গাজা এলাকায় আকাশ থেকে বোমা, ভূমি থেকে ট্যাংকের গোলা ছুড়ছে ইসরাইল

 

গাজা এলাকায় আকাশ থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলার পঞ্চম দিন চলছে।গাজা সীমান্তে ইসরাইলি বাহিনী আকাশ থেকে গোলা এবং ভূমি থেকে আর্টিলারি ফায়ার ও ট্যাংক দিয়ে গোলা ছুড়ছে।এতে হামাসের কয়েকটি ভূগর্ভস্থ টানেল ধ্বংস হয়ে যায়। এদিকে ইসরাইলে হামাসের রকেট হামলা অব্যাহত রয়েছে।

বিবিসি বলছে, গাজা শহরের রাতের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ইসরাইলি বাহিনী আর্টিলারি ফায়ার, গান বোটস ও বিমান হামলায় রাতের আকাশ আলোয় ভরে উঠেছে।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। প্রায় হাজার খানেক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩১ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া ৪ শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে ইসরাইলি বাহিনী। অন্যদিকে ইসরাইলের এক সেনাসদস্যসহ ৭ জন নিহত হয়েছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলছে, শুক্রবার তাদের পদাতিক বাহিনী হামলায় অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় ঢোকেনি।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যানতেজ গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য ৯ হাজার রিবার্ভ সেনাসদস্য মোতায়েন করেছে।

 

https://twitter.com/i/status/1393139895405789185

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ঈদ….

সোর্স মুছার স্ত্রী পান্না মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন পিবিআইকে

 

 খুনের ৫ বছর পর চট্টগ্রামের সাবেক এসপি পত্নী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য একে একে বেরিয়ে আসছে। মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক এসপি বাবুলের সোর্স মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার।

 

 

হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসার স্ত্রী পান্নার দাবি, বাবুল তার স্বামীকে দিয়ে মিতুকে খুন করতে বাধ্য করেন। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মুসার ফোনে ফোন করে তাকে সাবধানে থাকতে বলেছেন। মুসাকে শেল্টার দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন পুলিশের সেই সময়কার ক্ষমতাধর এই কর্মকর্তা। এতদিন বাবুলের ভয়ে বিষয়টি গোপন করেছেন বলে দাবি পান্নার।

 

‘সন্তান, পরিবার ও আমার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আগে কথা বলিনি। আমি বাবুল আক্তারকে ভয় করতাম। বাবুল আক্তারের পরিচিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনার পর থেকে আমাকে হুমকি দিতেন, আমি তাদেরকে ভয় পেতাম।’

 

মুসা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বীকার করে তার স্ত্রী বলেন, মুসা এ ঘটনায় জড়িত; সেজন্য ভয় পেতাম। সব মিলিয়ে আমি আগে মুখ খুলিনি। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? আজ পাঁচ বছর আমার স্বামী নিখোঁজ। তার সন্ধান চাই আমি। মামলার জন্য হলেও তো মুসাকে দরকার। কারণ সে সবকিছু জানে।

 

পান্না আক্তার দাবি করেছেন, সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের নির্দেশে তার স্বামী এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন।

 

পান্না আক্তারের ভাষ্য, ‘মিতু হত্যাকাণ্ডের পর আমার বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। তারপর আমি এ হত্যার বিষয়ে মুসার কাছে কয়েকবার জানতে চেয়েছিলাম। প্রথমে মুসা কিছু বলে নি। পরে এক সময় মুসা আমাকে জানায়, বাবুলের নির্দেশে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য হয়েছে।’

 

বৃহস্পতিবার বিকালে মুসার স্ত্রী পান্না গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি মুসার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তোমরা কেন এমন একটি জঘন্য কাজ করলে? এখন আমার সন্তানদের কী হবে? আমার কী হবে? তখন মুসা জানিয়েছিল, বাবুল আক্তার তাকে শেল্টার দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাবুল আমার স্বামীকে চিন্তা না করতে বলেছেন। কিন্তু তারপর আমার স্বামীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। সেখান থেকে আজ পাঁচ বছর আমি মুসার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমি মুসার খোঁজ চাই।’

 

বাবুল মুসাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতেন বলেও দাবি করেন স্ত্রী পান্না।

 

মুসার স্ত্রী দাবি করেন, ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২৫ জুন তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবুল আক্তারের ঘনিষ্ঠ দুই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলন করতে নিষেধ করেছিলেন। তারপরও তিনি ওই বছরের ৫ জুলাই আবার সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। তখনও করতে দেওয়া হয়নি। সে সময় তিনি বাবা ও শ্বশুরের বাড়ি রাঙ্গুনিয়াতে থাকতেন।

 

পান্নার ভাষ্য, ‘আমাকে চট্টগ্রামও যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমি এ ব্যাপারে কথা বললে আমাকে জঙ্গি বানিয়ে গ্রেফতার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমি প্রচণ্ড ভয়ে থাকতাম।’

 

পিআইবিকে সব তথ্য জানিয়েছেন দাবি করে পান্না আক্তার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বর মাসে মুসার ব্যাপারে জানতে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আমি যা যা জানি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। যা যা আমি জানতাম, সবই আমি বলেছিলাম। তারপর থেকে মূলত আমি চিন্তা করা শুরু করি, এ ব্যাপারে আমি কথা বলব। এখন বাবুল আক্তার জেলে। আমার ক্ষতি হবে না বলে আমি মনে করছি। সেজন্য এখন কথা বলছি।’

 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

 

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

 

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল। তবে পুলিশ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই।  মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন তার মামলায় অভিযোগ করেন, মিতু পরকীয়ায় বাধা হওয়ায় তাকে খুন করেন বাবুল।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আ্ররও পড়ুন…

 

ইসরাইল ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে নিরাপত্তা পরিষদ

 

ইসরাইল ফিলিস্তিন সংকট, জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে হামলা ও প্রাচীন শেখ জারাহ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠকে বসছে।

রোববার পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

তবে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তিতে এই বৈঠকের আয়োজন ভেস্তে যায় বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র ওই সময় ভার্চুয়াল বৈঠকের পক্ষে মত দেয়।

গত সপ্তাহে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা কাউন্সিল গত সপ্তাহে দুই বার ব্যক্তিগতভাবে ফিলিস্তিন ইস্যুতে আলোচনা করেছে। তবে প্রকাশ্য কোনো বিবৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। সম্মতির ভিত্তিতে এসব বিবৃতি প্রদান করতে পারে পরিষদ। তবে এই বিবৃতি উত্তেজনা নিরসনে কাজে আসবে বলে মনে করছে না যুক্তরাষ্ট্র।

কূটনীতিকেরা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করছে, এই বৈঠক নিয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে।

এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলার এবার স্থল আক্রমণ শুরু করেছে ইসরাইল। দেশটির বিমান ও স্থল বাহিনী বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ফিলিস্তিনিদের ওপর এই আক্রমণ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

আইডিএফের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের ‘অপারেশন গার্ডিয়ানস অব দ্য ওয়াল’ নামের এই সশস্ত্র অভিযানে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সাত শতাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ড্রোনও ব্যবহার করছে ইসরাইল।

ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, গত চারদিনে ফিলিস্তিনে যত হামলা চালানো হয়েছে তার ৯৫ শতাংশই ছিল আকাশপথে। এতে হামাসের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পূরণে কয়েক বছর লেগে যাবে বলে দাবি করেছে ইসরাইল।

বৃহস্পতিবার সকালেই স্থল হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। রাত থেকে সেই হামলা শুরু হয়ে গেছে।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব……

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সঙ্কট : সহিংসতা চরমে, যুদ্ধের আশঙ্কা

 

গাজা ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি সেনা বাহিনীর মধ্যে হামলা পাল্টা হামলা তীব্র আকার নিয়েছে। জাতিসঙ্ঘ আশঙ্কা করছে পরিস্থিতি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সঙ্কট ‘একটা পূর্ণাঙ্গ মাত্রার’ যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে।

ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ৩৮ ঘণ্টা ধরে এক হাজারের ওপর রকেট ছুঁড়েছে বলে জানাচ্ছে ইসরায়েল। তারা বলছে বেশির ভাগ আক্রমণ হয়েছে তেল আবিবের ওপর।

