খুলনার রূপসায় ইয়াবা ও গাঁজা সহ যুবক গ্রেফতার

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসা থানা পুলিশ  অভিযান চালিয়ে সাব্বির মাল (২২) নামে এক যুবককে ১০ পিচ ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাজা সহ গ্রেফতার করেছে।

উক্ত যুবক আইচগাতী  ইউনিয়নের খান মোহাম্মদপুর এলাকার জামাল মালের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা যায় আইচগাতী ক্যাম্প পুলিশের এস আই নকিব ইকবাল সেনের বাজার ঘাট এলাকায় ডিউটিরত অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন মিল্কি দেয়াড়া গ্রামস্থ  কাছারি ঘাট সংলগ্ন আমজাদ মোল্লার ফলের দোকানে সামনে পাকা রাস্তার উপর অবৈধ মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করিতেছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে  সঙ্গী ও ফোর্স নিয়ে  মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতারের জন্য ৮ এপ্রিল রাতে উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়।

পুলিশের উপস্থিতিতে টের পেয়ে  জামাল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে আটক করে।

এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২৫গ্রাম গাজা উদ্ধার করে।

এছাড়া পুলিশ আরো জানায়, উক্ত যুবুক  বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাজা সংগ্রহ করিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজে হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে বলে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসা কালে সে স্বীকার করে।

এস আই নকিব ইকবাল বাদী হয়ে উক্ত যুবকের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। যার নং ১০, তাং- ৯/৪/২৩ ।

বরগুনার তালতলীর সাফিয়া হত্যা মামলার আসামীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করলো র‌্যাব

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী উপজেলার মোসাঃ শাফিয়া বেগম হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সিদ্দিক হাওলাদার কে গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে ঢাকার সাভার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাবের যৌথ টিম র‌্যাব-৮ এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২।

র‌্যাব-৮,সিপিসি-১পটুয়াখালী এর কোম্পানি অধিনায়ক এবং সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্প একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, গত ০৩/০৪/২০২৩ ইং তারিখ দিবাগত রাত ০৯:৩০ ঘটিকায় ভিকটিম মৃত মোসাঃ শাফিয়া বেগম(৫০) টাকা ধার নেওয়ার জন্য প্রতিবেশী বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ সবুজের দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পরবর্তীতে সে বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং রাত্র গভীর হওয়ায় তাহাকে বিভিন্ন জায়গায় খোজাখূজি করিতে থাকে। খোজাখুজির এক পর্যায়ে ইং০৫/০৪/২০২৩ দুপুর অনুমান ০২:২০ ঘটিকার সময় তালতলী থানাধীন ০৪নং শারিকখালী ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডস্থ দক্ষিণ নলবুনিয়া সাকিনের ধোপার ভিটার পূর্ব পাশে কালীর খালের মধ্যে কেওড়া গাছের গোড়ায়, পানির মধ্যে মৃত শাফিয়াকে উপুর অবস্থায় ভেসে থাকতে দেখিতে পাইয়া ডাকচিৎকার ও কান্নকাটি শুরু করিলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মোঃ আব্দল মালেক বিষয়টি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থানা পুলিশকে অবহিত করে। মৃত ভিকটিম এর মেয়ে মোসাঃ আজমাইন আক্তারকে জিজ্ঞাসা বাদে সে জানায় যে, বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় তাহার মায়ের পড়নের কাপড়ের কোচরে ১০,০০০/- টাকা এবং কাণে স্বর্ণের দুল ওজন অনুমান ৫ আনা মূল অনুমান ৩৪০০০/- টাকা ও নাকে স্বর্ণের নাক ফুল ওজন অনুমান ১ আনা মূল্য অনুমান ৬০০০/- টাকা। যাহা শাফিয়া বেগম এর মৃত দেহের সাথে পাওয়া যায় নাই। উল্লেখিত বিবাদীগণ ভিকটিম মৃত মোসাঃ শাফিয়া বেগমকে গত ০৩/০৪/২০২৩ইং তারিখ দিবাগত রাত ০৯:৩০ ঘটিকা হইতে ০৫/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০২:৩০ ঘটিকার মধ্যে যে কোন সময় খুন করিয়া লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ফেলে রাখে এবং স্বর্নের জিনিস নিয়া যায়। উক্ত বিষয়ে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং-৫, তারিখ-০৬/০৪/২০২৩ইং , ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড। র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে কার্যক্রম আরম্ভ করে এবং আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে। র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বর্ণিত মামলার ০৩ নং আসামী মোঃ সিদ্দিক হাওলাদার(৫০), আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট হতে গ্রেফতার এড়াতে রাজধানীর সাভার এর কাঠগড়া বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। স্থানীয় র‌্যাব-০৪, সিপিসি-২, সাভার উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর সাভার এর কাঠগড়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ০৭/০৪/২০২৩ইং তারিখ ১৯০০ ঘটিকার সময় আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সিদ্দিক হাওলাদার(৫০) ঘটনার সাথে নিজের সরাসরি সং¯িøষ্টতার বিষয়টি র‌্যাবের কাছে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য (মামলা নং-৫, তারিখ-০৬/০৪/২০২৩ইং , ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড) মূলে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাগুরা মহম্মদপুরে ৩০ পিস ইয়াবা সহ যুবক আটক

