রামপালে ৩৯টি মণ্ডপে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল উপজেলার ৩৯ টি মণ্ডপে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুর্গা পূজা শুরু হয়েছে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাগেরহাট জেলা পরিষদের সদস্য অসীত বরণ কুণ্ডু জানান, শান্তিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। আসা করি শান্তিপূর্ণভাবে এ উৎসব সম্পন্ন হবে।

বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার এবং সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য প্রতিটি মন্দিরে ১০ জন করে সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। তবে হুড়কার গোনাবেলাই, মন্দির, ভ্যাকোটমারী মন্দির ও গিলা তলা মন্দির এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ নজরদারির দাবী জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন, পুলিশ ও আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

এ জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

অভয়নগরে ১২৭টি পূঁজামন্ডপে সরকারী অনুদান প্রদান

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষপ্রতিনিধি//

যশোরের অভয়নগরে শারদীয়া দূর্গাপূঁজা উপলক্ষে ১২৭ টি পূঁজা মন্ডপে সরকারী অনুদানের ৬৩ টন চাল প্রদান করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর (রবিবার) বিকেলে নওয়াপাড়া কালীবাড়ী মন্দিরে ৷ এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অভয়নগর উপজেলা পূঁজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও পায়রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিষ্ণুপদ দত্ত।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রনজিৎ কুমার রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান,নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সুশান্ত কুমার দাস শান্ত, ধর্মযাজক ডা. মিলন কুমার বোস,শেখর কুমার সাহা, নওয়াপাড়া পৌর পূঁজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রসঞ্জিত কুমার দাস সঞ্জিত প্রমুখ।

এসময় অভয়নগরের ১২৭ টি পূঁজা মন্ডপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের হাতে এমপি মহোদয় নগদ ১৬ হাজার ১শ ১০ টাকা করে মোট ২০ লাখ ৪৫ হাজার ৯শ ৭০ টাকা প্রদান করেন।

বরিশাল নগরীতে সবচেয়ে বেশী পূজার আয়োজন চলছে

 

অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও বরিশাল নগরীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী পুজার আয়োজন চলছে বরিশালে ৪৬টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পুজার আয়োজন। প্রতীমা তৈরীর মৃৎ শিল্পী রুপক পাল, শংকর পাল, সুদেব পাল, গোপাল পাল, সঞ্জয় পালসহ মৃৎ শিল্পীরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের মতো এবছরও প্রতিমার আকার আয়তন ঠিক রেখেই প্রতিমা নির্মাণ করছেন তারা।

প্রতিমা নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ করেছেন এখন রং তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলবেন প্রতিমার গায়ে।পঞ্জিকা মতে, ৬ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দেবীর আগমণী বার্তা বেঁজে উঠেছে মর্তলোকে।

১১ অক্টোবর সোমবার ষষ্ঠী পুজার মধ্য দিয়ে দেবীর দূর্গার নবপত্র কল্পারম্ভ, ওইদিন মন্ডপে মন্ডপে বেঁজে উঠবে ঢাক-ঢোল আর কাঁসরের বাজনার শব্দ। ১২ অক্টোবর মঙ্গলবার মহাসপ্তমী পুজা, ১৩ অক্টোবর বুধবার দেবীর মহাঅষ্টমী পুজা, ১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার মহানবমী পুজা ও ১৫ অক্টোবর শুক্রবার দশমী বিহিত পুজা বিহীত সমাপনান্তে দেবী বিসর্জণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশহরার।

সমাপ্ত হবে পাঁচ দিন ব্যাপি শারদীয় দূর্গা পুজা। কোতয়ালি থানার (ওসি) মো নুরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন।দূর্গা পুজা সনাতন ধম্বাবলম্বিদের অন্যতম উৎসব হলে অ-সাম্প্রদায়িক হিসেবে পরিচিত প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজা শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া পর্যন্ত মন্ডপগুলোতে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।

সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রত্যেক পুজা মন্ডপে তাদের নিজস্ব কমিটি গঠনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দল আইন-শৃংখলা বাহিনীর সাথে কাজ করবে। সাথে থাকবে গ্রাম পুলিশ সদস্য, পুরুষ-মহিলা আনসার সদস্য। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরার আওতায় রেখে বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর সাদা পোশাকধারী সদস্যরা কাজ করবে।

//পলাশ চন্দ্র দাস :বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

শারদীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক কর্তৃক শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ

 

 

শারদীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক কর্তৃক শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ

“রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি, জাগ্রত হয় মানব অনুভূতি” – এই স্লোগানকে বুকে ধরে ২০১৭ সালে একদল তারুণ্য উদ্বিপ্ত উজ্জ্বল নক্ষত্রসম  কিশোর – কিশোরী যারা অধিকাংশই সমাজ সেবাকে লালন পালন করেন তাদের স্বমহিমায় গঠিত হয় সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক।

সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই সংগঠনের সাথে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকগণ অতি সুনামের সাথে সাতক্ষীরাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে স্বউদ্যোগে রক্তদান করাসহ রক্তদানে সাধারণ জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করে থাকে।সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকে শতাধিকের অধিক সদস্য সরাসরি রক্তদানসহ দেশের যেকোন ক্রান্তিকাল যেমন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় টেউ শুরু হলে জনগনের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও করোনার বিধিনিষেধ পালনে উদ্ধুদ্ধ করা  এবং জীবনদায়ী অক্সিজেন সরবরাহসহ করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবাশুশ্রূষা করেন। এমনকি করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের দাফনের কাজে সরাসরি  জনগণকে সাহায্য ও সহযোগী করেন।

এছাড়া শীতের সময় অসহায় শীতার্ত  মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ,ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী সময়ে জনগণকে সচেতন করা ও ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চাল,ডাল,আটাসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিশেষ করে অসহায় কন্যাদায়গ্রস্থ পিতামাতাকে আর্থিকভাবে সহযোগী করা,রমজান মাসে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ইদ ও পূজার সময় শিশুদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য নতুন জামাকাপড় বিতরণ করা।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৮ অক্টোবর -২০২১ রোজ শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলার বাবুলিয়া ঋষিপাড়ার সুবিধা বঞ্চিত  অর্ধশতাধিক শিশু কিশোর- কিশোরীকে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে নতুন পোশাক বিতরণ করে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করেছেন।

পোশাক বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের সদস্য আক্তারজামান, ফিরোজ খান,সবুজ,শাকিল আহমেদ, ইজাজ, ইমরান, সাইফুল ও স্থানীয় সাধারণত জনগণ।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চাঁদপুর হরিনায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ২টি নৌকাসহ ৮ জেলে আটক

 

মহম্মদপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে চেক বিতরন ও আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

//শ্যামল বিশ্বাস ,মাগুরা বিশেষ প্রতিনিধি//

মাগুরার মহম্মদপুরে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে সরকারি অনুদানের চেক বিতরন ও আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে মাগুরা-২ আসনের সাংসদ ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার উপস্থিত থেকে ১৩২ টি পূজা মন্ডুপের সভাপতি সাধারন সম্পাদকের হাতে ১৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

চেক বিতরন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পালের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু আব্দুল্লাহেল কাফী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাসির উদ্দিন, মাগুরা জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রী বাসু দেব কুন্ডু, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাই মিয়া, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি বাবু শ্রীকান্ত,উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব জগন্নাথ সাহা, বিনোদপুর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার মিজানুর রহমান,বাবুখালী ইউপি চেয়ারম্যান মীর মো: সাজ্জাদ আলী প্রমুখ।

নির্বিঘ্ন এবং আনন্দঘন পরিবেশে সার্বজনীন দুর্গাৎসব সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন পক্ষ থেকে ৩ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সাংবাদিক মোশারফ হোসেন এর মৃত্যুতে দৈনিক বিশ্ব’র শোক

আজ শুভ মহালয়া

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিবেদক//

রাত পোহালেই বেঁজে উঠবে গায়ে শিহরণ জাগানো সেই সুর ত্রিভুবন মেতে উঠবে মহামায়ার আগমনীতে। জাগো,তুমি জাগো,জাগো দুর্গা জাগো,দশপ্রহরণধারিনী  আজ মহাপূজার পূর্ণ লগ্ন মহালয়ার মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে সনাতনধর্মীয়দের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা পুজা। অসুর বিনাশিনী সর্বজয়া দেবী মহামায়ার শুভাগমনে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরেও দেবী দুর্গা ঘটকে আগমন করিবেন । ২০ আশ্বিন ১৪২৮ বাংলা,৬ অক্টোবর,২০২১,ইং, বুধবার শুভ মহালয়া  নবরাত্রি ব্রত আরাম্ব।  ২৩ আশ্বিন১৪২৮, ১০অক্টোবর ২০২১ রবিবার, দেবীর  বোধন পুজার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে। ৫ দিন ব্যাপী  দুর্গা পুজা, ডাক,ঢোল,শঙ্কেঁ, তালে  মুখরিতো হবে প্রতিটি পুজা মন্ডপ।

১৫ অক্টোবর শুক্রবার সিদুর খেলা ও বিসর্জন দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব । দুর্গা পুজার সময় আমরা দেখতে পাই মা দুর্গা ত্রিশুল, দারা মহিষাসুরকে বধ করছেন। দুর্গা দেবীর রুপে মোহিত হয়ে অসুর যতই তাঁর দিকে ধাবিক হচ্ছে, ততই তাঁর হাতের সুতীক্ষ্ণ ত্রিশুল অসুরের বক্ষে বিদ্ভ হতে থাকে

দূর্গা দেবী কেন প্রতিবছর বিভিন্ন বাহনযোগে মর্তলোকে আসেন

আমরা জানি মা দূর্গার সর্বকালের শ্রেষ্ট বাহন সিংহ কিন্তু মা দূর্গার মর্তে আগমন ও গমনে মা দূর্গা বিভিন্ন বাহন এ আসেন। কখনো গজ, ঘোটক , দোলায় বা নৌকায়।  প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্রের বিচার অনুযায়ী দেবীর আগমন ও গমনের বাহন দ্বারা সূচিত হয় সারা বছর কেমন যাবে। ষষ্ঠীতে অধিবাস ও বোধনের পরেই দেবী সপ্তমীতে প্রবেশ করে পিতৃক গৃহে। অর্থাৎ সপ্তমী সপ্তাহের কোন দিন পড়েছে তার উপর ভিত্তি করে দেবী এই মর্তলোক থেকেই প্রস্থান করবেন। শাস্ত্রে বলা হয়েছে

রবি চন্দ্রে গজা রুরা

ঘোটকে সহিভৌমই

গুরুশুক্রে চ দোলায়ং

নৌকায়াং বুধবাস্বরে।

এর মানে হলো মা দূর্গার আগমন বা গমন রবিবার বা সোমবার হলে গজে

মঙ্গলবার বা শনিবার হলে ঘোটকে

বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার হলে দোলায় বুধবার হলে নৌকায়।

এবছর ২০২১ সালে সপ্তমী তিথি পড়েছে ১২ ই অক্টোবর মঙ্গলবার  তাই এবছর দেবী আসবেন ঘোড়ায় চড়ে। দেবী দূর্গার আগমন ঘোটক বা ঘোড়ায় হলে চরম বিশৃঙ্খলা ও ক্ষয়ক্ষতি দেখা দেয়। সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে ধ্বংস ও অস্থিরতা ডেকে আনে। বলা হয় ঘোড়ায় মায়ের পদার্পন হলে ঘোড়ার গতির মতই অশান্তির তীব্রতা বাড়ে।

সংঘাত, যুদ্ধ , হানাহানি লেগে থাকার আশংকা থাকে এই ধরিত্রীতে চলে নতুন কোনো বিপ্লব। এছাড়াও আরো একটি দিক আছে যেটি সুত্র ধরে বিচার করা যেতে পারে। দেবী দূর্গা ঘোড়ায় যাত্রা করে শনিবার বা মঙ্গলবারে। শনি গ্রহ কে আমরা অনিষ্টকারী ও কুটবুদ্ধি সম্পন্ন হিসেবে দেখি। আর মঙ্গল গ্রহ তেজস্রী ও বীর দর্বী। তাই দেবী ঘোড়ায় আগমন ও গমন করলে এই গ্রহের চারিত্রিক প্রভাব পড়ে এই মর্তলোকে। ২০২১ সালের দূর্গা পূজার শুভ বিজয়া তিথি পড়েছে শুক্রবার ১৫ অক্টোবর যেবছর দেবী দূর্গার আগমন ও গমন বৃহস্পতি বা শুক্রবার পড়বে সেই বছর দেবী দোলায় গমন করবে। দোলাং মরকাং ভবেত

দেবী যদি দোলায় গমন করেন তাহলে মর্তে বহু মৃত্যু ঘটে। এই বহু মৃত্যু বিভিন্ন কারনে হতে পারে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে, যুদ্ধের কারনে বা মহামারীর কারনে। দোলা হল পালকির মত একটি যান, যার স্থিরতা কম ও নোদুল্য মান। অল্পতে দুলে আবার অনেক সময় বিপদের কারন। তাই দেবীর দোলায় গমনাগমনে মর্ত ভূমির স্থিরতা ব্যাহত হয়। দেবী দূর্গা দোলায় গমনাগমন করেন বৃহঃস্পতি ও শুক্রবার। দেবগুরু বৃহঃস্পতি হলে বিদ্যান বুদ্ধিমান এবং চিন্তাশীল। ফলে ভবিষ্যতের ভালো মন্দ ভাবতে তিনি এতটাই বিভোর হয়ে পড়েন যে তিনি যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব বা সময় নেন।

শাস্ত্রে বর্ণিত: অতি বিলম্বের ফল ভালো নয়। বহুবিধ বিগ্ন বিভ্রা বেশে উপস্থিত হয়। অন্যদিকে শুক্রার্চায্য হলেন দৈত্য গুরু। তিনি বিদ্যান ও তেজস্রী কিন্তু তার সিদ্ধান্ত বহন এতটাই দ্রুততার সাথে হয় যে প্রায়ই তাকে সমস্যায় পড়তে হয়। অতি বিলম্বের ফল যেমন সুফল বয়ে আনে না। তেমনি অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও কুফলের কারন হয়ে দারায়।  আর এই দুই গুরুর চারিত্রিক প্রভাবের প্রভাবিত হয়ে দেবীর  গমনাগমনে প্রভাব পড়ে মর্তলোকে। তাই বলা যেতে পারে দেবীর আগমন ও গমনের সাথে বাহন বার ও প্রকৃতির জোর প্রবল

//পলাশ চন্দ্র দাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে তিন কারণ নিয়ে বিশ্লেষণ

যশোরে এ বছর ৬৯৮ টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা আসন্ন।আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গোৎসবের প্রাথমিক সূচনা হবে।

সারাদেশের ন্যায় আজ ২৬ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে  যশোর জেলায়ও দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

যশোর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসীম কুন্ডু জানান, এবছর যশোর জেলার যশোর সদরে ১৪৫ টি, ঝিকরগাছায় ৫৫ টি, শার্শায় ২৯ টি, চৌগাছায় ৪৮ টি, কেশবপুরে ৯৮ টি,অভয়নগরে ১২৬ টি ও মনিরামপুরে ১০৩ টিসহ মোট ৬৯৮ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

“ ধর্ম যার যার উৎসব সবার” এই মূলমন্ত্র ধারণ করে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে যাতে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়ে দুর্গোৎসব সার্ব্বজনীনতা লাভ করতে পারে সেজন্য পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে  চলার দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং সার্ব্বজনীন উৎসবটি যাতে সার্ব্বজনীনতা লাভ করতে পারে সে জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে বরাবরের মতো এবারও প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা  রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, যশোর জেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা।এই জেলায় কোন উৎসবকে কেন্দ্র করে কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারবে না।উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে দুর্গাপূজা আয়োজনের লক্ষ্যে সব রকম প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পূজা মন্ডপে অতি গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মনিটরিং টীম কাজ করবে।

এছাড়াও মন্দিরের স্থানীয় কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীরা কমিটির গাইড লাইন মেনেই উৎসব পরিচালনা করবে।তিনি আরও বলেন, করোনাকাল আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে অনেকটাই পরিবর্তন এনেছে। করোনায় উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়লেও, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি মন্ডপে পূজা অর্চনা করতে হবে।সরকার এবার স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আলাদা কোন নির্দেশনা এখন পর্যন্ত না দিলেও, প্রতিটি মন্ডপে করোনার সকল স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রতিটি মন্ডপ কমিটিকে কাজ করতে হবে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৫ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আসছে শারদীয়া দুর্গা উৎসব

পুলিশ সার্ভিস কোন চাকুরী নয় ‍এটি একটি সেবা: বিএমপি কমিশনার

আসছে শারদীয়া দুর্গা উৎসব

শরতের আগমনে কাশ ফুলের শুভ্রতার শীষ দোলা আর একটু একটু শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে দুয়ারে  নাড়ছে কড়া। বাঙালীর বৃহৎ উৎসব ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

সকল জাতি ধর্মের অসাম্প্রদায়িক চেতনার উর্বর ভূমি বরিশালের দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।

তবে মহামারী করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও আনন্দ উদয্যাপনে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন পূজা উদয্যাপন কমিটির নেতারা। বরিশাল জেলায় এ বছর সর্বমোট ৫৯০ এবং নগরীতে ৪৪টি মণ্ডপে পূজা উদয্যাপন করা হবে। সরেজমিনে জেলার কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে ও অন্যান্য উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পূজা উপলক্ষে তৈরি করা প্রতিমাগুলোর কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাকি কাজ শেষে রং তুলির আঁচড়ে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে দুর্গা প্রতিমাগুলো।

নগরীর ঝাউতলা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কারিগররা জানান, হাতে সময় আছে প্রায় বিশ দিনের মতো। এর মধ্যে মাটির কাজ, রং, পোশাক এবং অলংকার পরানোর কাজ শেষ করে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিমা বুঝিয়ে দিতে হবে। তাই তারা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। নগরীর ভাটিখানা মন্দিরের প্রতিমা তৈরির এক কারিগর বলেন, প্রথম ধাপের মাটির কাজটি মূলত কঠিন ও দীর্ঘ সময়ের। আমরা ইতোমধ্যে সেটি শেষ করেছি। বাকি কাজ দশ দিনের মধ্যেই শেষ হবে।

পূজা উদয্যাপন পরিষদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মানিক মুর্খাজি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রতিটি মন্ডপে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কমিটির প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে এবারের শারদীয় উৎসবকে বর্ণিলভাবে উদয্যাপন করা হবে। এ বছর দুর্গা মায়ের কাছে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। (মানিক মুখার্জি) দেয়া তথ্যমতে, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও বরিশাল বিভাগের মধ্যে আগৈলঝাড়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ১৬১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও জেলার গৌরনদীতে ৮৪টি, উজিরপুরে ১১৬টি, বানারীপাড়ায় ৫৯টি, বাবুগঞ্জে ২৫টি, মুলাদীতে ১১টি, মেহেন্দিগঞ্জে ২৪টি, হিজলায় ১৫টি, বাকেরগঞ্জে ৭১টি ও বরিশাল সদরে ২৪টিসহ মোট ৫৯০টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছরের তুলনায় ১৫টি বেশি। বরিশাল মহানগর পূজা উদয্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা বলেন, নগরীতে এ বছর নতুন দুটিসহ মোট ৪৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে ৩৮টি সার্বজনীন ও ছয়টি ব্যক্তিগত।

পঞ্জিকা মতে, আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মর্তলোকে দেবীর আগমনী বার্তা বেজে উঠেছে। ১১ অক্টোবর (সোমবার) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দেবীর দুর্গার নবপত্র কল্পারম্ভ। ওইদিন মণ্ডপে মণ্ডপে বেজে উঠবে ঢাকঢোল আর কাঁসরের বাজনার শব্দ। ১২ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৩ অক্টোবর দেবীর মহাষ্টমী, ১৪ অক্টোবর মহানবমী ও ১৫ অক্টোবর দশমী বিহিত পূজা বিহীত সমাপনান্তে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশহরার।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের পূর্ণ বিবরণ

 

বরিশাল প্রতি মন্ডপে চলছে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি

 

শারদীয় দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে বরিশালের মন্দিরে মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।করোনাকালে প্রকৃতির খেয়ালে আজ মানুষ এক বিরূপ পরিস্তিতির মাঝেই বসবাস করছে। কিন্তু সময় থেমে নেই, কয়েকদিন পরেই আসছে সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বরিশাল নগরীর পূজামন্ডপ গুলোতে মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ ও সাজসজ্জার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগর ও মৃৎশিল্পীরাসহ আয়োজক কমিটির সদস্যরা। মন্ডপগুলো সাজানো হচ্ছে নানান সাজে। কোথাও চলছে মাটির কাজ আবার কোথাও রংয়ের কাজ।সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যে বিরাজ করেছে উৎসবের আমেজ।

উৎসব মানেই পরিবারের ছোট বড় সবার নতুন পোশাক বিভিন্ন আয়োজন অথচ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এবছর উৎসব পালনে সাধ এবং সাধ্যের সমন্বয় করাটা কঠিন। এছাড়াও করোনা মহামারীর এসময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পুজা করার তাগিদ দিচ্ছেন বরিশাল মহানগর পূজা কমিটি। পূজা উপলক্ষে আমাদের প্রত্যাশা, পূজাটা যেন সুন্দর সুষ্ঠুভাবে উঠাতে পারি এবং সবাইকে নিয়ে আনন্দ করতে পারি।তবে নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিসিসির  ৭নংওয়ার্ড কাউন্সিলর ২ নং প্যানেল মেয়র এ্যাড রফিকুল ইসলাম খোকন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও প্রতিটি পুজা মন্ডপে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে, আর সবগুলো পূজা মন্ডপকে কঠোর নিরাপত্তার আওতায় নিতে সাদা ও পোষাকধারী পুলিশ সদস্যদের সাথে প্রায় ১০হাজারের বেশি আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে আবারো মেয়র নির্বাচিত হলেন-আ’লীগ প্রার্থী সুশান্তকুমার দাস