আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ আই কেয়ার সেন্টার’র উদ্বোধন

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় রোডে (২২ ডিসেম্বর  বুধবার)আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ আই কেয়ার সেন্টার’র উদ্বোধন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে এদিন ওই কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে  অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে ওই কেন্দ্রের ডিজিএম মাইনুল হাসান, পরিচালক গোপাল চন্দ্র রায়, ম্যানেজার সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল প্রমুখ।গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা থেকে সরাসরি ভার্চুয়াল সংযোগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুল হক। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে রাণীশংকৈলে এ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রকে স্বাগত জানিয়ে এর সফলতা কামনা করেন।

গ্লোব বায়োটেক বঙ্গভ্যাক্স টিকা মানবদেহে পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে

বাংলাদেশে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বঙ্গভ্যাক্সের মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

বঙ্গভ্যাক্স টিকার ট্রায়াল প্রাণিদেহে সফল হওয়ায় মঙ্গলবার এই অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি)।

বিএমআরসির পরিচালক ডা. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফেজ-১ (প্রথম ধাপ) এর পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখনো লিখিত অনুমতি দেওয়া হয়নি। বাকি বিষয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেখবে।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মার সহযোগী গ্লোব বায়োটেক দেশে করোনাভাইরাসের মহামারি শুরুর পর গত বছরের ২ জুলাই করোনা টিকা তৈরির কাজ শুরুর কথা জানায়।

পরে বানরের দেহে বঙ্গভ্যাক্স টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফল নিয়ে প্রতিবেদন গত ১ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি) জমা দেয় করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলেটরি বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সেদিন যুগান্তরকে বলেছিলেন, যে কোনো টিকা তৈরির পর ধাপে ধাপে নানা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তা নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সফলতার মুখ দেখলে তা টিকা হিসাবে স্বীকৃতি পায়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় আড়ুয়া আতাই নদীর উপর সেতু নির্মাণে স্পেন প্রতিনিধির সাথে সালাম মূর্শেদী এমপির বৈঠক

 

বাংলাদেশে দেখা যাবে ৫৮০ বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

চলমান শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার। কেবল শতাব্দীর নয়, গত ৫৮০ বছরে এত দীর্ঘ সময় ধরে আংশিক চন্দ্রগ্রহণের নজির আর নেই। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার চন্দ্রগ্রহণের শেষভাগে তা বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে।

চাঁদ এবং সূর্যের মাঝামাঝি পৃথিবী এলে পৃথিবীর ছায়া পড়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে। সে ছায়ায় চাঁদের পুরোটা ঢাকা পড়লে বলা হয় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ, আর অংশবিশেষের ক্ষেত্রে সেটিকে বলা হয় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার চাঁদের ৯৭ শতাংশ সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হবে। আংশিক সে গ্রহণের সময় লালচে রং ধারণ করবে চাঁদ। এবারের গ্রহণের পুরোটা সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকার দেশগুলো থেকে। অস্ট্রেলিয়া, পূর্ব এশিয়া, উত্তর ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও তা দৃশ্যমান হবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৯ মিনিটে মূল চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। চলবে ৩ ঘণ্টা ২৮ মিনিট এবং ২৪ সেকেন্ড। এরপর পিনামব্রাল চন্দ্রগ্রহণের সময় তা বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে। গ্রহণের এ পর্যায়ে পৃথিবীর প্রচ্ছায়ায় না থেকে উপচ্ছায়ায় থাকে চাঁদ। আর মূল গ্রহণের মতো অতটা চমকপ্রদও নয়। তবে শুক্রবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে বাংলাদেশের আকাশে চন্দ্রগ্রহণ কিছুটা নজরে আসতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তবে আংশিক গ্রহণের শেষ দিকে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে। ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানায়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পিরোজপুরে জাতির পিতার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হবে, সংসদে বিল

জেনে নিই ডায়াবেটিস কমানোর দৈনন্দিন ঘরোয়া খাবার

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তের হার দিন দিন বাড়ছে। আমাদের রক্তে শর্করার (ব্লাড সুগার) পরিমাণ সারাদিন ধরে অল্প মাত্রায় বাড়ে ও কমে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই ফারাকটা অনেক বেশি হতে পারে। শর্করা বেড়ে গেলে যেমন সমস্যা হয়, তেমনি কমে গেলেও ঘটতে পারে বিপদ। রক্তে শর্করার সঙ্গে সম্পর্কিত জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে এর ভারসাম্যের বিষয়টি বোঝা জরুরি।

