মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় রাস্তার পাশ থেকে মোশারফ মৃধা (৫০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মৃধাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে- তাকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। নিহত মোশারফ বালিদিয়া মৃধাপাড়া এলাকার মৃত নুরুল মৃধার ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই বালিদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর মৃধা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে গ্রামের পাকা রাস্তা দিয়ে বাড়িতে ফিরছিল মোশারফ মৃধা। পথে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয়রা সেখানে পৌঁছানোর আগেই মোশারফের মৃত্যু হয়। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীত কুমার রায় জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মোশারাফ মৃধা নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১২টার পরে পুলিশ তার মরদেহটি উদ্ধার করে মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

আমতলীতে গভীর রাতে ৩৬০ কেজি জাটকা আটক

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী ( বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলীতে গতকাল গভীর রাতে পটুয়াখালী’র মহিপুর থেকে আগত একটি ভটভটি থেকে প্রায় ৩৬০ কেজি পরিমাণ জাটকা আটক করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। পরে আটককৃত জাটকা উপজেলার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিভিন্ন এতিমখানা ও দুস্থ-অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয় এবং জাটকা পরিবহনের অপরাধে ভটভটি চালকসহ দুইজনকে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন (১৯৫০) অনুযায়ী দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

গতকাল রাত একটার সময়ে জাটকাবিরোধী মোবাইল কোর্ট এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন উপজেলা মৎস্য অফিসার জনাব হালিমা সরদার,কৃষি অফিসার সি এম রেজাউল করিম,সমাজসেবা অফিসার মোঃ মানজুরুল হক কাউসার,মেরিন ফিশারিজ অফিসার জনাব এস এম ফারাহ, উপজেলা প্রশাসন, আমতলী থানা পুলিশ ও মৎস্য অফিসের সদস্যবৃন্দ এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের জাটকা বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভয়নগরে সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সিদ্ধিপাশা ইন্সটিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক, পরিছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী, আয়া পদে নিয়োগের বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অভিভাবক সদস্যরা বিভিন্ন দপ্তরে গত অক্টোবরের শেষে দিকে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জানা গেছে, অত্র বিদ্যালয়ে ৪টি পদে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান গোপনে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বিনিময়ে এ নিয়োগ দিয়েছেন।

