জেনে নিন এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনী কিকি দায়িত্ব পালন করবে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

নির্বাচন উপলক্ষ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এ সময়ে সশস্ত্র বাহিনী কী দায়িত্ব পালন করবে তা জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

যে দায়িত্ব পালন করবে সশস্ত্র বাহিনী

  • ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের ৭ম ও ১০ম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
  • রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা প্রদান করবে।
  • সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/ মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
  • রিটার্নিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদার প্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোটগণনা কক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করবে।
  • সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে।
  • উপকূলবর্তী এলাকায় নৌবাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।
  • ঝুঁকির বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা কম/বেশি করা যাবে।
  • পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক/মহাসড়কসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
  • বিমান বাহিনী প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার ও পরিবহণ বিমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বাহিনীসমূহের অনুরোধে উড্ডয়ন সহায়তা প্রদান করবে।
  • সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
  • বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদামতো আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার লক্ষে সারমিন সালামের উঠান বৈঠক

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপিকে বিজয়ী করার লক্ষে রূপসার নৈহাটি ইউনিনের রহিমনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস‍্য আমজাদ হোসের বাড়িতে ২২ ডিসেম্বর সকাল ১১টায়  উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার লক্ষে সারমিন সালামের উঠান বৈঠক

অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ঠ সমাজসেবক সারমিন সালাম।

বিশেষ অতিথির  বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ‍্যক্ষ ফ ম  আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান  মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক অধ‍্যাপক ডা:শ‍্যামল দাস।

সাবেক ইউপি সদস‍্য আমজাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা সুজনের পরিচালনায় বক্তৃতা ও   উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান  ফারহানা  আফরোজ মনা, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  এমডি রকিব উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক  আকতার ফারুক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নাসির হোসেন সজল, আওয়ামীলীগ নেতা ফরিদ শেখ, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ইউপি সদস্য আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, ইউপি সদস্য রিনা পারভিন,মাসুম সরদার, নাজমা বেগম, মমতা হেনা জোসনা,রোমেছা বেগম, যুবলীগের হারুন মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস‍্য শিমুল শেখ,আওয়ামীলীগ নেতা সিদিক শেখ, আলী আকবর শেখ, মন্টু হাওলাদার, ব‍্যবসায়ী আ:সালাম শেখ, যুবলীগ নেতা আশিক ইকবাল, মো:মোকতার হোসেন, কৃষকলীগ নেতা তুষার শেখ, ছাত্রলীগ নেতা শেখ রিয়াজ, শেখ রাসেল, হিমেল,  নোমান সৈকত প্রমূখ।

খুলনা ৫ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী নারায়ন চন্দ্র চন্দ নির্বাচনী পথসভা গন সংযোগ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এখন ঘরে বসে  মানুষ ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে। এখন আর অফিসে অফিসে ঘুরে বেড়াতে হয় না। ঘরে বসেই সরকারি বেসরকারি অফিসের সেবা পাওযা যায়। ব্যাংকে দৌড়াতে হয় না বাড়ির কাছেই আর্থিক লেনদেন করা যায়। এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ঘোষনা দিয়েছেন। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আবারও নৌকামার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা’কে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে অব্যাহত রাখতে হবে।’ তিনি ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা ধামালিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী জনসংযোগের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পথসভায় এ কথা বলেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মাষ্টার এসব সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এসময়ে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি আরও বলেন, সকল বাধা ও ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে আমাদের প্রত্যেক কর্মীকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চসংখ্যক ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।’

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নারয়ান চন্দ্র চন্দ  উপজেলার ধামালিয়া   ইউনিয়নের  টোলনা দক্ষিণ পাড়া ৮ নং ওয়ার্ড ” মাঝেরপাড়া, কাটেংগা বাজার, চেচুড়ি পালপাড়া, মান্দ্র্রা, চেচুড়ি মাঝেরপাড়া, চেচুড়ি দোহাখালা সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয় মাঠে, বরুনা পশ্চিম পাড়া, বরুনা রাজহংশিপাড়া, ছয় বাড়িয়া কারিগর পাড়া রাতে ধামালিয়া বটবলা মোড় এলাকায় পথসভা ও গনসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ করেন ।

