রামপালে হরিণের মাংসসহ গ্রেফতার-২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে হরিণের মাংসসহ ২ জন চোরা শিকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটককৃতরা হলো মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা গ্রামের হাসান সরদারের পুত্র শওকত আলী (৩৭) ও রামপাল উপজেলার ব্রী চাকশ্রী গ্রামের শেখ আশরাফ আলীর পুত্র শেখ হেকমত আলী (৩৯)। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় আসামীদের  আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রামপাল থানায় অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম জানান, সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে রামপাল থানাধীন বাঁশতলী ইউনিয়নের গিলাতলা বাজারের ব্যাংকের মোড় নামক স্থানে পাকা রাস্তার উপর দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে মাংশ বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। ওই সময় গিলাতলা বাজারের পাহারাদারদের অসহায়তায় তাদের কাছ থেকে হরিণের মাংস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আসামীদেরকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, হরিণ শিকারী সিন্ডিকেটের সাথে কারা কারা জড়িত আছে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। শিকারী চক্রকে নির্মূল করা হবে।

“দরবেশ বাবা“ সেজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আনোয়ারা বেগমের (৫৯) তিন ছেলে-মেয়েই দেশের বাইরে প্রতিষ্ঠিত। স্বামী দেশের নামকরা চিকিৎসক। কর্মজীবন থেকে অবসরের পর আনোয়ারা বেশির ভাগ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত থাকেন। এর মধ্যে তিনি কিছুটা পারিবারিক সমস্যায়ও ভুগছিলেন। এ থেকে মুক্তির পথ খুঁজছিলেন।

এ অবস্থায় একদিন ফেসবুকের একটি বিজ্ঞাপনে তার চোখ আটকে যায়। বিজ্ঞাপনে সুন্দর সৌম্য চেহারার দরবেশ বেশধারী এক ব্যক্তি নিজেকে মসজিদে নববির ইমাম দাবি করে বলছেন, তিনি কুরআন-হাদিসের আলোকে মানুষের নানা সমস্যার সমাধান করেন। বিজ্ঞাপনে দুজন মেয়েও সাক্ষাৎকারে বলেন, তারা এই ‘দরবেশ বাবার’ কাছ থেকে নিজেদের সমস্যার সমাধান পেয়েছেন।

আনোয়ারা বেগম বাসার গৃহপরিচারিকার সঙ্গেও বিষয়টি আলোচনা করেন। সে তাকে জানায়, জিন-পরির মাধ্যমে ‘দরবেশ বাবারা’ এসব সমস্যার সমাধান করেন। তার গ্রামের কয়েকজনও এভাবে সমস্যার সমাধান পেয়েছেন। এ কথা শুনে আনোয়ারা বেগম উৎসাহিত হন। এরপর বিজ্ঞাপনে দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল করেন। কল দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘দরবেশ বাবা’ তার সঙ্গে খুব সুন্দর করে কথা বলে পারিবারিক সমস্যা শুনতে চান।

‘দরবেশ বাবা’ সমস্যার কথা শুনে তাকে বলেন, ‘মা তোমার সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। বাবার ওপর আস্থা রাখ। আমি তোমাকে মা বলে ডাকলাম। আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে। তবে মা, কিছু খরচ লাগবে। খরচের কথা কাউকে জানানো যাবে না। যদি জানাও, তবে তোমার সমস্যার সমাধান হবে না। বরং তোমার সমস্যা আরও বাড়বে এবং তোমার ছেলে-মেয়ে ও স্বামীর ক্ষতি হবে।’

এভাবে প্রলুব্ধ করে ‘দরবেশ বাবা’ তার বিকাশ নম্বরে একটা বড় অঙ্কের টাকা পাঠাতে বলেন। এভাবে বিভিন্ন সময়ে ‘দরবেশ বাবা’ আনোয়ারা বেগমকে কল করে বিভিন্ন অজুহাত ও সমস্যা সমাধানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

