
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদের জন্মদিনে কেক কাটা ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীত বস্ত কম্বল বিতরন

Bangladesh

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, খুলনা//
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার খালিশপুর জুটমিল এবং ক্রিসেন্ট জুটমিলের পতিত জমিতে ফসল চাষ পরির্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনার পর দেশের প্রতিইঞ্চি জমির ব্যবহারের নিশ্চিত করতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নানা মুখি উদ্যেগ গ্রহন করা হয়। তারই অংশ হিসাবে মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস, দৌলতপুর, খুলনার সহযোগিতায় মিলের ভিতর পতিত জমিতে এবছর সূর্যমুখি, সরিষা এবং বিভিন্ন ধরনের সবজি ফসলের উৎপাদন হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার দুপুর ২ টায় খালিশপুর জুটমিল এবং ক্রিসেন্ট জুটমিলের পতিত জমিতে ফসল চাষ পরিদর্শন করেন
তিনি এসমস্ত কর্মকান্ড দেখে এবং বলেন কৃষি কাজ মাঠ পর্যায়ে বিস্তৃতি ঘটিয়ে অথনৈতিক ভাবে ঘুরে দাড়তে হবে। এসময় সাথে ছিলেন জেলা প্রশাসক, খুলনা খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ফরিদুল হাসান, উপপরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক(শস্য), মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) মহাদেব সানা, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি), মিজান মাহমুদ, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার, দৌলতপুর হুসনা ইয়াসমিন, উপসহকারী কৃষি অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট জুট মিলের কর্মকর্তা ও স্টাফগণ।
ডুমুরিয়ায় ইউএনও’র সাথে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়
//চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি//
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মানবতার সংগঠন “চৌদ্দগ্রাম প্রবাসী সূর্য সন্তান”র আহ্বায়ক কমিটি গত (২৫শে ডিসেম্বর) রোববার সংগঠনের আলোচনা সভায় ২০২৩-২০২৫ সালের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়।
এতে জাকির হোসেনকে সভাপতি, আমিনুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক ও মোঃ শাহিদুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম প্রবাসীর সূর্য সন্তান সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ লোকমান হোসেন আপন। নির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে মানবতার সেবকদের জন্য অবিরাম ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল।
আশা করি নতুন কমিটি আগামী দিনে কার্যক্রম আরো বেগবান ও গতিশীল করবেন এই প্রত্যাশা করে পোষ্ট দিচ্ছে নেটিজেনরা।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর আক্রমণের শিকার উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের দেওভান্ডারে গ্রামের সৈয়দ এহতেশাম হায়দার রুবেল এখন টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট ।
রুবেল সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত সৈনিক । চলতি ইউপি নির্বাচনে দৌলখাঁড় ইউনিয়নে স্বতন্ত্রভাবে ঢোল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন । একই গ্রামে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন খন্দকার সাইফুর রহমান বাবলু ।
সামসুদ্দিন কালু উপজেলা আওয়ামী লীগের পকেট কমিটির সভাপতি হয়ে কাজ দেখাতে গিয়ে রুবেলকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন ।
গত সোমবার কালু তার এক আত্মীয়কে দিয়ে রুবেলের ঢোল প্রতীকের প্রচারণার মাইক ভাংচুর করান । আইনি প্রতিকারের জন্য রুবেল পরের দিন মঙ্গলবার নাঙ্গলকোট থানায় যায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আচরণ বিধির অভিযোগ দাখিল করে বের হতেই সাইফুর রহমান বাবলু’র ভগ্নিপতি দেখেই কালুকে জানান ।
কালু রুবেলকে ডেকে তাঁর গাড়িতে উঠতে নির্দেশ করেন ।
রুবেল মতিগতি খারাপ দেখে গাড়িতে উঠতে অনীহা দেখান ।
এরপর কালু তাঁর বাহিনীর প্রধান পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ মজুমদার সুমনকে ইশারা করলে সুমন রুবেলকে ধাক্কা মেরে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করলে শুরু হয় হাতাহাতি । কালু চেয়ারম্যানও রুবেলকে মারধর শুরু করেন ।
সৈয়দ এহতেশাম হায়দার সেনাবাহিনীর কমান্ডো ট্রেনিং করা সৈনিক । আত্মরক্ষার চেষ্টায় । এতে সামান্য আহত হন উপজেলা চেয়ারম্যান কালু ও সুমন ।
এরপর কালু’র ড্রাইভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হান মেহবুব এর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা আনসার বাহিনীর হাতে রোল ( লাঠি ) দিয়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি পিটাতে থাকে । এতে রুবেলের বাম হাত ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ।
রুবেল আত্মরক্ষার্থে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারলে কালু ও সুমনের নাকমুখ ফেটে যায় ।
কালু ও তার সন্ত্রাসীরা রুবেলকে রুমে ডুকানোর অনেক চেষ্টা করেছিল ।প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, যদি কোনোভাবে ডুকাতে পারতেন তাহলে রুবেলকে জানেই মেনে ফেলতেন । ঘটনার সত্যতা কেউ স্বীকার করতে না চাইলেও পুরো ঘটনা উপজেলা নির্বাহীর সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা আছে ।
রুবেলের হাত ভেঙে চুরমার হয়েছে এলাকাবাসী সেটা নিয়ে মাতামাতি না করে বরং রুবেলকে টাইগার খ্যাতি দিচ্ছেন । কারণ, নাঙ্গলকোটের গডফাদার খ্যাত কালু’র নাকমুখ ফাটানো চাট্টিখানি কথা না !