এসব কর্মসূচিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  আব্দুস ছালামের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন বক্তব‍্য রাখেন   জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ,   উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ সরদার সৈয়দ, মো: সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ  সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডা: দীন মোহাম্মদ খোকা, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ‍্যাপক জিএম ফারুক হোসেন, বিভিন্ন পথ সভায়  উপস্থিত ছিলেন  ভবদহ কলেজের সাবেক অধ‍্যক্ষ মতলেব সরদার,  মহিলা ভাইন্স চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন রুমা,  সাবেক চেয়ারম্যান মোল্ল‍্যা রেজোয়ান হোসেন,  ইউপি সদস‍্য  গোলাম আজম হালদার,  তৌহিদুজ্জামান রাতুল প্রমূখ।

 

বাগেরহাট -৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলীর রামপালের পথ সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের ঈগল প্রতীকের এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় হুড়কা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঝলমলিয়েশ্বরি দীঘির  পাড়ে শহীদ মিনার চত্বরে এ পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হুড়কা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান তুষার কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ সাদীর সঞ্চালনায় এ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন বাগেরহাট -৩ (রামপাল -মোংলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মোংলা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী ইজারাদার। রামপাল উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মো. আবু সাইদ, অধ্যাপক সওকত আলী হাওলাদার, মোংলা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন, রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো.নাসির  উদ্দিন, চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, চেয়ারম্যান তরফদার মাহফুজুল হক টুকু, চেয়ারম্যান রাজিব সর্দার, চেয়ারম্যান উদয় শংকর বিশ্বাস, চেয়ারম্যান উৎপল কুমার, রামপাল উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.হামিম নূরী, রামপাল উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আবুল  কালাম আজাদ, রামপাল উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সর্দার বোরহান উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ফকির রবিউল ইসলাম, ইউপি সদস্য  অনিমেষ মন্ডল, চয়ন মন্ডল প্রমুখ।

রূপসায় হকার্স ইউনিয়নের সংসদ নির্বাচনী মতবিনিময়

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা-৪ আসনের নৌকা প্রতীক প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদীকে বিজয়ী করার লক্ষে রূপসা উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক মো. মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে রূপসা উপজেলা হকার্স ইউনিয়ন ও ইজিবাইক ইউনিট কমিটির নির্বাচনী মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় রূপসা চিংড়ি বনিক সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও  রূপসা ডিগ্রী কলেজ সেন্টার পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবু সালেহ বাবু এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন নৈহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

রূপসা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র’র পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. মফিজুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আক্তার হোসেন খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. শাহাজাহান শেখ।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা শ্রমিক লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শেখ মো. আবু তাহের, নৈহাটী ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. ফরিদ শেখ, শ্রমিক লীগ নেতা মো. আব্দুস সাত্তার শেখ,জেলা শ্রমিক লীগ নেতা মো. হায়দার আলী খান, নৈহাটী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জব্বার হাওলাদার,  আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুল, মো. গোলাম মোস্তফা, হকার্স ইউনিয়ন ও ইজিবাইক ইউনিট কমিটির নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে মো. কবির শেখ, আ:রাজ্জাক খান, মো. ইকবাল হোসেন বুদ্ধ, মো. মিলন শেখ, মো. ইসহাক শেখ, মো. সোহেল হোসেন লিটন, বাবুল হাওলাদার, লিটু বিশ্বাস, মো. আবুল শেখ, মো. আনোয়ার হোসেন, এশারাত হাওলাদার, মো. জামাল শেখ, মজনু মিয়া হাওলাদার, মোতালেব শেখ, নজু মিনা প্রমুখ।

উন্নয়নের ধারা অব‍্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প নেই: নারায়ন চন্দ্র চন্দ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প নেই। বাংলাদেশ আজ উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে। দেশের কৃষক এখন আর সারের জন্য জীবন দেন না। এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বুধবার২০ ডিসেম্বর  বিকেলে নির্বাচনী জনসংযোগের অংশ হিসেবে নিজ নির্বাচনী এলাকা ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা মাধ্যমিক বিদ্যালযে অনুষ্ঠিত পথসভায় এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ রুদাঘরা ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ পথসভায় সভাপতিত্ব করেন, রুদাঘরা ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক তাপস হালদার।

