চরম গরমে সাস্থ্য সুরক্ষায় কী খাবেন, কী খাবেন না

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন।  এ সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম হয়ে বের হয়। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে অস্বস্তি, ক্লান্তির মত একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীর হাইড্রেটেড রাখতে আপনাকে খেতে হবে পানি ও পানিযুক্ত খাবার।

গরমে কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য ভালো সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রাভা হেলথের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের পুষ্টিবিদ নূর-ই-জান্নাত ফাতেমা বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা শরীরকে এই গরমেও রাখবে সুস্থ।

পানি

পূর্ণবয়স্ক একজন নারীর দিনে অন্তত ২.৫-৩ লিটার, পূর্ণবয়স্ক একজন পুরুষের ৩-৩.৫ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। তবে কিডনি রোগীদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করেই পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।

গরমে লেবু বা ফলের শরবত খাওয়া খুবই উপকারী। ডাবের পানিও খুব দারুণ কার্যকর। এসব পানীয় খুব সহজেই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করবে। ডাবের পানি ও ফলের শরবত খেলে পানির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের চাহিদাও পূরণ হবে।

সবজি

কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দল, শসা, চিভিঙ্গা, গাজর, লাউ, পেঁপে, পালংশাক, টমেটো, শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। পানিশূন্যতা দূর করতে এই খাবারগুলো অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।

তাছাড়া পাতলা করে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। যাদের ইউরিক এসিড বেড়ে যায় তারা এ সময় ঢেঁড়স, বেগুন এড়িয়ে চলুন।

মৌসুমি ফল

কাঁচা আম খুবই ভালো পানিশূন্যতা দূর করার জন্য। কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। এ ছাড়া ভিটামিন সি ও ম্যাগনেশিয়ামও আছে,  যা শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।

তরমুজ শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। এতে আছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য দরকার।

বাঙ্গি একটি খুবই পুষ্টিকর একটি ফল, যা খুবই সহজলভ্য এবং দামেও তুলনামূলক সস্তা। শরীর ঠান্ডা রাখতে বাঙ্গির তুলনা নেই।

আখের রস

আখের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সঙ্গে বিট লবণ, পুদিনাপাতা এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বাড়ে, পুষ্টিগুণও বাড়ে।

বেলের শরবত

বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর। বেলে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১ এবং বি২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম  ও ফাইবার।

পুদিনার শরবত

শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং সতেজ অনুভূতির জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।

জিরা পানি

নোনতা স্বাদযুক্ত এই পানীয় হজমে সাহায্য করে।তবে ডায়াবেটিস রোগীরা শরবতে আলাদা করে চিনি বা মধু অ্যাড করবেন না।

যা খাবেন না

অনেক কার্বনেটেড বেভারেজ আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি,যা ঠিক না। এই পানীয়গুলো শরীরকে সাময়িক চাঙা করলেও এর কোনো পুষ্টিগুণ নেই, বরং শরীরকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঝাল, বাইরের খোলা শরবত, বাইরের খাবার, ভাজাপোড়া এ সময় যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন। পাতলা ঝোল ঝোল খাবার খাওয়া এ সময় সবচেয়ে ভালো।

Daily World News

এমভি আবদুল্লাহ জলদস্যুদের থেকে মুক্ত হয়ে দেশের পথে রওনা দিয়েছে

তৃষ্ণার্ত পথচারীদের স্যালাইন পানি ও ফল বিতরণ করে ঘাটভোগ যুবসমাজ

এম মুরশীদ আলী :

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এবং বিসিবি পরিচালক, কেন্দ্রিয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর শেখ সোহেল উদ্দিন এর পক্ষ থেকে রূপসায় তীব্রতাপ প্রবাহে তৃষ্ণার্ত পথচারী মানুষের মাঝে সুপেয় পানি পান অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৯ এপ্রিল দুপুরে, রূপসা উপজেলার ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়ন যুবসমাজের আয়োজনে আলাইপুর বাজার বড় ব্রীজ এলাকায় আব্দুর রউফ শিকদার, সোহাগ শিকদার, রফিক মোল্লা, ফাল্গুুনী দাস, ইরান মোল্লা, ক্ষিতিশ দাস, হেলাল লস্কার, আল-আমিন শেখ দ্বয়ের সৌজন্যে পানি পান অনুষ্ঠিত হয়।