যে কারণে অভিভাবক সদস্য ও এলাকাবাসীরা ফুসে উঠেছেন। অভিভাবক সদস্য দেবব্রত ভদ্র, পিয়ারি, জাকির ফারাজী, আবের আলী শেখ বাদী হয়ে মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা, পরিচালক ব্যানবেইস ঢাকা, পরিচালক দুদক কার্যালয় খুলনা, উপপরিচালক দুদক কার্যালয় যশোর, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ওই নিয়োগ বন্ধ করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে না জানিয়ে অফিস সহায়ক, পরিছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তা কর্মীও আয়া পদের জন্য গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনা কমিটিকে কোন সভা, বা কোন প্রকার মৌখিক ভাবে কিছু না জানিয়ে অবৈধভাবে নিয়োগ কমিটি গঠন ও নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সহ নিয়োগ ও যোগদান পত্র দিয়ে যোগদান করানো হয়। এতে মোটা অংকের বিনিময়ে আইন বর্হিভুত ভাবে নিজের ইচ্ছেমত সভাপতির আপন বোন ও আত্মীয়দের এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, রেজুলেশনে ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন স্বাক্ষর নেই। প্রধান শিক্ষক জাল স্বাক্ষর করে এই কাজ পরিচালিত করেছেন।  তিনি স্বার্থসিদ্ধি ও বিদ্যালয়ের আর্থআত্মসাৎ ও ভুয়া ভাউচারসহ নিয়োগ বানিজ্যের উদ্দেশ্যে এ কার্য সাধন করেন। যেন কোন লোকজন জানতে না পারে। সে জন্য গত অক্টোবর মাসে রাতের বেলায় উক্ত চারটি পদে বিদ্যালয়ে নামমাত্র নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর ওই চার প্রার্থীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের যোগদানপত্র দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে অভিভাবক সদস্য দেব্রত ভদ্র, পিয়ারী , জাকির ফারাজী, আবের আলী শেখ জানান, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক অফিস সহায়ক পদে সুফিয়া খাতুনকে সনদ বানিয়ে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এবং সভাপতি জিয়া মোল্যার স্ত্রী শারমিন বেগম তার বোন সুফিয়া খাতুনের লিখিত পরীক্ষাটি করে দেন। খাতা চেক করলে হাতের লেখায় প্রমাণ পাওয়া যাবে। আয়া পদে সোনালী দাসের শিক্ষাগত যোগ্যতা জাতীয় পরিচয় পত্রের মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ মিল না থাকার স্বত্তেও যাচাই বাছাইয়ে বাদ দেওয়া হয়নি। তাকেও এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা আরো বলেন, প্রধান শিক্ষকের ব্যানবেইস ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ৯৬২৫। অথচ তিনি বেতন তোলেন ৯৬২৮ এ ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে যা অবৈধ। প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ। তার বিরুদ্ধে ২০০৭/০৮ অর্থ বছরে মিনিস্ট্রির অডিটের আপত্তি দেওয়া হয়। ওই সময়  প্রধান শিক্ষক তার নিয়োগে তিনি জাল স্বাক্ষর ও সিল তৈরি করেন। যা এখনো তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। এখনো তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অডিট আপত্তি আছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জিয়া মোল্যার সাথে কয়েকদিন যাবত যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি (০১৯৫৯৮০৯০৫১) বন্ধ পাওয়া যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির বোনকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ করেছেন তাদের মধ্যে থেকে নিয়োগ পেতে চেয়েছিল। তাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। অত্র বিদ্যালয়ে ৪টি পদে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান গোপনে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বিনিময়ে এ নিয়োগ দিয়েছেন, বেতন প্রসঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ব্যাংক ৯৬২৮ এ্যাকাউন্ট থেকে তুলে থাকি। ব্যাংক হিসাব নম্বর ৯৬২৫ টা সচল নেই। এইটার ব্যাপারে ব্যাংকে অবজেকশন দেয়া আছে। কিংবা কোনো সদস্য বা অভিভাবকরা কি মনে করল সেটা তার দেখার বিষয় নয়। যথাযথ নিয়মানুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, এ নিয়োগ বিষয়টি নিয়ে ডিডি অফিস থেকে কোন তদন্ত হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান আমার নিকট আসছিলেন এ বিষয়ে কথা বলতে। এই প্রতিবেদককে তিনি আরো জানান, বিষয়টি আমি জানিনা।

Daily World News

রুবেল এখন টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট

অভয়নগরে তরুণলীগের নব গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা

ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ঝামা বাজার শাখা’র ৩য় বর্ষপূর্তিতে গ্রাহক সমাবেশ