এসময়ে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি আরও বলেন, এক সমযের রক্তাক্ত ডুমুরিযা বলে খ্যাত ডুমুরিযায় এখন শান্তির সুবাতাস বইছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির াননন্য উদাগরণ এই ডুমুরিয়া। বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে এমন পরিবার ছিল না যে পরিবারের সদস্যরা হামলা মামলার শিকার হননি। একন সাধারণ মানুষ আর হয়রানি হয় না। তাই শান্তিপূর্ন সহাবস্থান বজায় রাখতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা- ৫ (ডুমুরিয়া –ফুলতলা ও খানজাহান আলী থানার আংশিক)  আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ’র পক্ষে আয়োজিত এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ‍্যড, রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, সাংগঠনিক  সম্পাদক সরদার আবু সালেহ,  উপজেলা  পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ সরদার সৈয়দ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ  সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, উপজেলা  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম এম সুলতান আহম্মেদ, ইউপি চেয়ারম‍্যান গাজী তৌহিদুজ্জামান, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ‍্যাপক জিএম ফারুক হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  সম বাবর আলী।  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা  খান আবু বক্কার, মহিলা ভাইন্স চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন রুমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস‍্য শোভা রানী হালদার, মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তহমিনা বেগম, প্রভাষক সুলগ্না বসু, প্রভাষক এম এম ইমরান হোসেন, উপজেলা  কৃষকলীগের সভাপতি অরিন্দম মল্লিক,  আওয়ামী লীগ নেতা গাজী আব্দুল হক, মেজবাউল আলম টুটুল প্রমূখ। সন্ধ‍্যায় শাহাপুর বাজারে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় শেষে রুপরামপুর এলাকায় মতুয়া সংঘের সম্মেলনে প্রধান অথিতি’র বক্তব‍্য দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা  চেয়ারম‍্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ, ভাইন্স চেয়ারম‍্যান শারমীনা পারভীন রুমা, ইউপি চেয়ারম‍্যান অধক্ষ‍্য সমারেশ মন্ডল,  সৌমিত্র  বিশ্বাস, প্রমুখ।

সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকা কে বিজয়ী করতে হবে: সালাম মূর্শেদী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য ও নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য দিন-রাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজ দেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

এ উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প নেই। বাংলাদেশ একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ।

আগামী নির্বাচনে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে।

এই নৌকা স্বাধীনতার প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক, বাঙালি জাতি স্বত্তার প্রতীক, বঙ্গবন্ধুর প্রতীক, শেখ হাসিনার প্রতীক। তাই নৌকার বিজয়কে সুনিশ্চিত করার জন্য সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।

আজ বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দিন ব‍্যাপী রূপসার টিএসবি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