তবে এ অবস্থাটি প্রাণঘাতী হলেও কিছু সাধারণ জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এবং কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকার অনুসরণ করে এ অবস্থাটিতে অনেকটাই ভালো থাকা যায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক যে ৬ খাবার প্রাকৃতিকভাবেই কমায় রক্তে শর্করা—

১. মেথি দানা

মেথি দানা আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে আপনার ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত মেথির দানা খাওয়া উচিত। এর জন্য সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানিও পান করা যেতে পারে।

২. করলা

ডায়াবেটিস রোগের জন্য করোলা অনেক উপকারী একটি খাবার। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় করলা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা  উচিত। এটি হাইপোগ্লাইসেমিক জৈব-রাসায়নিক পদার্থে সমৃদ্ধ। পদার্থটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক ভালো কাজ করে।

৩. আমলকী

আমলকী কার্বোহাইড্রেট শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতায় সাহায্য করে। তাই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এটিকে কাঁচা বা রস করে খেতে পারেন।

৪. বিভিন্ন মসলা

বিভিন্ন  মসলারও কিন্তু ডায়াবেটিস প্রতিরোধক গুণ রয়েছে। তাই এ ধরনের মসলা যেমন—  হলুদ, সরিষা, দারুচিনি ও ধনেপাতা অবশ্যই ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে উপকার পাবেন।

৫. ছোলা ডাল

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার হচ্ছে ছোলা ডাল। যাদের ডায়াবেটিস রোগ নেই, তাদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি এটি দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও উপকারী হিসেবে কাজ করে।

৬.জাম

জাম ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে এবং ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এর জন্য ৪-৫টি জামের পাতা এবং জাম চিবিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা কমতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

 ফেসবুক- হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম চলছেনা…! বিশ্বজুড়ে সার্ভার ডাউন

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের সার্ভার ডাউন হয়েছে বিশ্বজুড়ে। এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও রয়টার্সসহ বিশ্বের আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টার পর থেকে এসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ঢোকা যাচ্ছে না।

সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় এ তিনটি অ্যাপের মালিক ফেসবুক।

ফেসবুকের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে টুইটবার্তায় বলা হয়, আমরা জানতে পেরেছি কিছু মানুষ ফেসবুক অ্যাপে ঢুকতে পারছেন না। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। আশা করি যথাসম্ভব দ্রুত আমরা ফিরতে পারব। এ বিঘ্নতার কারণে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সেজেছে অষ্টকোন মন্দিরে দেবী দুর্গা রং তুলির আঁচড়

ভোটের আগে ভোট! নওয়াপাড়া পৌরসভায় প্রস্তুতিমূলক মক ভোট অনুষ্ঠিত

 

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার নির্বাচন আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনকে শতভাগ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে গ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটারদের স্বার্থে ১৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দিনব্যাপী প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মক ভোটের আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাচন অফিসসূত্রে জানা গেছে, এবারের নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে এই প্রথম ৩০টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণসহ ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নতুন এই পদ্ধতিতে ভোট প্রদান বা গ্রহণে ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটের আগে এই প্রস্তুতিমূলক মক ভোটের মহড়া দেয়া হয়।

শনিবার সকালে সরেজমিনে আলহেলাল ইসলামী একাডেমী ভোটকেন্দ্র ও নওয়াপাড়া মডেল কলেজ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে নিয়োজিত কর্মকর্তারা ভোট কেন্দ্রে আসা ভোটারদের ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদানের বিষয়ে নানা ধরণের দিক নির্দেশনা দেয়াসহ ভোট নিচ্ছেন। নওয়াপাড়া মডেল কলেজ কেন্দ্রে নিয়োজিত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এসএম ফারুক আহমেদ জানান, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ১নং ও ২নং কক্ষে মক ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকার বেশ কয়েকজন ভোটার তারা মক ভোট প্রদান করেন। প্রস্তুতিমূলক এই ভোট কেন্দ্রে আসা ভোটার ইব্রাহিম শেখ জানান, মক ভোট দিয়ে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেয়ার বিষয়ে জ্ঞানলাভ করেছি।