ইসরায়েলও ধ্বংসাত্মক বিমান হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার চালানো ইসরায়েলি হামলায় গাজার দুটি উঁচু টাওয়ার ব্লক বিধ্বস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলের বেশ কিছু শহরে ইসরায়েলি আরবরা সহিংস বিক্ষোভ করেছে।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সঙ্কট : সহিংসতা চরমে
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সঙ্কট : সহিংসতা চরমে

 

তেল আবিবের কাছে লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন চলমান সহিংসতায় তিনি ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

ছয়জন ইসরায়েলি মারা গেছে এবং গাজায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে সোমবার থেকে হামলায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৪৩ জন, যাদের মধ্যে ১৩জন শিশু।

সবশেষ মারা গেছে একজন ইসরায়েলি নাগরিক। গাজা ভূখণ্ডের উত্তরাঞ্চল থেকে ছোঁড়া একটি ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সীমান্ত এলাকায় একটি জিপে আঘাত করলে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আহত হয়েছে আরো দুজন।

জেরুসালেমের একটি এলাকায় ইসরায়েলি পুলিশ এবং ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের জেরে কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা বিরাজ করার পর এই লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়েছে। ওই এলাকা মুসলিম এবং ইহুদি দুই ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র।

সহিংসতার পেছনে কারণ

পূর্ব জেরুসালেমে পাহাড়ের ওপর পবিত্র একটি স্থানে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি পুলিশের মধ্যে কয়েকদিন ধরে সহিংসতা বৃদ্ধির জেরেই ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে এই সংঘাত শুরু হয়।

এই স্থানটি মুসলিম এবং ইহুদি দুই ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র। মুসলিমদের কাছে এটি হারাম আল-শরিফ এবং ইহুদিদের কাছে এটি টেম্পল মাউন্ট।

হামাসের দাবি ইসরায়েল সেখান থেকে এবং নিকটবর্তী মূলত আরব অধ্যুষিত শেখ জারাহ থেকে পুলিশ সরিয়ে নিক। সেখান থেকে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করতে চায়।

হামাস এই পদক্ষেপ বন্ধ করার যে আলটিমেটাম দিয়েছিল, ইসরায়েল তা উপেক্ষা করলে হামাস রকেট নিক্ষেপ করতে শুরু করে।

সূত্র : বিবিসি

// অনলাইন ডেস্ক //

———————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিতু হত্যা মামলার…..

 

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর

 

 মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় ইমামপুর ইউনিয়নের করিম খাঁ (হুজুরদের এলাকার) গ্রামে পার্শ্ববতি বাড়ীর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শাহজালাল মুন্সির বাড়ির বেড়া দা দিয়ে কুপিয়ে লন্ডভন্ড করে ভাংচুর চালায় আবু বক্কর সিদ্দিক গং। এই বিষয়ে থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন শাহ জালাল মুন্সী। অভিযোগ পত্র হতে জানা যায় শাহ জালাল মুন্সীর নিজের জায়গা স্থাপিত সীমানা বেড়া বৃদ্ধি কালে পার্শ্ববতি সীমনার আবু বক্কর গং বাধা প্রদান করে। পরে তারা ক্ষুদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের সীমানায় অনধিকার প্রবেশ করে হামলা ভাংচুর চালায়।

 

এই বিষয়ে অনুসদ্ধানকালে বিবাদী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন আমার বাড়ীর সীমানায় তারা (শাহজালাল গং) অবৈধ ভাবে বেড়া দিয়ে জায়গা দখল করার পায়তারা চালায়। বাদী শাহ-জালাল মুন্সী বলেন সামাজিক ভাবে স্থানীয় মুরব্বিদের নিয়ে জায়গার সীমানা নির্ধারন করা হয়েছিল দীর্ঘ পঁচিশ বছর পূর্বে।

 

আমরা আমাদের জায়গায় সীমানা বেড়া দিয়েছি বহু আগে। এখন নতুন করে অল্প একটু সীমানা বেড়া বৃদ্ধি করতে গেলে তারা (আবু বক্কর গং) ক্ষুদ্ধ হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার বাড়ীর বেড়া ভেংঙ্গে দেয়। পরক্ষনে আরও উত্তেজিত হয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের বাড়ীর নারী ও শিশু সহ মুরুব্বিদের ধাওয়া করে। এতে আমার ভাই ভাতিজা আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আহত হয়।

 

এই বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইচ উদ্দিন দৈনিক বিশ্বকে বলেন অভিযোগ পাওয়া মাত্র দফায় দফায় ফোর্স পাঠিয়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। দায়ের করা অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা গজারিয়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস.আই) সবুজ উর রহমান বলেন ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

// সৈয়দ মোঃ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ //

———————————-

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যাত্রীদের ভিড়ে ফেরীঘাটে ৫ যাত্রীর মৃত্যু….

