করোনা উর্দ্ধগতির কারণে প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন স্থগিতের নীতিগত সিদ্ধান্ত

 

আগামী ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে কারণ বলা হয়েছে করোনার ঊর্ধ্বগতি  । তবে বিষয়টি নিয়ে ১ এপ্রিল চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হবে।

সোমবার বিকেলে এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা হয়তো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ১ এপ্রিল। আজকে কমিশন একটা সভা করেছে, সেখানে তারা বলেছে যে, ৩১ মার্চের পর আর নির্বাচন হবে না। করোনার কারণে এটা ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত।’

নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘করোনার এই পরিস্থিতিতে আপাতত আমরা আলোচনা করেছি এবং আমাদের মনে হয়েছে, নির্বাচন কন্টিনিউ (চালিয়ে যাওয়া) করা ঠিক হবে না। আমরা আরও একটু দেখে, পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে চাই। আমাদের মনে হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আমরা আরও দেখব। আরও দুই দিন দেখে ১ এপ্রিল আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’

উল্লেখ্য, ১১ এপ্রিল ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি এ দিন ১১টি পৌরসভায়ও ভোটগ্রহণের দিন ধার্য আছে।

।। ডেস্ক রিপোর্ট ।।

নির্বাচনী প্রচারে ক্লান্ত নুসরাত বললেন- মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও এত করি না

অনলাইন ডেস্ক।।

দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ‘বাড়তি আবদারে’ বেকে বসলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহান। দলের তরফেই একটু বেশি সময় ধরে প্রচার চালিয়ে যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছিল তাকে। কিন্তু নুসরাত সাফ জানিয়ে দেন, আর পারবেন না তিনি। শুধু তাই নয়, মুখের কথা শেষ হওয়ার আগে গাড়ি থেকেও নেমে যান।

শনিবার অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীর হয়ে প্রচারে যান নুসরাত। খাঁ খাঁ রোদের মধ্যেও এক ঘণ্টার উপর হুডখোলা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন তিনি। তার পরেও আরও কিছুক্ষণ তাঁকে প্রচার করার অনুরোধ জানাতেই অভিনেত্রী বেঁকে বসেন বলে।

দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নুসরাতের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, দলীয় কর্মীদের মধ্যে কেউ এক জন নুসরাতকে বোঝাচ্ছেন, সামনে বড় রাস্তা। আর আধ কিলোমিটার গেলেই হবে।

 

কিন্তু গাড়ির পিছনের রড ধরে দাঁড়িয়ে থাকা নুসরাত হাত নেড়ে না বলতে থাকেন। তাতেও ওই কর্মী না থামায় চটে যান তিনি। বলেন, ‘‘এক ঘণ্টার উপর শোভাযাত্রা করছি’’। এ কথা বলেই রডের নিচ দিয়ে মাথা গলিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হন নুসরাত। তাকে রেগে যেতে দেখে, এতটা রাস্তা প্রচারের জন্য পাশ থেকে হাততালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানান দলীয় কর্মীরা। পাশ থেকে ‘ঠিক আছে’ বলতেও শোনা যায় কয়েকজনকে।

তবে তাতেও থামেননি নুসরাত। বরং কোনও দিকে না তাকিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন তিনি। আর নামতে নামতেই বলেন, ‘‘এক ঘণ্টার উপর র্যালি করছি। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও করি না। ঠাট্টা করছ?’’

নীলবাড়ির লড়াইয়ে এর আগে একাধিক বার তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন সভা এবং মিছিলে দেখা গিয়েছে নুসরাতকে। তবে আচমকা কেন তিনি রেগে গেলেন, তার সদুত্তর এখনও মেলেনি। তৃণমূলও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

BJP Candidates: বিজেপি-র প্রার্থী নন মিঠুন, চূড়ান্ত তালিকায় নাম নেই মহাগুরুর, গাইঘাটায় শান্তনুর ভাই

আনাতরাজাতিক অনলাইন ডেস্ক।।

বিজেপি-র চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকায় স্থান পেলেন না মিঠুন চক্রবর্তী। দিন দুই আগে খবর আসে, কলকাতায় মণীন্দ্র রোডের ঠিকানাতে ভোটার হয়েছেন মহাগুরু। তারপর থেকে জল্পনা শুরু হয়, বিজেপি-র প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম থাকতে পারে। মনে করা হয়েছিল, কাশীপুর-বেলগাছিয়া ও চৌরঙ্গী কেন্দ্রের পূর্বঘোষিত বিজেপি প্রার্থীরা বেঁকে বসায় এই দু’টি কেন্দ্রের একটিতে ভোটে লড়তে দেখা যেতে পারে মিঠুনকে। কিন্তু সেই জল্পনা সত্যি হল না।