এ পদ্ধতিতে ভোট দিতে কোনো ধরণের অসুবিধা নেই। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. আলমগীর হোসেন জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বেশ কয়েকজন ভোটার এই মক ভোটে অংশ নেন। কেন্দ্র থেকে ভোটকেন্দ্রে আসা অনেক ভোটারদের ভোটদানের বিষয়ে নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। আলহেলাল ইসলামী একাডেমী ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম সুমন জানান, ভোটারদের জন্য প্রস্তুতিমূলক মক ভোট তার কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. আমিনুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনায় নওয়াপাড়া পৌরসভার নির্বাচনী এলাকায় স্থাপিত প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রস্তুতিমূলক এই

মক ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদেরকে বাঁশখালী সমিতি চট্টগ্রামের খাবার বিতরণ

 

১৬ কোটি বছর আগের ‘উড়ন্ত ড্রাগনের’ জীবাশ্মর খোজ পাওয়া গেছে

 

সম্প্রতি খোঁজ পাওয়া ‘উড়ন্ত ড্রাগন’ তথা উড়ন্ত ডাইনোসরের জীবাশ্ম। পাখির মতো উড়ে বেড়াত এই অতিকায় ডাইনোসর। তাই একে বলা হতো ‘উড়ন্ত ড্রাগন’।

চিলির আতাকামা মরুভূমিতে বিজ্ঞানীরা সেই উড়ন্ত ড্রাগনের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন। এত দিন ধারণা করা হত, জুরাসিক যুগের এই ডাইনোসর কেবল উত্তর গোলার্ধেই বিচরণ করত।

উড়ন্ত এ সরীসৃপ আদিম টেরোসরাসের অন্তর্গত ছিল, যারা ১৬ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বিচরণ করত। এদের দীর্ঘ লেজ, ডানা এবং বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকা তীক্ষ্ণ দাঁত ছিল।

এই ডাইনোসরের জীবাশ্ম প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন আতাকামা ডেজার্ট মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টরি অ্যান্ড কালচারের কর্মকর্তা ওসালদো রোজাস। এরপর চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এ নিয়ে গবেষণা চালান। দক্ষিণ গোলার্ধে উড়ন্ত ড্রাগনের অস্তিত্বের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে জীবাশ্মবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা এক পত্রিকায়।

এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী জোনাথন অ্যালার্কন বলেন, এত দিন পর্যন্ত উড়ন্ত ড্রাগনের বিচরণ নিয়ে যা জানা ছিল, প্রকৃতপক্ষে তাদের বিস্তৃতি ছিল তার চেয়েও বেশি। শুধু তাই নয়, এই আবিষ্কার থেকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের প্রাণীদের সম্ভাব্য স্থানান্তর ও তাদের আন্তঃসম্পর্কের সূত্রেরও ইঙ্গিত মেলে। আর এটি এমন একটি সময়ের ইঙ্গিত দেয়, যখন পৃথিবীর অধিকাংশ দক্ষিণাঞ্চলীয় ভূমি গন্ডোয়ানা নামক এক মহা-মহাদেশে সংযুক্ত ছিল।

বিজ্ঞানী অ্যালার্কন বলেন, এসব টেরোসরাসের একটি প্রজাতির খোঁজ কিউবাতেও পাওয়া যায়। এগুলি উপকূলীয় প্রাণী ছিল। তাই তারা সম্ভবত উত্তর ও দক্ষিণে জায়গা বদল করত। অথবা তারা এ অঞ্চলে একবার এসে আর ফেরত যায়নি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খালের পানির স্রোতে গভীরে তলিয়ে তিন ছাত্রীর মৃত্যু, ১ জন নিখোঁজ

সূত্র: রয়টার্স

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কারখানা চালু হয়েছে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কারখানা চালু হয়েছে। এই ফ্যাক্টরীতে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে পাথরে পরিণত করবে।

বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ধরার জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কারখানা আইসল্যান্ডে কার্যক্রম শুরু করেছে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে CO₂ এর পরিমাণ হ্রাস জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে।

এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত একটি উন্নয়নশীল প্রযুক্তি প্রদর্শন করে কিন্তু সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন করে যে এটি আসলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

এটা কি পলাতক জলবায়ু পরিবর্তন থেকে গ্রহকে বাঁচানোর একটি ভবিষ্যৎ দৃষ্টি, অথবা একটি নিষ্ফল খরচ যা CO2 নির্গমন হ্রাস করার জরুরী থেকে বিভ্রান্ত করে?