তৃষ্ণার্ত পথচারীদের স্যালাইন পানি ও ফল বিতরণ করে ঘাটভোগ যুবসমাজ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, রূপসা উপজেলা যুব প্রতিনিধি ও যুবলীগ নেতা সরদার জসিম, আল মামুন সরকার, মোকারাম হোসেন, খায়রুজ্জামান সজল, সারমিন সুলতানা রুনা, রিনা পারভিন, প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পারভিন, জেসমিন আক্তার (পিভিএম), হিরা বেগম,  সজিব শেখ, সৈয়দ হেলাল, ফারুক শেখ, হাফেজ আবুল বাশার, সেলিম শেখ, নাঈম শেখ, হোসাইন শেখ, নয়ন মোল্লা প্রমূখ।

ডায়রিয়ার প্রকোপ হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট আমতলীতে

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ডায়েরীয়ার প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। স্থান সংকুলণ না হওয়ায় রোগীদের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। ধারন ক্ষমতার চেয়ে পাঁচগুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ৬ জনের বেডে ৩১ জনের চিকিৎসা চলছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে।  দ্রুত বেড বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন রোগী ও তার স্বজনরা। অপর দিকে আইভি স্যালাইন সংঙ্কট দেখা দিয়েছে। রোগীদের ফার্মেসি থেকে আইভি স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। এই সুযোগে ঔষুধ ব্যবসায়ীরা বেশী দামে স্যালাইন বিক্রি করছেন।

জানাগেছে, গত এক সপ্তারে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়েরিয়া আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধির রোগী ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবিকাদের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। ৬ শয্যা ডায়েরীয়া রোগীর বেডের স্থলে ৩১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাস্থ্যএ কমপ্লেক্সের বারান্দায় রোগীদের বেড দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন সরবরাহ করা হলেও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হচ্ছে এবং হাসপাতালের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও শত শত রোগী কমিউনিটি ক্লিনিক ও  স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে।

সোমবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখাগেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বারান্দার বেডে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালে বেডে ৬ জন এবং বারান্দায় ২৫ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে।

ডায়েরীয়ায় আক্রান্ত রোগী সামসুল হক কাজী বলেন, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে তারপরও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হয়। তিনি আরো বলেন, বেড না থাকায় বারান্দায় বেড পেতে চিকিৎসা নিচ্ছি। দ্রুত হাসপাতালে বেড বাড়ানো প্রয়োজন।

উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের বুশরা বলেন বলেন, তিন দিন আগে নাতনিতে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন কিছুটা সুস্থ্য। তবে হাসপাতাল থেকে কিছুই দেয়নি। সকল ঔষুধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।

এমপিও হাট এলাকার বাসিন্দা নাজমা বলেন, ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ছেলে নাঈমকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। শুধু  আইভি স্যালাইন ছাড়া হাসপাতাল থেকে কিছুই পাচ্ছি না।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, প্রচন্ড গরমের কারনে ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে চাহিদার চেয়ে স্যালাইন কম রয়েছে। দ্রæত স্যালাইন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডায়েরিয়া রোগী সামাল দিতে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মাগুরায় আল-সাবা ক্লিনিকে অপচিকিৎসায় এক সিজারিয়ান মায়ের মৃত্যু

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা//

মাগুরায় আলসাবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাঃ রাকিবুল ইসলাম এর অপচিকিৎসায় সাবিনা (২৭) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে । জানা গেছে, বুধবার সকাল ছয়টায় সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাহাতপুর গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ সাবিনা খাতুন ভর্তি হন আলসাবা ক্লিনিকে ।

