রামপালে চোরাই মালামালসহ ২ চোর আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে দুইজন তার চোরকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

আটককৃতদের বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো উপজেলার বড় দূর্গাপুর গ্রামের আ. আজিজের পুত্র জনি শেখ (৩২) ও একই গ্রামের মোহর আলীর পুত্র মো. মনিরুল শেখ (৪২)।

রামপাল থানার এসআই জাহিদুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩ টায় দূর্গাপুর চরের আবু্ল কালাম সরদারের টিনের ঘরের সামনে অভিযান চালান। ওই সময়ে ২০৫ কেজি তার, রড ও অন্যান্য মালামালসহ তাদের আটক করেন।

আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে তার চুরির কাজে জড়িত রয়েছে। এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের চোর সিন্ডিকেট ও তাদের গডফাদারদের তালিকা করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

কচুয়ায় লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষ

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়ার খলিশাখাতে লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা।

উপজেলা সদরের খলিশাখালী গ্রামের মৃত আমি আলীর পুত্র মকবুল হোসেন জানান, তার ভাই মজিবর শেখের সাথে জমা জমি নিয়ে সহকারী জজ আদালত কচুয়া, বাগেরহাটে বাটোয়ারা বাবদ মিস দেওয়ানী ২১/২১নং মামলা চলছে।

সে বাড়িতে না থাকার সুযোগে মঙ্গলবার বিবাদী মজিবর শেখ ১০/১২ জন লোক নিয়ে তার ভোগদখলি  ১৮১২ দাগের জমির মধ্যে থাকা প্রায় দেড়লক্ষ টাকার মেঘনিষ, মেহগনি ও চম্বল সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন ধরনে ভয় ভিতি সহ হুমকি প্রদান করে।

এঘটনার ভুক্তভোগীরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষে হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

 

ডুমুরিয়ায় টাটা কোম্পানীর নকল কীটনাশক ও কীটনাশক তৈরির অর্ধ কোটি টাকার ক্যামিক্যাল উদ্ধার। ভ্রাম‍্যমান আদলত একজনকে কারাদণ্ড

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় টাটা কোম্পানীর  নকল কীটনাশক ও কীটনাশক তৈরির অর্ধ কোটি টাকার ক্যামিক্যাল রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত একজনকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন। নকল কোম্পানি প্রোপাইটার কে গ্রেফতার সহ  ভ্যানচালককে  জিজ্ঞাসাবাদে জন্য আটক করেছে ডুমুরিয়া থানা পুলিশ। ২০ জুলাই  বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার নরনিয়া এলাকার মাহাবুর রহমানের বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শরীফ আসিফ রহমান ।

ভ্রাম্যমান আদালত ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমীন জানান গত বুধবার বিকেলে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন আলী গাজীর ভ্যানে ১৯ টি প্লাষ্টিকের ড্রাম ও ৪০টি কাগজের কার্টুনে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মূল্যের নকল কীটনাশক নিয়ে একই জেলার ঝিকরগাছা উপজেলায় বিক্রির জন্য যাচ্ছিলেন। ভ্যানটি যশোরের  রাজগঞ্জ নামক স্থানে পোঁছালে টাটা কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি আমিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির কাছে ভ্যানচালক ঝিকরগাছা সড়কের সন্ধান জানতে চায় ।

এসময় তিনি ভ্যানে তাদের কোম্পানির কীটনাশক দেখে সন্দেহ করে ভ্যান চালকের গতিরোধ করেন। ভ্যান চালকের কাছ থেকে কৌশলে জানতে পারেন খুলনা জেলার চুকনগরের একটি কোম্পানি থেকে এই কীটনাশক ঝিকরগাছায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন তিনি টাটা কীটনাশক কোম্পানির এমডি কেশব কুমার সাধুকে বিষয়টি জানান। তার নির্দেশে ভ্যান চালকসহ কীটনাশক গুলো সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটায় নেওয়া হয়। এরপর কোম্পানীর লোকজন চুকনগরের নরর্নিয়া এলাকায় এসে  টাটা কোম্পানীর লোগো লাগানো কীটনাশক কোম্পানির  সন্ধান পান।  বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমানকে অবহিত করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান খবর পেয়ে  বৃহস্পতিবার বিকেলে নরর্নিয়া এলাকার মাহাবুর রহমান মোড়ল(৫০) এর বাড়ির একটি তালাবন্ধ ঘর থেকে নকল কীটনাশক ও কীটনাশক তৈরীর ক্যামিক্যাল উদ্ধার করেন। পুলিশ সুত্র জানান এ কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বাড়ির মালিক মাহাবুব রহমান মোড়লকে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন।  এছাড়া ভ্যানচালক কে জিজ্ঞাসাবাদ ও ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা গ্রামের নওয়াব আলী গাজীর ছেলে মেসার্স জেনারেল এগ্রো এর প্রোপাইটার  সুলতান গাজী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে নকল কীটনাশক তৈরী ক্যামিক্যাল রাখার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। এব‍্যাপারে ডুমুরিয়া থানায় একটি মামলার  প্রস্তুতি চলছে । আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার নকল কীটনাশক ও কীটনাশক তৈরির ক্যামিক্যাল জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে।