যেসব কোম্পানি প্ল্যান্ট, ক্লাইমওয়ার্কস এবং কার্বফিক্স তৈরি করেছে তাদের মতে, ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করার সময় ORAKA প্লান্টটি প্রতি বছর ৪০০০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড বাতাস থেকে বের করবে।

এখানে বছরে ৪০০০ টন কার্বণ-ডাই অক্সাইড পাথরে তৈরী করে তা মাটির নিচে চাপা দেওয়া হবে।

সূত্র: বিবিসি।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেন এহসান গ্রুপের রাগীব আহসান

বরিশালে বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিন থেকে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী  আটক

ভিডিও দেখুন….

 

 

একটি বাটন টিপলেই যেকোন অর্থ লেনদেনকারীর তথ্য সরকার পাবে 

মানুষের আর্থিক খাতে জালিয়াতি বন্ধ ও অর্থ লোপাটকারীদের শনাক্তে বহুমুখী তদারকি শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত ও বিশেষ তদন্তের পাশাপাশি প্রযুক্তিকেও কাজে লাগানো হবে। এর আওতায় এক ছাতার নিচে আসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন। ফলে একটি বোতাম টিপেই মিলবে জালজালিয়াত বা অর্থ লুটেরাদের লেনদেনের সব তথ্য।

এটি সফল করার লক্ষ্যে গঠন করা হচ্ছে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফরম (আইডিটিপি)। যেখানে এক আইডিতে (জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর) গ্রাহকের সব হিসাব ও লেনদেনের তথ্য থাকবে। কেন্দ্রীয় গেটওয়ে দিয়ে হবে সব লেনদেন।

এবিষয় সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এ ধরনের কাঠামো কার্যকর হলে অর্থনৈতিক অপরাধ রোধে যোগ করবে নতুন মাত্রা। লেনদেন সহজ হবে। নগদ টাকার পরিবর্তে গ্রাহকরা অনলাইন লেনদেনে উৎসাহিত হবেন। ভূমিকা রাখবে কাগজের মুদ্রাবিহীন সমাজ (ক্যাশলেস সোসাইটি) গঠনেও, যা উন্নত দেশগুলোয় ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে।

এতে প্রাথমিকভাবে ১৩টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলেও অক্টোবরের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসবে। শুরুতেই যুক্ত হচ্ছে সোনালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশ লিমিটেড এবং তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান রিকারশন ফিনটেক লিমিটেড।

যারা প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির জন্য থাকবেন তারা হলেন:  বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক, সিস্টেম এনালিস্ট ও উপপরিচালক পর্যায়ের তিন কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি সামনে রেখে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯ টাকা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংক আইডিটিপি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বহুমুখী নজরদারির পরও বন্ধ হচ্ছে না অস্বাভাবিক লেনদেন। বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইনে এসব চলছেই। নিয়ন্ত্রণে আসছে না অর্থ জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিং।

জঙ্গি অর্থায়ন হচ্ছে, সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে

এ ধরনের অনিয়ম তদন্তে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তদারক সংস্থাগুলো। ফলে উন্নত বিশ্বের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে একই সার্ভারে সব ধরনের লেনদেনের তথ্য না থাকার আক্ষেপ ছিল বহুদিনের। এবার সেই আক্ষেপের কিছুটা হলেও অবসান হতে যাচ্ছে। একই ছাতার নিচে আসছে সব ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় পড়বে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্ল্যাটফরমের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) ব্যবহার করবে ফিনটেক (ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি) প্রতিষ্ঠানগুলো। এই সার্ভিসের আওতায় রেমিট্যান্স আদান-প্রদান, মার্চেন্ট পেমেন্ট, বিল পরিশোধ, ই-কমার্স, এম-কমার্স, মেশিন-টু-মেশিন পেমেন্টসহ অর্থ হস্তান্তর ও লেনদেন করা যাবে।