তাই “রুবেল এখন টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট” ।
নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ডুমুরিয়ায় পালিত হল বৈশাখী টেলিভিশনের ১৮তম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠান
//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা শরীফ আসিফ রহমানের সাথে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী অফিসারের কক্ষে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) আফরোজ শাহীন খসরু, প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ এলিন, যুগ্ম সম্পাদক উদয় চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান বিপ্লব, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মজিদ, ক্রীড়া, সাংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুর রশিদ বাচ্চু, নির্বাহী সদস্য শেখ এনামুল বাসার টিটো, সুজিত মল্লিক, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, ফরিদুল ইসলাম, বাবুল সরদার, মুক্তার হোসেন, এস,কে বাপ্পি প্রমুখ।
//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//
বরগুনার আমতলী উপজেলার পশ্চিম ঘটখালী গ্রামের জেলে আব্বাস হাওলাদারের জ্বাল দুস্কৃতকারীরাদের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় জীবিকার একমাত্র সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে জেলে পরিবার।
জেলে আব্বাস হাওলাদার আমতলীর পায়রা নদীতে ইলিশ মাছ শিকারের মাধ্যমে ৭জনের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন।
গতকাল (রবিবার) মাছ শিকার করে প্রতিদিনের মতো নদীর পাড়ে নৌকা রেখে বাড়ী চলে যান।আজ (সোমবার) সকাল বেলা এলাকার লোক জনের ডাক চিৎকারে নদীর পাড়ে গিয়ে দেখে নৌকায় আগুন জ্বলছে।শত চেষ্টা করেও বাঁচার অবলম্বনটুকু রক্ষা করতে পারেননি। আজ সকালে কান্না জড়িত কন্ঠে জেলে আব্বাস হাওলাদার বলেন,সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরছি পরিবার পরিজন নিয়ে কি করবো ভেবে পাইনা।তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে জাল কিনে মাছ ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাই।আমি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে কি করবো,কি খাবো।
আগুনে পুড়ে যাওয়ায় আব্বাস হাওলাদার এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় লক্ষ টাহা।
আব্বাস হাওলাদার এর স্ত্রী পারভীন বেগম বলেন,সকালে উপায় না দেইখ্যা মৎস্য স্যারের কাছে গেছিলাম।হে কইলো থানায় আবেদন করেন। তারপর আমার যা করার আমি করবো। মোগো এহন মরা ছাড়া উপায় নাই।পারভিন বেগম আরও বলেন,৭ জনের সংসারে একমাত্র আয় এই ইলিশ মাছের জ্বাল। ৪টি এনজিও থেকে লোন নিয়ে মাছ ধরে পরিশোধ করি। এখন মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই আমাদের।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন,ঘটনা শুনেছি কিন্তু এখনো কোন আবেদন পাইনি। আবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
//আ: রাজ্জাক শেখ//
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকৃত দুই হাজার কিলোমিটার মহাসড়কের উদ্বোধন করেন।
তিনি খুলনা ও টাঙ্গাইল প্রান্তে যুক্ত হয়ে উন্নয়নকৃত মহাসড়কের ফলে উপকারভোগী কয়েকজনের সাথে কথা বলেন ও তাদের অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
এ সময় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রান্ত থেকে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনসহ
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রান্তে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২০-২০৪১ এর আলোকে ২০২০-২৫ মেয়াদে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে, যার মাধ্যমে অনগ্রসর ও দুর্গম অঞ্চলের প্রান্তিক জনসাধারণকে অর্থনীতির মূলধারায় সংযুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার দেশের মহাসড়ক নেটওয়ার্ককে গতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগেই বাংলাদেশের মহাসড়কগুলো স্মার্ট হাইওয়ে হিসেবে নির্মিত হবে। দেশে আজ একসাথে ২০২১.৫৬ কিলোমিটার উন্নয়নকৃত মহাসড়ক উদ্বোধন করা হয়েছে। মোট ১৪,৯১৪.৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নকৃত মহাসড়কগুলোর মধ্যে খুলনা বিভাগে ৩৫২.২৬ কিলোমিটার, ঢাকা বিভাগে ৬৫৩.৬৬ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৮.৯০ কিলোমিটার, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৪২.৪৮ কিলোমিটার, সিলেট বিভাগে ১০৬.১৮ কিলোমিটার, বরিশাল বিভাগে ১০৭.২৬ কিলোমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৯৬.৮৭ কিলোমিটার এবং রংপুর বিভাগে ২০৩.৯৫ কিলোমিটার মহাসড়কে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এর মধ্যে ১৪২.২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা জেলার ২৯ কিলোমিটার উন্নয়নকৃত সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
খুলনায় অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অনন্য মাইলফলক পদ্মাসেতুর কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ এখন সড়ক পথে প্রায় তিন ঘন্টায় রাজধানীতের পৌঁছাতে পারছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্তই হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
এসময় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা জেলার উদ্বোধন হওয়া মহাসড়কটি ব্যবহার করে ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে খুলনাসহ সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। এই বন্দর দিয়ে এখন আমদানি ও রপ্তানি সহজ হবে।
এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি|| বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এসএসসিতে এ প্লাস পাওয়া ৭০ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তার আওতায় ১৬৯ জন বয়স্ক ও বিধবাদের মাঝে ভাতার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
১০ নং বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা প্রদান ও বয়স্ক, বিধবা ভাতার কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম। মো. শেখ আল আমিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মো. আবু সাইদ, আবুল কালাম মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ হোসেন, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার হাফিজুর রহমান, ভোজপাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, ইসলামাবাদ ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান খান, গিলাতলা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার পাল, গিলাতলা হাজী আরিফ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বীরেন্দ্রনাথ পাল, বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজারাদার ফিরোজ আহমেদ, চন্ডিতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র পাল, ফাতিমাতুজ্জোহরা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. গোলাম ফারুক, উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদি, অভিভাবক সালাউদ্দিন সোহাগ, শিক্ষার্থী শ্রাবন্ত পাল, জান্নাতুন ফেরদৌস মুমু প্রমুখ। আয়োজক সভাপতি ও বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল বলেন, আমরা পরিষদের সকল সদস্য একত্রিত হয়ে এ ইউনিয়নবাসীকে সাথে নিয়ে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করেছি। আমরা জঙ্গিবাদ মুক্ত, মাদক মুক্ত একটি ইউনিয়ন পরিষদ উপহার দিতে কাজ করছি। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও যারা এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের সাথে আমরা একটি যোগসূত্র তৈরি করতে এমন মহতি কাজ হাতে নিয়েছি। মেধা বিকাশে আমরা সকলকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবো।
বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া যাতে থেমে না যায় এজন্য আমি দায়িত্ব পালন করে যাবো। এ জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
রামপাল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মো আবু সাইদ বলেন অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। আপনার সন্তান কি করে, কোথায় যায়, কার সাথে মেলামেশা করে ? এগুলো দেখতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের হাতে দয়া করে মোবাইল ফোন তুলে দিবেন না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিবুল আলম বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা এমন ভালো রেজাল্ট করেছে এজন্য বাবা-মা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ অবদান রেখেছেন। এ জন্য সবাইকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। এমন মহতী অনুষ্ঠান আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের অনুপ্রেরণা দেওয়া হয়েছে। এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সকলকে ধন্যবাদ বলেন সরকার পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগীতা করা হবে।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
খুলনার রূপসার থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন ও ওসি তদন্ত মো:সিরাজুল ইসলাম সহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ৮জনকে গ্রেফতার করেছে।
এব্যাপারে এসআই বাবলা দাস বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ১৫, তাং-১৫/১২/২২।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ডিসেম্বর আনুমানিক বেলা আড়াইটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রূপসা থানাধীন ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামস্ত হিরো ব্রিকস (ইট ভাটা) এর অফিস কক্ষের মধ্যে ৫০/৬০ জন বিএনপির ও জামাতের দুষ্কৃতিকারী নেতাকর্মীরা তাদের হেফাজতে বিস্ফোরক দ্রব্য বোমা রেখে জীবন ও সম্পত্তির সাধন করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের একটি দল আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বেলা ৩টার সময় উক্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতিকারীগন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ চৌধুরি কওছার আলী (৬৫) ই্উসুফ আলী শেখ (৬০) মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৫)শেখ আজিজুর রহমান (৪৯)মোঃ মোস্তফা শেখ (৪৫)মোঃ এস্কেন্দার মোল্লা (৪৮)মোঃ আব্দুল মান্নান সরদার (৫৫) মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪২) সহ মোট ৮জন কে আটক করে এবং অজ্ঞাতনামীয় ৪০/৫০জন দুস্কৃতিকারী কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা তেরখাদা উপজেলার বিএনপির ও জামাতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী বলে জানাযায়। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামি ই্উসুফ আলী শেখের বাম হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের মধ্যে হতে ৬টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু যাহা প্রত্যেকটি লাল টেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ঘটনাস্থলে হইতে উদ্বার করে বলে পুলিশ জানায়।
এছাড়া আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে,অজ্ঞাতনামা আসামিরা সকলেই একে অপরের যোগ সাজোসে ও সহায়তায় উক্ত ব্যাগে ছয়টি বোমা আত্নঘাতি কার্য করিবার উদ্দেশ্যে অন্যের জীবন ও সম্পত্তি ক্ষতি সাধনের জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখেছে।
যার কারনে আসামীরা দি স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ১৫ (৩)/২৫-উ তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৩/৪(খ)/৫/৬ ধারার অপরাধ করিয়েছে।
এব্যাপারে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ১৫, তাং-১৫/১২/২২।
এ ব্যাপারে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরে উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়ে সেখান থেকে বোমা সাদৃশ্য ছয়টি বস্ত উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। এবং অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।