খুলনার রূপসা থানা পুলিশ অস্ত্রগুলি সহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে

রূপসা প্রতিনিধি:
খুলনার রূপসা থানার আইচগাতি ক্যাম্প পুলিশ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র গুলিসহ শামীম শেখ (৪৩) নামে এক যুবক গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত শামীম রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের রস্তুম শেখ এর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানাযায়, আইচগাতি ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই নকিব ইকবাল গত ১৯জুলাই ১১-৫০মিনিটের দিকে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র উদ্ধার গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করার লক্ষে অভিযানে বের হয়ে সেনেরবাজার এলাকায় পৌছালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে আইচগাতি গ্রামস্থ ইউপি সদস‍্য
কওসার মল্লিক ওরফে সোহেল এর বাড়ির পাশে ইটের সলিং রাস্থার উপর অস্ত্র ক্রয় বিক্রয় করছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে এক ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় শামীম নামে এক যুবক কে আটক করে। আটককৃত যুবকের নিকট থেকে ওয়ান শুটার গান লোহার বাট যাহা ৯.৫ ইঞ্চি ও এম এম রাইফেলের কাতুর্জ ৩টি জব্দ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এস আই নকীব ইকবাল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৭, তাং- ২০/৭/২৩ ।

যশোরে গোয়েন্দা শাখা ভারতীয় মদ ও ৫ শ গ্রাম গাঁজাসহ আটক-৪

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

ভারতীয় ১৪ বোতল মদ ও ৫শ’ গ্রাম গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দু’জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছে। এরা হচ্ছে,ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা,প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গ জেলার গাইঘাটা থানার আংরাইল ঝাউডাঙ্গা গ্রামের রবিন্দ্রনাথ গোলদারের ছেলে বাপ্পা গোলদার ও একই জেলার ও থানার কারোলা গ্রামের স্বপন পালের ছেলে সুব্রত পাল,যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার বাইশা চাঁদপুর গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে নাহিদ হাসান,সদর উপজেলার রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় আলাদা মাদক আইনে দু’টি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে জানাগেছে,মঙ্গলবার ১৮ জুলাই রাত ১০ টায় গোপন সূত্রে খবর পেেেয় ডিবি’র এএসআই নাজমুল ইসলামসহ একটি চৌকস টিম শহরের ষষ্টিতলা পাড়াস্থ জেলা স্কুলের মেইন গেটের উত্তর পাশে মুজিব সড়কে অভিযান চালায়। এ সময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা নাহিদ হাসান,দেলোয়ার হোসেন দৌড়ে পালানোর এক পর্যায় তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় নাহিদ হাসানের হাতে থাকা বাজার করা ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত ৫শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।

নাহিদ হাসান পুলিশকে জানান,উক্ত গাঁজা ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী শাবানা খাতুনের কাছ থেকে নিয়ে এসে দেলোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন গাঁজা বিক্রেতার কাছে শাবানার সহায়তায় বিক্রি করে থাকেন। অপরদিকে, চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ী সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার ১৮ জুলাই বেলা ১১ টার সময় ওই ফাঁড়ীর এক এসআইসহ একদল পুলিশ যশোর বেনাপোল সড়কের পুলেরহাট বাজারস্থ মিন্টুর মার্কেটের সামনে জনৈক আব্দুল গণি এর ফলের দোকানের সামনে থেকে দু’জন ব্যক্তিকে সন্দেহ হলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জের এক পর্যায় ভারতীয় নাগরিক বাপ্পা গোলদার ও সুব্রত পালকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে দু’টি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করেন। এসময় তাদের দখলে থাকা ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে।

অভয়নগরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীসহ দুলাভাই এর মুক্তিপণ দাবি, থানায় অভিযোগ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোরের অভয়নগরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীর দুলাভাই ও স্ত্রী মিলে মুক্তিপণ দাবি -বাচাঁর আকুতিতে ৯৯৯ কল। স্থানীয় ও পুলিশের সহযোগিতায় জলিল মোল্যাকে (৩৫) উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে অভয়নগর সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে।