এসময় ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সকাল সাড়ে সাতটায় সাবিনা খাতুনকে  অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজার করেন এবং একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান সুস্থ থাকলেও মায়ের আর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের না জানিয়ে দুই-তিনব্যাগ রক্ত দিয়ে রোগীকে সুস্থ করার চেষ্টা করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এভাবে সারাদিন রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় বিকাল ৫ টায় রোগীর নিশ্চিত মৃত্যু জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয় এবং সাবিনা কে নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ আছে ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম বরাবরই রোগীকে আল্ট্রাসাউন্ড না করেই অপারেশন করেন।

উল্লেখ্য এক পর্যায়ে রোগী স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহ নিয়ে  আল-সাবা ক্লিনিকের সামনে এসে  হট্টগোল শুরু করলে ক্লিনিক মালিক সমিতির  মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায়  দফারফা হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

রোজা || সেহেরিতে কি খেলে এবং কি না খেলে আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে জেনে নিন…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

দেখতে দেখতে চলে এলো পবিত্র রমজান মাস। আজ যদি চাঁদ দেখা যায় তবে কাল থেকে রোজা শুরু। এই রমজান মাসের গুরুত্ব মুসলিমদের জন্য অনেক বেশি। এই মাসটা ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীতে কাটিয়ে দেন।

ভোররাতে উঠে সেহরি খেয়ে রোজা শুরু করেন তারা। এরপর মাগরিবের আজানের সঙ্গে রোজা ভেঙে ফেলেন ইফতারি খেয়ে। এই সময় খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল নিতে হবে। যেহেতু সেহরি দিনের প্রথম খাবার, তাই কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখা জরুরী, নাহলে সারাদিন রোজা রাখায় অসুবিধা হতে পারে।

সেহরিতে যা খাওয়া উচিৎ

  • শর্করাযুক্ত খাবার দেহে শক্তির যোগান দেয়। বিশেষ করে দানাদার শস্যের তৈরী খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস, বার্লি ইত্যাদি খাবার অনেকটা সময়ের জন্য দেহে শক্তির যোগান দেয়। তাই এ জাতীয় খাবার সেহরিতে খাওয়া উচিৎ। এতে করে দেহে সারাদিনের শক্তি সঞ্চয় হবে।
  • ফলমূল ও সবজিতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ। এছাড়াও দেহের পানির স্বল্পতা দূর করতেও অবদান রাখে। বিশেষ করে তরমুজ, কমলার মতো ফল এবং শসা, টমেটোর মতো সবজি দেহের পানির ঘাটতি দূর করে। তাই সেহরিতে সালাদ হিসেবে বা এমনিও খেতে পারেন এসব ফল ও সবজি।
  • প্রোটিনযুক্ত খাবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করতে সাহায্য করে।

রোজা রেখে দৈনন্দিন কাজ কর্মে সক্রিয় থাকার জন্য সেহরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরী। বিশেষ করে দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, চর্বিহীন মাংস, মাছ এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মাঝে মটরশুটি, মসুর ডাল, ছোলা, বাদাম এসব খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

  • কিছু চর্বিযুক্ত খাবার আছে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সেগুলো সেহরিতে যুক্ত করতে পারেন। যেমন অ্যাভোকাডো, বাদাম, জলপাইয়ের তেল এবং স্যালমনের মতো স্বল্প চর্বিযুক্ত মাছ এসব চাইলে খেতে পারেন সেহরিতে।
  • রোজায় পানিশূন্যতার মতো সমস্যা অনেকেরই দেখা দেয়। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ। এছাড়াও চিনিমুক্ত ফলের রস, ডাবের পানি বা ভেষজ চা-ও খেতে পারেন।

সেহরিতে যা খাবেন না

  • অতিরিক্ত তেল বা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সারাদিন রোজা রেখে শারীরিক অস্বস্তির সৃষ্টি যেন না হয় সেজন্যই সেহরিতে এজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ।
  • অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এতে করে শর্করার মাত্রা ওঠা-নামা করতে পারে যার ফলে শক্তি সঞ্চিত থাকতে সমস্যা হতে পারে। চেষ্টা করবেন সাদা চিনি এড়িয়ে চলার জন্য। এর বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন গুড়, মধু বা এজাতীয় খাবার।
  • লবণাক্ত খাবার বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বাড়তে পারে। সেহরিতে এরকম খাবার এজন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • ঝাল মশলাযুক্ত খাবার খালি পেটে খেলে অস্বস্তি ও অম্বল হতে পারে। যদি সেহরিতে এজাতীয় খাবার খান তাহলে সারাদিন অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। তাই এগুলো না খাওয়াই ভালো। অনেকেই আছেন ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেতে পছন্দ করেন, সেহরিতে সেটিও এড়িয়ে চলা উচিৎ।
  • ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন চা, কফি এগুলো অতিরিক্ত পান করলে পানি পান করার তৃষ্ণা বেড়ে যায়। তাই চা-কফি প্রেমীদের সেহরিতে এগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। একান্ত না পারলে ভেষজ চা খেতে পারেন কারণ সেগুলো ক্যাফেইনমুক্ত। সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

 

বরগুনার আমতলীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে ডাঃ রিয়াজ মৃধার উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চিলা গ্রামে তার পিতা মাতার নামে (প্রস্তাবিত) রফিক-নুরজাহান হসপিটাল তার নিজ বাড়ীতে আটজন ডাক্তার দ্বারা রোগীদের সেবা প্রদান করা হয়।

ফ্রী এ মেডিকেল ক্যাম্পে রোগীদের ডাক্তারের পরামর্শ, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় ও ডায়াবেটিস নির্ণয় করা হয়। এতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসকের স্বাস্থ্যসেবা পান পূর্বচিলা, হলদিয়া. ধানখালী , আমতলী সদর ইউনিয়নের প্রায় একহাজার রোগী। উক্ত ক্যাম্পে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অত্র এলাকার লোকজনকে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে অর্থোপেডিক্স বিভাগের ডা. রিয়াজ মৃধা, চর্ম ও যৌন বিভাগের ডা. ফাইজুর রহমান, শিশু বিভাগের ডা.শোয়েব এইচ খান, স্ত্রী রোগ প্রসূতি ও গাইনী বিভাগের ডা. ডলি বিনতে হক, স্ত্রী রোগ প্রসূতি ও গাইনী বিভাগের ডা. লুনা বিনতে হক, মেডিসিন বিভাগের ডা. মাসুদ পারভেজ, চক্ষু বিভাগের ডা. এস এম শামসুল আরেফিন, বক্ষব্যাধি, হৃদরোগ, হরমোন মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. ইশতিয়াক আহমেদ তালকদার সহ আগত বেশ কয়েকজন ডাক্তার প্রায় একহাজার রোগীদের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অত্র এলাকার লোকজনকে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করেন।

ডাঃ মো.রিয়াজ মৃধা বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও আমার বাবা-মায়ের নামে প্রস্তাবিত হসপিটাল প্রাঙ্গণে এই ক্যাম্প করা হয়েছে। সকলে আমার পিতা মাতার জন্য দোয়া করবেন। এভাবে যেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি।

জম্বি ডিয়ার এ সংক্রমিত হলে থাকা মুশকিল

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

কানাডার বিজ্ঞানীরা মারাত্মক সংক্রামক এক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন। এ রোগের নাম ‘জম্বি ডিয়ার’। তবে এটি ক্রনিক ওয়াস্টিং নামেও পরিচিত। খবর এনডিটিভির।

হরিণের ক্ষেত্রে এ রোগ দেখা গেলেও এটি দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ রোগ হলে স্নায়ু সংক্রমিত হয়। এতে যে প্রাণী সংক্রমিত হয়, তার বেঁচে থাকা মুশকিল হয়ে পড়ে।

ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হরিণের মধ্যে এ রোগ দেখা গেছে। দ্য গার্ডিয়ান–এর এক খবরে বলা হয়, রোগটির বিস্তার ঠেকাতে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারি মাসের শেষ দুটি ঘটনা জানাজানির পর কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। কর্মকর্তারা সড়কে নিহত হরিণসহ বিভিন্ন প্রাণী দ্রুত পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মারিশা মাশিয়া কি নিপা ভাইরাসে মারা গেছে নাকি অন্য কিছু পরীক্ষা করা হচ্ছে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

রাজশাহীতে দুই দিনের ব্যবধানে মুনতাহা মারিশা (২) ও মুফতাউল মাশিয়া (৫) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। তারা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে সেটি কী ভাইরাস তা চিকিৎসকরা নিশ্চিত হতে পারেননি।

এই দুই শিশুর বাবার নাম মনজুর রহমান (৩৫)। তিনি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রী পলি খাতুন (৩০) গৃহিণী। তাদের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামে। তবে তারা রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারেই থাকতেন। কলেজ প্রাঙ্গণে থাকা গাছের বরই কুড়িয়ে এনে দুই শিশুকে খেতে দিয়েছিলেন কাজের বুয়া। না ধুয়েই এই বরই খেয়েছিল দুই বোন। চিকিৎসকদের সন্দেহ, শিশু দুটি হয়তো নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শনিবার বিকাল ৫টার দিকে মারা যায় বড় মেয়ে মাশিয়া। আর গত বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট মেয়ে মারিশা। তাই শিশুদের বাবা-মাকে আর হাসপাতাল থেকে যেতে দেননি চিকিৎসকরা। তাদের রামেক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। আর বিকালে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যার পরে দুর্গাপুর উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হয়। গত বুধবার রাতে ছোট মেয়ে মারিশাকেও এখানে দাফন করা হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে রামেক হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, শোকে পাথর হয়ে মনজুর রহমান ও তার স্ত্রী পলি খাতুন পাশাপাশি শয্যায় বসে আছেন।

পলি খাতুন জানান, গত মঙ্গলবার সকালে কোয়ার্টারের কাজের বুয়া কলেজ ক্যাম্পাসের গাছ থেকে বরই কুড়িয়ে এনে দুই মেয়েকে খেতে দিয়েছিলেন। না ধুয়েই ওই বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। সেদিন তারা ভালোই ছিল। একসঙ্গে খেলেছে। পর দিন বুধবার বেলা ১১টার দিকে ছোট মেয়ে মারিশার জ্বর আসে। বারবার পানি খাচ্ছিল। দুপুরের পর শুরু হয় বমি। তখন মেয়েকে নিয়ে তারা একটি মাইক্রোবাসে করে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে আসছিলেন। মাইক্রোবাসেও মারিশা বুকের দুধ খায়। শহরে ঢোকার আগে কাটাখালী এলাকায় মায়ের বুকেই মারিশা মারা যায়।

সিএমএইচে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, সে আর নেই। এর পর গ্রামের বাড়ি দুর্গাপুরে নিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়।

এর পর শুক্রবার সকাল থেকে দুর্গাপুরের বাড়িতে মাশিয়ারও জ্বর আসে। শুরু হয় বমি। দ্রুতই তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রাজশাহীতে সিএমএইচে আনা হয়। রাতে মাশিয়ারও পুরো শরীরে ছোপ ছোট কালো দাগ উঠতে শুরু করে। তা দেখে সিএমএইচের চিকিৎসকরা মাশিয়াকে রামেক হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ৯টায় তাকে রামেক হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুতই আইসিইউতে ভর্তি নেন। পর দিন শনিবার বিকালে মাশিয়াও মারা যায়।

পলি খাতুন জানান, ছোট মেয়ে মাশিয়ার মৃত্যুর পর তার পুরো শরীরে ছোপ ছোপ কাল দাগ উঠতে শুরু করে। আর মারিশার একই রকম কালো দাগ উঠতে শুরু করে মৃত্যুর আগের রাতে। এ রকম দাগ তিনি আগে কখনো দেখেননি। গরম তেল শরীরে পড়লে যে ধরনের দাগ হয়, তা অনেকটা সে রকমের। অসুস্থ হওয়ার পর দুই বোনই বারবার পানি খাচ্ছিল।

রামেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বাচ্চা দুটা নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। যদিও তাদের বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা খেজুর রস খায়নি। তবে না ধুয়ে বরই খেয়েছিল। এটা নিপাহ ভাইরাস হতে পারে, আবার অন্য কোনো ভাইরাসও হতে পারে। সেটা আসলেই কী তা জানতে হাসপাতালে মারা যাওয়া মারিশা আর তার বাবা-মায়ের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রোববার রিপোর্ট হবে। তখন জানতে পারব।

তিনি বলেন, এ বছর এ পর্যন্ত রাজশাহীতে কেউ নিপাহ ভাইরাসে মারা গেছেন, এ রকম প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এটা সঠিক যে, বাচ্চা দুটা কোনো একটা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই মারা গেছে। অসুস্থ হওয়ার আগে এটা বোঝা যায়নি। আবার অসুস্থ হওয়ার পরে চিকিৎসার জন্য খুব বেশি সময়ও পাওয়া যায়নি। তাই বাচ্চা দুটার বাবা-মাকে বাসায় যেতে দেওয়া হয়নি। হাসপাতালে তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

ফকিরহাটে প্রতারণার শীর্ষে জ্যোতি ক্লিনিক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের ফকিরহাটে মানসা বাজার এলাকায় জ্যোতি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিজ্ঞ ডাক্তার,নার্স না থাকায় রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় তৈরি হয়েছে মরণফাঁদে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, এনেস্থিসিয়া ছাড়াই প্রতিনিয়ত চলছে অপারেশন কার্যক্রম। ওটি নোটে বিভিন্ন সার্জন,ও এনেস্থিসিয়ার নাম ব্যবহার করে প্রতারনা করে আসছে ক্লিনিকটি। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ফেব্রুয়ারির ২ তারিখে ওটি নোটে এনেস্থিসিয়া ডা: অনিকের নাম ব্যবহার করেছে,এ বিষয়ে ডা: অনিকের সাথে কথা হলে তিনি এনেস্থিসিয়া দেননি বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: মফিদুল ইসলামের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চায়লে তিনি বলেন আমি গত বুধবার(৭ ফেব্রুয়ারি ) জ্যোতি ক্লিনিক পরিদর্শন করেছি, তাদের পরিবেশ নোংড়া ছিলো,ডাক্তারদের নাম ব্যবহার করে অপারেশন করছে, ৫ বছর ধরে নেই লাইসেন্স নবায়ন,এনেস্থিসিয়া মেশিন নষ্ট,নেই মানি রিসিট,ক্যাশ ম্যামো। ডিপ্লোমা কোর্স কমপ্লিট করে ডাক্তার লেখা প্যাডে রুগী দেখছেন তমানাস বসু। তিনি আরও বলেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জ্যোতি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডি এম এফ) তমানাস বসুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমার প্যাডটি ডাক্তার লেখা এটি আমি নিজে করিনি ঔষধ কম্পানি বানিয়ে দিয়েছে, এবং আমরা নবায়ন এর টাকা জমা দিয়েছি সফটওয়্যারজনীত সমস্যার কারনে আটকে আছে।

ব্রিটিশ রাজা চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাকিংহাম প্যালেস। দেশটির সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রোস্টেট বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জানুয়ারির শেষে চার্লস যখন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তখনই তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। তবে তিনি প্রোস্টেটের ক্যান্সারে আক্রান্ত নন। ঠিক কোন ধরনের ক্যান্সারে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন, তা প্রকাশ করা হয়নি।

তবে বাকিংহাম প্যালেস এক বিবৃতিতে বলেছে, সোমবার থেকে রাজার নিয়মিত চিকিৎসা শুরু হয়েছে। রাজা তার চিকিৎসা নিয়ে পুরোপুরি আশাবাদী এবং যত দ্রুত সম্ভব ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রকাশ্যে যেসব আনুষ্ঠানিকতায় রাজা অংশগ্রহণ করে থাকেন, সেগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে এবং তার চিকিৎসার এই সময়টায় রাজ পরিবারের অন্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরা তার হয়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি সাংবিধানিক দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন এবং নথিপত্রে সই করা বা ব্যক্তিগত সাক্ষাতের বিষয়গুলোও যথারীতি চলবে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণ করেন রাজা তৃতীয় চার্লস। তার বয়স এখন ৭৫ বছর।

চার্লসের ক্যান্সার এখন কোন পর্যায়ে বা তার সুস্থ হতে কতদিন লাগতে পারে, সেসব বিষয়ে আর কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি বাকিংহাম প্যালেস।