 

বাংলাবাজার ফেরিঘাটে যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে প্রাণ গেল ৫ জনের

 

মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনা ঘটে। 

নিহত ৫ জনের মধ্যে আনছার মাদবর (১২) নামে এক কিশোরের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা কালিকা প্রসাদ গ্রামের গিয়াস উদ্দিন মাদবরের ছেলে

পুলিশ ঘাট সূত্রে জানা গেছে, তিন নং ফেরিঘাটে শাহ পরান নামের রোরো ফেরিটি ভিড়লে নামার সময় যাত্রীদের চাপে আনছার মাদবর যাত্রীদের চাপে অসুস্থ হয়ে ফেরির পন্টুনেই মারা যায়। 

শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন জানান, ছেলেটি নামার সময় ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে

অন্যদিকে এনায়েতপুরী ফেরীতে গরমে আরও জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন পুরুষ জন নারী। এছাড়াও একই ফেরিতে হিটস্ট্রোকের শিকার হয়েছে / জন

অনলাইন ডেস্ক।।

————————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাইক্রোর ধাক্কায় র‍্যাব সদস্যের মৃত্যু…

 

গাজীপুর মহাসড়কে বিকল র‍্যাবের গাড়িতে মাইক্রোর ধাক্কা, র‍্যাব কর্মকর্তাসহ নিহত ২

 

গাজীপুর সদর উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভবানীপুর এলাকায় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা র‌্যাবের গাড়িতে একটি মাইক্রোবাসের ধাক্কায় র‌্যাব-৪ এর এক কর্মকর্তাসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

আজ বুধবার সকাল ৮টা পাঁচ মিনিটের সময় এ ঘটনা ঘটে।

 

এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন র‌্যাব সদস্য ও এক মোটর মেকানিকসহ চারজন। আহতদের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা আল হেরা মেডিকেল প্রাথমিক চিকিৎসার পর সকাল পৌনে ১১টার দিকে দুটি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সিএমএইচ-এ পাঠানো হয়েছে।

 

নিহত সার্জেন্ট মো. খায়রুল ইসলাম র‌্যাব-৪ এর সদস্য বলে জানিয়েছেন সঙ্গে থাকা র‌্যাবের এসআই রাকিব।

 ঘটনায় লিটন মিয়া নামের এক মোটর মেকানিক ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন ভবানীপুর গ্রামের সিংদিঘীপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আমীর আলীর ছেলে।

আহত হয়েছেন গাড়িতে থাকা র‌্যাব-৪ এর সদস্য সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম, সৈনিক মো. আতিক, কর্পোরাল প্রদীপ কুমার ও মোটর মেকানিক রিফাত (২০)।

 

মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কামাল হোসাইন জানান, বুধবার সকালে শ্রীপুর থানায় এক মাদক মামলার আসামি হস্তান্তর করতে যাওয়ার পথে র‌্যাব-৪-এর একটি গাড়ি গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় গিয়ে পৌঁছালে হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ে।

 ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে স্থানীয় মেকানিক রিফাত ও লিটনকে ডেকে নিয়ে মেরামত করা হচ্ছিল।

 

এ সময় পেছন থেকে অপর একটি দ্রুত গতির মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্টো-চ-৫২-০৭১২) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে র‌্যাব-৪ এর গাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িতে থাকা চার র‌্যাব সদস্য ও দুই মেকানিক গুরুতর আহত হন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য মাওনা চৌরাস্তার আল হেরা মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সার্জেন্ট খায়রুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মোটর মেকানিক লিটন ঘটনাস্থলেই নিহত।

 

পরে আহতদের স্থানীয় আল হেরা মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সকাল পৌনে ১১টার দিকে দুটি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সিএমএইচ-এ পাঠানো হয়েছে বলে এখন পর্যন্ত জানা গেছে।

 

আল হেরা মেডিকেল সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. হুমায়ুন কবির খান জানান, চারজনকে আহত ও এক র‌্যাব সদস্যকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণের পরামর্শ দেয়া হয়।

// অনলাইন ডেস্ক //

————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিতু হত্যা মামলার প্রতিবেদন….