মঙ্গলবার ১৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। সেই তালিকায় রয়েছে চৌরঙ্গী, কাশীপুর-বেলগাছিয়াও। সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে, যথাক্রমে দেবব্রত মাঝি ও শিবাজী সিংহ রায়কে। মিঠুন না থাকলেও, মঙ্গলবারের ঘোষণায় উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয় রয়েছে। বনগাঁ উত্তর, গাইঘাটা ও বাগদা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। মতুয়া প্রভাবিত কেন্দ্রগুলিতে প্রার্থিপদে মতুয়াদের প্রতিনিধিত্ব থাকে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনাকে সত্যি করেই গাইঘাটা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হল সুব্রত ঠাকুরকে। যিনি বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের ভাই। লোকসভা উপ-নির্বাচনে বিজেপি-র প্রার্থী হয়ে তিনি এর আগে পরাজিত হয়েছিলেন তৃণমূলের মমতাবালা ঠাকুরের কাছে। সেই সুব্রতকেই প্রার্থী করল বিজেপি।

আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রে ঘোষিত বিজেপি প্রার্থী অশোক লাহিড়ীকে কেন্দ্র বদলে নিয়ে আসা হয়েছে বালুরঘাটে। অটলবিহারী বাজপেয়ী ও মনমোহন সিংহ সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা অশোক রাজ্যের ভোটার না হওয়ায় আলিপুরদুয়ারে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। সেই কারণেই তাঁকে কেন্দ্র বদল করে ভোটে দাঁড় করানো হল।

উল্লেখ্য পাহাড়ও। পাহাড়ের তিন আসনেই একক ভাবে প্রার্থী দিল বিজেপি। ওই তিনটি আসনে তৃণমূল কোনও প্রার্থী দেয়নি। পাহাড়ের ‘বন্ধু’-দের জন্য তিন আসন ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই সরাসরি লড়াইয়ে নামল গেরুয়া শিবির। বিতর্কিত ইটাহার কেন্দ্রেও প্রার্থী ঘোষণা করা হল। সেখানে পদ্ম শিবিরের হয়ে লড়াই করবেন অমিতকুমার কুণ্ডু। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর এই ইটাহারের বিক্ষোভ দেখিয়ে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা।

কালিংপং – সুব্রত প্রধান

দার্জিলিং-নিরজতামাং জিম্বা

কার্শিয়াং-বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা

করণদিঘি – সুভাষ সিংহ

ইটাহার – অমিতকুমার কুণ্ডু

বাগদা – বিশ্বজিৎ দাস

বনগাঁ উত্তর- অশোক কীর্তনিয়া

গাইঘাটা – সুব্রত ঠাকুর

বালুরঘাট – অশোক লাহিড়ী

রাসবিহারী- সুব্রত সাহা

বহরমপুর – সুব্রত মৈত্র

চৌরঙ্গি – দেবব্রত মাঝি

কাশীপুর-বেলগাছিয়া – শিবাজী সিংহ রায়

ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন যাচাই-বাছাই নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

 সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :
ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তার দায়িত্বরত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই নিয়ে নাটকীয়তা, অনিয়ম ও নৌকা বিরোধী প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে।
নৌকা বিরোধী মেয়র প্রার্থী মোঃ আফজাল হোসেনের হলফনামায় তথ্য গোপন ও সম্পদের হিসাবে গড়িমিলের সুনিদৃষ্ট লিখিত অভিযোগ সত্বেও কোন শুনানী বা যাচাই-বাছাই না করেই তড়িগড়ি আফজাল হোসেনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষনা করেছে বলে অভিযোগে পাওয়া গেছে। পৌর নির্বাচনে নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থীর মোঃ আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদারের প্রধান নির্বাচন পরিচালনাকারী জেলা আ’লীগের কোষাধ্যক্ষ মুঃ মনিরুল ইসলাম তালুকদার ও তাদের আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোস্তাফিজুর রহমান মনু সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত অভিযোগ ও আইনজীবীরা জানায়, নির্বাচনী তফশিল অনুযায়ী ১৯/০৩/২০২১ইং তারিখ শুক্রবার সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় নির্ধারিত থাকলেও ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ আরিফুল ইসলাম নানাভাবে সময় ক্ষেপন করেন।
এক পর্যায়ে বিকাল সাড়ে ৩টায় তিনি কার্যালয়ে আসলে তিনি নৌকা মার্কার মেওর প্রার্থী মোঃ আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদারের লিখিত আপত্তির বিষয়ে তিনি নিজস্ব ভাবে তদন্ত করেছেন উল্লেখ করেই প্রতিদ্বন্দি আফজাল হোসেনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষনা করেন।
এসময় রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত নৌকা মার্কার প্রার্থীর পক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্ধ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিপি এড. আঃ মন্নান রসুল ও সাধারন সম্পাদক এড. মোস্তাফিজুর রহমান মনুসহ সকল আইনজীবীগন পক্ষপাতিত্বের ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে প্রতিবাদ জানায়। তারা জানান, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে আয়কর বিবরনের সাথে মেয়র প্রার্থী মোঃ আফজাল হোসেনের হলফনামায় উল্লেখিত নগদ অর্থ, স্বর্নালংকার, স্থাবর সম্পত্তির তথ্যে গড়মিল ও কমিয়ে উল্লেখ করার সুনিদৃষ্ট অভিযোগ তুলে ধরলে রিটানিং কর্মকর্তা আমলে নেয়নি এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে জেলা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আপিল ও রিটানিং কর্মকর্তার অনিয়মের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অবহিত করবেন বলে জানান তিনি ।
এ ব্যাপারে মোঃ আরিফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে বলেন, এটা অফিসিয়াল বিষয় তাই মিডিয়ায় বলা যাবেনা। আপনারা জানাতে চাইলে অফিসে আসেন।

কলারোয়া ইউপি নির্বাচন:: ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

জুলফিকার আলী, কলারোয়া, সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন কলারোয়া উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর ও সাধারণ ওয়ার্ডের মেম্বর পদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই সম্পন্ন হয়।

এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী জালালাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত আমজাদ হোসেন ও সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিমের মনোনয়নপত্র ব্যাংকে ঋণ খেলাপির কারণে সাময়িক বাতিল হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস।

উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি ইউনিয়নে আগামি ১১ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে। তবে মনোনয়ন বাতিল হওয়া জালালাবাদের নৌকার প্রার্থী আমজাদ হোসেন জানান, ‘তিনি পূর্বেই ঋণের টাকা পরিশোধ করেছেন, আপিলে বিষয়টির কাগজপত্র দাখিল করা হবে।’ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, ‘মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই শেষে ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিলকৃত ৫১জন প্রার্থীর মধ্যে বৈধ প্রার্থী ৪৯জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য পদে ১২৪জন ও সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৪০৫জন প্রার্থী থাকলো। তবে বাতিল দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আপিলের সুযোগ পাবেন।

 

বাগেরহাটের ডেমায় গোলাগুলির ঘটনায় আটক ৪, অস্ত্র উদ্ধার

 বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি//

বাগেরহাট সদরের ডেমা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মো. সজিব তরফদার ও ইউপি সদস্য প্রার্থী অহেদ মোস্তফা বাপ্পীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ-গোলাগুলির ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ মার্চ) ভোরে ডেমা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- ডেমা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তরফদার মকবুল মাস্টার (৭১), জসিম মল্লিক (২৬), মল্লিক সুজাউদ্দৌলা রচি (৪০) ও তরফদার মকবুল মাস্টারের মেয়ে মাকসুরা আক্তার (৩৫)।

এ সময় মকবুল চেয়ারম্যানের বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে তার ব্যবহৃত বন্দুক ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সজিব তরফদার ও অহেদ মোস্তফা বাপ্পীর সমর্থকদের মাঝে গোলাগুলি হয়। গোলাগুলিতে উভয়পক্ষের ১৭ জন গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের বাগেরহাট সদর হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাগেরহাট সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে। একটি বন্দুক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

কয়লা ইউপি’র নৌকার মাঝি মাস্টার আসাদুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিলেন

সাতক্ষীরা, জেলা প্রতিনিধি।।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। (১৮ই মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুরুষ মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যরা বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা স্ব স্ব দপ্তরে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মিছিলে মিছিলে ও স্লোগানে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৬ নম্বর সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের‌ বর্তমান চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মনিরুল ইসলাম, ৭নম্বর চন্দনপুর ইউনিয়নের বর্তমান‌ চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি মনিরুল ইসলাম মনি, ৩ নম্বর কয়লা ইউনিয়নের নৌকার মাঝি মাস্টার আসাদুল ইসলাম, বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, ২নম্বর জালালাবাদ ইউনিয়নের নৌকার মাঝি প্রভাষক আমজাদ হোসেন, ৫ নম্বর কেড়াগাছি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিল, ১ নম্বর জয়নগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি সামসুদ্দিন মাসুদ বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়দেব সাহা সহ ইউপি সদস্য পুরুষ ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন।

