কচুয়ায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় আটক -১

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে মঘিয়ার আইউব আলী শেখের ছেলে নাইমুল শেখকে আটক করেছে কচুয়া থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার উপজেলার মঘিয়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে রায়হান বাদী হয়ে ওবায়দুল শেখ (৩৫), আইয়ুব আলী ফকির (৪৫), সাখাওয়াত ফকির (৫৬) নাইমুল শেখকে (৩০) ও সপ্না বেগম (৫৫)কে আসামী করে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঘিয়া ইউনিয়নের ওবায়দুল শেখ এর নেতৃত্বে নাঈম শেখসহ স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় হামলা, চাঁদাবাজ, ঘের দখল, লুটপাটসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ১৩ ডিসেম্বর সকালে মঘিয়া ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফার (৬৮) স্ত্রীর নামে সম্পত্তি দখল করার উদ্দেশ্যে জমিতে চাষাবাদ করতে আসে ওবায়দুল শেখের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী। এতে গোলাম মোস্তফা ও তার দুই ছেলে জমিতে চাষাবাদের কাজ করতে নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আসামী মোঃ ওবায়দুল শেখ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে গোলাম মোস্তফা তার বড় ছেলে আল ইমরান ও ছোট ছেলে রায়হান রক্তাক্ত জখম হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গোলাম মোস্তফাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গোলাম মোস্তফার মেজো ছেলে গোলাম মর্তুজা বলেন, আমার পিতা ও বড় ভাইকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে যখন করেছে। এখনো আমার পিতা গুরুতর মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি জানান, আমার পরিবার কোন রাজনীতির দলের সাথে সম্পৃক্ততা নয়। সন্ত্রাসীরা আমার মায়ের নামের সম্পত্তি দখল করতে এসে বেআইনিভাবে আমাদের উপর হামলা করে। এর সঠিক বিচার ও বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, হামলার ঘটনায় মামলায় আমরা নাইমুল শেখকে আটক করেছি। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। আরো জানান, আটক নাঈম শেখের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

Daily World News

কচুয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবক আটক

রামপালে হামলায় ১৬ ভূমিহীন আহত

রামপালে হামলায় ১৬ ভূমিহীন আহত

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

রামপালে কথিত ভূমিহীনের হামলায় প্রকৃত ভূমিহীন নারীসহ ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

আহতরা হলেন, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ওমর ফারুক (৩৫), নজরুল পাটোয়ারি (৬৫), রিপন শেখ (৩২), মতলেব শেখ (২২), সোহেল শেখ (২২), আহমদ আলী ((২২), শরীফা বেগম (৩০), মনিরা বেগম (২৫), মতিরুল ইসলাম (৫৫), খাদিজা বেগম (২৪), নিলুফা বেগম (২৪), রিক্তা বেগম (৩০), সুমাইয়া বেগম (২০), জেসমিন বেগম (৪৫), রিজিয়া বেগম (৫০) ও জাহাঙ্গীর মোড়ল (৪০)। তাদের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের প্রায় ৮৩ জন ভূমিহীন পরিবারের সদস্য গোবিন্দপুর মৌজার চরভরাটি জমি সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পান। সরকারিভাবে ১৯৯৪-৯৫ সালে প্রত্যেক ভূমিহীন পরিবারকে ৪৪ শতাংশ করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতা সাবেক বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকিরের হস্তক্ষেপে ৮৩ জন ভূমিহীন জমি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকেন।

গত জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের পর প্রকৃত ভূমিহীনেরা তাদের বন্দোবস্ত পাওয়া জমি ফিরে পাওয়ার জন্যে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও যৌথবাহিনীর নিকট আবেদন করেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ সরোজমিনে গিয়ে মাপজোক করে লাল নিশান টানিয়ে দেন ও চিহ্নিত দাগের জমি ভূমিহীনদের বুঝিয়ে দেন। ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা তাদের জমিতে গেলে কথিত ভূমিহীনরা বাধা দেন। ওই ভূমিদস্যুরা জমি দখলে রেখে উল্টো বিএনপি নেতা আলী আকবার সম্রাট ও জামায়াত নেতা বাদশাহ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।

আহত ভূমিহীন মতিরুল ও রিপন শেখ জানান, ৩০ বছর আগে আমরা সরকারিভাবে ৪৪ শতাংশ করে চরভরাটি জমি প্রকৃত ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্ত পাই। ওই জমি দখল নিতে গেলে প্রভাবশালী বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির বাধা দেন। পরে গত ৫ আগস্টের পর আমরা জমিতে যাওয়ার জন্যে প্রশাসনের শরণাপন্ন হই। তারা আমাদের জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। আমরা বৃহস্পতিবার বিকেলে জমিতে গেলে আমাদের ওপর তারা হামলা করে। তেলীখালী গ্রামের ভূমিদস্যু শিফার শেখ, শেখ হাসান, আলামিন, ফিরোজা বেগমসহ প্রায় দুই শতাধিক গ্রামবাসী হামলায় অংশ নেন। আমরা তখন নিরুপায় হয়ে ফয়লা পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করি।

অভিযুক্ত শিফার শেখ, শেখ হাসান ও আলামিন বলেন, আমরাও ভূমিহীন। আমাদের কোন জমি নেই। আমরা তাদের ওপর হামলা করিনি।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানান, আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি।

Daily World News

বিগত সরকার পতনের পর বাংলাদেশে এখন শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হচ্ছে….. রূপসায় আজিজুল বারী হেলাল

বাগেরহাটে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটে মোড়লগঞ্জে ঘর থেকে স্বর্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ।

রবিবার (১৫ ) ডিসেম্বর সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ বেড হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহত কিশোরী উপজেলার বিশারীঘাটা গ্রামের হেমায়েত শেখের প্রথম পক্ষের সন্তান। নিহত স্বর্না আক্তারের বাবা হেমায়েত শেখ ও সৎ মা রাশিদা বেগম জানান, বাড়ির একটি ফাঁকা ঘরে স্বর্নার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন ।

তবে, ডালিয়া বেগম স্বর্না মৃত্যু রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন। মোড়লগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ রাকিবুল ইসলাম জানান, স্বার্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহের ময়না তদন্ত করা হচ্ছে।

ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।।

মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে গ্রামপুলিশ নাসিম খান কালুর অপকর্ম যেনো থেমেই নেই

//বিশেষ প্রতিনিধি:জেনিভা প্রিয়ানা//

রামপাল উপজেলাধীন মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে। শিশু নির্যাতন মামলার আসামি গ্রামপুলিশ নাসিম খান কালুর অপকর্ম যেনো থেমেই নেই। গ্রামে একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছেন তিনি।

রবিবার দুপুর ২.৫০ মিনিট এর সময় পারিবারিক কোলহলে তাহার আপন বড় ভাই মোঃ দেলোয়ার খানের ছেলে ঝিলাম খানকে বাঁশ ও দাও দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। নাসিম খান কালুর আঘাতে ঝিলাম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দাও এর আঘাতে তাহার মাথা কেঁটে যায় ক্ষত স্থানে ছয়টি সেলাই লাগে। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ভুক্তভোগী ঝিলামের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে, তিনি বলেন যে, আমাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে এইকথা বলে আমাকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করেন এবং পরে দাও দিয়ে মাথার পিছনে কোপ দেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।

নাসিম খান কালুর মুঠোফোনে কয় একবার ফোন দেওয়া হলেও তাকে পাইয়া যায় নাই।

বাগেরহাটে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিশু শিক্ষার্থী আহত

//বিশেষ প্রতিনিধি : জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেয়ায় শিক্ষক সোহাগ মোল্লার বেদম প্রহারে আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে ওই শিক্ষার্থী শরীরচর্চা’র অমনোযোগী লক্ষ্য থাকার কারণে প্রধান শিক্ষকের বেত্রাঘাতের শিকার হয়। আহত শিক্ষার্থী উপজেলার আডুয়াবনী গ্রামের মো. শহীদ শেখের ছেলে। আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স স্থানীয় এক চিকিৎসকের তত্তাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলা সদরে অবস্থিত সানসাইন কিডস কেয়ার কিন্ডার গার্টেনের

পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে আব্দুল্লাহর পিতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে আহত শিশু শিক্ষার্থীর বাবা মো. শহীদ শেখ জানান, আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স সানসাইন কিডস কেয়ারের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র। আনুমানিক দেড় মাস পূর্বে একদিন স্কুলে

অনুপস্থিত থাকার কারনে সানসাইন কিডস কেয়ারের পরিচালক সোহাগ মোল্লা তাকে অনুরুপ বেত্রাঘাত করেন। এ বিষয়ে ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তখন আব্দুল্লাহর পরিবার ওই শিক্ষককে কোন কিছু বলেননি। গত ২ ডিসেম্বর শরীরচর্চা করার সময় আব্দুল্লাহ শিক্ষক সোহাগের নির্দেশনা শুনতে পায়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সানসাইন কিডস কেয়ারের পরিচালক সোহাগ মোল্লা হ্যান্ডমাইক দিয়ে তাকে আঘাত করে। এ সময় সে ভয়ে দৌড় দিলে সোহাগ মোল্লা তার পিছু পিছু পিটাতে থাকে। ওই শিক্ষার্থী ঠেকাতে গেলে তার ডান হাতের কনুইয়ে মারাত্মক চোট লাগে। খবর শুনে আব্দুল্লার ফুফাতো বোন দৌড়ে গিয়ে আব্দুল্লাহকে জড়িয়ে ধরে শিক্ষক সোহাগের হাত থেকে রক্ষা করেন। বর্তমানে আব্দুল্লাহ ব্যাথায় হাত দিয়ে কোন কিছুই ধরতে বা কিছুই করতে পারছে না। আমি ছেলেকে চিকিৎসা জন্য নিলে ডাক্তার তাকে এক্স-রে করে হাতের ব্যান্ডেজ দিয়ে দিয়েছে। শিশুদের সাথে ধরনের অমানবিক আচারণ আমি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। শিশু শিক্ষার্থীদের সাথে এ ধরনের আচরনের বিচার দাবি করছি। শুধু আমার ছেলেই নয় সে অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে একই আচারণ করেন। তার ভয়ে কেহই মুখ খুলতে সাহস পায় না। সানসাইন কিডস কেয়ার কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক সোহাগ মোল্লা মারপিটের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা খেলধুলা করি। হয়তো তখন কোন আঘাত লাগতে পারে।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগকারী ও আহত শিক্ষার্থী আমার কাছে এসেছিল। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পালের অফিসিয়াল মুঠোফোনে ফোন একধিকবার দিলে তিনি কলরিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডুমুরিয়ায় আততায়ির গুলিতে কলেজ ছাত্র গুলিবিদ্ধ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //
ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে নাঈম সানা (১৯) নামে এক ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত ওই যুবক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার শরাফপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মইখালী এলাকার খোশদেল সানার ছেলে নাঈম তার সহোদরকে নিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ধানিবুনিয়া কফি হাউজে ঘুরতে যান।এ সময় কফি পান শেষে মটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে শরাফপুর -কৈয়া সড়কের শরাফপুর বাজারের অদুরে শাহিনুর রহমানের অটো রাইস মিলের সামনে আসলে পিছন দিক থেকে ২টি দ্রুত গতিতে আসা মটরসাইকেল তার গতিরোধ করে এবং নঈম কে লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলি তার মাজা ভেদ করে সে গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ওই রাতেই খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে কফি হাউজে নাঈমের সাথে কয়েক বন্ধুর সাথে  একটি বিষয় নিয়ে অনেক তর্কাতর্কি হয়েছিল বলে একটা সূত্র জানিয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে ওসি মোঃ মাসুদ রানা বলেন, খবর পেয়ে আমি সহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং অস্ত্রধারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

খেয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী পারাপারে মাঝিতে মাঝিতে হট্টগোলে রক্তাক্ত জখম, থানায় অভিযোগ দায়ের 

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করাকে কেন্দ্র করে মাঝি সমিতির সদস্য আকাশ তাদের কমিটির সহ-সভাপতিকে অন্যায় ভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করায় থানায় অভিযোগ দায়ের।

ঘটনাটি রূপসার আইচগাতী ইউনিয়ন এলাকায় কালিবাড়ী খেয়া ঘাটে। সেখানকার মাঝি সমিতির নেতৃবৃন্দের নিয়ম করা থাকে, প্রতিটি নৌকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক পারাপার ব্যতিত কোন মাঝি অতিরিক্ত লোক নিতে পারবে না। কমিটির নিয়ম-কানুন উপক্ষো করে খামখেয়ালিভাবে প্রায়ই মাঝি আকাশ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পার করে থাকে। এ দিনের খবর অন্য কিছু মাঝিরা তাৎক্ষণিক কমিটির সহ সভাপতি লুতফার হককে জানায়। এরপর সহ সভাপতি ঐ মাঝিকে বাধা প্রদান এবং তার নৌকা সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনার জের হিসেবে মাঝি আকাশ ক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। গত ১৬ নভেম্বর সংঘবদ্ধ লোকজন নিয়ে কমিটির সহ সভাপতি লুতফার হককে চায়ের দোকানে বেদম মারপিট মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। আহত লুৎফর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে রূপসা থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ঘটনার ব্যাপারে রূপসা থানা ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন- অপরাধী যেই হোক কোন প্রকার ছাড় পাবে না। সে এত অল্প বয়সের যুবক হয়ে একজন বয়স্ক বৃদ্ধাকে মারপিট করা বিষয়টি তদন্ত শেষে আইনুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগেরহাটে বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

//বাগেরহাট  প্রতিনিধি //

বাগেরহাটে সাবেক বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য সজীব তরফদারকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার মির্জাপুর আমতলা মসজিদের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সজীব বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা ছিলেন।

এসময় সজীবের সাথে থাকা আহত কামাল তরফদারকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় জানায়, সজীব তরফদার দুপুরে বাড়ি থেকে শহরে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে দুটি মোটরসাইকেলে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার গতিরোধ করে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

পিরোজপুরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে-  নিহত ৮

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পিরোজপুর সদরের কদমতলা এলাকায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে চার শিশুসহ আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য।

বুধবার মধ্যরাত সোয়া ২টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

নিহতরা হলেন— পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার হোগলাবুনিয়া গ্রামের শাওন মৃধা (৩২), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (৩০), ছেলে আবদুল্লা (৩), অপর ছেলে শাহাদত (১০) এবং শেরপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার মোতালেব (৪৫), তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার (৩০), মেয়ে মুক্তা (১২) ও ছেলে সোয়াইব (২)।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আমতলীর ব্রীজ ভেঙ্গে মর্মান্তিক নিহত হওয়া সেই ব্রীজের পাশেই নির্মিত হচ্ছে কাঠেরপুল

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

এ বছরের গত ২২ জুন ব্রীজ ভেঙ্গে মাইক্রোবাস খালে পড়ে ৯ জনের মৃত্যু হওয়ার পর সেই আয়রন ব্রীজের পাশেই নির্মিত হতে যাচ্ছে কাঠের পুল।

গ্রামবাসীদের নিয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক  মকবুল আহমেদ খান ও স্থানীয় প্রবীন ব্যক্তি মোঃ নান্নু মোল্লার উদ্যোগে ভেঙ্গে যাওয়া আয়রন ব্রীজের ২০০ ফুট দৈর্ঘ্য ৬ ফুট প্রস্থ এ কাঠেরপুল নির্মান করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা ।

আমতলী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও হলদিয়ার সন্তান মোঃ ইমরান খান বলেন, গত ২২ জুন ২০২৪ তারিখ হলদিয়াহাট আয়রন ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর হলদিয়া ও চাওড়া ইউনিয়নের ৫০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভেঙ্গে যাওয়ায় হলদিয়ায় বসবাসরত সাধারন মানুষের দুর্ভোগে পরে। এই আয়রন ব্রীজটি হলদিয়া ইউনিয়নের সাধারন মানুষের উপজেলা সদর,জেলা সহ দেশের সর্বত্র যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কৃষকরা তাদের পন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করে উপজেলা সদরের বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায় এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষকরা। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।

বয়স্ক,বৃদ্ধ, শিশু ও নারীরা অসুস্থ হলে তাদের অনেক এলাকা ঘুরে উপজেলা শহরে যেতে হয় চিকিৎসা নিতে। কোন গর্ভবতী মা অসুস্থ হয়ে পড়লে  তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে হলে কষ্টের নেই শেষ। জনসাধারনের কষ্টের কথা চিন্তা করে আমরা জনসাধারনের সহযোগিতায় একটি কাঠেরপুল নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনসাধারন তাতে সাড়া দিয়েছেন কেহ গাছ দিয়ে কেহ শ্রম দিয়ে আবার কেহ অর্থ দিয়ে এগিয়ে আসছেন কাঠেরপুল নির্মানে। আশা করি জনসাধারনের সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যে কাঠেরপুল নির্মান করা সম্ভব হবে।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জননেতা মোঃ মকবুল আহমেদ খান বলেন,আয়রন ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর হলদিয়া চাওড়া ইউনিয়নের সকল মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। জনসাধারনের এ দুর্ভোগ লাঘবে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাঠেরপুল নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। জনসাধারনকে সাথে নিয়ে সীমিত সময়ের মধ্যে কাঠেরপুল নির্মান কাজ সমাপ্ত হবে।

স্থানীয় প্রবিন ব্যক্তি মোঃ নান্নু মোল্লা বলেন, জনসাধারন যেভাবে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছে তাতে কিছু দিনের মধ্যে কাঠেরপুল দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারবে।

ইউপি সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, কাঠেরপুল নির্মানে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হবে।এছাড়াও কাঠেরপুল নির্মানে প্রতিদিন শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় মনি মোল্লা,মতি মোল্লা,নান্নু প্যাদা,জাকির হোসেন.রাসেল প্যাদা,সাহা গাজীসহ গ্রামের অনেক লোকজন।

উল্লেখ্য,গত ২২ জুন দুপুরে বরের বাড়িতে বউভাতের দাওয়াতে যাওয়ার সময় হলদিয়াহাট ব্রিজটি ভেঙে একটি মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়। তখন থেকে হলদিয়া ও চাওড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগে পড়ে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে বলেন,ভেঙ্গে যাওয়া আয়রন ব্রিজের স্থলে গার্ডার ব্রীজ নির্মানের জন্য কাজ চলমান রয়েছে।