একপর্যায়ে আনোয়ারা বেগম বুঝতে পারেন তিনি প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন। তখন প্রতিকার চেয়ে তিনি মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। পরে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের একটি টিম অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আসামিদের শনাক্ত করে। এরপর রাজধানীর উত্তরা থেকে অভিযুক্ত মো. তানজিল আহমেদ ওরফে তানজিদ হাসানকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোলার বোরহানউদ্দিন থেকে গ্রেফতার করা হয় চক্রের মূল হোতা হাসেমকে।

সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেফতার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এ চক্রের মূল হোতা মো. হাসেম। সে প্রথমে বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে ছোট অঙ্কের টাকা নিত। এরপর বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার সময় তানজিদ হাসানকে আনোয়ারা বেগমের কাছে পাঠাত এবং সে একসঙ্গে ৩০-৪০ লাখ টাকা নিয়ে যেত। এভাবে ধাপে ধাপে তারা আনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে প্রায় সাত কোটি টাকা নিয়েছে।

হাসেম জানিয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে সে এভাবে মানুষকে প্রতারণা করছে। প্রথমদিকে সে বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিত। পরে ২০১৬ সাল থেকে পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি ইউটিউব ও ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করে। প্রতিমাসে সে ফেসবুকে চার লাখ টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিত এবং পোস্ট বুস্ট করত। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত স্বল্পশিক্ষিত প্রবাসী বাঙালিদের টার্গেট করে সৌদি আরব, দুবাই, ওমানসহ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় সে দেশভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার করত। এছাড়াও সে ইউরোপের ইতালি ও ফ্রান্সে বিজ্ঞাপনও প্রচার করত। এভাবে সে পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ইউটিউব ও ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের সঙ্গে ‘দরবেশ বাবা’ পরিচয় দিয়ে কথা বলত ও তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিত। দরবেশ বাবা রূপি প্রতারক হাসেম হিন্দি ও আরবি ভাষায় কথা বলাসহ বিভিন্ন রকম কণ্ঠে কথা বলতে দক্ষ।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, প্রতারক হাসেম ফ্রান্স প্রবাসী মো. ইমাম হোসেনকে ১২ কোটি টাকার লটারি জিতিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরেক ইতালি প্রবাসীর কাছ থেকে লটারি ও জুয়ায় জিতিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

অনুসন্ধানে সিআইডি জেনেছে, মধ্যপ্রাচ্যে এই প্রতারকচক্রের এমন ২০ থেকে ২৫ জন ক্লায়েন্ট আছে। মালয়েশিয়াতে আছে ১০ থেকে ১২ জন। এর মধ্যে ৫ থেকে ৬ জন ফিক্সড ক্লায়েন্ট আছেন যারা গত ৪-৫ বছর ধরে নিয়মিত এই দরবেশ রূপি প্রতারককে টাকা দিয়ে আসছেন।

গ্রেফতার এ দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে।

Daily World News

আজ শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গুটুদিয়া এলাকায় অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ

রামপালে আটক ৩ জঙ্গির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে মামলা দায়ের

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩ জঙ্গি আটকের ঘটনায় রামপাল থানায় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। (মামলা নম্বর -১২, তারিখ-১৬-০৯-২০২৩) ঢাকার এন্টি টেররিজম ইউনিটের এসআই আ. রহিম চৌধুরী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইন ২০১৩ এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামীরা হলেন, বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার আজরা দিয়াপাড়া গ্রামের আ. রশিদ মোল্লার পুত্র শীর্ষ জঙ্গি প্রধান মো. জুয়েল মোল্লা (২৯), জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার সরদারপাড়ার (স্কুল পাড়া) মৃত। আশরাফুল ইসলামের পুত্র শীর্ষ দ্বিতীয় প্রধান মো. রুহুল হোসেন রাহুল (২১) ও একই থানার নলডাঙ্গা গ্রামের মকছেদ আলীর পুত্র মো. গাজীউল ইসলাম (৪০)।

রামপাল থানা সূত্রে এ জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট এলাকা থেকে নতুন জঙ্গি সংগঠন “তাওহীদুল উলূইয়্যাহ” (আল জিহাদী) নামের একটি উগ্রবাদী সংগঠন করে তারা সশস্ত্র উগ্রবাদী মতবাদের ব্যাপক প্রাচার-প্রচারণা ও নানামুখী উসকানীমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। নতুন ওই সংগঠনের শীর্ষ নেতা ও অন্যান্য সদস্যরা আইটি সম্পর্কে অধিকতর জ্ঞান অর্জন, বোমা তৈরীর কৌশল শিক্ষা এবং সংগঠন পরিচালনার জন্যে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।

আটক জঙ্গিদের কাছ থেকে মোবাইল ২টি, ট্যাব ১টি, সীম কার্ড ৭টি, মেমোরী কার্ড ২টি, আরবী হরফে লেখা বিভিন্ন সাইজের পতাকা ৯ টি, কপি কালারের অফিস ব্যাগ ১টি, স্ক্রীন শর্ট ২৪ পাতা, আরবী হরফে লেখা পতাকা ও তরবারীর ছবি প্রিন্ট করা ব্যানার ১টি জব্দ করা হয়।

এন্টি টেররিজম এর ইউনিটের একাধীক টিমের সদস্যরা বিভক্ত হয়ে রামপালের ফয়লাহাট থেকে জঙ্গি প্রধান জুয়েল মোল্লাকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে আটক করেন। তার কাছ থেকে সংগঠনের নতুন ৮ টি পতাকা জব্দ করে এন্টি টেররিজম এর সদস্যারা। তার দেয়া তথ্যমতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার সরদারপাড়া থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় শীর্ষ জঙ্গি মো. রুহুল হোসেন কে আটক করে। তার দেয়া তথ্যমতে ঢাকার ভাসানটেক এলাকা থেকে জঙ্গি মো. গাজীউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
এরা সদস্য সংগ্রহের জন্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে “সাহেবের কিরান বারাহ” (দারুল জান্নাত) নামে সিক্রেট অনলাইন গ্রুপ ব্যাবহার করে অসংখ্য সদস্য সংগ্রহ করেছে। তাদের কেউ কেউ নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসার আল ইসলাম বা আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের অনুসারী হলেও নতুন সংগঠন করে নিজস্ব পরিকল্পনায় নিজেদের মত করে দেশব্যাপী সশস্ত্র হামলা পরিচালনার পরিকল্পনা করে আসছিল। ইতিমধ্যে অসংখ্য যুবক এ সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ করেছে। এন্টি টেররিজম ইউনিটের সদস্যারা তাদের নামের তালিকা করে দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, নতুন জঙ্গি সংগঠন তাওহীদুল উলূইয়্যাহ (আল জিহাদী) এর ৩ জন সদস্যকে আটক করেছে এন্টি টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা। এদের শীর্ষ জঙ্গি জুয়েলকে ফয়লাহাট থেকে প্রথম আটক করায় রামপাল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের গ্রেফতার দেখিয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে ব্যাবস্হা গ্রহন করা হয়েছে এবং রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় তাদের বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

বাগেরহাটের রামপালে মাদক কারবারীসহ আটক- ২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি || 

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে আ. হাকিম (৩৫) নামের এক পেশাধারী মাদক কারবারীসহ দুই জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় ওই কারবারীর বিরুদ্ধে রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটককৃতদের রবিবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গাঁজাসহ আটক আ. হাকিম উপজেলার বড় নবাবপুর গ্রামের মৃত দিদার মোল্লার পুত্র।

রামপাল থানা পুলিশের এসআই শেখ আসগর আলী শনিবার রাত পৌনে ১০ টায় সোনাতুনিয়া গ্রামের জামাল বয়াতির দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে হাকিমকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করেন।

আপর দিকে শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টায় উপজেলার ঝনঝনিয়া এলাকায়  অভিযান চালিয়ে আসামী মো. ফয়সাল আলী (৫৩) কে গ্রেফতার করা হয়। সে জিআর ১১৮/২৩ নং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী।

আটককৃতদের রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)  বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।#

রামপালে গাঁজাসহ ডিলার মাহামুদ আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো. মাহামুদ হাসান (২৯) নামের এক গাজা কারবারীকে আটক করেছে পু্লিশ। আটক মাহামুদ মোংলা উপজেলার আন্ধারিয়া গ্রামের মো. তরিকুল ইসলামের পুত্র। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে।

পু্লিশ জানায়, শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টায় গিলাতলা বাজারের সরকারী হাইস্কুল মোড় দিয়ে ব্যাগে করে মাহামুদ গাঁজা নিয়ে মোংলা যাচ্ছিল। ওই সময় বাজারের পাহারাদার, বাজার কমিটির সদস্য ও গ্রামপুলিশ তাকে আটক করে। খবর পেয়ে রামপাল থানার এসআই মো. কামাল হোসেন গাঁজাসহ মাহামুদকে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি গাঁজাসহ আসামী আটক ও শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এমপি রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বহুল আলোচিত স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে কাবিখা, কাবিটা, টিআর, এডিবিসহ বিভিন্ন প্রকল্প দেওয়ার নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত প্রায় পাঁচ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে শতাধিক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। নির্বাচনি হলফনামায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য গোপন করেছেন। ভুক্তভোগীরা এমপি বাবলুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বগুড়ার শাজাহানপুরের মাঝিরা ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য মজিবুর রহমান ও অন্যরা অভিযোগ করেন, সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার বাৎসরিক আয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা উল্লেখ করেন। সে হিসাবে তার মাসিক আয় ছিল ৪১৭ টাকা। ব্যাংক হিসাব শূন্য ও একটি মাটির বাড়ির কথা উল্লেখ করেছিলেন।

তিনি ২০০৭ সালে নিজের প্রতিষ্ঠিত কারিগরি বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুস নেওয়ায় এক ব্যক্তি মামলা করেছিলেন। এমপি হলফনামায় ৩(ক) ও ৩ (খ)তে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার তথ্য গোপন করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আগে পুরাতন মোটরসাইকেলে চলাফেরা করলেও সংসদ-সদস্য হওয়ার দুই মাসের মাথায় ৩৪ লাখ টাকা দামের গাড়ি কিনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। মাটির বাড়ি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে। শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর, মাঝিরাসহ বিভিন্ন এলাকায় চার জামাতাকে ভবন নির্মাণ করে দিয়েছেন। ডোমনপুকুর এলাকায় মাঝিরা বিএম কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে নিজের টাকায় জায়গা কিনেছেন।

নিজেই দাবি করেন, তিনি (এমপি) শতকোটি টাকার মালিক। ২০২০ সালের অক্টোবরে অস্ত্র ও ম্যাগাজিনসহ নিজের একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল করে তুমুল সমালোচিত হন এমপি বাবলু।

তারা আরও বলেন, এমপি বাবলু এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গোরস্থান, ক্লাব ও সমিতিকে টাকা ছাড়া কোনো প্রকল্প দেন না। কাবিখা, কাবিটা, টিআর, এডিবি, সৌর প্যানেল, টিউবওয়েলসহ সরকারের যত প্রকল্প আছে সব টাকার বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। গত প্রায় পাঁচ বছরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ায় দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয় থেকে তাকে নোটিশ করা হয়েছিল। তদন্তে অনেক অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির সন্ধান পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেন। সেই কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর এমপি বাবলু মামলার কার্যক্রম চাপা দিয়ে রেখেছেন। তারা এমপির সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি বরাদ্দে স্বজনপ্রীতি ও লুটপাটের বিচার চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশা আলমগীর অভিযোগ করেন, এমপি বাবলু কাবিটা-কাবিখা প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ দেওয়ার নামে তার কাছে চার লাখ টাকা নেন। আজ পর্যন্ত প্রকল্প পাননি। তাকে টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এ টাকা ফেরত নিয়ে বাগবিতণ্ডায় এমপি শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নুর দিকে পিস্তল তাক করেছিলেন। এমপি বাবলু কয়েক বছরে প্রকল্প দেওয়ার নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিরা উত্তরপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলামের ছেলে আশরাফ আলী মিঠু অভিযোগ করেন, এমপি বাবলু ও তার পিএ রেজাউল করিম রেজা তাকে ১২টি প্রকল্পের কাজ দেওয়ার নামে তিন লাখ টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ দেওয়া হয়নি। অনেক দেনদরবার করে মাত্র ২০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন। তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। সেখান থেকেও এমপি পাঁচ হাজার টাকা কেটে নিয়েছেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ-সদস্য বাবলু নির্বাচনি হলফনামায় যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন এর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বগুড়ায় নির্মাণাধীন বহুতল বাড়ি, ঢাকায় ফ্ল্যাট, ব্যক্তিগত ৩-৪টি গাড়ি কেনার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে শুল্কমুক্ত একটি বিলাসবহুল পাজেরোও আছে। নোটিশের প্রেক্ষিতে এমপি বাবলু ২০২১ সালের ২৩ জুন তার সম্পদ বিবরণী জমা দেন।

সাবেক সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি তদন্তকালে এমপি বাবলুর স্ত্রীর নামে কোটি টাকার বেশি ও এমপির নামে ৬০-৭০ লাখ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা। এতদিন কেন মামলা হয়নি তা বোধগম্য নয়। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, এমপি বাবলু তার সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। যা বর্তমানে অনুসন্ধানে রয়েছে।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শুক্রবার বিকালে ফোনে সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা সবাই মাদকসেবী। তারা কারও ইন্ধনে ও চাঁদা না পেয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য মিথ্যাচার করছেন। তিনি প্রকল্প দেওয়ার নামে কারও কাছ থেকে কখনো টাকা নেননি। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোনো সম্পদ অর্জন করেননি বলেই দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করেনি। তিনি দাবি করেন, তার চার জামাতা অনেক ধনী। তারা নির্বাচনের সময় তাকে সহযোগিতা করেছে। এখনো অনেক সহযোগিতা করে থাকে। তাই তাদের ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এছাড়া তিনি নিজেও কোনো ভবন নির্মাণ বা বাড়ি-ফ্ল্যাট ক্রয় করেননি। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

সিচুয়েশনশিপ হ্যাঁ ঠিক পড়েছেন, এটা সম্পর্কের এক নতুন নাম

হান্টার বাইডেন অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ডেলাওয়্যারের একটি আদালতে

বাগেরহাটের রামপালে রড চোরসহ আটক -২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে এবার হাওলাদার শাহারুখ (১৯) নামের এক রড চোরকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মাসুদ রানা নামের এক ব্যাক্তি বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি চুরির অভিযোগে মামলা করেছেন। আটক শাহারুখ উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মিজান হাওলাদারের পুত্র।

পু্লিশ জানায়, সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২ টার সময় উপজেলার গিলাতলা বাজারের হামীম পরিবহন কাউন্টারের সামনে কয়েটি বস্তায় ব্রীজ নির্মাণের রড চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল ওই শাহারুখ। এ সময় জনতা পু্লিশকে খবর দিলে পু্লিশ তাকে ৪৫ কেজি রডসহ হাতেনাতে আটক করে। আটক শাহারুখ কে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। একই দিন রাত ১০ টায় চাকশ্রী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পারি জারি ১০/১৮ নং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী নাজমুল হাসান (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার চাকশ্রী গ্রামের হাওলাদার নজরুলের পুত্র।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম দুইজন আসামী আটক ও আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ষ্টেশনে পানি বিক্রি করা থেকে জুয়েল গড়ে তুলল অপরাধের সাম্রাজ্য

