রংপুরে অপহরণ হওয়া স্কুল শিক্ষার্থীকে উদ্ধার, ২ অপহরণকারীকে আটক করেছে র‍্যাব

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

রংপুর হারাগাছ থানাধীন দালালহাটের অপহরণ হওয়া স্কুল শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সহ ২ জন অপহরণকারীকে যশোর ঝিকরগাছ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে যশোর র‍্যাব-৬

মামলা সূত্রে জানা যায় যে, মামলার অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভিকটিম রংপুর জেলার হারাগাছ থানাধীন অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুলে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। বেশ কিছুদিন ধরে মামলার আসামীরা ভিকটিমকে স্কুলে যাতায়াতের পথে প্রতিনিয়ত প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যাক্ত করতো। ভিকটিম প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হলে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি২৪ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের সময় ভিকটিম হারাগাছ থানাধীন দালালহাট গ্রামের সাজু মাস্টারের বাসায় প্রাইভেট পড়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ভিকটিমের পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনগণ ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ভিকটিমের কোন সন্ধান না পেয়ে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে রংপুর হারাগাছ থানায় অপহরণ সংক্রান্তে এজাহার দায়ের করেন। যার মামলা নং- ০৪, তারিখ ৩ মার্চ ২০

র‍্যাব – ৬ সুত্র থেকে জানা যায়,মামলার তদন্তকারী অফিসারের মাধ্যমে র‍্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্প, অপহরণের বিষয়ে অবহিত হয়ে উক্ত ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোপনে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বর্ণিত মামলার আসামী রংপুর হারগাছ থানাধীন বানুপাড়ার ইউসুফ আলীর পুত্র গ্রামের মোঃ শাহাজালাল ওরফে সানি (২০) ও মোঃ শাহিন মিয়া (২৮) যশোর ঝিকরগাছা এলাকায় অবস্থান করছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে ১৪ মার্চ রাত আড়াইটার দিকে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন গোলবাকপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের জিম্মায় থাকা স্কুল শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার বিষয়ে তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্কুলে যাওয়া আসার পথে অপহরণকারী মোঃ শাহাজালাল ওরফে সানি (২০) প্রায়ই স্কুল শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত, উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হলে আসামী তাকে বিভিন্ন রকম ভয়-ভীতি দেখাইতো। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভিকটিম স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণকারী মোঃ শাহাজালাল ওরফে সানি (২০) তার সহযোগীদের সহায়তায় জোরপূর্বক ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন গোলবাকপুর এলাকায় অপহরণকারীর নানা বাড়ীতে আটকে রেখে বিবাহে রাজি করার চেষ্টা করে।

গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং তারা জানায় একত্রে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত স্কুল শিক্ষার্থীকে অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটে ২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক

জেনিভা প্রিয়ানা,বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটে দুই কেজি গাঁজাসহ জাহিদ হোসেন হৃদয় (২২) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
আটক হৃদয়কে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত জাহিদ হোসেন হৃদয়(২২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভোটনকরা গ্রামের ইদ্দিস ভূইয়ার ছেলে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, বুধবার ১৩ মার্চ সন্ধায় বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে জাহিদ হোসেন হৃদয় নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত জাহিদ হোসেন হৃদয় দীর্ঘদিন যাবৎ বাগেরহাট সদরসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রি করে আসছিল এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে তল্লাশি করে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

বাগেরহাটের হোগলাপাশায় আঃলীগ নেতা উপর হামলার অভিযোগে  ইউপি সদস্য আটক

 //শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের হোগলাপাশায় আওয়ামীলীগনেতা গোলাম রসুল মাস্টার হত্যা মামলার স্বাক্ষী বেলায়েত হোসেন কে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় আহত দুই জন। আটক ইউপি সদস্য জাহিদ মাঝি।

বৌলপুর গ্রামের কুদ্দুস শেখের পুত্র রহিম শেখ জানায়, হোগলাপাশা ইউনিয়নেরে প্রবিন আওয়ামীলীগনেতা বৌলপুর গ্রামের বেলায়েত হোসেন ও তার ভাইপো রহিম শেখ শুক্রবার সন্ধায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মীরবর বাড়ির পুলের নিকট পৌছালে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ইউপি সদস্য জাহিদ মাঝি  ও তার সন্ত্রাসী  বাহিনী তাদের উপর হামলা করে মারধর করে মৃত ভেবে ফেলে যায়।এলাকাবাসী বেলায়েত হোসেন ও রহিম শেখকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

তিনি আরো জানান, ২০১২ সালে হোগলাপাশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগনেতা গোলাম রসুল মাস্টার হত্যা মামলার ২ নং আসামি বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদুল ইসলাম (ফরিদ)। সে হত্যা মামলা থেকে নিজেকে রক্ষাকরতে স্বাক্ষী আওয়ামীলীগনেতা বেলায়েত হোসেন কে হত্যার উদ্যেশ্যে তারই পরিষদের ০৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ মাঝি ও তার  সন্ত্রাসী  বাহিনি সোহাগ শেখ, শিমুল তালুকদার, জসিম শেখ, জান্নাতুল শেখ, ইব্রাইিম শেখ, ফেরদাউস সহ ১৪/১৫ জন কেদিয়ে তাদের উপর হামলা করে।

মোড়েলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, বেলায়েত হোসেন  নামে এক ব্যক্তিকে  মারধর  করায় জড়িত থাকার সন্দেহে  ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা  রক্ষার জন্য হোগলাপাশা ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ মাঝিকে আটক করে ৫৪ ধারায়  বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কচুয়ায় ১কেজি ৪শ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-১

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়া ১ কেজি ৪শ গ্রাম গাঁজা সহ এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কচুয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বাধাল ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে যশোরদি গ্রামের পূর্ব পাড়া দিহিদার বাড়ির মোড় থেকে রাজু গাজী(২৬)কে ১ কেজি ৪শ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করে পুলিশ। আটকৃত গাঁজা ব্যবসায়ী রাজু গাজী বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রার গ্রামের মুর্শিদ গাজীর পুত্র।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মহাসিন হোসেন জানান, আটকৃত গাঁজা ব্যবসায়ী রাজু গাজীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমতলীতে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীর উপর সশস্ত্র হামলা

//বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান এর উপরে সশস্ত্র হামলা হয়েছে।

আজ রাত সারে এগারোটায় পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিজান এর মুমূর্ষু মাকে দেখে ফিরে আসার পথে এ সশস্ত্র হামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান বলেন,পৌর শহরের ৭নং  ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমার এক কর্মীর মুমূর্ষু মাকে দেখে ফিরে আসার সময়ে আমি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর ক্যাডার সোহেল গাজী ও নয়ন মৃধার নেতৃত্বে শতাধিক সশস্ত্র ক্যাডার নিয়ে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্য এ হামলা চালায়। ঘটনা জানতে পেরে আমতলী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এ সনয় নয়ন মৃধা নামের এক সশস্ত্র ক্যাডারকে গ্রেফতার করে।

এ রিপোর্ট লেখার সময়ে ঘটনা শুনে ৪,৫ নং ওয়ার্ডের নারীরা মেয়রকে দেখার উদ্দেশ্য তার বাসায় আসার পথে নারীদের উপর কামাল আকনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়।

হামলার স্বীকার ভুক্তভোগী নারীরা বলেন আমরা পৌরসভভায় বসবাস করতে পারবোনা।

রামপালে বাখাটের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরীর উপর হামলা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে বখাটেদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরী (১৬) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কিশোরী ভিকটিমের মাতা পেয়ারা বেগম। রামপাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার পুটিমারী (সিংগড়বুনিয়া) গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ে সোমবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বেড়াতে যায়। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলা কালে ওই কিশোরী মাঠের দক্ষিণ পাশে খাবারের দোকানে খাবার কিনতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে পেড়িখালী গ্রামের মোতালেব হাওলাদারের ছেলে তৌকিম হাওলাদার, রিপন শেখের ছেলে ফাহাদ শেখ, ইমরানের ছেলে ইকরামুল, মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবু সাইদ, নোয়াব আলীর ছেলে শফিক শেখ, শাহাদাত মোড়লের ছেলে নাইম মোড়ল, সিকিরডাঙ্গা গ্রামের জাকির মোল্লার ছেলে তৌফিক মোল্লাসহ অজ্ঞাত আসামীরা ভিকটিমের পথরোধ করে। তারা তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তার চুলের মুঠি টেনে ধরে পেটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাথি মারে। এক পর্যায়ে তারা তার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে ওই কিশোরী হাত দিয়ে ঠেকায়। পরে তারা তার হাতে ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে আহত করে। খবর পেয়ে অনুষ্ঠানে থাকা তার মা পেয়ারা বেগম ছুটে এসে মেয়েকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে তার মা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

ভিকটিমের মা ও তার মেয়ে অভিযোগ করে জানান, ভিকটিম কে দীর্ঘ দিন ধরে তৌকিমসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা কুপ্রস্তাবে দিয়ে আসছে। এতে বাঁধা দিলে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাদের কথায় রাজি না হলে এসিড দিয়ে মুখ ঝলসে মুখের চেহারা পাল্টে ফেলার হুমকি দেয়। এ জন্য তারা পথে ঘাটে গতিরোধ করে ভয়ভীতি প্রদান করতে থাকে। এ পর্যায়ে সোমবার সন্ধ্যায় ফাঁকা পেয়ে ভিকটিমের উপর হামলে পড়ে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। যে কারণে তারের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগের লিখিত কপি পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কারো কথামতো কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

ফকিরহাটে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের ফকিরহাটে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার(৪মার্চ) রাতে ফকিরহাট বিশ্বরোড মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটক ওমরকে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটক মো. ওমর হাওলাদার (২৩) পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানিসাফা গ্রামের কবির হাওলাদারের ছেলে। বর্তমানে ওমর হাওলাদার বাগেরহাটের মোংলা আবাসনে একটি বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতো।

বাগেরহাট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আহাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল ফকিরহাট বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মহাসড়কের একটি হোটেলের সামনে থেকে ওমর হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছে থাকা ট্রলি ব্যাগ তল্লাসী করে পাঁচ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেপ্তার মাদক কারবারিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের পর বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রামপালে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আলোচিত প্রধান শিক্ষক সাইদের বিরুদ্ধে পিবিআই’র প্রতিবেদন দাখিল

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের  রামপাল উপজেলার সোনাতুনিয়া আমেনা খাতুন নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বরখাস্তকৃত সাবেক প্রধান শিক্ষক হাওলাদার সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাগেরহাট পিবিআই। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এর ইনস্পেক্টর মো. আশরাফুল আলম বিজ্ঞ আমল আদালত -৮ এ প্রতিবেদনটি দাখিল করেন। বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে গত ইংরেজি ২৭-১২-২০২৩ তারিখ পিটিশন- ৯৬/২০২৩ (রামপাল) নম্বর মামলাটি করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি মো. ওয়ালিউল্লাহ শেখ।

জানা গেছে, রামপালের সোনাতুনিয়া আমেনা খাতুন নিন্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাওলাদার সাইদুর রহমান ওই বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগ দানের কথা বলে ৩ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর কাছ থেকে মোট ১৩ লক্ষ টাকা নেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কল্পে তিনি ওই টাকা নেন। প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের কর্মচারী মনিরুজ্জামানের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, রাসেল গাজীর কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা ও শাহীনা খাতুনের কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা নেন। যা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যায় করা হবে বলে টাকা নেওয়া হলেও তিনি তা করেননি। ওই টাকা নিয়ে সাইদুর রহমান নিজের পকেটে পুরে আত্মসাৎ করেছেন। এই বিপুল অংকের টাকা কোথায় খরচ করেছেন ? এ সংক্রান্ত কোন তথ্য পিবিআই এর তদন্তে পাওয়া যায়নি। তবে স্ব-স্বীকারোক্তি দিয়ে দুই পাতার একটি খসড়া খরচের তালিকা দিয়েছেন ওই প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান। এত টাকার খরচ সংক্রান্ত কোন তথ্য প্রমাণ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নথি পত্রে পাওয়া যায়নি বলে পিবিআই এর তদন্তে উঠে এসেছে। বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের কাছ থেকে ওই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে সাইদুর রহমান আত্মসাৎ করেছেন মর্মে পিবিআই এর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত সাবেক প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।

এ বিষয়ে বাগেরহাটের পিবিআই এর ইন্সপেক্টর আশরাফুল আলম এর কাছে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালত -৮ এ প্রতিবেদন দাখিল করার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় বাদী ওয়ালিউর রহমানসহ স্বাক্ষীরা আতঙ্কে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।#

রামপালে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি শাহীনা আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাট রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহীনা বেগম (৪০) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটকে শাহীনাকে রবিবার (০৩ মার্চ) বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) বিধান কুমার বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম সঙ্গীয় নারী ফোর্স সারমিন আক্তার লিমাসহ অন্যদের সাথে নিয়ে শনিবার রাত পৌনে ১১ টায় ইসলামাবাদ আলী আজমের স-মিলের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় সিংগড়বুনিয়া গ্রামের গাঁজার ডিলার বহু মাদক মামলার আসামি দেলোয়ার মোল্লার স্ত্রী শাহীনা বেগম কে ১২৫ গ্রাম গাঁজা ও গাঁজা বিক্রির নগদ ৫ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেন।

এ বিষয়ে সিংগাড়বুনিয়া এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন মাদক কারবারি দেলোয়ার দীর্ঘ দিন ধরে মাদক বিক্রি করে সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করছে। তার স্ত্রী শাহীনা পুলিশের হাতে আটক হলেও অপর বিক্রেতা বকুল রানী ঢালী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিধান কুমার বিশ্বাস নারী মাদক কারবারি আটক ও আদালতে প্রেরনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাংবাদিক তালুকদার মাসুদ এর মৃত্যুতে বরগুনা জুড়ে বইছে শোকের মাতন

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি,বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ইউপি সদস্য তালুকদার মাসুদচিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার। সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদের অকাল মৃত্যুতে বরগুনা জুড়ে শোকের মাতম বইছে।

তিনি গত ১৯ ফেব্রুয়ারী ১১টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিলেন। ঘটনার ১১ দিন পর শনিবার (০২ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তালুকদার মাসুদ।আহতাবস্থায় সাংবাদিক তালুকদার মাসুদকে জিম্মি করে বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো। পরে প্রশাসনের সহায়তায় সাংবাদিক মাসুদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বরগুনা ফিরে আসেন সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসউদ। ০২ মার্চ আবার অসুস্থ্যতাবোধ করলে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য তিনি আবার বরিশাল শের – ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ সদর উপজেলার ১০নং নলটোনা ইউনিয়নের গোড়াপদ্মা গ্রামে মৃত আবদুল ওয়াহাব মাষ্টারের ছেলে। তিনি ১০নং নলটোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পরপর দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মৃত্যুর আগে সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ এক ভিডিও বার্তায় বলে গেছেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বরগুনা প্রেসক্লাবের ৩য় তলার অফিস-রুমে বসে এনটিভির জেলা প্রতিনিধি সোহেল হাফিজের নেতৃত্বে দৈনিক ভোরের আকাশের জেলা প্রতিনিধি কাশেম হাওলাদার, এনটিভির ক্যামেরা পার্সন আরিফুল ইসলাম মুরাদসহ বেশ কয়েকজন মিলে হামলা চালিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে তাকে। ভিডিও বার্তায় তার বুকে ঘুষি ও লাথি মারার কথা বলেছিলেন সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসুদ।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ০২ মার্চ বৈঠকের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) অসুস্থ্য সাংবাদিক তালুকদার মো: মাসউদকে ১নং আসামী করে সাংবাদিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে বরগুনা দ্রুত বিচার আইনে প্রেসক্লাবের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করেন সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার। তবে ০৩ মার্চ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন করলে মামলার সকল আসামীকেই জামিনে মুক্তি দিয়েছে আদালত।