এ ব্যাপারে ১৬ জুলাই রবিবার দুপুরে জলিল মোল্যা নিজে বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিবরণী থেকে জানা যায়, চলতি মাসের ইং-০৪/০৭/২০২৩ তারিখ বিকাল ৪:০০ টার  সময় ০৩ নং বিবাদী তার মোবাইল নাম্বার ০১৯৫৪-৪৪৫৫১৫ দিয়া আমাকে কল করিয়া অভয়নগর থানাধীন আমতলা কালিবাড়ী রোডে ভুক্তভোগি জলিল মোল্যার ফুপু শাশুড়ি অসুস্থ বলিয়া সেখানে যেতে বলে।

পরবর্তীতে রাত ০৯:৩০ ঘটিকার সময় তার ফুপু শাশুড়ির বাড়ীতে গেলে তিন মোটর সাইকেল যোগে সকল বিবাদীরা সেখানে গিয়ে তাকে বলে তোর স্ত্রীকে এখনই তালাক দিতে হইবে এবং নগদ ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ) টাকা দিতে হইবে। তিনি দিতে না চাইলে বিবাদীরা তাকে গাছের সাথে বেঁধে এলোপাথাড়ি মারধর করিতে থাকলে  তার মাথা ফেটে যায়। একপর্যায়ে তার আত্বীয় সাদ্দাম হোসেন (২৩) পিতা- মৃত নাজের মোড়ল,সাং-জামিরা (পিপরাইল), থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনা তার কথাতে ৯৯৯-এ কল করিলে পুলিশ-প্রশাসন স্থানীয় মেম্বার ইসমাইলকে বিষয়টি দেখতে বলেন, তাৎক্ষণিক মেম্বর ঘটনা স্থানে গিয়ে ভিকটিম জলিল মোল্যাকে উদ্ধার করেন।

বিবাদীরা মারধর করে চলে যাওয়ার সময ভিকটিম জলিলকে এই বলে শাসিয়ে যায় থানায় অভিযোগ করলে প্রাণে মেরে ফেলবো । জলিলের প্রচুর রক্ত ক্ষরণের কারণে  শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় এলাকাবাসী অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়। ভুক্তভুগি জলিল মোল্যা খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার সাং-জামিরা পিপরাইলে মৃত মোসলেম মোল্যা ছেলে।

ভুক্তভোগি জলিল মোল্যা জানান, আমার ভায়রা জাহিদুল ইসলাম (৩৮) পিতা- অজ্ঞাত,মাতা-রোকেয়া বেগম,মিতু বেগম (৩০), স্বামী- জাহিদুল ইসলাম, উভয় সাং-শংকরপাশা, রাজু ফকির (৩২) হিরা বেগম (২৩) উভয় পিতা- নিজাম ফকির,নিজাম ফকির (৬০) পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং- গোপিনাথপুর, সর্ব থানা-অভয়নগর, জেলা- যশোর তাদের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছি। ০১ নং বিবাদী আমার ভায়রা-ভাই। ০২ নং বিবাদী তার স্ত্রী। ০৩ নং বিবাদী আমার শ্যালক এবং ০৪ নং বিবাদী আমার স্ত্রী ও ০৫ নং বিবাদী আমার শ্বশুর। আমি একজন ড্রাইভার। ০১ নং বিবাদীও একজন ড্রাইভার। ০১ নং বিবাদীর নিজের একটি পুরাতন ৬ চাকার কাভার্ড ভ্যান সে বিক্রয় করিতে চায়। কাভার্ডভ্যানের মূল্য ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা ধার্য্য করা হয়। গত ইং-১০/০৫/২০২৩ তারিখ আইএফ আইসি ব্যাংক, ফুলতলা শাখায় ০১ নং বিবাদীর নিজ একাউন্ট নাম্বার ০১৯০০৫৬৫১৪৮১১-এ বায়না স্বরুপ নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জমা দেয়। পরবর্তীতে বিবাদীর পার্সোনাল নগদ ও বিকাশ নাম্বারে দুইবারে ৮০,০০০/- (আশি হাজার) টাকা প্রদান করি।

উক্ত টাকা নেওয়ার পরে স্ট্যাম্পে লিখিত বায়না পত্র করার কথা থাকিলেও ০১ নং বিবাদী অসৎ উদ্দেশ্যে বায়নাপত্র করিতে বিলম্ব করিতে থাকে। আমি আমার স্ত্রীকে নিয়া মানিকগঞ্জে বাসা ভাড়া থাকি এবং একটি কোম্পানীর গাড়ি চালাই। সর্ব শেষ গত ইং-২৭/০৬/২০২৩ তারিখ সকালে আমি আমার স্ত্রী অর্থাৎ ০৪ নং বিবাদীকে নিয়া বাড়ীতে আসি।

