বরিশালে গাঁজা চাষী স্বামী-স্ত্রী আটক

//নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল//

বরিশাল ঝালকাঠি নলছিটি গ্রামথেকে ১১ টি গাঁজা গাছসহ স্বামী, স্ত্রীসহ ২ জনকে আটক করেছে নলছিটি থানা পুলিশ। শুক্রবার (৬ মে) উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রাম থেকে হানিফ মোল্লা (৪৫) ও তার স্ত্রী রিক্তা বেগমকে( ৩৫) আটক করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে নলছিটি থানার এসআই কে এম মফিজুর রহমান’র নেতৃত্ব এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় তাদের বসত বাড়ির বিল্ডিং এর ছাদ থেকে ১১টি গাঁজা গাছ ও রিক্তা বেগমের শরীর থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মু. আতাউর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে

ধর্ষণের শিকার কিশোরী অভিযোগ দিতে থানায় এসে আবার ধর্ষণ হলো

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে থানায় গিয়েছিলেন ১৩ বছরের এক কিশোরী। কিন্তু থানাতেও যে বিপদ অপেক্ষা করছে, তা হয়তো জানা ছিল না তার। থানায় ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে গেলে নির্যাতিতা ওই কিশোরীকে ফের ধর্ষণ করেন থানার স্টেশন ইনচার্জ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের ললিতপুরে।

বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চার দুর্বৃত্ত ১৩ বছরের ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। তবে মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ে থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েটি। পরে এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে গেলে নির্যাতিতা ওই কিশোরীকে থানার স্টেশন হাউস অফিসার আবারও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম তিলকধারী সরোজ। নির্যাতিতা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর অভিযুক্ত ওই পুলিশের কর্মকর্তা পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেফতারে পুলিশের তিনটি টিম কাজ করছে। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত আরও তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার নির্যাতিতা ওই কিশোরীর বাবার করা এফআইআরে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল চার ব্যক্তি ওই কিশোরীকে ভুল বুঝিয়ে মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালে নিয়ে যায় এবং চারদিন ধরে ধর্ষণ করে। এর পরে তারা নির্যাতিতাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং থানার সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

সেখান থেকে নির্যাতিতা কিশোরী থানার ভেতরে যায় এবং পুরো ঘটনাটি জানায়। পরে অভিযুক্ত স্টেশন ইনচার্জ তিলকধারী সরোজ সে সময় এক আত্মীয়ের সঙ্গে কিশোরীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং জবানবন্দী রেকর্ডের জন্য পরদিন থানায় আসতে বলেন।

নির্যাতিতা কিশোরী পরদিন থানায় গেলে অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে একটি ফাঁকা ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় নির্যাতিতার আত্মীয়ও থানায় উপস্থিত ছিলেন। ওই নারীর নামও এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে।

English Dainikbiswa

বৃষ্টিপাত ও তীব্র বজ্রপাতে ফরিদগঞ্জে ২ ভাইয়ের মৃত্যু

বৃটেন ইউক্রেনকে আরও সামরিক সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে

কি খেলে সন্তানের গায়ের রং দুধে আলতা হয়…? সানিয়া মির্জা কি বলেন…

 

ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ করতে ভাইকে গাছে বেঁধে রাখে।। ২জন গ্রেফতার

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এজাহারভুক্ত আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে মহিপুর থানা ‍পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলায় চার আসামির মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

সোমবার (২ মে) দুপুরে পশ্চিম কুয়াকাটায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- নাসির শরীফ ও তার ভাই রনি শরীফ।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ খায়ের জানান, গোপন খবরে দুপুরে পশ্চিম কুয়াকাটায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত রোববার কুয়াকাটার পাঞ্জুপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এ মামলার প্রধান আসামি হাসান শরীফকে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল বিকালে পশ্চিম কুয়াকাটা গ্রামে ছয় বছরের ছোট বোনকে নিয়ে ৯ বছরের ভাই ফল পাড়তে যায়। এসময় একই গ্রামের হাসান শিশুটির ভাইকে ভয় দেখিয়ে একটি আম গাছের সঙ্গে বেঁধে ছয় বছরের বোনকে বনের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হাসান পালিয়ে যায়।