চন্দনপুর ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি

সাতক্ষীরা, জেলা প্রতিনিধি।।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। (১৮ই মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুরুষ মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যরা বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা স্ব স্ব দপ্তরে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মিছিলে মিছিলে ও স্লোগানে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৬ নম্বর সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের‌ বর্তমান চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মনিরুল ইসলাম, ৭নম্বর চন্দনপুর ইউনিয়নের বর্তমান‌ চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি মনিরুল ইসলাম মনি, ৩ নম্বর কয়লা ইউনিয়নের নৌকার মাঝি মাস্টার আসাদুল ইসলাম, বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, ২নম্বর জালালাবাদ ইউনিয়নের নৌকার মাঝি প্রভাষক আমজাদ হোসেন, ৫ নম্বর কেড়াগাছি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিল, ১ নম্বর জয়নগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি সামসুদ্দিন মাসুদ বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়দেব সাহা সহ ইউপি সদস্য পুরুষ ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি

অনলাইন ডেস্কঃ

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে বিজেপি, সংযুক্ত মোর্চা,তৃণমূল কংগ্রেসসহ অন্যান্য ছোট আঞ্চলিক দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের নমিনেশন পেপার্স জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও বাম- কংগ্রেস – আইএসএফ সংযুক্ত মোর্চার বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপিসহ সকল দল তাদের ব্যতিক্রমী নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণার মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ভোট গ্রহণ আগামী ২৭ মার্চ-২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২৯ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত সর্বমোট ০৮ দফায় শেষ হবে এবং ফলাফল ঘোষণা হবে ০২ মে-২০২১।

নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়া ও সংস্থা জরীপ কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে এবং ফলাফলের দিন লাল,সবুজ না কমলা আবীরের ছড়াছড়ি হবে তা নিয়েও ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে পাড়ার মোড়ে, চায়ের দোকানে। ভারতের মতো বৃহৎ দেশে গণতন্ত্রের চর্চা সব সময় বিশ্ব নন্দিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিক্ষার যত বিস্তার ঘটছে ততোই যেন ভারতীয় গণতন্ত্র ধর্মীয় লেবাসে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টি যে কতটা প্রকট হয়ে পড়ছে তার কিছুটা বিশ্লেষণ তুলে ধরার চেষ্টা মাত্র। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মিডিয়া ও সংস্থা জনমত জরীপ করে কিন্ত সেই সব জনমত জরীপকে ভুল প্রমাণিত করে এবং ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ২২ টি আসন,বিজেপি ১৮ টি ও কংগ্রেস ০২ টি আসন পায়।বামফ্রন্ট কোন আসন পেতে অসমার্থ হয়।

এখন আসন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভোটের বিশ্লেষণে দেখা যায়- তৃণমূল কংগ্রেস সর্বমোট ৪৩.২৮%, বিজেপি ৪০.২৫% কংগ্রেস ৫.৬১%, বামফ্রন্ট ৭.৫০% এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩.৩৬% ভোট পেয়েছিল।

পশ্চিম বঙ্গে ৩০% মুসলিম ভোটার আছে। ধরনা করা হয় মুসলিম ভোটারের কমপক্ষে ২৫% তৃণমূল কংগ্রেস, ৩% কংগ্রেস এবং বাকি ০২% বামফ্রন্ট পেয়েছিল।তাহলে দেখা যায় মমতা ব্যানার্জীর প্রাপ্ত ৪৩.২৮% ভোটের ২৫% সংখ্যালঘু ভোট বাদ দিলে হিন্দু ভোট পেয়েছিল মাত্র ১৮.২৮%। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের ভোট ব্যাংক এককভাবে ধরে রাখতে পারছে না। পশ্চিম বঙ্গের ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকের ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট ( আই.এস.এফ) ৩০% মুসলিম ও হিন্দু,আাদিবাসী সংখ্যালঘু ভোটারের দিকে হাত বাড়িয়ে বসে আছে যা সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টের দিকেই যাবে।

