টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৫ 

 

মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স ও মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নারীসহ ৫জন নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৫ জন। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানিয়েছে ফায়ারসার্ভিস।

আজ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক ভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ইন্সপেক্টর ওসি (তদন্ত) সাহিদুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাতিয়া এলাকায় উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মাছবাহী একটি  পিকআপ ভ্যানের সাথে উত্তরাঞ্চলগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়। আহত হয় ৭জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়।

প্রাথমিকভাবে আহত ও নিহত কারো নামপরিচয় জানা যায়নি বলেও জানান তিনি।

কানাডায় ‘কানাডা ডে’তে অ্যালবার্ডার ১০ গির্জায় ভাঙচুর

 

বৃহস্পতিবার দেশটিতে ‘কানাডা ডে’ উদযাপনের আগ মুহুর্তে এ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে ভাঙচুর হয়।

এসব ভাঙচুরের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে অন্তত দুটি পরিত্যক্ত স্কুলে গণকবর আবিষ্কৃত হওয়ার সম্পর্ক আছে বলে পুলিশ মনে করছে।

ক্যালগেরি শহরের একাধিক গির্জায় ভাঙচুরের পাশাপাশি কমলা ও লাল রং ছিটানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও দরজা ও দেয়ালে হাতের রঙিন ছাপ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।

অ্যালবার্ডার প্রিমিয়ার জেসন কেনি গির্জায় এ ধরনের হামলায় ‘স্তম্ভিত’ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

চলতি বছরের মে ও জুনে পরিত্যক্ত দুই আবাসিক স্কুলে প্রায় এক হাজার অচিহ্নিত কবর আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে উত্তর আমেরিকার এ দেশটিতে বিভিন্ন গির্জায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।

সরকারি অর্থায়নে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর পরিচালনায় ওই স্কুলগুলোতে আদিবাসী শিশুদের রাখা হতো।

১৮৬৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এসব বোর্ডিং স্কুলে এক লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি আদিবাসী শিশুকে তাদের পরিবারগুলো থেকে নিয়ে এসে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল।

এসব শিশুদের প্রায়ই তাদের নিজেদের ভাষায় কথা বলতে ও তাদের সংস্কৃতি চর্চা করতে দেওয়া হতো না। তারা ছিল অপুষ্টির শিকার; তাদেরকে এমনকী শারীরিক ও যৌন নিগ্রহও সইতে হয়েছে।

২০১৫ সালে কানাডার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন আবাসিক স্কুলগুলোর ওই চর্চাকে ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ আখ্যা দেয়।

যারা এসব বোর্ডিং থেকে শেষ পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পেরেছে তারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, ক্ষুধা আর একাকিত্ব তাদের তাড়া করে ফিরত; স্কুলে নিয়মিত ভয় দেখানো ও বল প্রয়োগ করা হতো।

কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার ওই স্কুলগুলোর আচরণের জন্য ২০০৮ সালে ক্ষমা চেয়েছে। তবে বেশিরভাগ স্কুল পরিচালনার ভার যাদের দায়িত্বে ছিল, সেই রোমান ক্যাথলিক গির্জার পক্ষ থেকে এখনো দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো পোপ ফ্রান্সিসকে কানাডায় এসে উনিশ ও বিশ শতকে আবাসিক স্কুলগুলোতে আদিবাসী শিশুদের ওপর করা নিপীড়নের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

অচিহ্নিত এসব কবর আবিষ্কারের পর অনেকে সরকারের প্রতি ১ জুলাই ‘কানাডা ডে’ উদ্‌যাপন বাতিলেরও আহ্বান জানিয়েছিলেন।

অ্যালবার্ডার প্রিমিয়ার কেনি জানান, বৃহস্পতিবার ক্যালগেরির যেসব গির্জায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তার মধ্যেই একটি ইভাঞ্জেলিকাল গির্জাও আছে।

যেসব দেশে প্রায়শই গির্জায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, সেসব দেশ থেকে আসা শরণার্থীরাই ক্যালগেরির এই ইভাঞ্জেলিকাল গির্জাটির অনুসারী, বলেন কেনি।

“শান্তিমতো নিজেদের বিশ্বাসের চর্চা করতে পারবে, এই আশা নিয়ে এসেছিল তারা কানাডায় এসেছিল। গির্জায় হামলার ঘটনায় অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে,” টুইটারে দেওয়া পোস্টে বলেছেন তিনি।

ক্যালগেরির পুলিশ জানিয়েছে, গির্জাগুলোতে ভাঙচুর হয়েছে বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে। একটি গির্জার জানালে ভেঙে ভেতরেও রং ছিটানো হয়েছে।

কোথাও কোথাও রং দিয়ে ‘২১৫’ ও ‘৭৫১’ লেখা হয়েছে। মে’তে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার পরিত্যক্ত একটি স্কুলে ২১৫টি অচিহ্নিত কবর আবিষ্কৃত হয়েছিল। জুনে সাসকাচোয়ানের অন্য একটি পরিত্যক্ত স্কুলে মেলে আরও ৭৫১টি। এসব কবর আদিবাসী শিশুদের বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুটি স্কুলই রোমান ক্যাথলিক গির্জা পরিচালনা করতো। সূত্র: বিডি নিউজ২৪

//দৈনিক বিশ্ব অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় শেখ আবু নাসের হাসপাতালে ৪৫ বেড নিয়ে করোনা ইউনিট চালু

 

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬।। ৭ জন আক্রান্ত হয়ে, উপসর্গ নিয়ে ৯

 

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬ । টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও ৯ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদের মধ্যে করোনা ওয়ার্ডের আইসিইউতে চারজন ও করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যৃ হয়েছে। এছাড়া করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া আরও ৯ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এছাড়া হাসপাতালটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৬০ জন করোনা ইউনিটে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, করোনা ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া আইসিইউতে গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। পর্যাপ্ত সিটের ব্যবস্থা না থাকায় মেঝেতে বসে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন বলেন, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদের মধ্যে ২৫৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ৪০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এছাড়া জেলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃতদের অধিকাংশের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরে। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা শেষ মুহূর্তে এসে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সকালে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন ইসতিয়াকের নেতৃত্বে এক প্লাটুন সেনাবাহিনী শহরে টহল শুরু করেছে।

বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন ইসতিয়াক সাংবাদিকদের জানান, মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। লকডাউন সফল করতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেনাবাহিনী।

// মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মহানগরীতে ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

 

অভয়নগরে বিল্ডিং এর কাজ করার সময় ফলসছাদ ভেঙ্গে ১ শ্রমিকের মৃৃৃত্যু

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
যশোরের অভয়নগর উপজেলার পৌর নওয়াপাড়া ৫নং ওয়ার্ডের বুইকরা গ্রামে (ধোপাপাড়া কুন্ডুবাড়ি) কাজ করার সময় মোঃ আক্তার হোসেন (৪০) নামে এক ইমারত শ্রমিকের মৃৃৃত্যু হয়েছে ৷
জানাগেছে, ৩০ জুন (বুধবার) দুপুরে বুইকরা গ্রামে ধোপাপাড়া এলাকায় কুন্ডু বাড়িতে রডের কাজ করার সময় তার গায়ের উপর ঘরের ফলসছাদ ভেঙ্গে নিচে চাপা পড়ে ৷  বুকে রড ঢুকে পেছন থেকে বের হয়ে যায় ৷
তাৎক্ষনিক তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃৃৃৃত্যু ঘোষণা করেন ৷ নিহত আক্তার হোসেন দেয়াপাড়া মজেনপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদ মোড়লের  ছেলে ৷
এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার এস আই রিয়াজ হোসেন দৈনিক বিশ্বকে  জানান, মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য লাশ থানায় আনা হয়েছে ৷ ময়না তদন্তের শেষে জানা যাবে কি কারনে তার মৃৃৃত্যু হয়েছে ৷

মাগুরার মহম্মদপুরে আবারো যুবক খুন

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি, মাগুরা//

আজ ২৯ জুন সকালে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধরে মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নএর বানিয়াবহু গ্রামে মাফুজার মোল্যা (৩৫) নামের এক যুবক নিহত । ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন মাননীয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মহোদয় স্যার।ঘটনাস্থল থেকে ৪ জন আটক করেছে মহম্মদপুর থানা পুলিশ।

 

বরিশাল নগরীতে ধারালো অস্ত্রসহ ২ কিশোর সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 

 বরিশাল নগরীর হাটখোলা এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের চেষ্টায় চালিয়েছে কিশোর সন্ত্রাসীরা। রোববার গভীর রাতে এই ঘটনায় আমানগতগঞ্জ থানা পুলিশ ধারালো অস্ত্রসহ দুই কিশোর সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করলেও আরও দুইজন পালিয়ে যায়।

হামলা ও মারধরের শিকার মিথুন বাবু (৩২) নামের ব্যবসায়ী এই ঘটনায় কোতয়ালি থানা পুলিশে একটি মামলা করেছেন। থানা পুলিশ গ্রেপ্তার কিশোর দুই সন্ত্রাসী কায়েস শিকদার এবং সুজন মাঝিকে সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

শহরের জোর মসজিদ এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মিথুন বাবু অভিযোগে উল্লেখ করেন, রোববার রাত ৯টার দিকে তিনি মাছ কিনতে পোর্টরোড বাজারে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে মাসুদ শিকদার ওরফে কালা মাসুদ, কায়েস শিকদার, অভি হাওলাদার এবং সুজন তার মোটরসাইকেল গতিরোধ করে। এবং তারা ধারালো অস্ত্র উঠিয়ে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে।

একপর্যায়ে তারা পকেটে থাকা টাকা নিয়ে যায়। শেষে মোটরসাইকেলটির চাবি নিতে গেলে ব্যবসায়ী ডাক-চিকৎকার দিলে আশপাশে জনতা ছুটে আসলে অভি ও কালা মাসুদ অস্ত্র সড়কে ফেলে পালিয়ে যায়। এসময় উত্তেজিত জনতা কায়েস এবং সুজন মাঝিকে আটক করে একচোট পিটুনি দেয়।

পুলিশ জানায়, এই খবর পেয়ে আমানতগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একটি টিম এসে তাদের দুইজনকে দুটি ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। এবং রাতেই থানা পুলিশে একটি লিখিত অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী।

কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, ব্যবসায়ীর মামলায় গ্রেপ্তার দুইজনকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এদিকে বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে, সশস্ত্র এই বাহিনীটি গভীর রাতে প্রায়শই তাদের বসবাসস্থল কলাপট্টি, পোর্টরোডসহ আশপাশ এলাকাসমূহে রাতের বেলা মহড়া দেয় এবং গভীর রাতে চলাচলরত পথচারিসহ সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়।

 পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যতদিন লকডাউন চলবে খাদ্য সহায়তা অব্যহত থাকবে: সালাম মূর্শেদী

 

চট্টগ্রামে তালাকনামার জের: ক্ষুদ্ধ স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত

চট্টগ্রামে স্ত্রীর প্রেরীত তালাকনামায় ক্ষুদ্ধ স্বামীর ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত পিয়ারু বেগম (৩৫) গতকাল (সোমবার) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে মারা গেছেন।

জানা যায়, বিগত সাত বছর আগে সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা ওমর শরীফের সাথে সিতাকুন্ড উপজেলার পেয়ারু বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আর্থিক দৈন্যতার বিষয়ে স্বামীর সাথে পিয়ারু বেগমের ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। এক পর্যায়ে পিয়ারু বেগম সীতাকুন্ডে বাড়ীতে চলে আসেন এবং গত ১৫ জুন স্বামী ওমর শরীফের নামে তালাকনামা পাঠিয়ে দেন।

 

স্ত্রীর তালাকনামা পেয়ে ক্ষুদ্ধ ওমর শরীফ গত রবিবার সকালে পিয়ারু বেগমের বাড়ীতে আসেন। তালাকনামার বিষয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী ওমর শরীফ স্ত্রী পিয়ারু বেগমকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। মারাত্মক আহত অবস্থায় পিয়ারু বেগমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার চিকিৎসাধীন আবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ওমর শরীফ ও পিয়ারু বেগম দম্পতি দুই কন্যা সন্তানের জনক জননী বলে জানা যায়।

এদিকে স্ত্রী পেয়ারু বেগমকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে গিয়ে ওমর শরীফ নিজে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। মুমূর্ষ অবস্থায় বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘‘কঠোর লকডাউনের‘‘ মেয়াদ ৭জুলাইর পরেও বাড়তে পারে

মগবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরনে ৬ জন নিহত, আহত অর্ধশতাধিক

//ডেস্ক রিপোর্ট//

রাজধানী ঢাকার মগবাজারে বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ বলছে, বিস্ফোরণের সময় মুহূর্তেই চুরমার কয়েকটি ভবনের গ্লাস।

রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে মগবাজারের অয়্যারলেস এলাকায় একটি ভবনে বিস্ফোরণটি ঘটে।

রমনা ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার ফয়সালুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, তিন তলা ভবনে বিস্ফোরণটি ঘটে। ভবনটির একাংশ ধসে গেছে। এখন ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছেন, শর্মা হাউজ নামের একটি রেস্তোরাঁর ভবনে প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ধসে গেছে। বিস্ফোরণের সড়কে থাকা দুটি বাসের গ্লাস ভেঙে গেছে। এতে যাত্রীরা আহত হয়েছেন। এছাড়া শর্মা হাউজের বিপরীতের সাতটি ভবনের গ্লাসের ভবন ভেঙে গেছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১

 মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখামুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও পাঁচ জন।

রোববার (২৭ জুন) ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পাথাইলকান্দি ২নং ব্রীজের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ফায়ারম্যান রুবেল রানা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহ গামী একটি আম বোঝাই ট্রাক বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পাথাইলকান্দি ২নং ব্রীজের কাছে পৌছালে উত্তরবঙ্গগামী উপর একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে ময়মনসিংহগামী ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ট্রাকে থাকা হেলপার ঘটনস্থলেই মারা যান। গরুতর আহত ট্রাকচালকসহ ৫ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতারে পাঠানো হয়েছে।

১.৫ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার জন্য হাজার মানুষের জনদূর্ভোগ

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের দিক অভিমুখে শুক্তিয়া গ্রাম সংলগ্ন শুক্তিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিঃ মিঃ এই চিত্র । পথচারীরা জানান এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন তিন চার হাজার মানুষ চলাচল করে ।

এছাড়াও কয়েক শত কোমলমতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে কাঁদায় পড়ে স্কুলে যাওয়া যেমন বন্ধ হয় তেমনি একইভাবে অনেক অভিভাবক বর্ষাকালে চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাতে চায় না।

ফলে শিশুদের লেখাপড়ার ক্ষতি হয়। এছাড়া হঠাৎ করে কেউ অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে রোগীকে নিতে গেলে কোন যানবাহন না পাওয়ায় বিকল্পভাবে বাঁশ কাঠ দিয়ে মাচান তৈরি করে কাঁধে করে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার প্রয়োজন হয়।

অনেক সময় যোগাযোগের সমস্যার জন্য রোগীকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পূর্বেই পথে মৃত্যু বরণ করেন। জনদূর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় জনপ্রশাসনসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।