পরে খবর মা শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মহিপুর থানায় আসার পথে তাদের বাধা দেয় হাসানের বাবা ও ভাইয়েরা। এক পর্যায়ে তাদের মারধর করে। পরে স্থানীয় গ্রামবাসী ও থানা পুলিশের সহায়তায় রাত সাড়ে ৯টায় শিশুটিকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতেই তাকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ২৯ এপ্রিল শিশুর মা বাদি হয়ে মহিপুর থানায় হাসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

English Dainikbiswa

অনুষ্কা শর্মার জন্মদিন// সাদামাটা ড্রেস হলেও দামটা মোটেও সাদামাটা নয়

মাগুরা মহম্মদপুরের রাড়ীখালী থেকে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী হোসেন গ্রেপ্তার

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

আজ রাত ৭:০৫ মিনিটে মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলাধীন রাজাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত রাড়ীখালী থেকে ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পার্শ্ববর্তী নাওভাঙা গ্রামের মোঃ সহিদ মোল্যার পুত্র মোঃ হোসেন মোল্যা (৩৩) কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জনাব অর্জুন দাসের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সের অভিযানে রাড়ীখালী গ্রামের  জনৈক হাসেম শেখ এর বসতবাড়ীর উত্তর পাশের পাকা রাস্তার উপর থেকে আটক করেছে।

রাজাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জনাব অর্জুন দাস বলেন,আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি উপরে উল্লেখিত হোসেন মোল্যা অন্য এলাকায় মাদক ব্যাবসা করতো এখন ঈদ মৌসুমে সে তার নিজ এলাকায় মাদক নিয়ে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ সন্ধ্যার পরে উল্লেখিত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার কাছে ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক তাকে আটক করে রাজাপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসি।তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।মামলার ভিত্তিতে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

জিতেন কান্তি গুহকে গাছের বেঁধে নির্যাতন, ছেলেসহ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জিতেন কান্তি গুহকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোরে হাইদগাঁও ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হাইদগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম জসিম ও তার ছেলে মুশফিক উদ্দিন ওয়াসি (২৩)।

জিতেন কান্তি গুহকে গাছের বেঁধে নির্যাতন, ছেলেসহ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
সংগৃহীত

পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করার ঘটনায় হাইদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান বিএম জসিম ও তার পুত্র ওয়াসিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, ইফতার মাহফিলে দাওয়াত দেয়াকে কেন্দ্র করে সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জিতেন কান্তি গুহকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন, ইউপি চেয়ার‌ম্যান বিএম জসিমের সমর্থকরা তাকে মারধর করেন।

হাইদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম জুলু জানিয়েছিলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ উনাকে ইফতার মাহফিলে দাওয়াত দেয়নি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল হক হাফেজকসহ বিভিন্ন জনকে গালাগালি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ইন্দ্রজিৎ লিও নামের সাবেক একজন মেম্বার জিতেন গুহকে ঘুষি মেরে দেন। এ সময় তার সাথে থাকা বাকি লোকজন জিতেন গুহকে টেনে-হিচড়ে বাইরে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত করে ফেলেন। সূত্র: বিডিজা

English Dainikbiswa

কাবুলে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ৫০

চট্টগ্রামে ধর্মান্তরিত স্ত্রীকে ইফতারের সাথে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা : আদালতে মামলা

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

সাগর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে পরিচয়, টিকটকের মাধ্যমে উপার্জনের প্রলোভনে ঘনিষ্ঠতা অতপরঃ প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেও ক্লান্ত হননি সর্বশেষে পবিত্র রমজান মাসের ইফতারে কাবারের মাধ্যমে বিষ খাইয়ে হত্যার অপচেষ্টা করেছেন স্বামী রূপী প্রতারক ফজলুল করিম ওরফে সুমন। ঘটনার শিকার হতভাগ্য যুবতী পিতৃহারা পিংকি রানী দে ওরফে ইসরাত জাহান তোহা। সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে সুমনের সাথে পিংকি রানীর পরিচয়। সুমর তাকে টিকটকের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রস্তাব দিলে রাজী হয়ে যায়। তাতেই শুরু—।

