কুমিল্লায় ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

//নিজস্ব প্রতিনিধি//
সারাদেশে এক দিকে চলছে বৈশ্বিক মহামারী করোনার তান্ডব আর অন্যদিকে চলছে মাদকদ্রব্য চোরাচালানি। আর মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে দেশের প্রতিটি জেলায় চলছে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান।
তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টীম অভিযান পরিচালনা করে  কোতয়ালি থানাধীন নোয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে অভিযান পরিচালনা করে থেকে ১২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। রনি হোসেন ও ২. সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করেন।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহতভাবে পরিচালনার প্রত্যয়ব্যক্ত করা হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ মাদক কারবারি আটক

আ: রাজ্জাক শেখ:

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডুমুরিয়া থানা এলাকা হতে তিনশত পঞ্চাশ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে। খুলনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার এসআই (নিঃ) লিপন সরকার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডুমুরিয়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার ও বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালে এসআই (নিঃ) লিপন সরকার মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের কথা জানতে পেরে ২৮জুলাই রাত ১০টায় সাতক্ষীরা যশোর মহাসড়কে ডুমুরিয়া থানাধীন নরনিয়া মোড়ে একটি ফ্লাক্সিলোডের দোকানের সামনে থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হল যশোর জেলার অভয়নগর থানার পায়রা গ্রামের পশ্চিমপাড়া কারিগর বাড়ীর মোঃ কওছার মোল্যার ছেলে ইমরান হোসেন ওরফে টুটুল (২২) ও মনিরামপুর থানার শ্যামনগর গ্রামের মুনছুর সরদারের ছেলে তরিকুল ইসলাম (২৫) কে নিজ নিজ হেফাজতে থাকা সর্বমোট (২০০+১৫০)= ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতার পূর্বক এসআই (নিঃ) লিপন সরদার উক্ত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করে আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) লিপন সরকার বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানার মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৪।

যশোরে ৩টি অভিযান।। ফেনসিডিল, মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫

একদিকে অদৃশ্য ভাইরাস করোনার সংকট, অন্যদিকে দৃশ্যমান মাদক ব্যবসায়ী-এই দুই শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হচ্ছে সীমান্তবর্তী যশোর জেলার আপামর জনগণকে ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে। অদৃশ্য করোনার চেয়ে অধিক ক্ষতিকর মাদকের ভয়াবহতা রোধে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছেন যশোর জেলা পুলিশের একাধিক চৌকস টীম । তারই ধারাবাহিকতায় যশোর জেলার বেনাপোল ও কেশবপুর উপজেলায় যশোরে ৩টি অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমানে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করেন চিহ্নিত ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে।
যশোরে ৩টি অভিযান।। ফেনসিডিল, মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫
প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া মোড়ের ঠাকুর পুকুরে এবং ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করেন ১. মোঃ ফয়সাল শেখ(২২), পিতা- আব্দুল মজিদ শেখ, গ্রাম- বড়আঁচড়া,থানা- বেনাপোল পোর্ট,জেলা- যশোর, ২. মোঃ শাহীন শেখ, পিতা- আব্দুল মজিদ শেখ, গ্রাম- বড় আঁচড়া,থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোর।
উল্লেখ্য আসামিদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ২ টি মামলা রয়েছে। দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা করেন কেশবপুর থানার মঙ্গলকোর্ট এলাকায় এবং ৩ বোতল বিদেশি মদ, ৫ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ ৩. ওমর ফারুক রাব্বি (২৫), পিতা- মোঃ আব্দুল লতিফ, গ্রাম- মঙ্গলকোর্ট,থানা- কেশবপুর, জেলা- যশোরকে গ্রেফতার করেন।
যশোরে ৩টি অভিযান।। ফেনসিডিল, মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫
পুলিশের একই টীম কেশবপুর থানা এলাকার মঙ্গলকোর্ট বাজারে আরও একটা অভিযান পরিচালনা করে ৪০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ ৪. মোঃ সবুজ হোসেন(২১), পিতা- মৃত শাহজাহান গাজী, গ্রাম- রামকৃষ্ণপুর,থানা- কেশবপুর, জেলা – যশোর ও ৫. মোঃ রাকিবুল ইসলাম হৃদয়(২১), পিতা- আব্দুর রাজ্জাক গাজী, গ্রাম- রামকৃষ্ণপুর, থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোরদের গ্রেফতার করেন।
উল্লেখিত বিষয়ে স্ব স্ব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Swikrty Swik  //স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা, ৫শত পিচ ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনার সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে সারাদেশে কঠোততম লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশের পুলিশ । ঠিক তেমনি মাদকের ভয়াবহতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য “একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদকমুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন।

তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার আলেখারচর বিশ্বরোড়ের সামনে থেকে ৫০০ পিচ ইয়াবা, ১০ কেজি গাঁজা, একবোতল বিদেশি মদ(Royal stag), ২ ক্যান কিংফিশার বিয়ারসহ মাদক ব্যবসায়ী ১. সোহেল সরকার, ২.নয়ন হোসেন, ৩. জামান হাসাকে ও কোতোয়ালি থানাধীন দুর্গাপুর এলাকা থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ৪. হাসান গাজীকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

যশোরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

সারাদেশের চেয়ে সীমান্তবর্তী যশোর জেলায় করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার অনেক বেশি হওয়ায় জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ কঠোরতর লকডাউন বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে যশোর জেলা পুলিশকে।

অন্যদিকে ভারতের কোল ঘেষে যশোর জেলার অবস্থান হওয়ায় মাদক চোরাচালানির ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহৃত হয় যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা। ফলে মাদক চোরাচালানি রোধেও সর্বদা সজাগদৃষ্টি রাখতে হচ্ছে যশোর জেলা পুলিশের বিশেষ টীমকে এবং প্রতিদিনই মাদক নির্মূলের জন্য অভিযান অব্যাহত রাখতে হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় ২৫ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টীম চৌগাছা থানা পুলিশের সহায়তায় চৌগাছা থানা এলাকার সুখানপুকুরিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুড়োপাড়া বাজারের সন্নিকটে অবস্থিত পানবরজের নিকট থেকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সামাউল মন্ডল(৪৫), পিতা- মৃত আরশাদ আলী মোড়ল,গ্রাম- সুখপুকুরিয়া, থানা- চৌগাছা, জেলা- যশোরকে ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা। এসংক্রান্ত বিষয়ে চৌগাছা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাউফলে ৪বারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন: সংবর্ধনা আ’মীলীগের

 

কুমিল্লায় ৩ হাজার ৮০০ পিচ ইয়াবাসহ বাউলগানের ২ শিল্পী দম্পতি গ্রেফতার

 

অদৃশ্য শক্তি সম্পন্ন করোনার বাঁধভাঙা দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সমগ্র দেশের ন্যায় ভারতের সীমান্তবর্তী কুমিল্লার জেলার জনগণও দিশেহারা।অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ মাদকের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।ফলে জেলা শহর কুমিল্লাও এর ব্যতিক্রম নয়।আর তাই একদিকে করোনা অন্যদিকে মাদক এই দ্বৈত সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। ফলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনকে করোনার বিধিনিষেধ পালনের জন্য যেমন কাজ করতে হচ্ছে অন্যদিকে মাদকের চেইনড্রিল ভাঙার জন্যও কাজ করতে হচ্ছে।

আর তাই কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার ইনচার্জের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে থানার পঞ্চবটী মাজার সংলগ্ন ৪ তলা দালানের ফ্লাটে অভিযান পরিচালনা করে স্মৃতি সরকার ও মোঃ সুমন মিয়া দম্পতির ঘরের ওয়ারড্রোবের ভিতরে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ হতে পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩ হাজার ৮০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক দম্পতিকে গ্রেফতার করেন।উল্লেখ্য গ্রেফতারকৃত দম্পতি এলাকায় বাউল শিল্পী হিসাবে পরিচিত। তারা উভয়ই বাউলগানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসায়ে জড়িত।

উপরে উল্লেখিত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার হোমনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

১কেজি ৫০০ গ্রাম গাজা, ১টি মোটর সাইকেল ও নগদ টাকাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীঃ

আজ ২৫/৭/০৭/২০২১খ্রিঃ তারিখ সকাল ০৬:৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি জনাব সুকান্ত সাহা নড়াইলের তত্ত্বাবধানে এস আই দেবব্রত চিন্তাপাত্র সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ নড়াইল সদর থানাধীন আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোঃ সেরেগুল ইসলাম সেতু (৩৬), পিং মৃত মিজানুর রহমান মোল্লা, সাং- বুড়িখালী, থানা ও জেলা নড়াইল গাঁজা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে মোটর সাইকেলে যোগে যাবার সময় আসামির বাড়ির পাশে রাস্তার উপর থেকে গ্রেফতার করেন
আসামির নিকট থেকে ১, কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ও মাদক বহনকারী একটি বাজাজ CT- 100 মটরবাইক, নগদ- ৮০০০/-( আট হাজার) টাকা সহ গ্রেফতার করা হয়৷
পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় বলেন,আসামির বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে । নড়াইল জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে।

 

 

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকও বৃদ্ধি

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকরা নতুন করে স্বাস্থ্যখাতকে মাধ্যম বানিয়ে প্রতারনার সুযোগ করতে চাচ্ছে । স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘিরে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। জেকেজি ও রিজেন্টের পর টিকেএস হেলথ কেয়ার নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে দুই প্রতারক ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে। এরপর করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের কথা বলে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তারা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় প্রতারকদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর দিকে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রোগীদের নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন পায়। কিন্তু সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা না করে তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো রিপোর্ট দিতে শুরু করে। পরবর্তী সময় এ প্রতারণা ফাঁস হলে এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়। একইভাবে প্রতারণার দায়ে রিজেট হাসপাতালের মালিককে গ্রেফতার করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, ১৯ জুলাই টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেড নামের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ সরঞ্জাম ক্রয় ও জনবল নিয়োগে অনুমোদন পেয়েছে-এমন একটি পরিপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব জাকিয়া পারভীনের স্বাক্ষর কপি পেস্ট করে একটি পরিপত্র প্রতারকরা নিজেরা তৈরি করে। মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের (অননুমোদিত) পরিপত্রটি ছিল ভুয়া।

ভুয়া পরিপত্রে বলা হয়-‘১১ জুলাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ র? ্যাপিড টেস্টের  সব সরঞ্জাম (ডিভাইস) আসার পর এবং দক্ষ জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রাথমিকভাবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেডকে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হলো।’

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পরিপত্রের তথ্য সর্বাংশে মিথ্যা ও গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।

এ বিষয়ে ২০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) এক চিঠিতে বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে যে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের (টিকেএস) নাম নেই। এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ওই দিন অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার কর্মকর্তা ডা. মো. মাহামুদ উল্লাহ এ প্রতিষ্ঠানে তদন্তে যান। ওই ভুয়া পরিপত্রে উল্লিখিত ঠিকানায় (১৬৬-১৬৭ দ্বিতীয় তলা, আল রাজি কমপ্লেক্স, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি) গিয়ে তিনি দেখেন এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। এমনকি ওই ভবনের কেউ এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানেন বলে তিনি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, কোভিডের মহামারিকালে জাতি যখন প্রতিরোধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছে তখন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ফায়দা লুটে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনে ৫১০ জনের চাকরির বিজ্ঞাপন ফেসবুকে দিয়েছে তপু ও মিলন নামে দু’জন।

চাকরি পেতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগের ঠিকানা হিসাবে তাদের ফেসবুক আইডি এবং দুটি মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়।

এ দুজনের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য সারা দেশে কিছু সংখ্যক লোক প্রয়োজন। প্রজেক্টের মেয়াদ ৯০ দিন। এ কাজ করার সুযোগ আমাদের হাতে থাকায় গ্রুপে এটি পোস্ট করা।

আমরা চাচ্ছি আপনাদের ব্যাচ মেট বন্ধুরা কাজটা করার সুযোগ গ্রহণ করুক। এখন কথা হলো-যাদের কাজটা খুবই প্রয়োজন, শুধু তারাই আমাদের নক করবেন। বরিশাল বিভাগ বাদে বাকি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় একজন করে মোট ৫২০ জন লোক প্রয়োজন। বেতন ২৫০০ টাকা প্রতিদিন।

আগ্রহী বন্ধুরা নিচের ফ্রমের মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই নিজ জেলা, উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। তোমরা কেউ আগ্রহী হলে জানাও।

ঈদের পর শুরু হবে প্রজেক্ট। শিক্ষাগত যোগ্যতা : অনার্স ফাইনাল ইয়ার বা শেষবর্ষ অথবা ডিগ্রি পাস, ডিগ্রি রানিং, যোগাযোগ মিলন-০১৭৭৩৭৯২৭৬৭ ফেসবুক আইডি-https://www.facebook.com/ mehidi.milon191 তপু-০১৭৭৫৬৬৬৩৩৮ ফেসবুক আইডি- https://www.facebook.com/to.pu.7161.