ওই দিনেই আমার স্ত্রী বায়নাপত্র করার জন্যে তার বাপের বাড়ী যাওয়ার কথা বলিয়া তাদের বাড়ীতে যায়। পরবর্তীতে সে আর না আসায় তাকে মোবাইলে কল করিলে সে মোবাইল বন্ধ করিয়া রাখে। এমনকি ০৪ নং বিবাদী আমাকে না জানিয়ে অন্যান্য বিবাদীদের সহায়তায় মানিকগঞ্জের আমার ভাড়া বাসা হইতে ঘরের যাবতীয় ফার্নিচার, ফ্রীজ, ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি সহ সাংসারিক সমস্ত মালামাল, যাহার মূল্য ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা নিয়ে চলে আসে।

বিবাদী জাহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, এটা তেমন কিছু না এটা পারিবারিক সমস্যা আমি আমার ভাইরা ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে মিটিয়ে নেব। এ ঘটনায় সিদ্দিপাশা ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আকরাম হোসেন জানান, বাচাঁর আকুতিতে ৯৯৯ কলে জলিলের ঘটনাটি জানান ওসি স্যার। ওসি স্যারের নির্দেশে আমি স্থানীয় মেম্বারকে কল করি এবং মেম্বার এর সহযোগিতায় জলিলকে উদ্ধার করি। অভয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জানান, এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্ত চলছে । তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খুলনার রূপসায় দুই গাঁজা ব্যবসায়ী ২১০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক

//খুলনা ব্যুরো প্রতিনিধি //

খুলনার রূপসা থানার শ্রীফলতলা ক্যাম্প পুলিশ অভিযান চালিয়ে আ:সামাদ শেখ
(৪৯ ) নামে এক মাদক বিক্রেতা কে ৬০গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেফতারকৃত সামাদ রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের মোসাব্বের পুর গ্রামের মৃত আজিম শেখের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানাযায়, শ্রীফলতলা ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই বাবুল ইসলাম গত ৯ জুলাই রাতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয়ে জোয়ার হাট এলাকায় পৌছালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে শ্রীফলতলা ইউনিয়নের চর মোসাব্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সামনে পাকা রাস্তার উপর অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করিতেছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় পুলিশ সদস্যগণ পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশ সদস্যরা সামাদ নামে এক ব‍্যক্তিকে কে আটক করে। এছাড়া এজহার নামীয় আসামী শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লার ছেলে মুরাদ মোল্লা পালিয়ে যায়।

আটককৃত সামাদ শেখের দেহ তল্লাশি করে তার নিকট থেকে ৬০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া পুলিশ আরো জানায়, উক্ত ব‍্যক্তিরা বিভিন্ন স্থান হইতে মাদকদ্রব‍্য সংগ্রহ করিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে বলে সামাদ প্রাথমিকভাবে সে স্বীকার করে।

এস আই বাবুল ইসলাম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন। যার নং ৭, তাং- ১০/৭/২৩ ।

এছাড়া পুটিমারী ক্যাম্প পুলিশের এসআই বাবলা দাস অভিযান চালিয়ে সোহরাব শিকদার (৫০) নামে এক ব‍্যক্তিকে ১৫০ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার করে।
সোহরাব ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের মৃত খোদা বক্সস শিকদারের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানাগেছে,
গত ৯ জুলাই দুপুরে ক‍্যাম্প পুলিশ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে আলাইপুর বাজারে অবস্থান কারাকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে রূপসার টিএসবি ইউনিয়নের কাজদিয়া গ্রামের জনৈক ডালিম এর বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশ সোহরাবকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার দেহ তল্লাশি করে ১৫০গ্রাম গাজা উদ্বার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব‍্যক্তি জানায়, বিভিন্ন স্থান হইতে গাঁজা সংগ্রহ করিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখিয়া ক্রয় বিক্রয় করে আসিতেছে বলে স্বীকার করে।

এ ব্যাপারে ক‍্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এসআই বাবলা দাস বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং-৫, তাং-১০/৭/২৩।

রূপসায় প্রতিবন্ধীর নিকট ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের অর্থ দাবি

//বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনা রূপসা উপজেলার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার এর বিরুদ্ধে অর্থ দাবি করার অভিযোগে বিভাগীয় কমিশনার  এর নিকট  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে জাবেদ আলী নামে  প্রতিবন্ধী।