সুমন পিংকিকে প্রেমের অফার দিলে পিংকিও তার প্রতি দূর্বল হতে থাকে। এক পর্যায়ে সুমনের প্রস্তাবে ধর্মান্তরিত হয়ে পিংকি রানী দে নতুন নামধারণ করে হয় ইসরাত জাহান তোহা। বিয়ে হয় ফজলুল করিম ওরফে সুমনের সাথে। ভাড়া বাসায় চলে সুমন- তোহার সংসারের সুচনা। বদলে যায় সুমন। সামান্য কথাতেই তোহাকে নির্যাতন শুরু করে সুমন। এরই মধ্যে তোহা জেনে যায় সুমনের একাধিক স্ত্রী বর্তমান থাকার কথা। সাথে সাথে বাড়তে স্বামী রূপী সুমনের নির্যাতনের মাত্রা। সর্বশেষে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ইসরাত জাহান তোহাকে হত্যা চেষ্টাও করে স্বামী সুমন। এ ঘটনায় টিকটকার স্বামী ও তার ২য় স্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তোহা। গত বুধবার (২৭ এপ্রিল) তোহার পক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মোহাম্মদ অলি উল্লাহর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বায়েজিদ থানার ওসিকে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলো- টিকটকার ফজলুল করিম সুমন, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর পক্ষের সালা আজাদ মিয়া ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মা হোসনে আরা বেগম।

মামলা প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, টিকটক করতে গিয়ে সমাজে যেসব অনাচার হচ্ছে এই ঘটনা তারই নিকৃষ্ট একটি উদাহরণ। সহজ-সরল নারীদের টিকটকের নামে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের নামে নির্যাতনের এমন চিত্র আরও অনেক আছে। একজন নারীকে পবিত্র রমজানের দিনে ইফতারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে হত্যাচেষ্টার বিষয়টি ভুক্তভোগী নারীর মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতের নজরে আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এ রকম প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর কাট্টলী এলাকার পিতৃহীন যুবতী পিংকি রানী দে। সাগরপাড়ে ঘুরতে গিয়ে পরিচয় হয় ফজলুল করিম সুমন নামে ওই যুবকের সঙ্গে। ওই যুবক পিংকির চেহারার বর্ণনা দিয়ে টিকটক করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রস্তাব দেয়। সেই থেকে পরিচয়, তারপর ধীরে ধীরে প্রেমের প্রলোভনে ফেলে পিংকিকে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রস্তাব দেন সুমন। পিংকিও সরল বিশ্বাসে সুমনের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। এভাবেই এক সময় ধর্মান্তরিত হয়ে তোহা। তবে সুমনের সঙ্গে বিবাহের পর বের হয়ে আসতে শুরু করে টিকটকার সুমনের আসল রূপ। তোহা ধীরে ধীরে জানতে পারেন তিনি আসলে সুমনের ৪র্থ স্ত্রী। চারটি স্ত্রী ছাড়া টিকটকার সুমনের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন নারীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।

এসব নিয়ে সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর থেকেই তোহার ওপর দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন চালায় সুমন।

সুমনকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে রমজানে রোজা রাখতে শুরু করেন তোহা। আর তোহাকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বামী সুমনের কাছে আবদার জানাতে থাকেন বারবার। এটাই তোহার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়। সুমনের অন্য স্ত্রীরা ততদিনে জেনে যান তোহা নামধারী পিংকির সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়েছে। তোহাকে জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সুমনের সঙ্গে চক্রান্তে যোগ দেন তার ২য় স্ত্রীর ভাই ও মা। বেছে নেওয়া হয় পবিত্র রমজানের ইফতারের সময়কে। সুমনসহ তার ২য় স্ত্রীর বাড়ির লোকজন সম্প্রতি ইফতারের সময় শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তোহাকে হত্যার চেষ্টা করলে তোহা বিষপানে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সুমন এসময় তার সঙ্গীদের নিয়ে স্ত্রী তোহাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সহায়তায় তোহাকে হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রেখে চিকিৎসা করানো হয় বলে জানান অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ। গোলাম মাওলা মুরাদ আরো জানান, সুমনের প্রলোভনে পিংকির ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে তোহা সমাজচ্যুত হয়ে অনেকটা একঘরে হয়ে যান। ফলে সুমনকে তিনি চাপ দিতে থাকেন তাকে শ্বশুড় বাড়িতে নিয়ে তোলার জন্য। তোহার কথায় সুমন জঙ্গি শাহ মাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় তোহাকে তুলে দিয়ে রাতেই পালিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুজির পর নগরীর বায়েজিদ এলাকার মোহাম্মদনগর বাস্তুহারা কলোনীতে সুমনকে খুঁজে পান তোহা। সেখানে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় তোহাকে অবশেষে আরেক স্ত্রীর ভাড়াঘরে তুললেও কথায় কথায় তার ওপর নেমে আসতো নির্যাতন। এভাবে অসহায় তোহার জীবনে অমানিশার অন্ধকার নেমে আসে। শুরু হয়, মানসিক নির্যাতন।