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক, অধিদপ্তরে এক কর্মকর্তা বলেন, ভুয়া পরিপত্র তৈরিকারী এবং ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া একই সূত্রে গাঁথা।

কারণ একটির সঙ্গে অন্যটির যোগসূত্র রয়েছে। প্রথমে তারা ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে নিজেদের বৈধতা দেখানোর চেষ্টা করেছে। এরপর লোক নিয়োগের ফাঁদ পেতেছে। তাদের ধরতে পারলে পুরো চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।

এ চাকরির বিষয়ে জানতে শুক্রবার দুপুরে কথা হয় তপুর সঙ্গে। তিনি প্রথমে এ প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান আমি কোন ব্যাচের। এরপর তিনি বলেন, অধিদপ্তরে এ বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রয়োজন। তবে লোক নেওয়া হবে তাদের মাধ্যমে। তাদের এ দায়িত্ব কে দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা বলা যাবে না।

তবে চাকরি পেতে হলে তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে হবে। পরে পত্রিকার পরিচয় প্রকাশ করলে তিনি বলেন, অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত জানাবেন। তবে এরপর তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লকডাউন।। রূপসায় ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে

 

অভয়নগরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা পেলো এক কোটিপতি – সংবাদ পরিবেশন করায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

 

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় মহামারি করোনার শুরুতে হতদরিদ্র অসহায় মানুষ পর্যায়ক্রমে পেয়ে আসছেন প্রধান মন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদানের =২৫০০/= (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা ৷ কিন্তু এ অনুদানের টাকা পাবার একমাত্র উপযুক্ত বা প্রাপ্য ,হতদরিদ্র অসহায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ৷

কোন লাখোপতি, কোটিপতির জন্য এ অনুদান নয় ৷ তেমনি একটা অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে উপজেলার পৌর নওয়াপাড়া ৪নং ওয়ার্ড বউ বাজার এলাকার বাসিন্দা সুখলাল সাহার ছেলে শিল্পও বাণিজ্যিক শহরে বিশিষ্ঠ সার, কয়লা ব্যবসায়ী গোবিন্দ সাহা প্রধান মন্ত্রির এ অনুদানের ২৫০০/=টাকা পান ৷

এ ব্যাপারে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃৃষ্টি হয় ৷ এর পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ পরিবেশন করায় গত ১৯ জুলাই (সোমবার) সকালে বউ বাজার এলাকায় গৌবিন্দ সাহার বাড়ির সামনে সাংবাদিক কামালকে দাঁড় করিয়ে জনসন্মূখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয় ৪নং ওয়ার্ডের এক কমিশনার প্রার্থী ৷

উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বাঁছাই করে হতদরিদ্র অসহায় মানুষের নামে এ অনুদানের তালিকা করা হয় ৷ তবে কিভাবে ? বিশিষ্ঠ এই ব্যবসায়ি প্রধান মন্ত্রির অনুদান পায়?

সমাজের সচেতণ ও বিবেকবানদের কাছে একটা প্রশ্ন !

কে দেবে এর উত্তর ?

একেতো অসহায় গরীবদের হক মেরে খাচ্ছে অপর দিকে সাংবাদিকদের প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে ৷ কথায় আছে চোরের বৌয়ের বড় গলা ৷

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই তরিকুল বলেন, আমাদের কাছে এমন কোন অভিযোগ আসেনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার পিয়ার মেয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া

 

 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাংবাদিক পলাশ এর মেয়ের জম্মদিন পালিত

// ডেস্ক নিউজ //

আজ সাংবাদিক পলাশের একমাত্র মেয়ে শ্রাবন্তীর শুভ জম্মদিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালিত হয় । বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ।  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ র্পোটাল, দৈনিক বিশ্ব এর বরিশাল প্রতিনিধি, পলাশ চন্দ্র দাস এর একমাত্র মেয়ে শ্রাবন্তী দাস এর সপ্তম শুভ জম্মদিন।

বৈশিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন বেড়ে যাবার কারনে সরকারি বিধিনিষেধ পালন করায় জনসমাগম এড়াতে সীমিত পরিষরে শ্রাবন্তী দাস এর জম্মদিন উতযাপিত হয়েছে।

শ্রাবন্তির জন্য আশির্বাদ কামনা করেছেন, শ্রাবন্তির দাদু- ঠাম্মি ও শ্রাবন্তির বাবা ।

দৈনিক বিশ্ব পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রাবন্তির জন্য শুভ জন্ম দিনের শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ রইল।