এটি মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনে সেতুবন্ধ তৈরি করবে, যা একদিকে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনকে ত্বরান্বিত করবে, অন্যদিকে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে একটি বোতাম টিপেই যে কোনো গ্রাহকের সব ধরনের হিসাব ও লেনদেনের তথ্য পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে সার্টের পরিচালক এবং আইডিটিপি প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট সমন্বয় ও পরীক্ষণ কমিটির সভাপতি তারেক এম বরকতউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ডিসেম্বরের আগেই প্রকল্পটি উদ্বোধন হবে। এ সময়ের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এক ছাতার নিচে আনা হবে। এটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলে দেশ ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে এগিয়ে যাবে। মূল বিষয়টি হলো-এর মাধ্যমে একটি গেটওয়েতে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলে আসবে।

তিনি বলেন, যেহেতু একটি আইডির মাধ্যমে এখানে লেনদেন হবে, তাই যিনি অর্থ পাঠাবেন এবং যিনি গ্রহণ করবেন-প্রত্যেকের তথ্যই ওই আইডিতে থাকবে। ব্যাংকগুলো গ্রাহকের বিস্তারিত জানবে। কেউ যদি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করে, তাহলে ব্যাংক সহজেই তা শনাক্ত করতে পারবে। জাতীয় পরিচয়পত্রটাই গ্রাহকের আইডি হিসাবে কাজ করবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশনের মধ্যে অন্যতম একটি হলো ক্যাশলেস সোসাইটিতে চলে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ও বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। ফলে এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্যও সেটি।

বিজিডি ই-গভ সার্টের সিনিয়র টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট (ডিজিটাল সিকিউরিটি) তৌহিদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে, যা ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে সহায়ক হবে। ডিজিটাল অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিনিময় যোগ্যতা, কম খরচ, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের ডিআইজি মো. আবদুল্লাহেল বাকীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়। তিনি বলেন, এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে কোনো অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ে কাজ করলে বিএফআইইউ-এর সহায়তা নিতে হয়। অনুরোধ করতে হয় অভিযুক্তদের লেনদেনের হিসাব সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য। তাদের কাছ থেকে তথ্য পেলে সেগুলো নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে প্রত্যেকটি লেনদেন আলাদা আলাদা করে তদন্ত করা হয়। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে তাদের কাছ থেকে তথ্য নিতে হয়। তাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া বেশ জটিল। এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে খুব সহজেই তথ্য পাওয়া যাবে। তদন্তের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সূত্র:যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa News

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার জাল নোটসহ মহিলা গ্রেফতার

 

সন্তান ১০ উপায়ে বুদ্ধিমান ও মেধাবী হবে।। জেনে নিন…

এই ১০ উপায়ে সন্তান বুদ্ধিমান ও মেধাবী হবে- ঘরের পরিবেশ আপনার সন্তানকে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে সাহায্য করে। মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে সন্তানকে গড়ে তোলায় বাড়ির পড়ার স্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

তেমনি আরও কিছু বিষয় আছে যা সন্তানের মেধা বিকাশে বিশেষ প্রভাব ফেলে। ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’ অবলম্বনে জানানো হলো ১২ টি উপায়, যা আপনার সন্তানকে মেধাবী করতে সহায়তা করবে।

রুটিন মেনে চলতে শেখান:

আপনার সন্তানকে পরিকল্পনা করতে শেখান। সময়ের কাজ সময়ে করতে রুটিন তৈরি করুন ও তা মেনে চলতে শেখান। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু তাই নয় নির্দিষ্ট স্থানে তাকে জিনিসপত্র রাখতে শেখান। যেমন- স্কুল থেকে এসে ব্যাকপ্যাক রাখার জায়গা ঠিক করে দিন যেন সকালে খোঁজাখুজি করতে না হয়।

প্রতিদিন পড়ার আগে একটু বিনোদন:

স্কুল থেকে এসেই পড়ার টেবিলে বসানো নয়, বরং তাকে পোশাক ছাড়তে বলুন। হালকা নাশতা খেতে দিন। পড়ার টেবিলে বসার আগে অবশ্যই তার বিনোদনের ব্যবস্থা রাখুন। হতে পারে তা টেলিভিশন দেখা অথবা বাইরে একটু খেলতে যাওয়া।