এরই ধারাবাহিকতায় অবশেষে হত্যাপ্রচেষ্টা। সর্বশেষে থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে আশ্রয় নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

English Dainikbiswa

ইফতার মাহফিলে হট্টগোল, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের দুই কর্মকর্তা সাময়িক বহিষ্কার

বরিশালে ১১৮০পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশাল নগরীতে ২৭ এপ্রিল বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে ১১৮০পিস ইয়াবাসহ আটক করেন কোতয়ালি থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, বরিশাল নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাবুল হাওলাদারের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন সুমন, সিকদার পাড়ার আক্কাস সিকদারের ছেলে রিয়াল সিকদার (৩২) ও হাতেমআলি কলেজ এলাকার আনিসুর রহমানের ছেলে সোহাগ ওরফে পাসপোর্ট সোহাগ।

কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, সিএন্ডবি রোডে মাদকের বেচাকেনা চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালাই। অভিযানে তিনজনকে তল্লাশি চালালে তাদের কাছ থেকে ১১৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করি। এসময় সুমন,রিয়াল ও পাসপোর্ট সোহাগকে আটক করি। তিনি আরো বলেন, আটককৃত সুমন ও পাসপোর্ট সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও সোহাগের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যাকান্ডের ঘটনাসহ মুক্তিপণ আদায়ের মামলাও রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আজিমুল করিম বলেন, ১১৮০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছি। এঘটনায় বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন এস আই মেহেদি হাসান

চট্টগ্রামে টেনশন গ্রুপের ৯ ছিনতাইকারী আটক

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে ‘টেনশন গ্রুপের’ নয় ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার রাত ১১টার দিকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মীরপাড়ার ওবায়দুল হকের পুত্র রুবেল (২১), বার্মা কলোনির পূর্ব পাড়ার খোরশেদ আলমের পুত্র সালাহ্ উদ্দিন (১৯), আমিন কলোনির মো. কুদ্দুসের পুত্র ওমর হাসান (১৯), আবদুল গফুরের পুত্র সাঈদ আলম (১৯), বাস্তুহারার মৃত মো. সুলতানের পুত্র সাগর (১৯), ভোলা জেলার লালমোহন থানাধীন কুঞ্জেরহাট এলাকার মো. রোস্তমের পুত্র শাকিল (২১), বরিশালের পাতারহাট থানার মেহেদিগঞ্জ গ্রামের নাসির গাজীর ছেলে সাজিব (১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বাশারু গ্রামের মৃত মো. হাবিবের পুত্র হৃদয় (২০) এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কোটপাড়া গ্রামের দলিলুর রহমানের পুত্র হাবিবুর রহমান (২৪)। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি টিপ ছুরি উদ্ধার করে র‌্যাব। আটককৃতদের মঙ্গলবার দুপুরে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং এবং ছিনতাইকারী চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা এলাকায় ‘টেনশন গ্রুপ’ নামের একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে বায়েজিদ বোস্তামীসহ চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছেন। ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষদের, বিশেষ করে বিভিন্ন পেশার ছোটখাট ব্যবসায়ীদের রাস্তায় আটকিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিতেন তারা। এ উদ্দেশ্যে সোমবার রাতে এক জায়গায় জড়ো হন তারা। সে সময় তাদের আটক করা হয়।