দিনব‍্যাপী অনুষ্ঠানে  এমপির সাথে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা, এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মিসেস সারমিন সালাম, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ফ,ম আঃ সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু,সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আঃ মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফ,ম আলাউদ্দিন মাহমুদ, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ শ্যামল কুমার দাস, ইমদাদুল ইসলাম,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক  মোঃ মোতালেব হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবীব,এমডি রকিব উদ্দীন, চঞ্চল মিত্র,  দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ, আওয়ামীলীগ নেতা গাজী মোঃ আলী জিন্নাহ, সোহেল জুনায়েদ,বিনয় কৃষ্ণ হালদার, প্রভাষক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, নাসির হোসেন সজল, শেখ মোঃ আবু তাহের,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ পারভেজ হাওলাদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা শিক্ষক বাকির হোসেন, জাকির শেখ, আজমল ফকির, ফ,ম ওহিদুল ইসলাম,  মিজান ফকির,উৎপল দত্ত,খবির উদ্দীন শেখ, ফ,ম আইয়ুব আলী,কামাল শেখ, শেখ হারুনার রশিদ, ইলিয়াস শেখ, ইন্দিস গোলদার, আবজাল হোসেন,যুবলীগ নেতা আবু আহাদ হাফিজ বাবু, শ্রমিকলীগ নেতা নুর মোঃ টুলু, হায়দার আলী, ইন্তাজ মোল্যা, জাকির মোড়ল, আয়ূব আলী খান, কামরুজ্জামান টুকু, জুলফিকার আলী, ইউপি সদস‍্য  কামরুজ্জামান সোহেল, মাসুম শেখ, আওরঙ্গজেব স্বর্ন,মঈন উদ্দীন, নাজমা বেগম, আসমা বেগম, হোসনেয়ারা পারভীন হেনা, জেসমিন বেগম, সিরাজ শেখ,উপজেলা যুবলীগ নেতা সরদার জসীম,সাদ্দাম হোসেন, শফিকুর রহমান ইমন,মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল,জ্যাকি ইসলাম সজল, রবিউল ইসলাম,খায়রুজ্জামান সজল, সাইফুল ইসলাম শাওন,অনঙ্গ চক্রবর্তী,  সোহেল পারভেজ,মুসা লস্কর, রনজিত হালদার,ইন্দ্রজিত বিশ্বাস,মহিউদ্দিন মানিক, ইয়াকুব শেখ, নুরুল হুদা চন্দন, ইমরাজ হোসেন,ইউসুফ শেখ,এহতেশামূল হক অপু, সামসুল আলম বাবু,

উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান তানভির, আরিফুল ইসলাম কাজল, হুমায়ূন কবীর, মোল্যা রুবেল হোসেন, আবির হোসেন হৃদয়, রূপম দাস, নাজমুল হুদা অঞ্জন, শেখ রিয়াজ, শেখ রাসেল,নোমান সৈকত, দীপ খান প্রমূখ।

রামপালে সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রামপাল থানা পুলিশের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ফয়লাহাট বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টায় রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান, রামপাল-মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার, উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, ভোজপাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দীন, গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান মো. রাজিব সরদার, বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ, রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা পারভীন ময়না, ওসি (তদন্ত) বিধান চন্দ্র প্রমুখ।

আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান বলেন, পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ। আমরা আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভিত্তিতে সবাইকে কাজ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠ স্বাভাবিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা কাজ করছি। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সবাই সজাগ থাকবেন। কোন প্রার্থীর অধিকার যেন ক্ষুন্ন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে বা করার অপচেষ্টা চালালে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। রামপালবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে যা যা করা যায় সেটি আমরা করবো। এ জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। #

কত হাজার কোটি টাকা বাজেট এবারের নির্বাচনে….!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যয়ের জন্য ধরা হয়েছে বিশাল বাজেট । এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২২৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যয় হবে প্রায় ১২২৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। বাকি ১০৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রমে। একক হিসাবে প্রতিটি আসনের নির্বাচন আয়োজন করতে ইসির (নির্বাচন কমিশন) ব্যয় হচ্ছে ৭ কোটি ২২ লাখ ৬১ হাজার টাকা। ইসিসংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে যে অঙ্কের টাকা ব্যয় হচ্ছে, তা বিগত সব নির্বাচনের ব্যয়কে ছাড়িয়ে যাবে। এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যয়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭০০ কোটি টাকা। যদিও পরে তা অনেক বেড়েছিল। এর আগে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খরচ হয় প্রায় তিনশ কোটি টাকা। যদিও ওই সময়ে ১৫৩টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। বাকি আসনগুলোতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসির ব্যয় হয় প্রায় দুইশ কোটি টাকা।

ইসি সূত্রে আরও জানা গেছে, জাতীয় সংসদের মতো আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ব্যয়ও অনেক বাড়বে। আগামী বছর অনুষ্ঠেয় ৫২০টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬১৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রতিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করতে ইসির খরচ ধরা হচ্ছে তিন কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরে ইসির জন্য সংস্থান করা বাজেটে জাতীয় সংসদ ও উপজেলা মিলিয়ে ১৪৫৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। সংশোধিত বাজেট প্রস্তাবে ২৪৩৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বাড়িয়ে ৩৮৯২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি নির্বাচনের সম্ভাব্য ব্যয়ের এ বাজেট অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইসি। নির্বাচন আয়োজনে চলতি অর্থবছরে বাড়তি টাকা চেয়েছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠান। চলতি অর্থবছরেই জাতীয় সংসদ ও উপজেলা নির্বাচন হবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো ও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুধু সিসি ক্যামেরা না থাকায় নির্বাচনের বাজেট থেকে ২০৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা খরচ কমছে। অন্যথায় ব্যয় আরও বাড়ত।

নির্বাচনে ব্যয় বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে কর্মকর্তারা কাজ করছেন। তারা অর্থমন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ রাখছেন।

নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের মধ্যে ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এ নির্বাচনে ২৭টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। বিএনপিসহ ১৫টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসেনি। এ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ১৮৯৫ প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে এবার ‘পরিচালন’ এবং ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা’-এই দুই খাতেই ব্যয় আগের চেয়ে অনেক বেশি ধরা হয়েছে। দুই খাতের ব্যয় এবার কাছাকাছি রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিগত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন পরিচালনা খাতের প্রায় দ্বিগুণ ব্যয় হতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে। এবার নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রমের ব্যয় সে অনুপাতে অনেক বেড়েছে। এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম, ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতিসহ কয়েকটি কারণে খরচ বাড়ছে।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী, ২০টি অর্থনৈতিক কোড থেকে নির্বাচনের সামগ্রিক ব্যয়ের টাকা ছাড় করে থাকে নির্বাচন কমিশন। ইসির প্রস্তাবিত বাজেটে ওই ২০টি অর্থনৈতিক কোডের ১৭টিতেই ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একটিতে ব্যয় কমানো ও দুটিতে বিদ্যমান বাজেট বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০টি অর্থনৈতিক কোডের মধ্যে ‘সম্মানি’ খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। চলতি বছরের বাকি ৬ মাসের জন্য এ খাতে ইসি ব্যয় ধরেছে ১১৯৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে এ খাতে সংস্থান রয়েছে ৫৩৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ইসি এ কোডেই ৬৬৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করেছে। সম্মানি খাতের ১১৯৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা জাতীয় ও উপজেলা নির্বাচনে ব্যয় হবে। চলতি অর্থবছরে অন্যান্য যেসব নির্বাচন বা উপনির্বাচন হবে সেখানকার ব্যয়ও এ খাত থেকে বহন করবে ইসি।

ভোটের কাজে নিয়োজিতদের সম্মানি বাড়ার কারণে এ খাতে ব্যয় বেড়েছে। চলমান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় নয় লাখ প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। গত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা ১ দিনের সম্মানি পেয়েছিলেন। এবার তাদের ২ দিনের সম্মানি ও যাতায়াত ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গত নির্বাচনে একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ৪ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। নতুন হিসাব অনুযায়ী, এবার নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা ৯ হাজার টাকা পাবেন। একইভাবে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ৭ হাজার টাকা ও পোলিং কর্মকর্তারা ৫ হাজার টাকা হারে পাবেন। গত নির্বাচনে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তিন হাজার এবং পোলিং কর্মকর্তারা দুই হাজার টাকা হারে ভাতা পেতেন।

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে খোরাকি ভাতা পান বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের সহায়ক ও পেশকাররা। তাদের খোরাকি ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচনি মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যদেরও আগের চেয়ে বেশি দিন রাখা হবে। ভোটকেন্দ্র বাড়ায় তাদের বেশি সংখ্যক সদস্যও মোতায়েন করতে হবে। চলতি অর্থবছরে বাকি সময়ের জন্য খোরাকি ভাতা খাতে ৬৪৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা ধরেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ১৫০ কোটি ১১ লাখ টাকার সংস্থান রয়েছে। ইসি এ কোডেই ৪৯৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এছাড়া যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত যানবাহন খাতে ব্যয় বাড়িয়ে ২২৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা করেছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার সদস্যদের আপ্যায়ন ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কার্যালয় ও সংস্থার আপ্যায়ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ৩৯৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয় ধরেছে ইসি।