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন মো. জুয়েল নামে এক যুবক। তিন বছর আগেও স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ফেরি করে পানির বোতল বিক্রি করা জুয়েল রীতিমতো বাহিনী গড়ে তুলেছেন। এ বাহিনীতে রয়েছে অর্ধশত শিশু-কিশোর। ভাসমান এসব শিশু-কিশোরের মাধ্যমে স্টেশন এলাকায় চলে মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ। কেবল তাই নয়, জুয়েল বাহিনীর নেতৃত্বে এ এলাকায় প্রকাশ্যে চলে পতিতাবৃত্তি ও জুয়ার আসর। তাদের ছত্রছায়ায় মাদক সেবন ও বেচাকেনায় যারা জড়িত, তারাও থাকেন নির্ভয়ে। অপরাধের এ হটস্পট পয়েন্ট থেকে রেলযাত্রীদের মোবাইল ফোন ও হাতব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া যেন এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর প্রতিরোধ করতে গিয়ে জুয়েল বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছেন খোদ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্যরা। এ বিষয়ে একাধিকবার আরএনবির পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে জুয়েল বাহিনীর দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে।

সূত্র জানায়, ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের অটোরিকশা পার্কিং এলাকায় জুয়ার আসর বন্ধে অভিযান চালান আরএনবি সদস্যরা। একই সঙ্গে ভাসমান দোকানদার সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে কিছু দোকান সরে গেলেও জুয়েল বাহিনীর একটি দোকান সরাতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েন আরএনবি। রেলওয়ের জায়গা থেকে সরে না গিয়ে জুয়েল বাহিনীর সদস্য মো. গফুর আরএনবি সদস্যদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে আরএনবি সদস্যদের মারধর করতে এগিয়ে গেলে নিজেদের চৌকিতে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন বাহিনীর সদস্যরা।

এ নিয়ে ওই দিনই কোতোয়ালি থানায় আরএনবির জেনারেল শাখার সিআই মোহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান বাদী হয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন। এর আগে গত বছরের ৩১ অক্টোবর স্টেশন এলাকায় অবৈধ দোকান সরাতে গিয়ে জুয়েল বাহিনীর হামলার শিকার হন আরএনবি সদস্যরা। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করেনি। ওই ঘটনায় ২ নভেম্বর কোতোয়ালি থানায় জিডি করেন চৌকির সিআই আমানউল্লাহ আমান। তবে কোনো ঘটনাতেই জুয়েল বাহিনীর কেউ আইনের আওতায় আসেনি। এরপর থেকে জুয়েলের কোনো কাজে পারতপক্ষে বাধা দিতে দেখা যায়নি আরএনবি সদস্যদের।

আরএনবির চট্টগ্রাম জেনারেল শাখার সিআই আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘স্টেশন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা সরাতে গিয়ে বিভিন্ন সময় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এ বিষয়গুলো আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন পুরাতন রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম কোনায় প্রকাশ্যে বিক্রি হয় গাঁজা। মাদকের এ স্পটটি গুজার গাঁজার স্পট হিসাবে পরিচিত। এ ছাড়া নতুন স্টেশনের উত্তর দিকের পার্কিং মাঠে রয়েছে মিনা নামে এক নারীর গাঁজা ও ইয়াবার স্পট। নগরীর ৮০ শতাংশ গাঁজা সেবনকারী এ দুটি স্পট থেকে মাদক সংগ্রহ করে থাকে। মাদকের দুটি স্পটই নিয়ন্ত্রণ হয় জুয়েলের মাধ্যমে। কেবল এ দুটি স্পট ছাড়াও স্টেশন এলাকার চোলাই মদ বিক্রেতারাও জুয়েল বাহিনীকে ম্যানেজ করতে হয়। অপর দিকে জুয়েলের নেতৃত্বে অটোরিকশা পার্কিং মাঠে প্রতিদিন বিকাল থেকে আয়োজন করা হয় ইন্ডিয়ান তির খেলা নামক অনলাইন জুয়ার আসর। এ আসরে দায়িত্ব পালন করেন জুয়েল বাহিনীর রনি, আকাশ, সুমন ওরফে চান্দি সুমন ও জয়নাল। রাত ১১টার পর অটোরিকশা পার্কিংয়ের ছাদের ওপর বসে জুয়ার আসর। এ আসরটি চলে সকাল ৮টা পর্যন্ত। শফিকুল নামে এক যুবক এ আসরটি নিয়ন্ত্রণ করেন। শফিকুল জুয়েলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহচর। এ ছাড়া রয়েছে জনি, জলিল, তারেক, ছোট জুয়েল, কামাল, খোকন, হাসান ওরফে মামা হাসান অন্যতম।