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //

মাগুরার মহম্মদপুরের পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের বেথুড়ি গ্রামের আনোয়ার হোসেন (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৩০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছে মহম্মদপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় তাকে আটক করা হয়।

মহম্মদপুর থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, এসআই জান্নাতুল ফেরদৌস বাদশা ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্য  খালেক ও সাঈদ কে নিয়ে মহম্মদপুর সদরের জাঙ্গালিয়া শেখ হাসিনা সেতু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় আনোয়ারের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তার গতিরোধ করে তল্লাশি চালানো হয়।তখন আনোয়ারের প্যান্টের পকেটে ৩০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেলে তাকে আটক করা হয়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া বাজারে হার্ডওয়ার ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল আনোয়ার।

আটক আনোয়ার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বেথুড়ি গ্রামের মৃত সোহরাব হোসেনের ছেলে।

মহম্মদপুর থানা অফিসার ইনচার্জ অসিত কুমার রায় বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

বরগুনায় বেহুন্দি জাল জব্দ বাবা-ছেলের এক বছরের কারাদণ্ড

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনায় অবৈধ জাল নির্মূল অভিযানকালে সদর উপজেলায় নয়টি অবৈধ বেহুন্দি জাল সহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে বরগুনার ভ্রাম্যমান আদালত ।

গ্রেপ্তারারকৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর ধারা ৫ অনুযায়ী এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং জব্দকৃত বেহুন্দি জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

গত কাল বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার গোলাম মোস্তফা (৫৭) ও তার ছেলে সোলায়মান (২৮)।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নূরের নেতৃত্বে বিষখালী নদীর বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় নয়টি অবৈধ বেহুন্দি জালসহ ওই দুজনকে আটক করা হয়।’

খুলনার রূপসায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার,মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
রূপসা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ফয়সাল শেখ(২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।

সে নৈহাটি ইউনিয়নের রামনগর এলাকার জাহিদ শেখের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪এপ্রিল বিকালে থানা পুলিশের এসআই জুয়েল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ নিয়মিত টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে নৈহাটি ইউনিয়নের চর রূপসা গ্রামস্থ জনৈক জাহাঙ্গীরের চায়ের দোকানের সামনে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করতেছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে এস আই জুয়েল রানা ও এএস আই অলিপ ঘোষ উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ফয়সালকে আটক করে।

এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
পুলিশ আরো জানায়, ফয়সাল দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করিয়া নিজ হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে আসছে বলে স্বীকার করেন।

এস আই জুয়েল রানা বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন রূপসা থানায়।
মামলা নম্বর ৭।

বাগেরহাটের রামপালে জমি জাল দলিল করায় সাব-রেজিস্টারসহ ৭ জনের নামে মামলা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে মৃত্যু শয্যায় থাকা বৃদ্ধের ৬০ শতাংশ জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে লিখে নেওয়ায় সাব রেজিষ্টারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। বাগেরহাটের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে গত ২৭ এপ্রিল বেলা ১১ টায় মামলাটি করেন, ভুক্তভোগী বৃদ্ধ রণজিৎ কুমার পালের একমাত্র পুত্র বিশ্বজিৎ কুমার পাল। পিটিশন মামলা নং ২৫/২০২৩। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য বাগেরহাটের পিবিআই কে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, রামপাল উপজেলা সাব-রেজিস্টার নাহিদ জাহান মুনা, উপজেলার গিলাতলা গ্রামের দীনেশ পালের পুত্র ও ইউপি সচিব রতন কুমার পাল, তার পিতা (দলিল গ্রহিতা) দীনেশ চন্দ্র পাল, দলিল লেখক ওড়াবনিয়া গ্রামের সবুজ কুমার মন্ডল, সৈয়দ গালিব জামান (ইশাদী), রতিন কুমার পাল, সনাক্তকারী রীতা রানী পাল।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, গত ইং ০৭-০২-২০২৩ তারিখ রামপাল সাব রেজিস্ট্রার অফিসে বসে ষড়যন্ত্র ও যোগসাজশের মাধ্যমে দলিল গ্রহীতা দীনেশ পালের পুত্র রতন পাল দলিল লেখক সবুজ মন্ডলের মাধ্যমে একটি জাল জালিয়াতি করে দলিলটি করান। অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে দলিলটি রেজিষ্ট্রি করা হলেও বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে দলিল দাতা রণজিৎ কুমার পালের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তিনি বার্ধক্য জনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী। কথা হয় তার পুত্র বিশ্বজিৎ পালের সাথে। তিনি বলেন আমার বাবার জমি ইউপি সচিব রতন কুমার পাল ও আমার সৎ মা রীতা রানী পাল সাব-রেজিস্টারের সাথে যোগসাজশে ভূয়া দলিল দাতা সাজিয়ে ৮৮ নং গিলাতলা মৌজার এসএ ৬৪০ খতিয়ানের ১৮৪৭ দাগের ০.৯৫ একরের মধ্যে ০.৬০ একর জমি জাল জালিয়াতি করে লিখে নেন। যার দলিল নং ৩৪৪/২০২৩। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন, তার পিতা রণজিৎ কুমার দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী অবস্থায় রয়েছেন। তার স্মৃতি শক্তি ও লোপ পেয়েছে। অথচ তার স্থলে অন্য ব্যক্তির ছবি ও ভূয়া আইডি কার্ড ব্যবহার করে মূল্যবান জমিটি রেজিষ্ট্রি করা হয়েছে।
তার গ্রামে গিয়ে কথা হয়, মনোরঞ্জন পাল, তুষার কান্তি পাল ও সুদর্শন বিশ্বাসের সাথে। তারা বলেন, রণজিৎ বাবু ৭/৮ মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। তার অবস্থা খারাপ। তাকে বাইরে নেওয়ার মত বা তার বের হওয়ার মত অবস্থায় নেই।

অভিযুক্ত ইউপি সচিব রতন পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সবুজ মহরীর সাথে ২ লক্ষ টাকার চুক্তি করে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে দলিল করিয়েছি। সবুজ মন্ডল সব কিছু করেছে বলে স্বীকার করেন।

অন্যতম কুশীলব সবুজ মন্ডলকে সোমবার দুপুর ১ টায় সাবরেজিস্টারের মুখোমুখি করানো হলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। কথিত দাতা সাজিয়ে ভুয়া আইডি কার্ড ও ভূয়া ছবি ব্যবহার করে দলিল করিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সবুজ মন্ডল আরও জল জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল করে বিপুল বিত্তের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইউপি সচিব রতন পাল মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিদ্যারবাহন গ্রামের মৃত যতীন্দ্র নাথ মন্ডলের পুত্র জগদীশ মন্ডলকে দাতা বানিয়ে ও ভূয়া আইডি কার্ড দিয়ে জমি দলিল করেন। সাংবাদিকরা জগদীশ মন্ডলের বাড়িতে গেলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। কথা হয় জগদীশ মন্ডলের সহচর এনপিএস নিউজের খুলনা বিভাগীয় চীফ জুয়েল খান জগদীশ পিএনএসের সদস্য বলে স্বীকার করেন। তিনি জানান, জগদীশ এমন একটি ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি।

জমি জাল জালিয়াতি করে দলিল সম্পাদন ও বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা হয় রামপাল উপজেলা সাবরেজিষ্টার নাহিদ জাহান মুনা’র সাথে। তার অফিসে বসে ৩৪৪/২৩ নং দলিলটি দেখতে চাইলে তিনি দলিলটি এনে দেখতে পান, দলিল দাতা ও তার আইডি কার্ড জাল করা হয়েছে। উপস্থিত মহরার সমিতির নেতৃবৃন্দরা ও বিষয়টির সত্যতা পান। এ পর্যায়ে সবুজ জাল জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করেন।

রামপাল উপজেলা সাবরেজিষ্টার নাহিদ জাহান মুনা বলেন, সরল বিশ্বাসে আমি জমির দলিল রেজিষ্ট্রি করেছি। আমাকে মিস গাইড করে ভূয়া দাতা ও ভূয়া ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আমি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

হোগলাপাশায় সাবেক দফাদারকে মারধর

কচুয়া(বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥

হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক দফাদার ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল(৬৫) মারধরের স্বীকার হয়েছেন। বুধবার সকালে হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে কক্ষে এঘটনা ঘটেছে। এঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডলের পরিবার।

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে উপজেলার কিসমত বৌলপুর গ্রামের মৃত সতিষ চন্দ্র মন্ডলের পুত্র সাবের দফাদার ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল জানায়, তার মৎস্য ঘেরের পাশের রাস্তার পাইলিংয়ে নিজ খরচে মাটি ভরাট করছিলেন।

এঘটনা কেন্দ্র করে হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরষিদের চেয়ারম্যান ফরিদুর ইসলাম ফরিদ তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে পরিষদে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে।এসময় চেয়ারম্যানে নির্দেশে তার কক্ষে থাকা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের আতাহার সরদারের পুত্র মাসুম সরদার তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালী করে মারধর করে ও বুকে লালি মেরে আহত করে বের করে দেয়। ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল আরো জানান, তিনি দফাদারের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের অফিসিয়াল কাজ করতেন।

গত ইউপি নির্বাচন নৌকায় ভোট দেওয়ায় নৌকার বিরোধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান বিভিন্ন ভাবে তাকে হেনস্তা করা চেষ্ঠা করে আসছিল।ওই মাসুম সরদার  বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন লোকজনকে মারধর করার অভিযোগ আছে। হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুর ইসলাম ফরিদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টাকরে তাকে পাওয়া যায়নি। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

পটুয়াখালীতে হত্যা মামলার বাদীকে পুরিয়ে মারার হুমকি অভিযোগে

মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবে ১’লা এপ্রিল বিকেল ৩ টার সময় লাউকাঠী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড তেলীখালী গ্রামের বাসিন্দা কামাল হাওলাদার ও তার মা জাহানারা বেগম সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় , হত্যা মামলায় আগাম জামিন নিয়ে প্রধান আসামি ইসহাক মৃধা ও তার ভাই ইউসুফ মৃধা, দুই ছেলে ইব্রাহিম মৃধা, জাকির মৃধা, মামলার বাদী জাহানারা বেগম ও তার পরিবারের সবাইকে রাতের আঁধারে ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এছাড়াও মামলা তুলে না নিলে নিহত রশিদ হাওলাদার এর ছেলে কামাল হাওলাদার ও তার ভাইকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ, গত ১২’মার্চ লাউকাঠী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড তেলিখালী গ্রামে সালামের জবাব দেয়াকে কেন্দ্র করে ইসহাক মৃধা নিহত আব্দুল রশিদ হাওলাদার কে নাকে ঘুষি মারলে প্রচন্ড আঘাত লাগে এতে রক্তক্ষরন হয়। পরে মাটিতে লুটিয়ে পরে এসময় ইসহাক মৃধার ভাই ইউসুফ মৃধা ও তার দুই ছেলে ইব্রাহিম মৃধা, জাকির মৃধা ও মারধর করেন। এতে রশিদ হাওলাদারের নাকে প্রচন্ড আঘাতে রক্তক্ষরন এবং বুকে ও কোমরে গুরত্বর আঘাত লাগে। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, মারধরের পরে আহত রশিদ হাওলাদার কে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে দেয়নি আসামি ও তার লোকজন। নিহত রশিদ হাওলাদার এর ছেলে কামাল হাওলাদার বলেন, আমরা দুই ভাই ঢাকায় একটি দোকানে চাকরি করি বাড়িতে মা ও বাবা দুজনে থাকেন ঘটনার সময় ঢাকা থাকার কারনে আসল সত্যি ঘটনা তাৎক্ষণিক জানতে পারিনি। ঘটনার একদিন পরে বাবা গুরত্বর অসুস্থ জেনে চাচাকে হসপিটাল নিয়ে বলি কিন্তুু তিনি হসপিটাল নিতে চাইলে আসামিরা তাকেও হুমকি ধামকি দেয়। পরেরদিন অবস্থা আরও বেশি গুরুত্বর হওয়ায় মা ও চাচা বাবাকে পটুয়াখালী এনে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে দেখালে ডাক্তার দ্রুত রোগীকে হসপিটাল ভর্তি করতে বলেন। কিন্তুু আসামিরা ভর্তি না করার জন্য হুমকি ধামকি দেয়। এরপর তাকে পটুয়াখালী হসপিটালে ভর্তি করা হলে ১৬ মার্চ কর্মরত ডাক্তার ঢাকায় চিকিৎসার জন্য রেফার করেন। ১৭ মার্চ বাবাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পথ মধ্যে বাবার নিঃস্বাস বন্ধ দেখে সামনে হৃদরোগ ইন্সটিটিউট হাসপাতালে নিয়ে যাই সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবাকে মৃত বলে জানান। বাবা বাড়ি নিয়ে আসলে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পথে চেয়ারম্যান আমাদের ডেকে সিদ্ধান্ত জানতে চান এবং আসামি ইসহাক মৃধকে তিনি পালিয়ে যেতে বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাদী জাহানারা বেগম বলেন, মারধরের কারনে আমার স্বামী অসুস্থ হয়। তাকে সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিতে হসপিটালে নিতে দেয়নি ইসহাক মৃধা ও তার দুই ছেলে ও ভাই ইউসুফ। যদি তারা হুমকি ধামকি না দিতো তাহলে হসপিটাল নিয়ে যেতে পারতাম। তাদের হুমকিতে কেউ আমাদের সহযোগিতা করেনি। যার কারনে আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তাই আমি বিচারের জন্য থানায় মামলা করেছি। বর্তমানে আসামি আগাম জামিন নিয়ে এলাকায় এসে তার লোকজন দিয়ে আমাকে ও আমার ছেলেদের আগুনে পুড়িয়ে মারার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমরা এখন কোন দিক পাচ্ছি না নিরাপত্তাহীনতায় জীবন কাটাচ্ছি। তাই আসামি ইসহাক মৃধার ও তার ভাই ইউসুফ মৃধা দুই ছেলে ইব্রাহিম ও জাকির মৃধার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঘটনার পরে পটুয়াখালী সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিলো, আব্দুল রশিদ হাওলাদার এর মৃত্যুর পরে অভিযোগ অনুযায়ী ইসহাক মৃধার নামে মামলা রুজু করা হয়, যাহার মামলা নং-১৪/১৮ ইং, যাহা ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩০২ প্যানেল কোড ধারায় রুজু করা হয়েছে। কিন্তুু মামলার আসামি আগাম জামিন নিয়ে এলাকায় এসে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ লাখ টাকার তামার তারসহ আটক ২

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে সিনপ্লেক্স এলাকা থেকে ১২০ কেজির অধিক কপার ক্যাবলসহ মো. মহিদুল শেখ (২৬) ও হাসিবুর শেখ (২৫) নামে চোর চক্রের দুই সদস্য আটক করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়নের রামপাল ক্যাম্পের সদস্যরা।
রোববার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে সিনপ্লেক্স এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চোর চক্রকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২০ কেজির অধিক কপার ক্যাবলসহ ০১টি ক্যাবল কাটার হাতিয়ার, ০২টি স্মার্ট ফোন ও ০১টি সেলফোন উদ্ধার করে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ।
আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ এর অধিনায়ক চন্দন দেব নাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক মো. মহিদুল শেখ বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার মিঠাখালী গ্রামের জালাল শেখের ছেলে ও হাসিবুর শেখ রামপাল উপজেলার পিপুলবুনিয়া গ্রামের মনিরুল শেখের ছেলে।
আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ এর অধিনায়ক চন্দন দেব নাথ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রোববার সকাল ৯টার দিকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতর থেকে বিপুল তামার তার পাচার করা হবে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে তার নির্দেশনায় কোম্পানি কমান্ডার জনাব রাজিব হোসাইনের নেতৃত্বে চৌকশ আভিযানিক একটি দল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিনপ্লেক্স এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানেু সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ১২০ (একশত বিশ) কেজির অধিক কপার ক্যাবল, ০১টি ক্যাবল কাটার হাতিয়ার, ০২টি স্মার্ট ফোন ও ০১টি সেলফেনসহ চোরচক্রের মো. মহিদুল শেখ (২৬) ও হাসিবুর শেখ আটক করা হয়। উদ্ধার করা কপার ক্যাবল ও সেলফোনগুলোর আনুমানিক মূল্য ২,০৫,০০০/- (দুই লক্ষ পাঁচ হাজার) টাকা প্রায়।
তিনি আরও বলেন, এ জাতীয় রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক উদ্ধারকৃত মালামালসহ চোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া রামপাল থানায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য গত মে ২০২২খ্রি. হতে অধ্যাবদি পর্যন্ত ৫৫টির অধিক অভিযানে প্রায় ৬৬,৬২,৩০০/- (ছেষট্টি লক্ষ বাষট্টি হাজার তিনশত) টাকার চোরাই মালামাল ও ৪৬ জন চোরাকারবারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে আধিপত্য বিস্তারের হামলায় আওয়ামীলীগের উভয় পক্ষের ১০ জন আহত গ্রেফতার ২

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের হামলায় বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ভুক্তভোগী রেজাউল কুদরতি রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পরে রাতে অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব শেখ ও বর্তমান ইউপি সদস্য কবির হোসেন ফকিরকে গ্রেফতার করেছে রামপাল থানা পুলিশ ।

আহতরা হলেন, বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামাবাদ গ্রামের মৃত মাওলানা খায়রুল বাশারের পুত্র কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু (৫০), একই গ্রামের মোবারক শেখের পুত্র মহব্বত আলী শেখ (৫৪), মৃত্যু নজরুল ইসলামের পুত্র নাজমুল ইসলাম (৩০), আ. রউফের পুত্র কোহিনূর কুদরতি (৩২), মহব্বত আলী শেখের পুত্র হুসাইন শেখ (৩৩) ও আবুল হাসান শেখ (৩৫) এবং আ. রউফের পুত্র মো. রেজাউল কুদরতি। অন্য পক্ষের আহতরা হলেন, আ. রউফের পুত্র পলাশ শেখ (৩৫) ও তার ভাই নাহিদ শেখ (৩০) ও মৃত্যু তাছিন শেখের পুত্র মারুফ শেখ। আহতরা রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এজাহার সূত্রে ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ইসলামাবাদ তিন রাস্তার মোড়ে ফরহাদের দোকানের সামনে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ, মৎস্যঘের বিরোধ ও ক্ষমতার দাপট দেখাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই দলের প্রতিপক্ষের উপর দা, লাঠি ও রড নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব, মারুফ শেখ, মাসুম শেখ, মোস্তাফিজ শেখ, হুমায়ুন শেখ, মাসুম বিল্লাহ, বাকী বিল্লাহ, শরাফত কাজী, খোকন শেখ, পলাশ শেখ, নাহিদ শেখ, আসাদ শেখ, আব্দুল্লাহ শেখ, আবু বকার, রবি ও হাসিব সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন হামলা করে। এতে তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।

আসামী আল আমীন জানান, হামলার সময় আমি ছিলাম না। আমি কিছু জানি না। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমার নামে মামলা দায়ের করেছেন। আহত মাসুম বলেন, রেজাউলসহ অন্যরা পলাশকে মারপিট করার সময় আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর হামলা করে পলাশসহ তিন জনকে আহত করেছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতে অভিযান চালিয়ে ১নং আসামিসহ দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্যদের ধরার জোর চেষ্টা চলছে।