরায় ৭ সদস্য প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কেউ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার না করায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকছেন মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু, শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি শ্রীপুর বাহিনী প্রধান আকবর হোসেন মিয়ার ছেলে শরিয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া রাজন এবং শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিহাদ মিয়া।

মাগুরা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের ১নং (মাগুরা সদর উপজেলা) ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী এনামুল হক মিয়া, তিতাস কুমার রাহা এবং জাকির হোসেন তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকছেন ৬ জন যথাক্রমে উজ্জ্বল কুমার দত্ত, আনিসুর রহিম, ফারুক আহমেদ, মিজানুর রহমান খান রনজু, মইনুল ইসলাম পলাশ এবং অধ্যাপক আনিসুর রহমান খোকন।

২নং (শ্রীপুর উপজেলা) ওয়ার্ড থেকে দিদার হোসেন সদস্য পদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন ৫ জন যথাক্রমে মোস্তাফিজুর রহমান, আরজান বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং অধ্যাপক আলিমুজ্জামান নিপু।

৩নং (শালিখা উপজেলা) ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শাহিনুর রহমান এবং দেবব্রত দে দেবু। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন ২ জন যথাক্রমে সাব্বির হোসেন এবং মুন্সী আবু হানিফ।

৪নং (মহম্মদপুর উপজেলা) ওয়ার্ড থেকে কেউ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার না করায় এখানে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ প্রার্থী যথাক্রমে শরিফুল ইসলাম, শেখ আবদুল মান্নান, মশিউর রহমান টুকু, রবিউল ইসলাম, কাজী মাহাবুবুর রহমান, মোছা: তাসলিমা নাসরিন সাথী এবং আলী আহম্মদ মৃধা।

এছাড়া মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত ১নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মোছা: আসমা খাতুন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকছেন ৩ জন যথাক্রমে কামরুন্নাহার, মোছা: মনোয়ার বেগম এবং মোছা: সনিয়া সুলতানা।

মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা নিয়ে গঠিত ২ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন নাজনীন রব্বানী।

শেখ হারুনুর রশিদ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাওয়ায় এমপি সালাম মূর্শেদীর শুভেচ্ছা

//কুরবান সেখ, রূপসা প্রতিনিধি//

খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ মনোনয়ন পাওয়ায় এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদীর পক্ষ থেকে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার দলীয় নেতৃবৃন্দ ও জনপতিনিধিরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সভাপতির বাসভবনে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আও য়ামীলীগের সভাপতি ও পরিষদ চেয়ারম্যান  কামাল উদ্দিন বাদশা,জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য  ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: মোতালেব হোসেন,তেরখাদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান এফ এম অহিদূজ্জামান, ভাইস চেয়ারম‍্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো:ইমদাদুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান  কামাল হোসেন বুলবুল, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার,মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক  মো:অহিদুজ্জামান,  উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবিএম কামরুজ্জামান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,  সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার, শেখ আসাদুজ্জামান,  এমপির প্রধান সমন্ব য়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, ইউপি সদস‍্য আনিচুর রহমান মিঠু, মিরাজ মল্লিক, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মাহমুদ খান রাসেল, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম হিমেল।

জাহাঙ্গীর কবিরকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে বরগুনা জেলা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরকে আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে আমতলীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধায় আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করা হয়। মিছিলে উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল ইসলাম মৃধা, আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান,গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট মনিরুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র মীর হাবিবুর রহমান, যুবলীগ সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান,শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা,যুবলীগ নেতা ফরিদ মেলকার,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মাহবুবুল আলম,যুবলীগ নেতা বাদল প্যাদা প্রমুখ।

 

জেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার টিকিট

//নিউজ ডেস্ক//

দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।শনিবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এই আসনে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনকে, যিনি এখন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদে আছেন।

৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের তালিকা নিচে দেখুন-

তালিকা:-

ডুমুরিয়ায় গোলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত

/জাহিদুর রহমান বিপ্লব,  ডুমুরিয়া//
সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খুলনার ডুমুরিয়ার গোলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৪ আগষ্ট সকাল  ১০টায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে কমিটি গঠন উপলক্ষে  নির্বাচিত সদস‍্য দাতা শিক্ষকপ্রতিনিধি সহ ১১ সদস‍্যের সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এতে মো. মহসিন খান সভাপতি এবং শামীম খান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদর ইউনিয়নের গোলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং সভাপতি ও সহ সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য  মো. মহসিন খান ৬ ভোট পেয়ে   সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য  এবং অভিভাবক সদস্য পদে পরাজিত প্রার্থী খানজাহান আলী ৫ ভোট পান। এ ছাড়া অভিভাবক সদস্য শামীম খান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।কমিটির
সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচনে শিক্ষক প্রতিনিধি ও প্রধান শিক্ষক দিপ্তী রায় ও সহকারি শিক্ষক নাজমা আক্তার স্বপ্না,অভিভাবক সদস্য মো.মহসিন খান,শামীম খান,তানজিলা বেগম ও সুবর্ণা খাতুন,শিক্ষানুরাগী সদস্য খানজাহান আলী ও সোনিয়া খাতুন,স্হানীয় ওয়ার্ড সদস্য আবু বক্কার খান,মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি প্রধান শিক্ষক এস,এম সিরাজুল ইসলাম,দাতা শ্রেণির সদস্য সাইফুর রহমান খান ভোট প্রদান করেন।
নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়ীত্ব পালন করেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সিকদার জার্জিস হোসেন।
জাহিদুর রহমান বিপ্লব

ডুমুরিয়ায় উৎসব মুখর পরিবেশে মওলানা ভাষানী কলেজের অভিভাবক নির্বাচন সম্পন্ন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা//
 উৎসব মুখর পরিবেশে মধ‍্যে দিয়ে ৩১ জুলাই   রোববার ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের গভনিং বভি অভিভাবক নির্বাচন  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুটি প‍্যানেল ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন অংশ গ্রহন করেন। রবিবার সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয । অনুষ্ঠিত নির্বাচনে  প্রতিষ্ঠাতা অধ‍্যক্ষ মহুরুম নূরুদ্দীন আল মাসুদ স্মৃতি পরিষদের অভিভাবক  সদস‍্য পদে আব্দুস ছাত্তার সরদার মই মার্কা , আব্দুস সামাদ ফকির মাছ মার্কা  , মুজিবর শেখ টিউওয়েল মার্কা, স্বতন্ত্র হিসাবে এসকে জিয়াউল হক গোলাপ ফুল মার্কা, অপর প‍্যানেল মো: হাফিজুর রহমান মোল্ল‍্যা বই মার্কা,  হেমায়েত রশিদ খান আম মার্কা,  শেখ মশিউর রহমান লিটন বল মার্কা প্রতিক নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে। নির্বাচনে বে সরকারী ফলাফলে
শেখ মশিউর রহমান লিটন ২৬১ ভোট  পেয়ে ১ম হেমায়েত রশিদ খান ২৫১ ভোট পেযে  ২য় ও হাফিজুর রহমান মোল্লা১৯০ ভোট পেয়ে  ৩য় হন।
নির্বাচনে রিটার্নিং  অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন  কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ‍্য আমিনুর রহমান খান। সহকারী প্রিডাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন আতাউর রহমান সানা  ও ঠাকুর দাস মন্ডল পলিং  অফিসার ছিলেন বিএম মিজানুর রহমান ও আ: ছাত্তার।
নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন  জ‍্যেষ্ঠ প্রভাষক  আ: ছালাম মোড়ল । শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হযেছেন  প্রভাষক আব্দুল হাই, সব্রত মহলদার, শান্তি লতা বিশ্বাস, দাতা সরোয়ার মলঙ্গী।