অভিযোগকারী হলেন আইজগাতী ইউনিয়নের আইজগাতি গ্রামের আফছার আলীর ছেলে জাবেদ আলী।

অভিযোগে জানা যায়,খুলনা জেলার রূপসা উপজেলাধীন ১নং আইজগাতি মৌজার এস এ ৩৭৬ নং খতিয়ানের এস এ ৭৬১,৭৬৯ ও ৭৭৯ নং দাগের০. ৪৭ একর বাস্ত শ্রেণীর জমির ভিপি সম্পত্তির ভিপি লীজ কেস নং ০১/২০০২-২০০৩মূলে আমি

দরখাস্তে সাক্ষরকারীসহ ৫জন বাংলা   ১৪২৪ সাল পর্যন্ত লীজের টাকা পরিশোধ করিয়া দখলে  থাকা অবস্থায় ১৪২৯ সন পর্যন্ত লীজ নবায়নের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি রূপসা বরাবর আবেদন করি।

উক্ত লিজ নবায়নের জন্য নৈহাটি ইউনিয়নভূমি সহকারী কর্মকর্তার নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন সহকারী কমিশনার ভূমি রুপসা।

সে মোতাবেক নৈহাটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গত ১৫/৯/২০২২ ইং তারিখে যথারীতি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিয়াছেন এবং উক্ত তদন্ত প্রতিবেদন গৃহীত হওয়ার পর সহকারী কমিশনার ভূমি রূপসা খুলনা তাহার দপ্তরে কর্মরত সার্ভেয়ার  আতিকুর রহমানকে ২৮/২/২৩  তারিখের মধ্যে সরজমিনে উক্ত সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

কিন্তু উক্ত ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করিয়া কালক্ষেপণ করেন।

পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী জাবেদ  গত ১৪-৬-২০২৩ তারিখে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে সার্ভেয়ারকে আমার উক্ত লীজ কেসের তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি।

সার্ভেয়ার   জানান যে প্রতিবেদন পাঠাইতে গেলেতো কমপক্ষে তাহাকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়া লাগবে।

আমি তাকে অনেক অনুরোধ করিয়াছি যে আমি একজন ভূমিহীন প্রতিবন্ধী মানুষ। প্রতিবন্ধী মানুষ এত টাকা দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।

কিন্তু কোন রুপ অনুরোধ কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে  বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে  দরখাস্ত দাখিল করেন জাবেদ আলী।

ভূমি অফিসের ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার আতিকুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ১৯জুন ২৩ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জাবেদ।

এ ব্যাপারে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আতিকুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। ঐঘটনার কোন ফাইল আমার দপ্তরে তদন্তের  জন‍্য  আসে নাই।

রামপালে মাদকের ও ওয়ারেন্টভূক্ত ৫ আসামী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পু্লিশ রবিবার (০৯ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ ও ওয়ারেন্টভূক্ত ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের সোমবার সকাল ১০ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদক মামলার আসামীরা হলো উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের আ. হামিদ শেখের পুত্র নাহিদ শেখ (১৯) ও একই গ্রামের কিশোর সিফাতুল্লাহ (১৬)। রবিবার রাত সোয়া ১১ টায় খুলনা-মোংলা রেললাইনের উপরে এসআই খন্দকার আ. মবিন অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় ৪৭ গ্রাম গাঁজাসহ নাহিদ ও কিশোর সিফাতুল্লাহ কে আটক করেন।

তাদের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অন্য ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামির ১ জন সিআর ও অপর ২ জন জিআর মামলার আসামী বলে পু্লিশ জানায়। রবিবার রাতে রামপালের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালান এসআই ইসমাইল, এএসআই ফজলুল করিম, এএসআই মিঠুন কুমার ঢালী। ওই সময় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামিরা গ্রেফতার হন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম মাদকসহ এবং ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীদের ধরা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

বাগেরহাটে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক সম্রাজ্ঞী আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাট জেলার কুখ্যাত মাদক কারবারি গত ৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখ ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ মদক সম্রাজ্ঞী মোরশেদা বেগম ও আজিম শেখকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি টিম গ্রেফতার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্য বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচারকার্য সূত্রে জানা যায়, বিজ্ঞ আদালত সত্যতা প্রমানিত হলে মোরশেদা বেগম ও আজিম শেখকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন,কিন্তু মোরশেদার বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মাদক মামলা থাকলেও মোরশেদা বেগম আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে যশোরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ১০ জুলাই র‌্যাব-৬(স্পেশাল কোম্পানি)খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর জেলার শার্শা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী মোসাঃ মোরশেদা বেগম কে গ্রেফতার করে ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আমিনুজ্জামান জানান, গ্রেফতারকৃত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক সম্রাজ্ঞী মোরশেদা কে জেল হাজতে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।