কাজের তালিকা তৈরি:

বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানগুলো মনে রাখার জন্য সন্তানের ঘরের পড়ার টেবিলের সামনে রাখুন হোয়াইট বোর্ড। অথবা আর্ট পেপারে রং করেও বানিয়ে নিতে পারেন ছোট ক্যালেন্ডার।

সেখানে তার খেলার দিন, বন্ধুদের জন্মদিন সবকিছু উল্লেখ থাকবে। সে বুঝতে শিখবে আপনি তাকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন।

পড়ার টেবিল  গোছানো শান্ত  রাখা:

বিশেষজ্ঞরা জানান, পড়ার আলাদা টেবিল ছাড়াও ডাইনিং টেবিল, কিচেন কাউন্টার এবং ঘরে যদি আপনার ছোট্ট কাজের জায়গা থাকে তবে সেখানেও সন্তানরা পড়তে পারবে।

এর জন্য আপনাকে অবশ্যেই খেয়াল রাখতে হবে সন্তানদের পড়ার জন্য যা প্রয়োজন তা যেন হাতের কাছে থাকে, শান্ত পরিবেশ ও গোছানো থাকে। এতে তার পড়া থেকে মনোযোগ সরবে না।

মাঝে মাঝে দিন ব্রেক:

সবসময় পড়ার কথা বলবেন না সন্তানদের। হালকা বিশ্রামের জন্য তাদের বন্ধুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দিন। গেম খেলুক সে। তবে দেখবেন বিছানায় শুয়ে শুয়ে যেন সে স্মার্টফোন না ঘাটে।

মাঝে মাঝে বদলে যাক পড়ার স্থান:

সন্তানের পড়ার ঘরে থাকুক পর্যাপ্ত আলো-বাতাস। ঘরের দেয়ালের রং যেন গাঢ় না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। এতে শিশুর সৃজনশীলতা নষ্ট হয়। সবসময় পড়ার ঘরের দেয়াল রাখুন হালকা শেডের।

দূরে থাকুক অপ্রয়োজনীয় জিনিস:

পড়ার টেবিলে কখনোই অপ্রয়োজনীয় জিনিস রাখবেন না। যদি কোনো কিছু অশোভন দেখায়, হতে পারে তা বইয়ের স্তুপ তবে বড় ফটো ফ্রেম দিয়ে ঢেকে রাখুন।

সন্তানকে ফাইল অর্গানাইজার কিনে দিন। দিতে পারেন কনটেইনার। কনটেইনারে অবশ্যই কাগজ দিয়ে ট্যাগ দিয়ে নেবেন। কাগজে লেখা থেকেই শিশু জেনে নিতে পারবে কী আছে সেখানে।

পর্যাপ্ত আলো রাখুন ঘরে:

স্কুলের বাড়ির কাজে শিশুদের অনেক সময় ব্যবহার করতে হয় গ্রাফ পেপার। রেখাচিত্র আঁকাসহ অনেক সূক্ষ কাজ করতে দেওয়া হয় তাদের। এ কাজে প্রয়োজন উজ্জ্বল আলো। সন্তানের ঘরে তাই অকৃপণভাবে রাখুন পর্যাপ্ত আলো।

পড়ার ঘর হোক আরামদায়ক বুক শেলফ রাখুনঃ

পড়ার ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণ খালি স্থান রাখুন। সেখানে যেন থাকে সন্তানের পছন্দের খেলনা। ছোট্ট নরম টেডি বিয়ার, বিভিন্ন আকৃতির বালিশ ঘরের মধ্যে তাদের আরাম এনে দিবে।

শুধু কি পড়ার বই পড়বে আপনার সন্তান? একঘেয়েমির কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারে না। তাই ঘরে রাখুন বইয়ের শেলফ। সেখানে রাখুন মজাদার ও রঙিন গল্পের বই।

১০ বাবামা হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝুন:

সন্তানের ঘরের জন্য কোন কোন নতুন পরিবর্তন আনা যায় তা ভেবে বের করুন। সন্তান স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারছে কিনা, তার বাড়ির কাজে সহায়ক হবে এমন ওয়েবসাইটের খবর রাখা, কোন সফটওয়্যার দরকার এবং কোন কোন ক্ষেত্রে শিশু পিছিয়ে আছে সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

///দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটের মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক