গৃহবধুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বরিশালে এসআইয়ের বিরু‌দ্ধে মামলা

 

 গৃহবধুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন  ভুক্তভূগীর পরিবার। সেই জিডি তদন্তের নামে ওই গৃহবধূকে থানায় ডেকে যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশের উপপরিদর্শকের (এসআই)এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (গৃহবধূকে) বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে সোমবার (২৪ মে) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন যৌন হয়রানির শিকার ওই গৃহবধূ। তবে এক সপ্তাহ পর আজ সোমবার (৩১ মে) বিষয়টি জানাজানি হয়। মামলার বাদী জানান, পুলিশের চাপের মুখে এতদিন কাউকে বিষয়টি জানাতে পারেননি। বাদীর আইনজীবী আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার উল্লেখ করা হয়েছে, নগরীর ধান গবেষণা রোড এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। তা তদন্তের দায়িত্ব পান কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আসাদুল ইসলাম। তিনি জিডির বিষয়টি তদন্তের জন্য বাদীকে থানায় ডেকে নেন। ১৬ অক্টোবর বাদী থানায় গেলে এসআই আসাদুল নানা অজুহাতে তার রুমে বাদীকে বসিয়ে রাখেন।

এরপর দস্তখত গ্রহণের অযুহাতে এসআই আসাদুল বাদীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং ঘাড়ে চুমু দেন। এর প্রতিবাদ জানালে মামলার আসামি বাদীকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং বিবাহ করার আশ্বাস দেন। এ সময় বাদীর স্বামী এসে পড়লে এসআই আসাদুল ওই নারীকে ছেড়ে দেন। এ ঘটনার পরপরই বাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালে তিনি বিচার করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

ওসি তখন জানান অভিযোগের বিষয়ে একজন নারী এএসআই তদন্ত করবেন। যৌন হয়রানির শিকার গৃহবধূ ওই এএসআইয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে জানতে পারেন তিনি কিছুই জানেন না। মূলত অসত্য অযুহাতে কালক্ষেপণ করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সেই সঙ্গে থানায় লিখিত এজাহার দিতে চাইলে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। মামলায় থানার সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যালোচনা করলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও বাদী উল্লেখ করেছেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, মামলার বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবে আমরাও খতিয়ে দেখছি। মামলার বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই আসাদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মামলার তদন্ত করতে যাওয়ায় মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরিশাল জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার হুমায়ূন কবির জানান, এখন পর্যন্ত এমন কোনো মামলার দায়িত্ব পিবিআইতে আসেনি। মামলার দায়িত্ব পেলে যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে ।

পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ। আজ (রবিবার) সকালে সন্দ্বীপ উপজেলার মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের চৌধুরী বাজার এলাকা থেকে এসব রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। 
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আহমেদ খান জানান, রবিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিম মাইটভাঙ্গা চৌধুরী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে আটজন নারী, চারজন শিশু ও দুইজন পুরুষ রয়েছে। 
আটক রোহিঙ্গারা হলেন আয়াতুল করিম (৩০), আশ্রাফ উল্লা (৮), নজিম উল্ল্যাহ (৭), ইয়াসমিন আরা (২৯), সালেখা বেগম (১৪), তাছলিমা (১৬), উম্মে (১৭), মুশফিকা (১৬), মো. সাফায়েত (১৬), অলি উল্লা (১২), মো. আনস (১০), রোজিনা (১৫), শুকতারা (১৫) ও মো.ইমতিয়াজ (১৮)।
আটককৃত রোহিঙ্গারা নোয়াখালীর ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে নৌকায় করে সন্দ্বীপ এসেছিল। তারা সন্দ্বীপ থেকে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার পরিকল্পনায় ছিল। তাদের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উলে­খ্য গত ১৮ মে ১১ রোহিঙ্গাকে সন্দ্বীপের রহমতপুর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ আত্মহত্যা প্ররোচনা: আরাফাতের জামিন না মঞ্জুর

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার মো: আরাফাত হোসেনের (২৭) জামিন না মঞ্জুর করেছে বিজ্ঞ আদালত। আজ (রবিবার) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের ভাচুর্য়াল আদালতে এ মামলার জামিন শুনানী অনুষ্টিত হয়। গ্রেফতারকৃত মো: আরাফাত হোসেন নগরীর মধ্যম হালিশহর এলাকার মাইজ পাড়ার মৃত মো: সেলিমের পুত্র।
মহানগর পিপি এডভোকেট মো: ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার আরাফাত হোসেন নামের এক আসামী মিস কেইস মূলে জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন।
উলে­খ্য, ৭ এপ্রিল নগরীর পাচঁলাইশ থানার  হিলভিউ এলাকার নাহার ভিলা থেকে বেসরকারী ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ চৌধুরীর ঝুলন্- মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ক্রমাগত ভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে বলে তার স্ত্রী ইশরাত জাহান চৌধুরী ৮ এপ্রিল পাচলাইশ থানায় আত্মহত্যায় প্ররাচনার একটি মামলা দায়ের করেন।
২৭ এপ্রিল মো: আরাফাত হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান পুলিশ। ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলাটি পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে পিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্ত- কর্মকর্তা হিসাবে পরিদর্শক কামরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  
এর আগে ৪ মে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজার ভার্চুয়াল আদালত মো: আরাফাত হোসেনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ৩ মে মামলার তৎকালীন তদন্- কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের পরিদর্শক মো: মইনুর রহমান আসামী মো: আরাফাত হোসেনের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

বাবুল আক্তারের প্রেমিকা গায়ত্রী সিং এর তথ্য চেয়ে UNHCR কে PBI এর চিঠি

 

 বাবুল আক্তারের  প্রেমিকা গায়ত্রী অমর শিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) চিঠি দিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

মঙ্গলবার চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার  তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টমেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা চিঠি দেওয়ার বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

সন্তোষ কুমার চাকমা  বলেন, গায়ত্রী অমর শিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে রোববার চিঠি দেওয়া হয়েছে।  ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বরাবর চিঠিটি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  চিঠির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

 সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারকে গায়ত্রীর দেওয়া দুটি বইয়ের ফরেনসিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা মঙ্গলবার জানান, বই দুটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর জন্য শিগগিরই আদালতে আবেদন করা হবে।

মোশাররফ হোসেন বাবুল আক্তারের শশুরের দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে- গায়েত্রী অমর সিংহের সঙ্গে বাবুল আক্তারের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  গায়ত্রী তখন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ফিল্ড অফিসার হিসেবে কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন। আর বাবুল আক্তার তখন কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  তখনই তার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পর্ক হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন বাবুল আক্তারের শ্বশুর।  গায়ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানোর কারণেই বাবুল-মিতুর সুখের সংসারে কলহ বাধে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত থাকার সময় ২০১৩ সালে ইউএনসিসিআর এর কর্মী গায়ত্রী অমর শিংয়ের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এই নিয়ে মিতুর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় মিতুর। কলহের সময় মিতুকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন বাবুল। এরই মধ্যে ২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত সুদানে জাতিসংঘ শান্তিমিশনে সুদানে ছিলেন বাবুল আক্তার। এই সময় বাবুল আক্তারের মোবাইল ফোনটি চট্টগ্রামের বাসায় ছিল। ওই মোবাইল ফোনে মোট ২৯ বার ম্যাসেজ দেন গায়ত্রী অমর শিং।

মিতুর মা সাহেদা মোশাররফও অভিযোগ করেন, গায়ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মিতুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেন বাবুল।  মিতুর মা বলেন, ‘আমার মেয়ে একদিন রাত ৩টার সময় ফোন দিয়ে বলেছিল, মা, আমি কালই ঢাকায় চলে আসব। তখন আমি মিতুর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কী হয়েছে? মিতু তখন বলেছিল, কক্সবাজারের একটি হোটেলে একজন নারীর সঙ্গে বাবুলকে দেখেছে মিতু। বহুবার আমার মেয়ে আমাকে বলেছিল। শুধু দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সে বাবুলের সঙ্গে সংসার করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেয়ে আর বাঁচতে পারল না। ওরা আমার নাতির সামনে আমার মেয়েকে খুন করে ফেলল।’

বাবুল-গায়ত্রীর সম্পর্কের বিষয়টি জানা যায় ২০১৪ সালে।  সেসময় বাবুল সুদানে জাতিসংঘের মিশনে যান। তখন তার বাসায় দুটি বই উপহার পাঠান গায়ত্রী। এছাড়া বাংলাদেশে রেখে যাওয়া বাবুলের মোবাইলে ২৯টি মেসেজও পাঠান তিনি।

সর্বশেষ মিতু হত্যার কয়েকমাস আগে বাবুল একটি ট্রেনিংয়ে থাকা অবস্থায় গায়ত্রী বাবুলের বাসায় দুটি বই উপহার পাঠান। বই দুটির নাম- তালিবান ও বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট।

তালিবান বইটির ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় গায়ত্রী নিজ হাতে একটি বার্তা লিখে দেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমাদের ভালো স্মৃতিগুলো অটুট রাখতে তোমার জন্য এই উপহার।  আশা করি, এই উপহার আমাদের বন্ধনকে চিরস্থায়ী করবে। ভালোবাসি তোমাকে, গায়ত্রী।’

একই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় গায়ত্রী তাদের প্রথম দেখা, প্রথম একসঙ্গে কাজ করা, প্রথম কাছে আসা, মারমেইড হোটেলে ঘোরাফেরা, রামু মন্দিরে প্রার্থনা, রামুর রাবার বাগানে ঘোরাফেরা এবং চকরিয়ায় রাতে সমুদ্রের পাশ দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন।

এছাড়া বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট নামের বইয়ের ২য় পাতায় গায়ত্রীর নিজ হাতে ‘তোমার ভালোবাসার গায়েত্রী (ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা)’ লিখেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল। তবে পুলিশ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে এমপি সালাম মূর্শেদীর বিনম্র শ্রদ্ধা

খুলনায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল ও ভাই সহ মামলায় অভিযুক্ত ৩৪

 

বটিয়াঘাটার বহুল আলোচিত নজরুল হত্যা মামলায় মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পী ও তার সহোদর নগর ছাত্রলীগের চলতি কমিটির সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈইসহ ৩৪ জনের নামে চার্জশীট দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে এ চার্জশীট দাখিল করলেও করোনার কারণে এখনও মামলাটির তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি।

আদালত ও সিআইডি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বটিয়াঘাটা থানা সূত্রে জানা যায়, বটিয়াঘাটার আতালের চর মৎস্য ঘের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ওই মৎস্য ঘের অনেক প্রভাবশালীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দখল করে মাছ চাষ করে আসছে। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পির নেতৃত্বে ২৫/২৬ টি মটর সাইকেলযোগে স্থানীয় ও শহরের ৪০/৫০ জন ব্যক্তি স্বশস্ত্র অবস্থায় ওই মৎস্য ঘের দখল নিতে যায়।

এসময় এলাকাবাসী চারিদিক থেকে তাদেরকে ঘিরে ফেললে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। তাদের ছোড়া গুলিতে করের ডোন গ্রামের নজরুল ইসলাম শেখ নিহত হয়। এ ঘটনায় তার ভাই সিরাজুল ইসলাম শেখ বাদি হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার ভাই বর্তমান মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈইসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ২৫/৩০ কে আসামি করা হয়।

বটিয়াঘাটার থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক মামুন প্রথমে মামলাটি তদন্ত করেন। এক মাসের মাথায় মামলাটি পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ (সিআইডি)তে হস্তান্তর হয়। খুলনা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাহাজান মামলাটি তদন্ত করেন। তার বদলিজনিত কারণে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। দীর্ঘ ৪ বছর তদন্ত শেষে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩৪ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি আদালতে মামলাটির চার্জসীট দাখিল করেন।

এর মধ্যে ২০ জন আসামি বিভিন্ন সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার ও আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে জামিন নিয়েছে। তবে পুলিশের খাতায় এখনও ১৪ জন পলাতক রয়েছে। পলাতক ১৪ জন হচ্ছেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রূপসার জোয়ার মৈশাঘুনী গ্রামের মৃত রসময় বাড়ৈই এর ছেলে দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার সহোদর মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈই, বটিয়াঘাটার তালবুনিয়া বিরাট গ্রামের সোহেল, মহানগরীর বসুপাড়ার বাসিন্দা শেখ সাদিকুর রহমান রিমন, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার জয়দেব দাসের ছেলে প্রবীর দাস, টুটপাড়া মহিরবাড়ি খালপাড়ের বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ডলার, নগরীর সোলায়মান নগরের বাসিন্দা মোঃ কোরবান আলী, লবনচরা এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল আহম্মেদ, পশ্চিম বানিয়াখামারের আজাদ লন্ডীর ড্রেন খালপাড়ের বাসিন্দা মোঃ সরফরাজ, বাগমারার বাসিন্দা মোঃ আবুল কাশেম সুজন, টুটপাড়া ২ নম্বর ক্রস রোডের বাসিন্দা মোঃ মাহামুদুল হাসান শাওন, শীতলাবাড়ি মন্দিরের পাশের ইসলামপুর ক্রস রোডের বাসিন্দা মোঃ সুমন হাওলাদার, পশ্চিম বানিয়াখামারের বাসিন্দা মাসুদ হাসান লাভলু ও সোনাডাঙ্গার বাসিন্দা এস এম রোকনুজ্জামান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরির্দশক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ৩ জন অফিসার এ মামলাটি তদন্ত করেছেন। সকল অফিসারই প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার সত্যতা পেয়েছেন।

এ হত্যাকান্ডের সাথে যে ৩৪ জন জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে তাদের নামে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে বলে তিনি জানান। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এ এস আই মনির হোসেন বলেন, সিআইডি বটিয়াঘাটার নজরুল হত্যা মামলার চার্জশীট প্রায় ১ মাস আগে আদালতে দাখিল করেছেন।

তবে মহামারী করোনার কারণে আদালতে এখনও ওই মামলার দাখিলকৃত চার্জসীটের ব্যাপারে কোন শুনানি হয়নি। কোর্ট পরিদর্শক আশরাকুল হক বারি বলেন, সিআইডি চার্জসীট দাখিল করেন। আমরা মামলার নথি রেখেছি। আদালত সিদ্ধান্ত দিলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। এদিকে চাঞ্চল্যকর এ নজরুল হত্যা মামলার ১৪ আসামিকে পুলিশ পলাতক বললেও অধিকাংশ আসামি শহরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার সহদর ও তার বেশ কয়েকজন সহযোগিকে সার্বক্ষনিক ধর্মসভা ক্রসরোডের মোড়ে আড্ডা দিতে দেখা যায় বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। ওই দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, রূপসা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্বদানকারী এক নেতার সাথে বাপ্পি সব সময় থাকেন। দলীয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড ওই নেতার সাথে থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার ছবি দিয়ে গেল ঈদেও প্যানা ফেস্টুন দিতে দেখা গেছে। সূত্রটির দাবি আইনজীবি ওই নেতার ছত্রছায়ায় বাপ্পি ও তার সহযোগিরা থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার থেকে বিরত রয়েছে।

//  খুলনা প্রতিনিধি //

খুলনা ফুলতলায় ৬০০ অসহায় পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পদ্মায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত: প্রধান আসামি গ্রেফতার

 

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহতের মামলায় প্রধান আসামি চালক শাহ আলমকে (৩৮) গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা শেষে সুস্থ হলে ঢাকার শাহবাগ পুলিশের হেফাজত থেকে ওই স্পিডবোটচালককে রোববার সন্ধ্যায় শিবচর চরজানাজাত নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাকের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

সোমবার সকালে স্পিডবোটচালক ঘাতক শাহ আলমকে আদালতে তোলা হবে।

এর আগে গত ৪ মে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে স্পিডবোটের দুজন মালিক ও শিমুলিয়াঘাট ইজারাদারসহ চারজনকে এজাহারভুক্ত আসামি করে শিবচর থানায় চরজানাজাত নৌপুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে, যার মামলা নং- ০৭(০৫) ২১ ধারা- ২৮০/৩০৪-ক/৩০৪ (সংযোজিত) ৩৩৮/১৮৮/১০৯ পেনাল কোড। এজাহারভুক্ত আরও দুই আসামিকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।

চরজানাজাত নৌপুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, গত ৩ মে সকালে কাঁঠালবাড়ীর বাংলাবাজার পুরনো ঘাটের পদ্মা নদীতে বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোট ডুবিতে তিন শিশুসহ ২৬ জনের মৃত্যু হয়। এ সময় পাঁচ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

 ওই সময় চালক গুরুতর আহত হন। তাকে ওই দিন শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে আবার ঢাকা মেডিকেলে (ঢামেক) চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ চালককে গ্রেফতার না করলেও তাকে বিশেষ নজরদারিতে রাখে। চালক শাহ আলম দীর্ঘ ১২ দিন পুলিশি প্রহরায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। চালক শাহ আলম রোববার শারীরিক কিছুটা সুস্থ হলে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) তাকে  রাত ৮টার দিকে ছাড়পত্র দেয়।

পরে শাহবাগ পুলিশের হেফাজতে থাকা শাহ আলমকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চরজানাজাত নৌপুলিশ স্টেশনের উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন সরকার নিয়ে আসেন।

নৌপুলিশ স্টেশনের এসআই আল আমিন সরকার জানান, স্পিডবোটের চালক শাহ আলমের নিজের স্থায়ী কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি। সে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ভাতা ঈদগাহপুর গ্রামের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে। তার নিজস্ব কোনো বাড়িঘর নেই। চালক শাহ আলমের বাবার নাম আবুল কালাম আজাদ।

এ ছাড়া স্পিডবোটের মালিক চান্দু মোল্লা ওরফে চান মিয়া মৃধাকে গত ৯ মে র্যা ব আটক করে। পরে তাকে মাদারীপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়। পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলেও ঈদের ছুটির কারণে ওই সময় শুনানি হয়নি।

তবে আগামী ১৮ মে আদালতে স্পিডবোটের মালিক চান্দু মোল্লার রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে বলে চরজানাজাত নৌপুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. আবদুর রাজ্জাক নিশ্চিত করেন।

আসামি চান্দু মোল্লা ওরফে চান মিয়া মৃধা মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের জসলদিয়া গ্রামের মৃত আনু মৃধার ছেলে।

শিবচর থানার ওসি মো. মিরাজ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্পিডবোটের চালক শাহ আলমকে রাতে শিবচর থানাহাজতে রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

”রফিকুল ইসলাম টাওয়ার” – টাঙ্গাইলে হচ্ছে পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উচ্চতা বিশিষ্ট মিনার

 

 

পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্তের উদ্যোগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিশ

 

সংবিধান ও মানবাধিকার লংঘন করে সরকার কর্তৃক জনগণের ওপর পুলিশকে লাঠিপেঠার নির্দেশ ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা প্রদানের উদ্যোগের খবর প্রকাশের পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস এম জুলফিকার আলী জুনু বৃহস্পতিবার ই-মেইলের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠিয়েছে বলে আজ শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন।

লিগ্যাল নোটিশে দেশের প্রচলিত সংবিধান ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে সরকার জনগণের ওপর পুলিশ দ্বারা লাঠিপেটার নির্দেশ ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দেয়ার সিদ্ধান্তের উদ্যোগ কেন বেআইনি ও সংবিধানবিরোধী হবে না তা জানতে চাওয়া হয় নোটিশে।

 

গণমাধ্যমে সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দেয়া কেন সংবিধান লঙ্ঘন ও মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গের শামিল হবে না তাও জানতে চাওয়া হয় নোটিশে এবং ওই ধরনের সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপ নেয়ায় মিডিয়ার মাধ্যমে মন্ত্রীকে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ মর্মে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হলো।

 

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘আপনাকে অত্র লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে- অদ্য বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি যে, সরকারের নির্দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা ও জনগণের ওপর লাঠিপেটার নির্দেশ দেয়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার।’ নোটিশে বাংলা নিউজে প্রকাশিত সংবাদে প্রতিমন্ত্রীর উদ্ধৃতিসহ নিউজটি উল্লেখ করা হয়।

 

‘জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে জনস্বার্থে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে, আপনি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হয়ে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা করার নির্দেশের উদ্যোগ নিতে পারেন না। গণমাধ্যমে দেয়া আপনার এরূপ বক্তব্য সংবিধানবিরোধী। অতএব মন্ত্রী হিসেবে সংবিধান লঙ্ঘনের উদ্যোগ নেয়া মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গের শামিল।

 

‘অতএব পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা প্রদান ও রাষ্ট্রের জনগণের ওপর লাঠিপেটার সিদ্ধান্তের উদ্যোগ বন্ধের অনুরোধ জানাচ্ছি এবং মন্ত্রী হিসেবে নেয়া শপথ ভঙ্গ অর্থাৎ সংবিধানবিরোধী বক্তব্য গণমাধ্যমে দেয়ায় জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করছি।’

 

লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপ ও সিদ্ধান্ত বন্ধ করা না হলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় যথাযথ নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক।।

————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক এসপি বাবুলের সোর্স মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার।….

 

 

চট্টগ্রামের হেফাজত নেতা হারুন ইজাহারের স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি

চট্টগ্রামের হেফাজত নেতা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের বিলুপ্ত কেন্দ্রিয় কমিটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিষয়ক  সম্পাদক   মুফতি হারুন  ইজাহার হাটহাজারী থানা ও ভুমি অফিসে ভাংচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্ধি দিয়েছেন।
আজ (বুধবার) চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আনজুমান আরা বেগমের আদালত মুফতি ইজাহারের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহন করেন। এর আগে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিতে দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। 
উলে­খ্য গত মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কৌশিক আহম্মদ খন্দকারের আদালত মুফতি হারুন  ইজাহারের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২১ এপ্রিল  হাটহাজারী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা এ মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মুফতি হারুন ইজাহার বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি  মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরীর বড় ছেলে। 
গত ২৬ ই মার্চ হাটহাজারীতে সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের দুই মামলা ও ২০২০ বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর করা মামলায় গত ৩ মে দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের আদালত মুফতি হারুন ইজাহারকে ৯ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 
গত ২৮ এপ্রিল রাতে নগরীর লালখান বাজার জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার বাসা থেকে মুফতি হারুন ইজাহারকে গ্রেফতার করা হয়। 
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //
—————————-

৫ বছর পর আজ মিতু হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল পিবিআই

 

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় তার (বাবুল) করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

 

আজ বুধবার বেলা একটার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে এটি জমা দেওয়া হয়।

 

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, হত্যা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পিবিআই। এটি আদালতে গ্রহণের শুনানির জন্য রয়েছে।

 

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, স্ত্রী হত্যায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কারণ, বাবুল মামলার বাদী।

 

এদিকে বাবুলকে প্রধান আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। সেখানে বাবুল ছাড়াও ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন।

 

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে নিজ বাসার কাছে খুন হয়েছিলেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার থেকে বাবুল আক্তার চট্টগ্রামের পিবিআইয়ে হেফাজতে আছেন। তবে পিবিআই বাবুল আক্তারকে আটক বা গ্রেফতারের কথা স্বীকার করেনি। তারা বলছে, বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রামে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

 

মাহমুদা হত্যার ঘটনায় করা মামলার বাদী স্বামী বাবুল আক্তার। কিন্তু পরবর্তীকালে বাবুল আক্তারকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে তদন্ত আর এগোয়নি। একপর্যায়ে বাবুলকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

 

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম ওরফে মিতুকে।

 

ওই ঘটনায় বাদী হয়ে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তাতে তিনি বলেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রী আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন। তবে সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় মাহমুদা হত্যার তদন্ত নতুন মোড় নেয়। অব্যাহতভাবে মাহমুদার মা–বাবা এই হত্যার জন্য বাবুল আক্তারকে দায়ী করে আসছেন।

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে খুন করাতে আসামিদেরকে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতার। এ বিষয়ে বাবুল আকতারের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, স্ত্রী হত্যার তিন দিন পর বাবুল আক্তার তার ব্যবসায়িক অংশীদার সাইফুল হককে বলেন তার লাভের অংশ থেকে তাকে যেন টাকা তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সাইফুল বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা গাজী আল মামুনকে পাঠান। গাজী আল মামুন ওই টাকা মুসা, ওয়াসিমসহ আসামিদের ভাগ করে দেন। তবে কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

পিবিআই আজ জানায় মিত্যু হত্যায় বাবুল জড়িত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এরপরই আগের মামলার চার্জশিট ও নতুন করে মামলা দায়ের হলো।

// অনলাইন ডেস্ক //

—————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘ভ্রাম্যমাণ মানবতার বাজার’ …..

খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের’- আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায় সরকারের বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের এ মতামত বেআইনি।

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এ সংক্রান্ত ফাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতটি রোববার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

পরে বিকালের দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আইনের বাইরে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদন মঞ্জুর করতে পারছি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি বলেন, এ আইনে এমন কোনো বিধান নেই যে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারবে না। এ আইন করাই হয়েছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য।

‘চিকিৎসা শেষে ফিরে আসতে হবে- সরকার এই শর্ত দিতে পারত’- এমন মন্তব্য করে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তার অবস্থা অত্যন্ত জটিল। সরকার বিষয়টি মানবিকভাবে দেখতে পারত।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সরকারের নিজেরই উদ্যোগ নেওয়া উচিত। অনুমতি না দিয়ে সরকারের এত বড় দায়ভার নেওয়া উচিত হয়নি। যদি কোনো অঘটন ঘটে যায় তখন সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারের ঘাড়ে পড়বে। আইনকে তো মানবিকভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

অনলাইন ডেস্ক।।

——————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডা: মনীষা চক্রবর্তীর খাদ্য সাহায্য…