অভয়নগরে ইটভাটায় পুড়ছে মাটি, কৃষি উৎপাদন ঝুঁকিতে

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে ইট ভাটাগুলোতে অবাধে পুড়ানো হচ্ছে ফসলি জমির মাটি, কৃষি উৎপাদন ঝুঁকিতে। ফসলি জমির উর্বরা শক্তি মাটি দিয়ে ব্যবহার করে ইট তৈরি করছেন ইটভাটা মালিকেরা । ফসলি জমির মাটি কেটে নেয়ার কারনে জমির উর্বরতা দিন দিন কমে যাচ্ছে ।যে কারনে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, বারবার বারণ করা সত্বেও ইটভাটা মালিকরা ফসলি জমির মাটি ব্যবহার করে ইট বানাচ্ছেন। এব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা উর্বর ভূমি কমে যাওয়ার বিষয়টি জানলেও কেন যে নীরবতা পালন করছেন তা বোধগম্য নয় । পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলছেন, যে সকল ভাটা মালিকগণ ফসলি জমির মাটি ব্যবহার করছেন তাদের বিষয়ে সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ইট তৈরির জন্য প্রায় ৯০ ভাগ ইট ভাটা মালিকগন স্থানীয়ভাবে ফসলি জমির মাটি ক্রয় করে থাকেন। দেশীয় মাটি কাটার কোদালের মাপে ১ কোপ মানে প্রায় ১২ইঞ্চি করে মাটি কেটে আনা হয় ফসলি জমির উপরিভাগ থেকে। কেটে নেয়া মাটি কৃষি জমির একেবারে উপরের অংশ যাকে টপ সয়েল বলে। জমির টপ সয়েল কেটে নেয়ার ফলে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উর্বরতা শক্তি হারাচ্ছে ফসলি জমিগুলো। এ কারণে প্রতি বছরই কমছে ফসল উৎপাদন। টপ সয়েল বিক্রিকারী জমির মালিকদের কাছ থেকে মাটি বিক্রির সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও ভাটা মালিকরা বলছেন, জমির মালিকরা জেনেশুনেই মাটি বিক্রি করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইটভাটা কর্মচারী বলেন, টপ সয়েল ব্যতীত ইট তৈরী সম্ভব না। জমির উপরিভাগ হতে এক কোদাল করে যে মাটি কেটে আনা হয় সেই মাটি দিয়ে ভালো ইট তৈরী হয় । এর পর যত নীচে যাবেন ততনীচে বালি পাওয়া যাবে যা দিয়ে কোন ভাবেই ইট তৈরী সম্ভব নয়। মাটি ব্যতীত ইট তৈরি বিকল্প কাঁচামাল না থাকার কারনে আমাদেরকে জমির মাটি কিনতে হচ্ছে উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ নাসির উদ্দীন জানান, ইটভাটায় ফসলি জমির উর্বর মাটি ব্যবহার বন্ধে ইটভাটার মালিকদের বারবার বারণ করা হয়েছে। কিন্তু এসব কথা তারা কর্ণপাত করেননি ইটভাটার মালিকরা । অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী বলেন, ফসলি জমির উর্বরাশক্তি মাটি ব্যবহার করলে স্বাভাবিক ভাবেই সেই জমিতে ফসল উৎপাদন কম হয়। তাই ইটভাটায় ফসলি জমির উর্বর মাটি ব্যবহারে সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ইটভাটাগুলোতে দ্রুত উর্বর মাটি ব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খুলনায় চাকরির প্রলোভনে তরুণ-তরুণীদের সাথে প্রতারণায় গ্রেফতার-৭

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনায় অগ্নি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে শত শত বেকার তরুণ-তরুণীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের নারীসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- অগ্নি কোম্পানির মূলহোতা অভয়নগরের উপজেলার সৈয়দ তানভীর আহম্মেদ (৩১), খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সাহাবুদ্দিন (৪০), ঝালকাঠি রাজাপুরের সোহেল (২৮), মোল্লারহাট উপজেলার হাড়িদাহের রেজাউল করিম (৩০), সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার জাদরপুরের জাহিনুর ইসলাম (২০), নগরীর বয়রার জহিরুল ইসলাম (২০) ও ঝালকাঠির রাজাপুরের এক নারী সদস্য।

রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-৬ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সারোয়ার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসময় তিনি জানান, র‌্যাব-৬ গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে
জানতে পারে খুলনা মহানগরীতে একটি প্রতারক চক্র ফেসবুকে চাকরির চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেকার তরুণ-তরুণীকে ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে আসছিল।
প্রতারক চক্রটি বেশ কিছু তরুণ-তরুণীকে তাদের অফিসে আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। গত শনিবার রাত ৮টায় র‌্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল খুলনার সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর এলাকায় এনএইচ টাওয়ারের ৬ তলায় অবস্থিত অগ্নি কোম্পানি লিমিটেডের অফিসে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদেরও উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য এবং আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চক্রটি তরুণ-তরুণীদরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাদেরকে অফিসে ডেকে নানা ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করতো এবং তাদেরকে অন্যদের ফাঁদে ফেলানোর কাজে বাধ্য করতো।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪টি ল্যাপটপ, ৪০টি ভর্তি ফরম, ৪৫টি অঙ্গীকার নামা, ১টি সিসি ক্যামেরার ডিভাইস, ৪টি রেজিস্টার, ৫৪ হাজার ২১০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জব্দ করা আলামত ও আসামিদেরকে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মাগুরায় পুত্রবধুকে ধর্ষণের করতে গিয়ে লম্পট শ্বশুর গণপিটুনি স্বীকার, অতঃপর আটক

সুজন মাহমুদ, মাগুরাঃ

মাগুরায় পুত্রবধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়ে গণপিটুনি খেয়ে শশুর এখন পুলিশের হাতে আটক। মাগুরা সদরের কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের আমুড়িয়া যশকান্দির গুচ্ছ গ্রামে গত বুধবার ভোর ৩.৩০ টার দিকে শশুর খোকন মোল্যা (৪৫) পুত্রবধুকে ধর্ষণ করতে গেলে তার ডাক চিৎকার শুনে পাশের লোকজন এসে শশুরকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে মাথার চুল কেটে মাগুরা সদর থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।

এ ঘটনার পর ভিকটিমকে চিকিৎসা দিতে  মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। ভিকটিম পুত্রবধু জানায়, আমার স্বামী কাজের জন্য বাড়িতে ছিলো না,শ্বাশুড়ি ও ঢাকায় একটি কাজের জন্য গিয়েছিলো। আমি আমার শ্বশুরের খাবার তার রুমে রেখে দিয়ে আমার ঘরে শুয়ে ছিলাম। সে আচমকা আমার ঘরে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে কোন চেচামেচি করলে তোকে মেরে ফেলবো। তোর মত কত গুলোকে মেরে নদীতে ড্রেনে ফেলে দিয়েছি,আমার কথা শোন, আমার কাজ আমাকে করতে দে না হলে তোকেও মেরে ফেলবো। আমি তখন শ্বশুরের হাতে কামড় দিয়ে চিৎকার চেচামেচি করতে গেলে তখন সে আমার গলা চেপে ধরে তখন আমার গোংরানি শুনে আশপাশের লোকজন এসে আমাকে তার হাত থেকে উদ্ধার করে।

আমি এই শ্বশুর নামের নরপশুর কঠিন শাস্তি চাই। যাতে আমার মত কেউ আর এ রকমের ঘটনার স্বীকার না হতে হয়।খোকনের স্ত্রী রাশিদা বলেন সে (খোকন) খুব খারাপ স্বভাবের লোক। বিভিন্ন খারাপ মহিলা এনে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে দেহ ব্যবসা করায়। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এর আগেও সে আখিরন নামে একটা মেয়ের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় মহম্মদপুরে ধরা খেয়ে মানুষের কাছে গণপিটুনি খেয়েছে। মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনী) ডাঃ শামছুর নাহার (লাইজু) বলেন, ভিকটিমের সকল কিছু আমরা দেখেছি। সে ৪ থেকে ৫ মাসের গর্ভবতী মনে হচ্ছে। আলামত সংগ্রহ করেছি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বোর্ডের মাধ্যমে রিপোর্ট দেওয়া হবে।

এ ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ বলেন খোকনকে লোকজন আটক করে পুলিশকে খবর দিলে আমরা গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মামলার পরে তার বিরুদ্ধে আইকন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খোকন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের নিকড়হাটা গ্রামের আব্দুর রহমান মোল্যার পুত্র।সে রাশিদাকে বিয়ে করে মাগুরা সদর উপজেলার আমুড়িয়া যশকান্দী এলাকার গুচ্ছ গ্রামে স্ত্রী রাশিদার পূর্বের পক্ষের ছেলেকে নিয়ে পরবর্তী ও বর্তমান স্বামী খোকন কে নিয়ে  একসাথে থাকে।

নাঙ্গলকোটে খালের পাড়ের মাটি  হরি লুট। প্রতিবাদকারী কৃষকদের প্রশাসনের হেনস্তা।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নাঙ্গলকোট উপজেলার পাটোয়ার ধাতিস্মর সংযোগ খালের দুই পাড়ের মাটি লুটে নিচ্ছে সুবিধাবাদি মহল।গেল বর্ষায় পানিউন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থেখালটি অস্কার করা হয় এবং দুই পাশে পানি নিয়ন্ত্রণে বাধতৈরি করে কিন্তু হঠাৎ একটি সুবিধাবাদী মহল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে মাধ্যম তৈরি করে মাটি গুলো জোরপূর্বক নিয়ে যাচ্ছে।কৃষকেদের প্রাণের জমির মাটি রক্ষায় দিকবেদিক ঘুরাঘুরি করে কূল পাচ্ছেনা।প্রশাসনের পক্ষহতে উল্টো ধমকিও হয়রানির শিকার হয়ে জেলাপ্রশাসক বরাবরমাটি রক্ষায় আবেদন জানিয়েছেন।