এছাড়াও ভারতের অন্যতম মুসলিম সংগঠন আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি- এর মীম পশ্চিম বঙ্গের মুসলিম ভোটকে টার্গেট করে একক বা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংকের একটি বৃহৎ অংশ যে হাত ছাড়া হতে চলেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ২৫% থেকে নেমে অর্ধেক বা ১২.৫০% হতে যাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও নির্বাচনের পূর্ব মুহুর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের যেভাবে দল বদলের হিড়িক পড়ে গেছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে প্রাপ্ত হিন্দু ভোট ১৮.২৮% এতেও যে হাত পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই এবং কমপক্ষে ০৮% ভোট কমতে পারে।তখন তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট দাঁড়াবে (১২.৫০%+১০.২৮)= ২২.৭৮%।

অন্যদিকে বাম- কংগ্রেস – আইএস-এর সংযুক্ত মোর্চা তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো মুসলিম ও হিন্দু ভোটারের ১২.৫০ ও ৪% পেলেও অমূলক হবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো ভোটের সম্পূর্ণ অংশ যদি সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টকেও নাও দেয় সে ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান হবে ( কংগ্রেসের ৫.৬১%+ বামেদের ৭.৫০% + মুসলিমদের ৭.৫% + তৃণমূলের হারানো হিন্দু ভোটের ৪%)=২৪. ৬১%। যেহেতু বিজেপি উল্লেখ করার মতো মুসলিম ভোট পায়নি সেহেতু ধরে নেওয়া যেতে পারে মুসলিম ভোটের ৫% ও হিন্দু ভোটের ২% আসাদ উদ্দিন ওয়াসির মীম ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পাবে। তাহলে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের ভোট দাঁড়াবে ( গত লোকসভার৩% + মুসলিম ভোট ৫% + হিন্দু ভোটের ২%)= ১০% বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে ৪০.২৫% ভোট পেয়েছিল যার অধিকাংশ ছিল হিন্দু ভোটার।

এবার বিধানসভার নির্বাচনের আগে দল বদলের যে মহাধূম শুরু হয়েছে তাতে আশাকরা যায় বিজেপির ভোট বাড়বে বই কমবে না।

এ ক্ষেত্রে এনআরসি,সিএএ এর প্রসঙ্গ থাকলে দেখা যায় ঐ অতি আলোচিত ও সমালোচিত বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের একটি ভোট ব্যাংক এবং যা পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচনে নিয়ামক হিসাবে কাজ করে সেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটগুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং মাঠে নেমেছেন। যার অংশ হিসাবে ২৬ ও ২৭ মার্চ-২০২১ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে মতুয়াদের প্রাণের ঠাকুর হরিচাঁদ গুরুচাঁদের জন্মস্থান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি তীর্থধাম পরিদর্শন করবেন। এক্ষেত্রে বিজেপির ভোট হবে ( ৪০.২৫% + তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো হিন্দু ভোট ২%)= ৪৪.২৫ % অর্থাৎ ভোট প্রাপ্তির শতকরা হিসাবে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস,সংযুক্ত মোর্চাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে মোটামুটি একটা নির্দিষ্ট ব্যবধানে হারিয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে বলে আশা করা যায় এবং কমপক্ষে ১৬০ টির মতো আসন লাভ করার সম্ভাবনা আছে।ফলে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসাবে পশ্চিম বঙ্গে সরকার গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বর্তমান কালের নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতা ও ভোটারদের যে দ্বিমূখী বা তৃমূখী আচরণ তাতে নির্বাচনের মোড় যে কোন দিকে যাবে তা বলা খুবই দুরূহ।

১ম ধাপে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট পেলেন যারা (তালিকাসহ)

অনলাইন ডেস্ক//

প্রথম ধাপে আগামী ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩০০টিতে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। ৩৭১টির মধ্যে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদের বাকিগুলো পরে জানানো হবে।

আজ শনিবার দলের সংসদীয় এবং স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

এর আগে গত ৫ মার্চ থেকে এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে দলটি।

৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩০টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করা হবে। বাকিগুলোতে কাগজের ব্যালটে ভোট হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৮ মার্চ, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১৯ মার্চ এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৪ মার্চ। এছাড়া ষষ্ঠ ধাপে একই তফসিলে ১১ পৌরসভায় ভোট হবে। সবখানে ইভিএমে ভোট হবে।

উল্লেখ্য, অবশিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা আগামী ১৫ মার্চ মূলতবি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

তালিকা দেখতে ক্লিক…