ভোটকেন্দ্রে ব্যবহারের জন্য চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর, স্ট্যাপলার পিনসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি কেনাকাটা হয়। চলতি অর্থবছরে অন্যান্য মনিহারি খাতে ৩১৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। একইভাবে প্রচার ও বিজ্ঞাপন কোডে ৯৫ কোটি ১২ লাখ টাকা, ব্যবস্থাপনা ব্যয় কোডে ২৩৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা, পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট কোডে ২১৭ কোটি ২১ লাখ টাকা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

Daily World News

উপজেলায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে মত বিনিময় করেন ওসি রূপসা

এমপি সালাম মূর্শেদী দিনব্যাপী রূপসার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি ১৮ডিসেম্বর সকাল থেকে দিনব্যাপী রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগ ও পথসভা করেন।

এমপি সালাম মূর্শেদী দিনব্যাপী রূপসার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন

তিনি প্রথমে সকালে নৈহাটি গ্রামে পারিবারিক কবর স্থানে শাহিত পিতা মাতার কবর জিয়ারত করেন।

এরপর নৈহাটী ইউনিয়নের শ্রীরামপুর,জহিরের বটতলা,রামনগর, পূর্ব রূপসা বাজার,ইলাইপুর এবং জাবুসা বাজারে গনসংযোগ ও পথসভা করে তার নির্বাচনী প্রচারণা করেন।

এমপি সালাম মূর্শেদী দিনব্যাপী রূপসার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন

এসময় তার সাথে বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত ছিলেন  রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু,সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আ: মজিদ ফকির,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোল্লা আরিফুর রহমান,সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, সাবেক জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ  মোতালেব হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দীন,দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, আওয়ামীলীগ নেতা আকতার হোসেন খান, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,কামাল হোসেন বুলবুল, আসাদুজ্জামান লিঠু, গফ্ফার শেখ,প্রভাষক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান,রিনা পারভিন, নাসির হোসেন সজল, ফরিদ শেখ,আঃ মান্নান শেখ,মফিজুল ইসলাম,আবু সালেহ বাবু,রুহুল আমিন রবি, ইউপি সদস‍্য আলমগীর হোসেন শ্রাবন,কামরুজ্জামান সোহেল, আ: রাজ্জাক শেখ, বাবর আলী,  মাসুম সরদার,লিপিকা দাস, আসাবুর মোড়ল,  মাহফুজুর রহমান, ইফতেখায়রুল আলম,মোঃ ওলিয়ার রহমান,গফফার শেখ, মতিয়ার রহমান,আবু তাহের শেখ,মান্নান শেখ,তারেক আহম্মেদ টিপু,শরিফুল ইসলাম বাবু,ইসরাইল শেখ, মোজাফফর শেখ,রবিউল ইসলাম মিনা,আব্দুল আজিজ,রহিম মিনা, জাকির হোসেন রাজু,মোজাফফর হোসেন,ফ,ম ওহিদুল, মামুন শেখ,নাজির শেখ,ফরিদ শেখ,মামুন শেখ,আবু আহাদ হাফিজ বাবু,সরদার জসীম, শফিকুর রহমান ইমন,সাইফুল ইসলাম শাওন,তারেক আজিজ,শেখ সাগর,জাহিদুর রহমান,মহিউদ্দীন মানিক, শিমূল শেখ, মহিউদ্দীন মানিক, আজমল হোসেন,খালিদ শেখ,  এহতেশামুল হক অপু,ইমরাজ হোসেন, মিরাজুল মোল্যা,শেখ মহিদুল,ইমু মোল্যা,নাজমুল হুদা অঞ্জন, রিয়াজ শেখ,হুমায়ূন কবীর,ওয়ায়েসকুরুনী বাবু,আজিজুল শেখ, আ: জব্বার, সোহেল ব্যাপারী,তপন শিকদার, শিমুল শিকদার, ইব্রাহিম শেখ,এম এম ওসমান গনী,সাঈদ শেখ,আব্দুল্লাহ আল মামুন,মোস্তাফিজুর রহমান রনি, রিসাদ,মুজাইদুল ইসলাম প্রমূখ।