বরগুনার আমতলীতে এনজিও অফিস থেকে লক্ষাধিক টাকা চুরি

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে বে-সরকারী সংস্থা পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের উপজেলা অফিসে ৬ তারিখ মধ্য রাতে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উক্ত অফিস থেকে সারে তিন লক্ষ টাকা নিয়েছে বলে জানান কর্তপক্ষ। আমতলী থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এনজিও’র অফিস সূত্রে জানা যায়, আমতলী পৌর শহরের একে স্কুল সংলগ্ন ইনসাফ হসপিটাল এলাকায় বরগুনার আমতলীতে বে-সরকারী সংস্থা পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের অফিস। হিসাব রক্ষক মিল্টন বাড়ৈ সকাল ৮টায় অফিস ঘর খুলে দেখে টেবিলের ড্রয়ার ভাংগা ও অগোছালো। এরপর আলমিরা ভাংগা দেখে অফিস স্ট্যাফদের খবর দেয়। আলমিরার ভিতরে রক্ষিত ৩. ৪,৬১৯ টাকা চোরেরা নিয়া যায়। জোনাল অফিসার (পটুয়াখালী) খন্দকার আবুল বাশার এসে অফিস পরিদর্শণ করেন।

অফিস ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে যে কোন সময় সংঘবন্ধ চোরদল অফিসের জানালার গ্রীল ভেংঙে অফিসে ঢুকে আলমারির দরজা ভেঙে নগদ ৩,৪,৬১৯ টাকা নিয়ে যায়।

আমতলী থানার অফিসার ইন চার্জ এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভয়নগরে জমিজমা বিরোধের জের ধরে ছেলের হাতে পিতা-মাতা জখম

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরের জমিজমা বিরোধের জের ধরে ছেলের হাতে পিতা-মাতা জখম হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নওয়াপাড়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুর গ্রামে  নিজ পিতা মাতা  ওভাইকে পিটিয়ে রক্তাক্ত‌ ও জখম করেছে ছেলে। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।

আহতদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বারিক সরদারের (৭২) বড় ছেলে মফিজ সরদার নিজের নামে জমি লিখে দিতে অনেকদিন ধরে তার পিতাকে মানসিক ভাবে  চাপ দিতে থাকে। বাবা জমি লিখে না দেয়ায় মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় নিজ পিতার  সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন । এক পর্যায়ে ছেলে মফিজ তার পিতাকে লোহার সাবল দিয়ে মারপিট করতে থাকে। এসময় মা আছিয়া বেগম (৬৫) ঠেকাতে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। এতে তার মায়ের মাথা ফেটে যায়। এরপর ছোট ভাই হাফিজুর রহমান ঠেকাতে গেলে তার মাথায়ও আঘাত লাগে সেও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ওই সময় স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।

বারিক সরদার বলেন, বড় ছেলেকে আমি কয়েক দফায় ইজিবাইক কিনে দিয়েছি। ইজিবাইক বিক্রি করে সে টাকা খরচ করে ফেলে। এখন তাকে জমি লিখে দিতে হবে বলে বাহানা করে । আমি যদি তাকে জমি লিখে দেই তাহলে সে জমিও বিক্রয় করে দেবে এই ভয়ে, জমি লিখে না দেয়ায় আমাদের এভাবে জখম করেছে।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, বারিক সরদার ও তার স্ত্রী আছিয়া বেগমের মাথায় প্রচন্ড আঘাত লেগেছে। মাথা ফেটে গেছে দুইজনকে শেলাই দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসাধীনে থাকতে হবে ।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনর্চাজ একেএম শামীম হাসান বলেন, ছেলে তার পিতা মাতাকে মারপিট করেছে। ঘটনাটি শুনেছি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খুলনার রূপসায় বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার ও বোমা ফাটানোর ঘটনায় গ্রেফতার ৭

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার রূপসায়  থানা পুলিশ  গত ৬ডিসেম্বর  রা আনুমানিক ১০টা ৩০মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে নৈহাটি ইউনিয়নের আমদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে  যুব জাগরণী সংঘ এর পিছনে ফাঁকা জায়গায় ৫০-৬০ জন দুষ্কৃতকারীরা বোমা ফাটাইয়া ও তাহাদের হেফাজতে বিস্ফোরক দ্রব্য বোমা রাখিয়া জীবন ও সম্পত্তির সাধন করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে।

থানার এস আই কামরুজ্জামান বিষয়টি জানতে পেরে থানা অফিসার ইনচার্জ  সরদার মোশাররফ হোসেনকে কে অবহিত করিয়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন‍্য  সঙ্গী ও অফিসার নিয়ে রাত সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় উক্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অবস্থানরত দুষ্কৃতিকারী গন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশ বাদশা জমাদার (৪৮)  মো: রিপন আকন (৪৩) সৈয়দ আবু হানিফ সোহাগ (৩৪)মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫২) এস এম কামাল উদ্দিন (৪৮) জাহাঙ্গীর হালদার (৫১)ও  ইমরান মীরকে আটক করে এবং এজাহার নামীয় ৫০-৬০জন দুস্কৃতিকারী পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামি বাদশা জমাদ্দারের ডান হাতে থাকা মাঝারি সাইজের একটি প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের মধ্যে হতে ৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু যাহা প্রত্যেকটি লাল টেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় এবং ঘটনাস্থল হইতে  বোমা বিস্ফোরিত দুইটি টিনের কৌটার অংশ বিশেষ উদ্বার করে।

এছাড়া আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে তারা ও এজাহার নামীয় পলাতক আসামিরা এবং অজ্ঞাতনামা আসামিরা সকলেই একে অপরের যোগ সাজোসে ও সহায়তায় দুটি বোমা ফাটাইয়া এবং উক্ত ব্যাগে পাঁচটি বোমা অন্তঘার্তি কার্য করিবার উদ্দেশ‍্যে এবংঅন‍্যের জীবন ও সম্পত্তি ক্ষতি সাধনের জন‍্য  একে অপরের সহায়তায় নিজেদের হেফাজতে রাখিয়াছে। আসামিরা  অন‍্যের জিবন ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের জন্য একে অপরের সহায়তা নিজেদের হেফাজতে রাখিয়া ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে বোমা ফাটাইয়া ও বোমা সদৃশ্য বস্তু নিজ  হেফাজতে রাখিয়া দি স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ১৫ (৩)/২৫-D

তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৩/৪(খ)/৫/৬ ধারার অপরাধ করিয়েছে।

এব‍্যাপারে এসআই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ৬, তাং-৬/১২/২২।

এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন বাদশা জমাদ্দার, রিপন আকন,সৈয়দ আবু হানিফ সোহাগ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, এস এম কামাল উদ্দিন,জাহাঙ্গীর হালদার,ইমরান আলী মীর,  শাহাবুদ্দিন ইজারাদার, মাহমুদুল আলম লোটাস,  মো: আতাউর রহমান রুনু, রাঙ্গু সোহেল, রুবেল মীর, ইউনুস আলী শেখ, মিজানুর রহমান, বাবুল শেখ, আকতার শেখ, মালেক শেখ, সাইফুল পাইক, কবির  শেখ, শাহজালাল লস্কর, সহ অজ্ঞাত ৫০ ৬০ জন।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশের টহল গাড়ি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পেরে আমরা আমদাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের পশ্চিম দক্ষিণ করে সেখানে উপস্থিত হই এবং সেখান  থেকে  বোমা সদৃশ্য পাঁচটি বস্তু  উদ্ধার ও দুটি বোমা ফাটানো টিনের কৌটা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এবং ২২ জনের নামে এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের  করা হয়।