 

 

 বিএসডিও নির্বাহী পরিচালকের নির্দেশে মন্দির চত্বরে গরু জবাই: কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত

 
 নওগাঁ’র মহাদেবপুরে বরেন্দ্রভুমি সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (বিএসডিও)’র নির্বাহী পরিচালকের আদেশে এক মন্দির চত্বরে গরু জবাই কারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলে সেই দায় সংস্থার এক অধঃস্তন কর্মচারীর উপর চাপিয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে সংস্থাটির অবস্থান এলাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টিসহ ক্ষোভ সঞ্চারিত হয়েছে।

 

সামিয়ক বরখাস্ত হওয়া কর্মচারী সমন্বয়ক অর্থ ও প্রশাসন মোঃ আজিজার রহমান গতকাল সোমবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।

 

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেছেন যে, রমজান শুরুর পূর্বের দিন ১৩ এপ্রিল সংস্থার কর্মকর্তা কর্মচারীরা বরাবরের মত মাংস ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য একটি গরু ক্রয় করা হয়। গরুটি কোথায় জবাই করা হবে এ নিয়ে শলা পরামর্শ করার এক পর্যায় সংস্থার উর্ধতন জনৈক কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমানের মৌখিক কথা মত মন্দিরের স্থানে গরু জবাই করার সিদ্ধান্তের কথা নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুর রউফকে জানিয়ে তাঁর মতামতের ভিত্তিতে সেখানে গরু জবাই করা হয়।

 

পরবর্তীতে এ নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়ায় উক্ত নির্বাহী পরিচালক এবং ঐ কর্মকর্তা সম্পূর্নভাবে সমন্বয়ক অর্থ ও প্রশাসনকে দায়ী করে নিজেরা দায়মুক্ত হন এবং তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করার জন্য উক্ত আজিজার রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। উক্ত আজিজার রহমান একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সংস্থাটির জন্মলগ্ন থেকে সম্পৃক্ত রয়েছেন। যার কারনে এলাকার সাধারন মানুষ তার প্রতি অত্যন্ত সহনশীল।

 

নির্বাহী পরিচালক এবং ঐ কর্মকর্তা দাবী করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক স্থানীয় জনৈক সুকেশ চন্দ্রকে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিকট বলতে এবং সাম্্রপদায়িক ইস্যু তৈরী করতে চাপ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সাংবাদিক সম্মেরনে উপস্থিত থেকে উক্ত ইউপি সদস্য এ কথা অস্বীকার করেছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে ঐ লিখিত বক্তব্যে বিএসডিও’র নানা অনিয়ম দুর্নীতি তুলে ধরা হয়। তুচ্ছ কারন দেখিয়ে তাঁর ইচ্ছামত যখন তখন যাকে তাকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। এমন কি চাকুরীচ্যুত হওয়ার পর তাদের নায্য পাওয়া পর্যন্ত পরিশোধ করা হয় না।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গ্রামবাসীদের মধ্যে বেলাল হোসেন, স্থানীয় ইইনয়ন পূজা কমিটির সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা কনক কুমার মন্ডল, আবউদল খালেক সরদার, এস এম জাফর সাদেকসহ বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

 

উক্ত কনক কুমার মন্ডল দাবী করেছেন আজিজার রহমান হিন্দ্র সম্প্রদায়ের নিকট অতি প্রিয় মানুষ। তিনি এই কাজ করতে পারেন না। নির্বাহী পরিচালকের নির্দেশেই সেখানে গরু জবাই করা হয়েছে।

 

এ ব্যপারে মোবাইল ফোনে ব্এিসডিও’র নির্বাহী পরিচালক উক্ত আব্দরু রউফ এবং সংশিল্ষ্ট কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান মন্দিরের জায়গায় গরু জবাই করতে কোন মতামত দেন নি। বরং উক্ত আজিজার রহমান তার নিজের মতেই এই কাজ করেছেন।

//একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি//
—————————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসা প্রেসক্লাবের বর্ধিত সভা..