স্টেশন এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে পতিতাবৃত্তি চালাতে হলে জুয়েল বাহিনীকে প্রতি মাসে মাসোয়ারা দিতে হয়। মেহেদী নামে এক যুবক হোটেল সিলটন, বসুন্ধরা, আলী বোর্ডিং, গনি বোর্ডিং, ইরেন, মেট্রো ইন এবং স্টেশনের অভ্যন্তরে দুটি আবাসিক হোটেল জুয়েলের নামে মাসোয়ারা নিয়ে থাকে। এ ছাড়া স্টেশন এলাকার ৩০ জন পতিতা ও ১০ দালালের কাছ থেকে প্রতিদিন জুয়েলের নামে চাঁদা আদায় করে শিউলি, নুর জাহান ও ফারুক ওরফে ঠোঁট কাটা ফারুক।

পুরাতন স্টেশনসংলগ্ন ফলের আড়তে সড়কে গাড়ি রেখে মালামাল আনলোড করতেও জুয়েল বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয়। স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের মোবাইল ও ব্যাগ ছিনতাইয়ে সঙ্গে জুয়েলের অন্তত ২০ শিশু-কিশোর রয়েছে। তারা সকাল, বিকাল ও রাতে তিন শিফটে ছিনতাই করে থাকে বলে জানা গেছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মো. জুয়েল বলেন, ‘স্টেশনের ছাদের ওপরের জুয়ার আসর এবং অনলাইন জুয়ার আসর ছাড়া অন্য কিছুর সঙ্গে আমার সম্পৃক্তা নেই। যারা আমার বিষয়ে এসব কথা বলেছে তারা ভুল বলেছে।’ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, ‘রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় যে কোনো অপরাধের খবর পেলেই তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে স্টেশন এলাকায় জুয়ার আসর চলছে-এমন সংবাদ পেয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে সেখান থেকে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।’সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

রামপালে ওয়ারেন্টভুক্ত অস্ত্র মামলার আসামীসহ গ্রেফতার- ২

ডুমুরিয়ায় ব্র‍্যাকের আয়োজনে স্কুল শিক্ষার্থীদের তরুন‍্যের জ্ঞান মেলা, কুইজ বির্তক ও চিত্রাংঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভা

রামপালে ওয়ারেন্টভুক্ত অস্ত্র মামলার আসামীসহ গ্রেফতার- ২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ওয়ারেন্টভূক্ত অস্ত্র মামলার আসামীসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পু্লিশ। রামপাল থানা পু্লিশ রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে আসামীদের বসত বাড়ী থেকে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের সোমবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কামরাঙ্গা গ্রামের গোপাল দাসের পুত্র জিআর ১৬২/১৩ এর আসামী খোকন দাস (৫০) ও গাববুনিয়া গ্রামের মিকাইল মল্লিকের পুত্র সিআর ৭০৮/২৩ নং মামলার আসামী মো. রুবেল মল্লিক (৩৮)।

রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম ওয়ারেন্টভূক্ত দুই আসামীকে আটক ও তাদের সোমবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামপালে আরও ৩ তামার তার চোর আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি || 

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে আরও ৩ জন তামার তার চোর আটক করেছে। পূর্বের দায়ের করা মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো, উপজেলার আদাঘাট গ্রামের মৃত লিয়াকত আলীর পুত্র মো. আল আমিন গাজী (৩০), চাঁদপুর গ্রামের মো. দাউদ শেখের পুত্র মো. হিরক শেখ (৩২) ও ছোট নবাবপুর গ্রামের মো. সিরাজ শেখের পুত্র মো. ফরিদ শেখ (৩২)।

রামপাল থানা পু্লিশ জানায়, গত ইং ২৬ আগষ্ট রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৯০ কেজি তামার তার চুরি হয়। ওই সময় হাতেনাতে কয়েকজন চোরকে আটক করা হলে কিছু চোর পালিয়ে যায়। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের রবিবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম।