রাণীশংকৈলে ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে ২০০ কৃষকের শত একর জমির ধান নষ্ট

 

রাণীশংকৈলে ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ঠাকুরগাঁওয়ে নন্দুয়ার ইউনিয়নের পূর্ব বনগাঁও বি,আর,বি ইট ভাটার বিষাক্ত গ্যাস কিড়ে নিল প্রায় ২০০ জন কৃষকের শতাধিক একর জমির ফসল । সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাটার পচ্ছিম পাশে একটি আম বাগানের আম,পটল,ভুট্টা, ধান ক্ষেতসহ গ্যাসের আগুনে সব পুড়ে গেছে। গত (৩১ মে শনিবার) এ ঘটনা ঘটে।

 

এ বিষয়ে অনেক কৃৃৃষক বলেন,আমাদের মুখের খাবার কেড়ে নিয়ে গেল এইবার বি,আর,বি ইট ভাটার বিষাক্ত গ্যাস। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক লুৎফর, হাসান, সুমন, হালিম, লালচান, বাদশা, মজিবর, বাবুল, সুলতানসহ আরো অনেকে বলেন তাদের এত বড় ক্ষতি পূরণ কিভাবে হবে। আমাদের মধ্যে অনেকেই এনজিও সংস্থা থেকে লোন করেছে।

 

সার কীটনাশক দোকানে অনেক টাকা বাকি রয়েছে। কেউ আবার সুদের উপর টাকা নিয়ে ধান আবাদ করেছে। কিভাবে মোদের এত দেনা পরিশোধ করবো আমরা। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন দপ্তরে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনা শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান জুলকার নাইন কোবির স্টিভ, সহকারী কমিশনার ভূমি প্রীতম সাহা, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ প্রমু।

 

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছে ইউএনও। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় কৃষি অধিদপ্তরকে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাটি তদন্ত চলছে কৃষি অধিদপ্তর ছাড়পত্র ছাড়াই বি,আর,বি ইটভাটার মালিক ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এ নিয়ে বি,আর,বি ইট ভাটার মালিক বিপ্লব আহমেদকে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

 //মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মনিরামপুর উপজেলার নিকটবর্তী ২ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা

 

 

বরিশাল কাশিপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় নাবালিকাকে মারধর: থানায় অভিযোগ

 

বরিশাল কাশিপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় নাবালিকা কিশোরীকে মানধরের মত ঘটনা ঘটেছে। নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ডের জাহিদ খান নামক এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রী কেয়া’র বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক মুদি ব্যবসায়ী আব্দুল বারেক ও তার স্ত্রী তাসলিমা এ অভিযোগ করেন। ঘটনাস্থল ও স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ‘ জাহিদ খানের কাছে ওই মুদি দোকানদার বেশ কয়েক বছর ধরে টাকা পায়।

 

পাওনা টাকা চাইলেই জাহিদ গালিগালাজ করে,হুমকি দেয়। ঘটনার দিনও গালিগালাজ করে জাহিদ ও তার বৌ। এসময় প্রতিবাদ করলে দশম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী ও কিশোরী রিমুকে মারধর করেছে জাহিদ ও তার স্ত্রী। ঘটনাটি রিমু স্থানীয় কাশিপুর বাজারে গিয়ে তার বাবা,মা,দোকানদার, বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির, ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সবাইকে জানায় এবং মারধরের দাগ,চিন্হ দেখায় ।

 

এরপর অবস্থার অবনতি ঘটলে আহত কিশোরীকে মেডিকেল ভর্তি করানো হয়। ‘ লিখিত অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় আব্দুল বারেক জানান ‘ রিমু(ছদ্মনাম) ১৪ বছর বয়সী তরুণী আমার বড় মেয়ে। তাকে আমার মুদির দোকানের পাওনা সাত হাজার টাকার তাগেদা দিতে বাড়িতে গেলে জাহিদ খান ও তার স্ত্রী কেয়া দুজন মিলে কিল,ঘুষি, লাথি ও লাঠি,জুতা দিয়ে প্রচন্ড মারধর করে এবং ঘটনা কাওকে জানালে খুন করার হুমকিও দেয়। এরপর রিমু দৌড়ে আহত অবস্থায় পালিয়ে বাজারে এসে সবাইকে ঘটনা বলে এবং সেদিনই থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়ে চিকিৎসা নিতে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ভর্তি হয়। ডাক্তার ভর্তির পর তার চিকিৎসা চালাচ্ছে।

 

‘ এ বিষয়ে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা ও বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন ‘ জাহিদের কাছে অনেক মানুষ টাকা পায় শুনেছি। বিভিন্ন মেয়াদে বিভিন্ন লোক এসে আমাদের জানায় জাহিদের বিষয়। তবে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে যে মার খেতে হবে, এমনতো পরিস্থিতি দেশে নাই। শিশু নির্যাতনের মত গুরুতর অপরাধের কোন শালিসি হতে পারেনা। আমি যতদুর জানি ঘটনাটি সত্যি এবং থানায় মামলা করতে লিখিতভাবে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আমরা সবাই ভুক্তভোগীর পক্ষে।

 

‘ ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন ঘটনাটি শুনেছি। আমার জানামতে মুদির দোকানদারের ওই মেয়ে শিশুটি খুবই ভদ্র ও মার্জিত আচরণ করে। ঘটনাটি সত্যি হলে মামলা করারমত বিষয় এটি, মিমাংসার মত না। ‘ অভিযোগকারী ও আহত কিশোরীর পিতা আব্দুল বারেক বলেন ‘ আমি পাওনা টাকা বারবার চাইলে আমাকে তারিখ দেয় জাহিদ। সেদিন আমি অসুস্থ থাকায় আমার বড় মেয়ে রিমু টাকা আনতে গেলে তাকে প্রচন্ড মারধর করে জাহিদ ও তার স্ত্রী কেয়া। আমি মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি।

 

‘ বিমানবন্দর থানা সূত্র জানায়,এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্রুত তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। উল্লেখ্য, জাহিদ খান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও জুয়া খেলা পাতানোর অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও জাহিদ প্রতারণা ও টাকা আত্মসাৎ করে জেলও খেটেছেন বলে জানা যায়।

 

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

 

মহম্মদপুরে মাথা বিহীন  বস্তাবন্ধি মৃতদেহের খন্ড অংশ উদ্ধার: মিলেছে পরিচয় 

 

মহম্মদপুরে মাথা বিহীন মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোপুর ইউনিয়নের কালুকান্দী গ্রামের রাস্তার পাশে পরিত্যক্ত পুকুরে বস্তাবন্ধি অজ্ঞাত যুবকের  লাশ উদ্ধার করেছে মহম্মদপুর থানা পুলিশ।উদ্ধারের পর মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ।

মৃত ব্যাক্তির নাম  মোঃ আজিজুর রহমান (৩০)। মাগুরা সদর উপজেলার সংকোচখালি গ্রামের  মৃত মুজিবর রহমান ছেলে। সে নানার বাড়ি থাকতেন।তিনি মহম্মদপুর  উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামের  আবুল কাশেমের নাতি। আজিজুর রহমান  মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা এলাকার আলতাফ উদ্দিনের জামাতা।

ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকারীরা দূর থেকে টুকরো করে গাড়িতে এনে ওই স্থানে ফেলে রেখে গেছে মৃতদেহের উদ্ধারকৃত অংশগুলো।তবে কি কারনে কে বা কাহারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনও জানা যায়নি।

রবিবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলার কালুকান্দী গ্রামের রাস্তার পাশে পুকুরে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত লাশের অংশবিশেষ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মোঃ হাফিজুর রহমান।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি বিক্রি করে উপার্জন করছে বস্তিবাসি

 

 

 

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ টালু করায় দুর্ঘটনা। বরিশাল নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে বিদ্যুৎ পোস্টে এক ব্যক্তি পুড়ে অঙ্গার হয়েছে টানা ১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন ছিলো বরিশাল নগরীর বেশীরভাগ এলাকা। বরিশালে সংরক্ষন ও মেরামতে দিনভর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে বরিশালবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ওজোপাডিকো)।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিশেষ করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার (৫ জুন) দিনভর চিকিৎসা এবং অপারেশন কার্যক্রম ব্যহত হয়। এদিকে শেষ সময়ে সরবরাহ লাইন থেকে শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করায় নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে বিদ্যুৎ পোস্টে এক ব্যক্তি পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। পরিবারের একমাত্র আয়ক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বিলোপ করছেন নিহতের পরিবার। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেছেন।
 ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু
ওজোপাডিকো সূত্র জানায়, নগরীর পোর্ট রোডের কেরামতিয়া মসজিদের উপর থেকে ৩৩ হাজার কিলো ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন রয়েছে। সরকারী নির্দেশনা অনুসারে গতকাল দিনভর বিদ্যুৎ বিভাগ মসজিদের উপর থেকে সঞ্চালনা লাইন সরিয়ে পাশে স্থাপন করে। অপরদিকে নগরীর সদর ফিডারে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বেশী চাপ পড়ায় চকবাজার এলাকার জন্য একটি আলাদা ফিডার করা হয়। এছাড়া নগরীর রূপাতলী এলাকায় ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরেও নতুন ফিডার স্থাপনের কাজ চলে দিনভর।
এ জন্য নগরীর সদর ও সিএন্ডবি এবং মেডিকেল ফিডার সহ বেশীরভাগ এলাকায় শনিবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মাইকিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। এতে চরম বেকায়দায় পড়েন লাখো নগরবাসী। বিশেষ করে বিদ্যুৎ এবং অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সব কাজ বন্ধ থাকে। বেসরকারী বড় বড় ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও হাসপাতাগেুলো জেনারেটর চালিয়ে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখলেও দিনভর অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিলো শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
এই হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা অপারেশন কার্যক্রম চললেও গতকাল অপারেশন সহ চিকিৎসা সেবা মারাত্মভাবে ব্যহত হয়। বিকেল ৫টায় বিদ্যুত সংযোগ চালুর পূর্ব ঘোষনা থাকলেও ১০ ঘন্টা পর বিদ্যুত সংযোগ চালু করা হয় সন্ধ্যার পর ৭টায়। এর উৎস্য খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে নতুন ফিডার স্থাপন কাজ শেষ করে নীচে নামার আগেই বিদ্যুত সংযোগ চালু করায় মো. ফয়সাল নামে এক শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে নীচে পড়ে আরও এক শ্রমিক আহত হয়েছে।
রূপাতলী এলাকায় ওজোপাডিকো’র ঠিকাদার মিজানুর রহমান জানান, ১২ জন শ্রমিক নিয়ে রূপাতলী ওজোপাডিকো অফিসের মধ্যে দিনভর কাজ করেন। বিকেল ৫ টার দিকে কাজ শেষ করে ফয়সাল সহ অপর শ্রমিক বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে নীচে নামচিলো। তারা নিরাপদ দূরত্বে যাওয়ার আগেই বিদ্যুত সংযোগ চালু করা হয়। মুহূর্তে বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে ফয়সালের মৃত্যু হয়। অপর শ্রমিক নীচে সিটকে পড়ে আহত হয়। রূপাতলী পাওয়ার গ্রীড কন্ট্রোল রুমে দায়িত্ব পালনকারী গোলাম ফারুক বলেন, বিকেল ৫ টা ৫ মিনিটে ফিডার ইনচার্জ শহিদ নিজে কন্ট্রোলরুমে গিয়ে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে জানিয়ে তাকে (ফারুক) লাইন চালু করতে বলে।
সংযোগ চালুর কিছুক্ষন পরই বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর পান তারা। কাজ চলমান অবস্থায় ফিডার ইনচার্জ কিভাবে ক্লিয়ারেন্স পেয়েছেন তা তিনিই ভাল বলতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী ফিডার ইনচার্জের নির্দেশনা পাওয়ার পরই তারা লাইন চালু করেন। বিদ্যুত পোস্টে একজন পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফয়সালের অঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তার বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকায়। তার ৮ বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে এবং বর্তমানে তার স্ত্রী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ময়না তদন্তের জন্য ফয়সালের মরদেহ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
 //পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণে হৃদয় নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার খাইদগাঁও ইউনিয়নের প্রবাসী মোঃ রফিকের পুত্র হৃদয় (২৫) মে দুপুর ১২ টায় লেচু গাছ থেকে পড়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে যায়।

 

মা হাসিনা বেগম পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু সালেক হৃদয়কে দেখে হাতে এক্সরে করার পরামর্শ দেন। উক্ত এক্সরের রিপোর্ট সেন্ট্রাল হসপিতাল অর্থপেটিক্স ডাঃ সাইফুল ইসলামকে দেখালে তিনি হৃদয়ের ডান হাত অপারেশন করার পরামর্শ দেন। অপারেশনের জন্য ডাক্তার সাইফুল ইসলাম দাবি করলে তা প্রদান করা হয়। গত ২৮ মে বিকাল ৪ টায় হৃদয়কে অপারেশন রুমে নিয়ে যায়।

 

ডাঃ সাইফুল ইসলামের নির্দেশে সহকারী ডাক্তার আবু সালেক হৃদয়কে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকসন পুশ করার সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে যায়। প্রায় ১ ঘন্টা ২০ মিনিট পর অপারেশন রুম থেকে বের হয়ে ডাক্তার সাইফুল ইসলাম রুগীর অবস্থা গুরুতর বলে তাকে চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে বলে জানান, পরে সে এম্ভুল্যান্স ডেকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

এর পর সেদিন ডাঃ সাইফুল ইসলাম ও তার সহকারী ডাঃ আবু সালেক মোবাইল বন্ধ করে দেন। সেন্ট্রাল হসপিটালের ডাঃ সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি যানান, শিশু হৃদয়ের বয়স ও ওজন মেপে অপারেশনের জন্য অজ্ঞান করতে ইনজেকশন দেয়া হলে তার হাত বøক হয়ে যায়। পরে তাকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

এখানে তাদের চিকিৎসার কোন ভুল হয়নি । এদিকে শিশু হৃদয়ের মামা খোরশেদ আলম দাবি করেন যে, ৬ বছরের শিশুকে ১৬ বছর বয়সী মানুষের ইনজেকশন পুশ করা হয়। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার ভাগিনা হৃদয় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৬ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাতে মারা যায়। আমার ভাগীনাকে যারা ভুল চিকিৎসা করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

 

এ বিষয়ে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানান, আমরা এ বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

//হামিদুর রহমান সাকিল, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ফকিরহাটের মেধাবী ছাত্রী মেহেরুন্নেছা শার্লীর মৃত্যু

 

 

খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ফকিরহাটের মেধাবী ছাত্রী মেহেরুন্নেছা শার্লীর মৃত্যু

 

খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ফকিরহাটের এক কলেজ ছাত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে । খুলনা লবনচরা এলাকার রূপসা সেতু সংলগ্ন মহাসড়কে শুক্রবার (০৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মেহেরুন্নেছা শার্লী (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছে।

 

সে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নের আট্টাকা গ্রামের মৃত মহিউজ্জামানের কন্যা । শার্লী ঢাকা তিতুমীর কলেজের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। ফকিরহাটের আট্টাকা গ্রামের বাসিন্দা মৃত মহিউজ্জামান শান্ত’র কন্যা কলেজ ছাত্রী শার্লী বাবার মৃত্যুর পর ঢাকা মিরপুরে চাচার বাসায় থেকে লেখাপড়া করতো।

 

করোনাকালে সে ফকিরহাট চলে আসে এবং ঈদের সময় সাতক্ষীরা সোনালী ব্যাংকে চাকরীরত চাচির কাছে বেড়াতে গিয়েছিলা চাচার সাথে মটরসাইকেল যোগে বাড়িতে ফেরার পথে খুলনার লবনচরা পৌঁছালে পার্শ্ব রাস্তা থেকে একটি সাইকেল হঠাৎ তাদের সামনে ওঠে।

 

উক্ত সাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে মটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছনে বসা শার্লী ছিটকে রাস্তার পাশের রেলিংএর উপর পড়ে যায়। এতে তার মাথায় প্রচন্ড আঘাত লাগলে ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাকে প্রথমে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হসপিটালে এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেরুন্নেছা শার্লীর মরদেহ খুলনা মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ ফুটবল দলকে সাদর অভিনন্দন জানিয়েছেন এমপি সালাম মূর্শেদী

 

বিজেপি নেতা রাকেশ পন্ডিতকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলিকরে হত্যা করে

 

বিজেপি নেতা রাকেশ পন্ডিতকে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলি করে হত্যা করেছে। বুধবার রাতে দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার ত্রাল এলাকায় ওই বিজেপি নেতা মুসতাক আহমেদ নামে এক বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গেলে ৩ দৃর্বৃত্ত তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।খবর দ্যা হিন্দুর।

 

দুর্বৃত্তদের গুলিতে  ঘটনাস্থলেই রাকেশ নিহত এবং তার বন্ধুর মেয়ে আসিফা মুসতাক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।আসিফার অবস্থা শঙ্কটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

 

এতে তিব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ করেছেন  জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ।তিনি বলেন,  ওই হামলার তীব্র নিন্দা এবং নিহতের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা জানান।

 

নিহত বিজেপি নেতা রাকেশ পণ্ডিত ত্রালের পৌর কাউন্সিলর এবং পুলওয়ামা জেলা বিজেপি ইউনিটের সম্পাদক ছিলেন। তিনি কাশ্মীরের রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন এবং অনেক সময়ে উপত্যকার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তিনি মন্তব্য করতেন বলে জানা গেছে।

 

তার নিরাপত্তার জন্য দুজন পিএসও (ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা) নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া হয়েছিল। বুধবার রাতে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই ত্রাল এলাকায় গিয়েছিলেন ওই নেতা। তখনই দৃর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে রাকেশ পণ্ডিতকে।

 

বৃহস্পতিবার নিহত ওই বিজেপি নেতার তার রূপনগরের বাসভবনে পৌঁছায় এবং শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

 

কাশ্মীর পুলিশ বলেছে, যারা সুরক্ষা পেয়েছেন,  তারা যেন ‘পিএসও’ ছাড়া কোথাও না যান। সফরের সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিপদের বিষয়টি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কুমিল্লায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে ৩ ডাকাত গ্রেফতার

জগন্নাথপুরে ভুমিহীন সেজে প্রকৃত ভুমিহীনের জমি দখল : এলাকায় তোলপাড়

 

 

জগন্নাথপুরে ভুমিহীন সেজে প্রকৃত ভুমিহীনের জমি দখল : এলাকায় তোলপাড়

 

জগন্নাথপুরে ভুমিহীন সেজে নান রকম দুর্ণীতি করে যাচ্ছে জনৈক ব্যক্তি। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর গ্রামের দিনমজুর ও অস হায় পরিবারের ভুমিহীন বন্দোবস্তের জায়গা একই গ্রামের স্থানীয় প্রভাবশালী ইউপি সদস্য মিলাদ মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ উটেছে।

 

বার বার গরীব ও অসহায় পরিবারকে ভুমি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে ভুমিহীন সেজে প্রকৃত ভুমিহীনের জমি দখলে এলাকায় তোলপাড় চলছে। ফলে নানা লাঞ্চনা- বঞ্চনার শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অবশেষে সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছে।

 

অনুসন্ধানে ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুবাজপুর গ্রামের ভুমিহীন রফু মিয়া পীর ও তার স্ত্রীর নামে কুবাজপুর মৌজায় ১ একর ভুমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হলে সরেজমিনে দখল প্রাপ্ত হয়ে সরকারের সন সন খাজনা ও নামজারীসহ চলমান জরিপে ফাইনেল ফর্সা তাদের নামে প্রস্তুত হয়।

 

রফু মিয়া পীর ও তার স্ত্রী, ১ ছেলে, ৫ মেয়ে ওয়ারিশান রেখে মারা গেলে বন্দোবস্তের ভুমির নজর পড়ে এলাকায় ভুমিখেকো হিসেবে পরিচিত গ্রামের সাজ্জাদুর রহমান ঝুনু মিয়ার । তিনি সু-কৌশলে জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। বছরের পর বছর নানা হয়রাণির পর শুরু করেন জমি দখলের নানা পরিকল্পনা।

 

সাজ্জাদুর রহমান ঝুনু মিয়া এলাকার প্রভাবশালী ও লন্ডন প্রবাসী পরিবারের মধ্যে একজন হলেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকার থেকে ২ টি বন্দোবস্তের মাধ্যমে ২ একর জমি ভাগিয়ে নেন তাদের পরিবারে । প্রায় ২/৩ মাস পূর্বে ভুমিহীন রফু মিয়ার জমিতে ঝুনু মিয়ার লোকজন রাতারাতি মাঠি কাটা শুরু করলে বাধা দেন ছেলে আনোয়ার শাহ ও তার বোনেরা। বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন।

 

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে ঝুনু মিয়া ও তার ছেলে ইউপি সদস্য মিলাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ফল পাননি ভুক্তভোগী পরিবার। রফু মিয়ার জমিতে ছেলে আনর শাহ কাজ করতে গেলে বাধা হয়ে দাড়ান ঝুনু মিয়া ও তার ছেলে ইউপি সদস্য মিলাদ মিয়া।

 

তাদের নির্দেশে ভুমিহীন মৃত রফু মিয়া পীরের মেয়ে শিনারা বেগম (৩৫) কে মারধোর করে মিনার ও রিয়াদ। আহতাবস্থায় তাকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ উভয় পক্ষকে নিয়ে বসলেও ইউপি সদস্য মিলাদ মিয়া সময় ক্ষেপন করে আবারও জমি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেন।

 

মৃত রফু মিয়া পীরের ছেলে ভুক্তভোগী আনোয়ার শাহ, মেয়ে সাফিয়া বেগম, রাহেনা বেগম, শিবজিয়া বেগম, শিনারা বেগম, শেফালী বেগম, কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন আমরা গরীব ও অসহায়। আমাদের কথা কেউ শুনেনা।ভুমিহীন বন্দোবস্ত মূলে আমাদের পিতা মৃত রফু মিয়া ও মাতার ওয়ারিশ হিসেবে আমরা দাবীদার। এলাকার ভুমিখেকো ও প্রভাবশালী ঝুনু মিয়া ও তার ছেলে মিলাদ মেম্বার এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির মিনার, রিয়াদের অত্যাচার- নির্যাতনে আমরা অতীষ্ট।

 

জমি থেকে বার বার মারধোর করে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। গ্রামের ধন্যাঢ্য ও লন্ডনী পরিবার হয়েও একই পরিবারে ২ টি ভুমিহীন বন্দোবস্ত নিয়ে আমাদের জমিসহ বহু জায়গা দখল করে রেখেছে। বর্তমানে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রাণিসহ আমাদের প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে। এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ৬ নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন মৃত রফু মিয়া পীর ও তার পরিবারের লোকজন ভুমিহীন এবং বন্দোবস্ত পেয়েছে এটা সত্য।

 

আমার পরিষদের একজন ইউপি সদস্য উক্ত ভুমি দখল করেছে বলে ভুক্তভোগীরা আমাকে জানিয়েছে। বিষয়টি সমাধানে আমি বার বার চেষ্টা করেছি। কিন্তু একটি পক্ষ না মানায় বিষয়টি সমাধান হচ্ছেনা। জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই রাজিব রহমান বলেন বিষয়টি নিয়ে আমরা সমাধানের জন্য চেষ্টা করেছি।

 

ইউপি সদস্য মিলাদ মিয়া বার বার সময় নিয়েও কাগজপত্র নিয়ে আসছেনা। গরীব ও ভুমিহীন পরিবারের কাগজপত্র দেখেছি। শান্তি শৃংখলার স্বার্থে উভয়পক্ষকে জমিতে না যেতে বলা হয়েছে। ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য মিলাদ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি মারধোরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন দখলীয় জমি সরকারি হলেও এখন আমাদের মালিকানা। উক্ত জমি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। কারো জমি আমরা দখল করিনি।

 

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা এই ভুমিখেকো পরিবারের কবল থেকে রক্ষা ও সরকার হতে প্রাপ্ত ভুমি ফেরত পেতে সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

 

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শিবগঞ্জে নিসচা’র সহযোগিতায় পাকা  মুদির দোকান পেল  প্রতিবন্ধি শাকিল 

 

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া শিশু ৫ মাস পর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া এক শিশুকে দীর্ঘ ৫ মাস পর সদুর হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার এক দম্পতির বাড়ী থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি চুরির সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুই জন হলেন,  সুলতানা বেগম সুমি(২৫) ও মোহাম্মদ ইসমাইল(৩৫)। 
চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান, আটককৃতরা শিশু চুরির সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ জড়িত। বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পেয়ে সুলতানা বেগম সুমিকে সিলেটের শাহজালালের মাজার এলাকা থেকে আটকের পর তার দেয়া তথ্য মতে হবিগঞ্জ থেকে ইসমাইলকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার এক দম্পতির কাজ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। 
ওসি নেজাম উদ্দিন আরো জানান, ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর নগরীর রেল স্টেশন কলোনির বাসা থেকে আট মাস বয়সী  ফারহান নামের এক শিশুকে চুরি করে নিয়ে যায় সুলতানা বেগম সুমি নামের এক মহিলা। শিশু ফারহানের বর্তমান বয়স এক বছর এক মাস।
জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শিশু ফারহানের বাড়ীতে সুমির নিয়মিত যাতায়ত ছিল। ঘটনার দিন সুলতানা বেগম সুমি নগরীর স্টেশন রোড কলোনীতে ফারহানদের বাসায় গিয়ে তাকে কোলে নিয়ে আদর করে। এক সময় ফারহানের মা তসলিমা ঘরের কাজে ব্যস্- হয়ে পড়লে সুমি শিশু ফারহানকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আটকের পর সুলতানা বেগম সুমি পুলিশকে জানান, চুরি করার পর সে শিশুটিকে ইসমাইলের কাছে দেন। পরে ইসমাইল হবিগঞ্জের এক দম্পতির কালে শিশু ফারহানকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। তার ঔ দম্পতিকে এতিম এবং রাস্-ায় কুড়িয়ে পেয়েছে বলে জানান। উদ্ধার করার পর গত মঙ্গলবার শিশু ফারহানকে তার পিতা মাতার কাছে কোলে তুলে দেয়া হয়েছে।
//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

হরিপুরে টিউবওয়েলের পানি পান করে এক শিক্ষক পরিবারে ৫ জন অজ্ঞান

 

হরিপুরে টিউবওয়েলের পানি পান করে একই পরিবারের ৫ জন অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। (১ জুন মঙ্গলবার আনুমানিক সকাল ১০ টার দিকে  ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে  উপজেলা ২নং আমগাঁও ইউনিয়নের কামারপুকু গ্রামে। টিউবওয়েলের পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাদুরাণী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিকক্ষ মোজ্জামেল হক (৭৫), স্ত্রী আয়েশা বেগম (৬৫), বউ মা রুনা লাইলা (৪০), বাড়ির কেয়ারটেকার সিরাজ উদ্দীন (৬০) ও কাজের বুয়া আরজিনা।

 

গত দুই মাসে একই ভাবে টিউবওয়েলের পানি পান করে উপজেলার অন্তত ৫টি পরিবারের সদস্যরা অজ্ঞান হয়ে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমন একাধিক ঘটনা ঘটায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে উপজেলার সাধারণ মানুষ। এই সব ঘটনার নেপথ্যে কারা এবং তাদের উদ্দেশ্য কি। এই অজ্ঞান পার্টি চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে পুলিশ প্রশাসন এখনো তাদের আটক করতে পারছে না। এ নিয়ে এলাকার অনেকের মুখে গুন্জন উঠেছে।

 

স্থানীয় ও পারিবারিক লোকজন জানান, মঙ্গলবার সকালে যাদুরানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিকসহ বাড়ির সবাই নাস্তা খাওয়ার সময় টিউবওয়েলের পানি পান করে। সকাল ১১টার দিকে একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রধান শিকক্ষ এর বড় ছেলে বাড়িতে এসে দেখে অসময়ের সবাই ঘুমিয়ে রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহ জনক হলে স্থানীয় ডাক্তারকে ডাকা হয়। ডাক্তার এসে পরীখা করে জানান অসুস্থ ব্যাক্তিদের নেশাদ্রব্য জাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

থানার ওসি আওরঙ্গজেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিষয়টি শুনেছি। এসব ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত থানা পুলিশ সিরিয়াসলি ভাবে অনুসন্ধান চালছে, এইঅজ্ঞান পাট্রির চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য।

।। মাহাবুব আলম , ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার