আমতলীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর যাকাত ফান্ড সহায়তা প্রদান

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক সরকারী যাকাত ফান্ডের অর্থায়নে দুস্হ, চিকিৎসা বঞ্চিত,শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন ক্রয়ের জন্য নয়জনকে ২৮০০০ (আটাশ হাজার) টাকার চেক বিতরন করা হয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এর তত্বাবধানে চেক বিতরণ এর সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এম,এ কাদের মিয়া,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি, আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ, কে, এম মিজানুর রহমান প্রমুখ।

অসহায় মানুষের পাশে প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন রাজাপুর

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //

আজ ১৫/০৪/২৩ শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন রাজাপুর কতৃক আয়োজিত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তা ডা.মোকছেদুল মোমিন,সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব বাসুদেব কুমার মালো,৪নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান মোঃ শাকিরুল ইসলাম খাঁন,রাজাপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মোঃ আহাদ আলী,রাজাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাজী শামসুল আলম সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দ।রাজাপুর বাজারে প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর কার্যালয় সংলগ্ন  চান্দী ঘরে আয়োজিত আজকের এই উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য প্রদান করেন মোঃ মহসিন কবীর।এসময় অত্র এলাকার উপকার ভোগী পরিবার সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

রাজাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আবেদন প্রক্রিয়ার যাচাই বাছাই করে অধিকতর অসহায় মানুষের মাঝে একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান,৫ টি সেলাই মেশিন ও ৩ জন অসুস্থ মানুষের মাঝে ১০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা বাবদ প্রদান করা হয়েছে।প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল বলেন,প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন আজ মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।এমন মানবিক কাজ অব্যাহত রাখতে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে ৪নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান মোঃ শাকিরুল ইসলাম খাঁন বলেন,প্রবাসী যুবক ভাইদের এই মহৎ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই এরকম ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত।ভবিষ্যতে এইধরনের সকল ভালো কাজে আমি তাদের পাশে থাকতে চাই।প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন ছড়িয়ে যাক পুরো মহম্মদপুরে সেই প্রত্যাশা ও করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মহসিন কবীর সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন এর আগে তিনি স্বাগতিক বক্তব্যে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন এসময় তিনি বলেন,প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের রাজাপুর কার্যালয়ে অচিরেই জনস্বার্থে পাঠাগার নির্মান করা হবে এবং তিনি উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন ফাউন্ডেশন নিবন্ধন করার জন্য সহযোগিতা করতে।তার এই বক্তব্যের জবাবে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি বৃন্দ সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন,মহম্মদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব বাসুদেব কুমার মালো,মৌশা গুচ্ছ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আকবর হোসেন,মাগুরা জর্জ আদালতের এ্যাড.মনজুরুল ইসলাম মজনু,রাজাপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মোঃ আহাদ আলী প্রমূখ।এর সাথে জড়িয়ে যারা নিজেদের মাথার ঘাম পেয়ে ফেলে কষ্টার্জিত অর্থ একত্রিত করে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে উপহার হিসেবে বিতরণ করে চলেছেন সকলের প্রতি শুভ কামনা জানিয়েছেন আজকের অনুষ্ঠানে আগত সম্মানিত উপস্থিতি বৃন্দ।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের স্ত্রী পেয়েছেন ভিজিডি কার্ড

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের স্ত্রীর নামে দুস্থদের ভিজিডি কার্ড পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আর্থিক স্বচ্ছল এই পরিবার প্রতি মাসে ভিজিডির ৩০ কেজি করে চাল তুললেও বঞ্চিত হচ্ছেন অসহায় ও দুস্থরা। হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিডি কার্ড বিতরণে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে তালতলীর বড়বগী ইউনিয়নে।

প্রাপ্ত অভিযোগ থেকে জানা যায়,উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহ নেওয়াজ সেলিম মেনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার স্ত্রী সালমা বেগমের নামে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ভিজিডি কার্ড হয়েছে। তিনি এই ভিজিডি কার্ড দিয়ে চালও তুলে নিচ্ছেন।এলাকার এক হত দরিদ্র ভুক্তভোগী এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার তিনসন্তান থাকলেও আয়-রোজগারের করার কোনো মাধ্যম নেই।অথচ তার নামে ভিজিডি নেই। তবে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীর স্ত্রীও ভিজিডি কার্ড পেয়েছেন।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের চূড়ান্ত তালিকায় ৩ নং ওয়ার্ডের তালুকদার পাড়া গ্রামে ৪২ নম্বর সিরিয়ালে ভিজিডির কার্ডধারী সালমা বেগমের নামে একটি ভিজিডি কার্ড রয়েছে। সেই কার্ড থেকে ২০২৩-২৪ সালের ভিজিডির চালও পাচ্ছেন। সালমা বেগমের পরিবার বেশ স্বচ্ছল।স্বামী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

এবিষয়ে বড়বগী ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন (আলম মুন্সী) বলেন,তিনি এ তালিকা করেননি এ তালিকা করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান।এ বিষয়ে তিনি বলতে পারবেন।

তালতলী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রূপ কুমার পাল বলেন, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া অভিযোগ পাওয়ার পরে ঐ শিক্ষকের স্ত্রীর নামের ভিজিডির কার্ডটি বাতিল করা হবে। নতুন কারও নামে কার্ড তৈরি করা হবে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভিজিডি কমিটির সভাপতি সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, এইটাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট আসার পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো স্বজনপ্রীতি হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি উল কবির জোমাদ্দার বলেন, ভিজিডি কার্ডের নামের তালিকা দেওয়ার সময় ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী সুপারিশ করা হয়েছে। ভোটার আইডি কার্ডে স্বামীর নাম থাকে না। এজন্য এই ভুল গুলো হয়। তিনি আরও বলেন পরিচয় গোপন করে এমন কিছু হয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যশোর শার্শায় ৩০ টি পরিবারের মাঝে দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দিলেন- এমপি শেখ আফিল উদ্দিন

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুজিব শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলো শার্শার ৩০টি পরিবার। এই সাথে শার্শা উপজেলা ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত হলো।
২২ মার্চ (বুধবার) সকালে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর যশোরের শার্শার ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব পরিবারের হাতে ঘরের চাবি ও দলিল তুলে দেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন। নিজেদের স্থায়ী ঠিকানা পেয়ে মহাখুশি এই ছিন্নমূল মানুষগুলো। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘজীবন কামনা করেন।
শার্শা উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ পালের সভাপতিত্বে গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ নেতা অহিদুল হক পুটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল, শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়াসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।
এ সময় সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ভূমিহীনদের ঘর দেয়ার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।’ জাতির জনক দেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত করে বাংলাদেশের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষকে একটি উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন দিতে চেয়েছিলেন। এর জন্য আওয়ামী লীগ সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের কোথাও কেউ গৃহহীন ও ভূমিহীন রয়েছে কিনা তা জানতে তালিকা তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সরকার প্রধান চায়, প্রতিটি মানুষ যাতে বাড়ি, আশ্রয় এবং জীবিকার সুযোগ পায়, কেউ সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে এটা প্রধানমন্ত্রী চায় না। তিনি চান প্রত্যেকে নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং যথাযথ সম্মানের সাথে দেশে বসবাস করবে।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়া জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ১৮৮টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২ শতাংশ জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ভূমি ও গৃহহীনদের আবেদন সংগ্রহ করে তাদের জমি ও ঘর প্রদান করা হয়েছে। এরপরও যদি ভূমি ও গৃহহীন কাউকে পাওয়া যায় তবে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আবাসন প্রকল্পে তাকে বরাদ্দ প্রদান করা হবে। তিনি আরো জানান, সেখানে ৪৬টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে বরাদ্দ দেয়ার জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ চলছে।

খুলনার রূপসায় জমিসহ গৃহ পেলো ৭৫ পরিবার, শুভ উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

//এম মুরশীদ আলী//

আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, শিক্ষা পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে-এই হচ্ছে আমার স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধুর ন্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সারাদেশে ৭টি জেলা ও ১৫৯টি উপজেলার মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯, ৩৬৫টি ঘরের মধ্যে রূপসায় ৭৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদানের শুভ উদ্বোধন গত ২২ মার্চ সকালে উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সরাসরি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সম্প্রচার হয়। এরপর উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পালেরহাট এলাকায় অবস্থিত ৭৫ টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহহস্তান্তর করা হয়।

রূপসায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

রূপসায় গৃহহস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান এর সভাপতিত্বে বিশেষে অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দীন বাদশা, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ সফিকুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান।

রূপসায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানা ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান, রূপসা পল্লি বিদ্যুৎ ব্রাঞ্চের এজিএম প্রকৌশলী মো. এ হালিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, সহকারী প্রোগ্রামার রেজাউল করিম, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, আওয়ামীলীগ নেতা সোহেল জুনায়েদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মালেক শেখ প্রমূখ।

বাগেরহাটের রামপালে ভূমিহীন – গৃহহীনরা পেল আপন ঠিকানা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ভূমিহীন-গৃহহীন ২০ পরিবার পেল আপন ঠিকানা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যুক্ত হয়ে ভার্চ্যুয়ালী এসব ঘর হস্তান্তর করেছেন। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারকে চতুর্থ পর্যায়ে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সারাদেশে ৩৯ হাজার ৩৬৫ টি ঘর প্রদান করা হয়েছে। সারাদেশে ৭ টি জেলা ও ১৫৯ টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার রামপালে ২০ টি পরিবারকে জমির দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, এসিল্যান্ড শেখ সালাউদ্দিন দিপু, মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক, পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল কর্মকর্তা নওশের আলী, এলজিইডি প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন, ওসি তদন্ত রাধেশ্যাম, পিআইও মো. মতিউর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, ইউপি চেয়ারম্যান তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, তপন কুমার গোলদার, তালুকদার সাবির আহমেদ, মুন্সি বোরহান উদ্দিন, সহকারী প্রোগ্রামার রনিক হালদার, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম এ সবুর রানা, সি,সহসভাপতি মোতাহার হোসেন মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক সুজন মজুমদার প্রমুখ। #

উল্লেখ্য, এ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ১০ টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০ টি, তৃতীয় পর্যায়ে ১০৫ টি ও চতুর্থ পর্যায়ে ২০ টি ঘর প্রকৃত হতদরিদ্র ও ভূমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি আরো ১০০ টি ঘরের কাজ চলমান রয়েছে।

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং আজ গৃহ পাবেন ২’শ পরিবার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহার  ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ৪র্থ পর্যায়ের গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রশাসনিক ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিং-এ মুল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আফরোজ শাহীন খসরু, উপজেলা প্রকৌশলী মুহা. রবিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সাংবাদিক জিএম আব্দুস সালাম ও এম এ এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, জাহিদুর রহমান বিপ্লব, এস রফিকুল ইসলাম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, এনামুল বাশার টিটো, সুজিত মল্লিক, মাহাবুবুর রহমান, আব্দুর রশিদ এলিন, আব্দুল মজিদ, সুমন ব্রহ্ম প্রমুখ।

উল্লেখ্য বুধবার বেলা ১১টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশ ব্যাপি গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। যার অংশ হিসেবে ডুমুরিয়া উপজেলার ২’শ পরিবারকে এ গৃহ প্রদান করা হবে।

 পাকা ঘর  ও একখন্ড জমি পেয়ে জীবন বদলে গেছে ডুমুরিয়ার  সহায় সম্বলনহীন ভূমিহীন ৮০৫  পরিবারের

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
 পাকা ঘর  ও একখন্ড জমি পেয়ে জীবন বদলে গেছে ডুমুরিয়ার  সহায় সম্বলনহীন ভূমিহীন ৮০৫  পরিবারের ।  নুতন করে আরো ঘর পাচ্ছে ২ শতাধিক পরিবার। যা প্রধান মন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায়।
সারা জীবনের চেষ্টায় যারা মাথা গোজার মত এক টুকরো ভূমি সংগ্রহ করতে পারে তারা  স্বপ্ন দেখছে। বঙ্গবন্ধুর কন‍্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল‍্যানে  এটা  সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে  সহায় সম্বলমহীন মানুষগুলো মাথা গুজার ঠাই পেয়ে  অনেকে বেশ স্বাবলম্বী। ঘরের পাশেই তারা গড়ে তুলেছে, সবজির মাচা, গরু-ছাগল পালনের জন্য করেছে গোয়াল ঘর। খালি জমিতে বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের শাক সবজির বাগান।
উপজেলার  কাঠালতলা, চুকনগর বাজার এলাকায়, বরুনা,  খাজুরা থুকড়া, শেয়ারঘাটা, আমভিটা, বাহাদুরপুর, বয়ারসিং,   আশ্রয়ণের সারি সারি ঘর, যা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। এখানে গড়ে উঠেছে ভূমিহীনদের বসতি, সবুজের সমাহার।
ঘরের বাসিন্দারা নারী পুরুষ জীবিকার সন্ধানে ছুটছে। অনেক নারীদের কেউ কেউ ব্যস্ত হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগলের কাজ নিয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তোলাছে সবজি বাগান।
কাঠালতলা বাজারের পাশে ভদ্রার নদী  কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা  আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই পল্লীতে শতাধিক ঘর সহ উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের শান্তির  নিবাসের বসবাসকারী পরিবারের সংখ্যা ৮০৫ শতাধিক ।  এ সকল আশ্রয়ণে তাদের জীবনের শুরুটা ভূমিহীন হলেও এখন তারা আর ভূমিহীন নয়। মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীনদের বসবাসের জন্য শুধু ঘর নয় সরকারি ২ শতক জমিও প্রদান করেন।
এ ছাড়া শিক্ষার ছোঁয়াও লেগেছে তাদের মধ্যে। আশ্রয়ণে বসবাসরত  ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। প্রতিটি  আশ্রয়ণ প্রকল্পের  আশে পাশে রযেছে  প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান। ফলে এ আশ্রয়ণে শিক্ষার প্রভাবও পড়েছে। এতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ছেলে মেয়েরা শিক্ষারও সুযোগ পাচ্ছে।
সরেজমিনে  আশ্রয়নে গিয়ে দেখা যায়, ছোট পরিসরে আদর্শ ছিমছাম সারি সারি ঘর। ঘরের বাসিন্দারা  ভ‍্যান চালক, দিন মজুর ।  ভবিষ্যতের জন্য সবাই মিলে সঞ্চয় করছেন। অনেকে নিজেদের সুবিধামতো ঘরের সঙ্গে পাওয়া জমিতে নানা ধরণের ফুল ও ফলের গাছ রোপন   করেছেন।
কাঠালতলা আশ্রয়নের বাসিন্দা  রিনা পারভীন বলেন, ‘আগে আমরা অন্যের জায়গায় ছোট ভাঙা ঘরে থেকে  স্বামী  ও সন্তান  নিয়ে শীত-বৃষ্টি মৌসুমে লড়াই করে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতাম। সরকার আমাদের নতুন ঘর দেয়ায় এখন আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারছি। আগের মতো কষ্ট আর নেই।’
বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান জানান, ইতোমধ্যে যারা ঘর পেয়েছেন তারা স্বাচ্ছন্দে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনযাবন করছেন। এ ছাড়াও করোনাকালে এ সকল দরিদ্র মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কোনো ভূমিহীন, গৃহহীন যেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের একজন মানুষও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না।
এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিকভাবে আশ্রয়ণে- ২ প্রকল্পের   ২  শতাধিক নির্মানের ঘর  তালিকা প্রস্তুত করা হযেছে।   মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা ২২ মার্চ উপহারের  গৃহনির্মাণ উদ্বোধন করবেন।
তিনি আরও জানান, তাদেরকে স্বাবলম্বী করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসছে।

কচুয়ার মুজিববর্ষের ঘর পাবেন ১০ পরিবার/ সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি//

কচুয়ায় মুজিববর্ষের ঘর পাবে আরও ১০ টি পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি সবার জন্য বাসস্থান ‘কেউ গৃহহীন থাকবে না’ কর্মসূচীর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের এ ঘরগুলো ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রদান করা হবে। ২২ মার্চ তাঁদের মাঝে চাবিসহ কবুলিয়াত সম্পাদনের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।

সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছাঃ তাছমিনা খাতুন এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, এ উপজেলায় ১ম পর্যায়ে ৫৪ টি,২য় পর্যায়ে ২৩টি এবং ৩য় পর্যায়ে ৫০টি গৃহের নির্মান কাজ সম্পুর্ণ

করে উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন,

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিকদার ফিরোজ আহমেদ, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিজ, মঘিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. পঙ্কজ কান্তি অধিকারী ও বিভিন্ন

গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

বরগুনার তালতলীতে কারিতাসের আর্থিক সহায়তা প্রদান

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে বে সরকারী সংস্হা কারিতাস আইসিডিপি প্রকল্পের দরিদ্র সিসিইউর সদস্য পরিবারের মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি  রোজ বুধবার বিকাল ৩টা ছাতন পাড়া অফিসে সবজি বীজ ক্রয় করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার(সিডিও)মি:উচোমেন এর সভাপতিত্বেব বক্তব্য রাখেন তালতলী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মি:মংচিন থান,উপ- সহকারী কৃষি অফিসার মি:য়েনচিংঅং,সিডিএ মিসেস চন্দা ও তুলসী রানী প্রমূখ।

আলোচনা শেষে সি সি ইউ সদস্য পরিবারের মাঝে ২৫০ জনকে সবজি বীজ  ক্রয় করার জন্য ১৫০টাকা করে মোট ৩৭,৫০০ টাকা প্রধান করা হয়।