English Dainikbiswa

চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী বাস খাদে : নিহত- ১

সহকারী জজ পদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থী মনোনীত

খেজুর ঘোষণায় সিগারেট আমদানী : সাত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

খেজুর আমদানীর ঘোষণা দিয়ে বিদেশী সিগারেট আমাদানী করে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকির অপচেষ্টা উৎঘাটন করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। খেজুর আমদানীর ঘোষণায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি ৪০ ফুটের কনটেইনারে ৫৫ লাখ ৫২ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট পাওয়া গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ চালানে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে ৭ কোটি ১১ লাখ টাকা।

চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন জুবলি রোডের সূচনা ইন্টারন্যাশনালের নামে চালানটি আসে। চালানটির এলসি ইস্যু করা হয় গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের খাতুনগঞ্জ শাখায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দর থেকে গত ২৭ ডিসেম্বর চালানটি জাহাজীকরণ হয়, ৩০ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার (এআইআর) মো. শরফুদ্দিন মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আমদানির দীর্ঘদিন পরও কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করায় কায়িক পরীক্ষার লক্ষ্যে রোববার কনটেইনারটি ফোর্স কিপডাউনের জন্য ইস্পাহানি সামিট অ্যালায়েন্স টার্মিনালস লিমিটেডকে চিঠি দেওয়া হয়। এ দিন ডিপোর ভিতরে কনটেইনারটি খুলে কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম চালানটি পরীক্ষা করে। কনটেইনারের ২ হাজার ৭৭২টি কার্টুনের মধ্যে ১ হাজার ৯৮৩টি কার্টনে উপরে খেজুর ভেতরে মন্ড ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। ৭৮৯টি কার্টনে ছিল শুধু খেজুর। যার ওজর ১১ হাজার ৮৫৬ কেজি। সিগারেট পাওয়া যায় ৫৫ লাখ ৫২ হাজার ৪০০ শলাকা, যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। যার মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে ৭ কোটি ১১ লাখ টাকা। কাস্টম হাউসের কমিশনারের নির্দেশে এ ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিতের কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

English Dainikbiswa

মামলার ২৪ বছর পর রায়: সাজা যাবজ্জীবন, আসামি পলাতক

চন্দনাইশে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মা, ছেলে আটক

ছাত্র-নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সংঘর্ষে নাহিদ হত্যায় জড়িত ৬ছাত্র শনাক্ত

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী-কর্মচারী আর ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করা নাহিদ মিয়াকে হত্যায় জড়িত ছয় ছাত্রকে শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে শনাক্ত হওয়া ছয়জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে তাদের কারোর নাম বা বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।

সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, নাহিদকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে শনাক্ত হওয়া সবাই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় কয়েকজন হেলমেট পরা ছিল। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীর দেয়া তথ্য এবং ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িত কয়েকজনের নাম ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমের খবরে এসেছে। তারা সকলে ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলেও জানা গেছে।

তবে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ প্রকৃতপক্ষে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। ছাত্রলীগের ঢাকা কলেজ শাখার কোনো কমিটি নেই বর্তমানে। এর আগে ২০১৬ সালে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হলেও পরে সেটার পূর্ণাঙ্গ কমিটি আর করা হয়নি।

এদিকে সংঘর্ষের ওই মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রোববার (২৪ এপ্রিল) ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে অভিযান চালায়। তবেএখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, শনাক্ত হয়েছে, ঢাকা কলেজের এমন কোনো ছাত্রের ব্যাপারে তথ্য জানতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কোন সদস্য তার কাছে আসেননি বা জানতেও চাননি।

তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছে- এমন তথ্য তার কাছে নেই। রোববার ছাত্রাবাসে গোয়েন্দা পুলিশ আলামত উদ্ধারের জন্য অভিযান চালায়। তারা একজনকে নিয়েছিল, পরে ছেড়ে দিয়েছে তবে তার মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে।

English Dainikbiswa

যারা দেশে নৈরাজ‍্য সৃষ্টি করতে চাই তাদের কে প্রতিহত করতে হবে: সালাম মূশের্দী এমপি