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা মা-মেয়ের জীবন সংকটাপন্ন

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলায় একই পরিবারের মা-মেয়ে সহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সুবর্ণচর উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কসাইন্না মাষ্টার বাড়ীতে ঘটনাটি ঘটে।

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা মা-মেয়ের জীবন সংকটাপন্ন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আছিয়া বেগম জোসনা তার বাড়ির জায়গায় পাকাঘর নির্মাণ করতে গেলে একই বাড়ির বাসিন্দা কথিত নাতিগ্রুপের সদস্য জাকারিয়া স্বপন ওরফে সাগরিকা স্বপন (৪৫) ও তার ছোট ভাই ইয়াহিয়া শাওন (৪০) এবং তার ভগ্নিপতি মাঈন উদ্দিন ও মামুনুর রশিদসহ সংঘবদ্ধ হয়ে নির্মানাধীন ঘরের ইট তুলে ফেলে দেয়। এ সময় আছিয়া বেগম জোসনা বাধা দিলে চাইলে নাতিগ্রুপের সদস্য স্বপন তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করলে সাথে সাথে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।মায়ের এ অবস্থা দেখে তার কলেজ পডুয়া বড় মেয়ে তাহমিনা ইয়াসমিন মিথিলা (২২), ছোট মেয়ে সানজিদা ইয়াসমিন নাবিলা (২০) ও হাই স্কুলে পডুয়া একমাত্র ছেলে মেহেরাব হোসেন আলিফ (১৬) মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করতে থাকে। তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা স্থান ত্যাগ করে।
পরে আত্বীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে মা আছিয়া বেগম জোসনা ও বড় মেয়ে তাহমিনা ইয়াসমিন মিথিলার অবস্থা আশংকা জনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা অবহিত করেন।

 

চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক খোন্দকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পর চরজব্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ বিষয়ে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি।এসময় তিনি আরো জানান অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মোহাম্মদ উল্যাহ ভূঁইয়া,   নোয়াখালী।

পড়ুন দৈনিক  বিশ্ব

চন্দনাইশে রংধনু সংগঠন…..

 

পটুয়াখালীতে মিতু  নামে এক কিশোরীর গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

 

ঘটনাটি ঘটেছে অদ্য ০৭ ই এপ্রিল,২০২১ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৭.৩০ মিনিটের সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ৮ নং মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কুড়ালিয়া গ্রামে।

নিহত কিশোরী মিতু কুড়ালিয়া গ্রামের নুরজামাল গাজীর মেয়ে।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, আজ সকালবেলা মিতুর মা ডালতোলার জন্য ডাল ক্ষেতে যান এবং তার বাবা কাজে যান। এমতাবস্থায় ঘরের ভেতরে শুধুমাত্র মিতু ও তার আপন ছোট ভাই সাব্বির ( ৯) অবস্থান করে। সাব্বির ঘরের ওপাশ থেকে এসেই হঠাৎ মিতুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার শুরু করে। সাব্বিরের ডাকচিৎকার শুনে তার মা ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে মিতুকে ঘরের রুয়ায় (টিনের চালে ব্যবহৃত চারকোনা আকৃতির লম্বা কাঠ বিশেষ) ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহতের বাবা নুরজামাল গাজী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি কাজে গিয়ে হঠাৎ শুনতে পাই আমার মেয়ে হাসপাতালে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মিতু আর বেঁচে নেই।

নিহতের মা আসমা বেগম বলেন, আমার মেয়ের মৃত্যু আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা। আমার জানামতে ওর কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো না। এবং আমাদের তেমন কোনো শত্রু ও নেই যে মারবে। আমি বুঝতেই পারছিনা আমার মেয়ে কেন আত্নহত্যা করলো!

এ ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের তৎপরতায় লাশ মর্গে পোস্টমর্টেম এর পরে মিতুর নিজ বাড়িতে দাফন কার্য সম্পন্ন হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ জানান, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে অত্র ঘটনার সঠিক বিষয় জানা যাবে।

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//

গড়ুন দৈনিক বিশ্ব…..

শিমুলিয়া ফেরিঘাট…