২০ কেজি গাঁজা, গাঁজা বহনকারী পিক-আপসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 করোনার বৈশ্বিক মহামারীতে যেমন জনজীবন বিধ্বস্ত। করোনাকে লকডাউন দিয়ে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও করোনার চেয়েও মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদকের ভয়াবহতা যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

আর তাই করোনা ভাইরাসের ন্যায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহতভবে পরিচালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টীম আজ দিবাগত ভোররাত ৪ঃ০০ ঘটিকায় দাউদকান্দি মডেল থানার টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ কেজি গাঁজা ও গাঁজাবহনকারী পিক-আপ ঢাকা মেট্রো- ন-১১-১৬০৩ সহ১.ইমন মল্লিক(২০), পিতা- খোকন মল্লিক, ২.এনামুল হক(২১), পিতা- মীর বিপ্লব, ৩. সাকিব আহমেদ (১৯) পিতা- মোঃ দিদার সকলেই রাঙ্গামাটি জেলার মালিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ।

উক্ত বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চলে গেলেন না ফেরার দেশে- সাংবাদিক আব্দুর রশীদ বাবু — “আমরা শোকাহত”

 

রমজানের মধ্যেও একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

 

রমজানের মধ্যেও বগুড়ায় একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্বপ্নের শপিং মল লটারী ড্র সম্পন্ন

 

চট্টগ্রামের  মসজিদের দান বাক্স ভেঙ্গে টাকা লুট : পাল্টাপাল্টি মামালা

 চট্টগ্রামের মসজিদের দানবাক্স ভেঙ্গে টাকা লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  নগরীর বালুছড়া এলাকায় অবস্থিত হযরত করম আলী শাহ জামে মসজিদের দানবাক্স ভেঙ্গে টাকা পয়সা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানায় পল্টাপাল্টি দায়ের করা মামলা থেকে এ অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর বায়েজিদ থানার বালুছড়ায় অবস্’িত কাশেম ভবন এলাকায়।
বিবরণে জানা যায়, গত ১২ মে স্থানীয় হযরত করম আলী শাহ জামে মসজিদের দান বাক্স ভেঙ্গে কে বা কারা টাকা পয়সা চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য সালে জহুর বাদী হয়ে নুরুল আমিন গংদের আসামী করে বায়েজিদ খানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের তদন্তে ক্ষিপ্ত হয়ে পতিপক্ষ মামলার বাদী সালে জহুর ও তার ছেলের উপর হামলা করলে তারা মারাত্মক ভাবে আহত হন। পরে মসজিদ কমিটির আহকায়ক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে এলে তিনিও অভিযুদের হামলার শিকার হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় মসজিদের দানবাক্স ভাঙ্গার দায়ে অভিযুক্ত নুরুল আমিন ও মারধরের শিকার মো: ইব্রাহিম বাদী হয়ে ১৬ মে বায়েজিদ থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেন।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও মামলার বাদী মো: ইব্রাহিম জানান, নুরুল অমিন এক সময় মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলেন।
তিনি মসজিদ কমিটি ও মাজার পরিচালনা কমিটির বিভিন্ন পদে থেকে মসজিদ ও মাজারের নামে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চঁাদা আদায় করে তা নিজেই ভোগ করতেন।
তার অপকর্মের কথা জানাজানি হলে তাকে মসজিদ কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়। তারপর থেকেই তিনি মসজিদ ও মাজার নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।
এর আগে বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার কারনে তার বিরোদ্ধে থানায় ৪ টি মামলা, ৪ টি জিডি ও ২ টি অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।  মো: ইব্রাহিমের দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, মামলার বিষয়ে তদন্ত- করতে গিয়ে যেটা জানতে পেরেছি তা হলো মসজিদ কেন্দ্রিক ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষ মামলা করেছে। তদন্তে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।
।।আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো।।

নড়াইলের কালিয়ায় শিশু ধর্ষনের অভিযোগে মামলা: মসজিদের ইমাম গ্রেফতার

 

নড়াইলের কালিয়ায় শিশু ধর্ষনের অভিযোগে মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করেছে নড়াগাতি থানা পুলিশ। প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগে হাফেজ আব্দুর রহমান নামে এক মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে নড়াগাতি থানা পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (২০মে) সকালে উপজেলার নিধিপুর গ্রামে ঘটেছে ওই শিশু ধর্ষনের ঘটনা।আব্দুর রহমান উপজেলার নিধিপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার পাটগাতী গ্রামের আব্দুল আজিজ ভূইয়ার ছেলে। ঘটনাটিতে শুক্রবার সকালে নড়াগাতি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নড়াগাতি থানার নিধিপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর মসজিদে মক্তব পরিচালনা করে আসছেন।

 

প্রতিদিনের মত গত বৃহস্পতিবার সকালে মসজিদের পাশে বসবাসকারি ওই শিশুটি অন্য শিশুদের সাথে মক্তবে পড়তে যায়। ইমাম আব্দুর রহমান মক্তবের ছুটি দিয়ে ৬ বছরের ওই শিশুটিকে প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে রেখে দিয়ে মসজিদ সংলগ্ন ইমামের থাকার ঘরে নিয়ে নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষন করে। এরপর শিশুটির হাতে ১০ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়ে কিছু কিনে খেতে বলে এবং ঘটনাটি কাউকে বলতে নিষেধ করে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

 

ধর্ষিত শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মাকে জানালে তারা মসজিদে ছুটে যান। কিন্তু ইমামকে না পেয়ে স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোজা খুজি করে বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসিরা তাকে আটক করে নড়াগাতি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

 

এ ব্যাপারে ধর্ষণের শিকার শিশুর পিতা ইমাম আব্দুর রহমানের নামে নড়াগাতি থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ রোখছানা খাতুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

অভিযুক্ত ইমাম আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং ধর্ষনের শিকার শিশুকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মিসরের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ্য সংঘাত শেষে ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি কার্যকর

বর্বরোচিত হত্যাকান্ডটি মাত্র ৭ মিনিটে শেষ করে এমপিকে জানাল ‘স্যার ফিনিশ’

 

 

বর্বরোচিত হত্যাকান্ডটি ঘটে রাজধানীর পল্লবীতে:  চাঞ্চল্যকর সাহিনুদ্দিন হত্যায় সময় লাগে পাঁচ থেকে সাত মিনিট। ঘটনার পরপরই সাবেক এমপি ও হ্যাভেলি প্রাপার্টিজের মালিক এমএ আউয়ালকে ফোন করে মূল ঘাতক কিলার সুমন বেপারী বলে, ‘স্যার ফিনিশ’।

৪-৫ দিন আগে আউয়ালের কলাবাগানের অফিসেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ সময় তাহের ও সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন বেপারীসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিল। হত্যা বাস্তবায়নে মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় সুমনকে। তার নেতৃত্বে ১০-১২ জন সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নেয়। 

বৃহস্পতিবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির লিগ্যাল আন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আল মঈন। 

বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত সাহিনুদ্দিন হত্যার ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- সাবেক এমপি এমএ আউয়াল, হাসান, জাহিরুল ইসলাম বাবু, সুমন বেপারী ও রকি তালুকদার। এদের মধ্যে আউয়াল, হাসান ও বাবুকে র‌্যাব এবং সুমন ও রকিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে। 

এর আগে র‌্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার হয় মুরাদ ও দিপু। দুই দিনের রিমান্ড শেষে মুরাদকে বৃহস্পতিবার ফের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি। দিপুকে শুক্রবার আদালতে হাজির করা হতে পারে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সুমন ও রকির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ৩০ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছে বলে র‌্যাব জানতে পেরেছে। টিটুর মাধ্যমে সুমনের কাছে টাকা আসে। ১৫ মে সুমন ও বাবুসহ কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা শলাপরামর্শ করে। ১৬ মে বিকালে তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। পূর্ব বিরোধ মীমাংসার কথা বলে সাহিনুদ্দিনকে সেখানে ডেকে আনা হয়। এ সময় সাহিনের সাত বছরের সন্তান মাশরাফিও সঙ্গে ছিল।

 

সাহিন ঘটনাস্থলে আসার পর সুমন, মনির, মানিক, হাসান, ইকবাল ও মুরাদসহ ১০-১২ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু সন্তানের সামনেই এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। শেষ পর্যায়ে শরীরের ওপরের অংশে মনির এবং মানিক হাঁটু ও পায়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এ সময় বাবুসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে লুকআউট ম্যান হিসেবে নজরদারি করে। 

কমান্ডার আল মঈন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব উদ্যোগী ছিল। ১৭ মে এজাহারনামীয় আসামি দিপুকে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার করে পল্ল­বী থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। 

তিনি বলেন, গ্রেফতার মূল আসামি আউয়াল একজন আবাসন ও জমি ব্যবসায়ী। তার ছত্রছায়ায় সুমন সন্ত্রাসী গ্রুপ দিয়ে জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তার করতো। আউয়ালের কাছ থেকে সুমনবাহিনীর সদস্যরা প্রতি মাসে ১০-১২ হাজার টাকা করে মাসোয়ারা পেতো। ক্ষেত্র বিশেষ কাজ অনুযায়ী অতিরিক্ত টাকা পেতো। সুমনের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, রিকশা টোকেন বাণিজ্য, মাদক এবং জুয়াসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতো। গত দুই মাসে তাদের বিরুদ্ধে পল্ল­বী থানায় ছয়টি মামলা হয়েছে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে এমএ আউয়াল এবং সাবেক মেজর মোস্তফা কামালের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। সাহিনুদ্দিন হত্যায় দুই গ্রুপেরই যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে মামলায় মেজর গ্রুপের কাউকে আসামি করা হয়নি। 

এ বিষয়ে র‌্যাব পরিচালক কমান্ডার আল মঈন বলেন, আউয়ালসহ যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সাবেক মেজর মোস্তফা কামালেরও সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে আমরা শুনেছি। তাই এ বিষয়টিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, সাহিনুদ্দিনরা ওই এলাকার স্থানীয় লোক। আউয়াল সেখানে প্রকল্প শুরুর পর ২০০৪ সাল থেকেই সাহিনুদ্দিন পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সরকারি জমি দখলের পাশাপাশি সাহিনুদ্দিন পরিবারের জমিও দখল করতে চান আউয়াল। কিন্তু সাহিন তাতে বাধা দিচ্ছিলেন। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও কখনো কখনো তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। 
র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা এবং র‌্যাব-৪ এর অভিযানে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুরের হাইমচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাত তিনটার দিকে ভৈরব সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এমএ আউয়াল এবং বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে পটুয়াখালি থেকে জহিরুল ইসলাম বাবুকে গ্রেফতার করা হয়। 

ডিবি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মানস কুমার পোদ্দার জানান, সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন বেপারী ও তার সহযোগী রকিকে বুধবার রাতে পল্ল­বী ও রায়েরবাগ থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম।

গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আহসান খান জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় যাত্রাবাড়ী থানার রায়েরবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যার পরিকল্পনা ও নেতৃত্বদানকারী সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। সুমনের দেওয়া তথ্যমতে পল্ল­বী থানার স্কুল ক্যাম্প কালাপানি এলাকা থেকে অপর অভিযুক্ত রকিকে গ্রেফতার করা হয়।

সুমন বাহিনীর সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে পল্লবী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী যুগান্তরকে বলেন, এই বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ১০-১২টি মামলা আছে। অর্ধশতাধিক জিডি আছে। বেশ কয়েকবার তাদের গ্রেফতার করা হলেও জামিন পেয়ে তারা আবারও অপকর্মে লিপ্ত হয়। সাহিনুদ্দিনকে কোপানোর ঘটনায় মানিক এবং মনিরের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এই মানিক ও মনিরকে মাদক ও ডাকাতির মামলায় তিন মাস আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সুমনকেও এক মাস আগে গ্রেফতার করা হয়ছিল। কয়েকদিন আগে সে জামিন পেয়েছে। 

উল্লেখ্য, ১৬ মে পল্ল­বীতে নিজ শিশু সন্তানের সামনে চাপাতি ও রামদাসহ অন্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে সাহিনুদ্দিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বাদী হয়ে পল্ল­বী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি, ইসলামি গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এবং তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এমএ আউয়ালসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। 

এ ছাড়া আরও ১৪-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলায় এমএ আউয়াল ছাড়া আসামি হিসেবে অন্য যাদের নাম উল্লে­খ করা হয়েছে, তারা হলেন- আবু তাহের, সুমন, মুরাদ, মানিক, শফিক, টিটু, রাজ্জাক, শফিক (২), কামরুল, কিবরিয়া, দিপু, মরণ আলী, লিটন, আবুল, ন্যাটা সুমন, কালু ওরফে কালা বাবু, বাবু ওরফে বাইট্যাব বাবু ও বাবু ওরফে ইয়াবা বাবু। সূত্র:   যুগান্তর প্রতিবেদন 

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ  

দুই ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মাগুরার মহম্মদপুরের শালিখা থানা পুলিশ

  

মাগুরার শালিখা থেকে আটক আন্তঃ জেলা দুই ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। শালিখা থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে তাদেরকে আটক করে। তাদের নামে শালিখা থানায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

আটককৃত ইসমাইল (৩৮) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের গবরনাদা গ্রামে ও হাসান (৫৫) একই ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামে বাড়ী৷

শালিখা থানা ওসি তদন্ত গৌতম কুমার জানান এই চিহ্নিত ডাকাতেরা বিভিন্ন সময় কৌশল অবলম্বন করে মাগুরার বেশ কয়েতটি স্থানে ডাকাতি পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে গত ১০ মার্চ শালিখা উপজেলার রামপুর ও বুনাগাতি সড়কের মাঝামাঝি ডাকাতি করে মটর সাইকেল, মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়৷ এদের এক এক জনের বিরুদ্ধে থানায় ২/৩ টি করে মামলা রয়েছে৷

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক পথে এরা ডাকাতির অভিযোগ আছে। মঙ্গলবার তাদেরকে আটকের পর বুধবার সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

//শ্যামল বিশ্বাস, মহম্মদপুর মাগুরা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে শিশু বলাৎকার: নির্যাতনকারী শিক্ষক গ্রেফতার

 

চট্টগ্রামে শিশু বলাৎকার: নির্যাতনকারী শিক্ষক গ্রেফতার

চট্টগ্রামে হেফজখানার ১১ বছর বয়সী শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিজানুর রহমান কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার টেংবাজার এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র।
গত বুধবার রাতে নগরীর বায়োজিদ বোস্তামি থানার রুবি গেইট এলাকার হেফজখানা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরীর বায়োজিদ জোনের পুলিশ কমিশনার মো: শাহ আলম।
হতভাগ্য শিশুর বাবা জানান, আমি একজন দরিদ্র রিক্সা চালক। ছেলেকে কোরআনে হাফেজ বানানোর জন্যে তিন হাজার টাকা খরচা দিয়ে হেফজখানায় ভর্তি করে দিয়েছি।
ঈদের ছুটির পরে ছেলেকে হেফজখানায় দিয়ে আসি। আজ সকালে রিক্সা নিয়ে বের হলে ছেলে মাদরাসা থেকে পালিয়ে চলে এসেছে বলে খবর পাই। মাদরাসা থেকে এসে ছেলে অসুস্’ হয়ে পড়েছে।
বাড়ী গিয়ে দেখি ছেলের পায়ুপথ ফুলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। পরে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে হুজুরের নির্যাতনের কথা জানায়।
 শিশুটি জানায়, হুজুর বিভিন্ন সময় জোর পূর্বক নির্যাতন করত। কথাটি কাইকে না জানানোর জন্যে ওয়াদা করিয়েছে। হুজুরের নির্যাতনের কথা কাউকে জানালে মা, বাবাকে মামলা দিয়ে জেলের ভাত খাওয়াবে বলে ভয় দেখান।
আমি বিষয়টি বায়োজিদ বোস্তামি থানায় জানালে তারা আমাকে হুজুরের বিরোদ্ধে মামলা করতে বলেন। তাই আমি মামলা করেছি। আমি এ অনৈতিক কর্মকান্ডের বিচার চাই। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কর্মকান্ড করতে সাহস না দেখায়।
এ ব্যাপারে বায়োজিদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার জানান, ভুক্তভোগি শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে শিশু নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া জানান, শিশুটিকে বিকালে হাসপাতালের জরুরী  বিভাগে আনা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান- স্টপ ক্রাইসিস সেন্টরে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো

রাণীশংকৈলে মোবাইল ফোনে ইউএনও পরিচয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা দুই প্রতারকের

 

ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকৈলে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভুয়া ইউএনও’ পরিচয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা দুই প্রতারকের। ভক্তভোগী মৃত রাম শরণ ভক্তের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমার ভক্ত।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারকের খপ্পরে পরে হেনস্ত হয়ে অবশেষে বুঝতে পারেন তাকে নিয়ে ফাঁদ পাতা হয়েছে অর্থ আত্মসাতের জন্য।উপজেলার এ বীর মুক্তিযোদ্ধা জানান , অচেনা দুটি মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন আসে আমার কাছে। একজন ইউএনও অপরজন ব্যাংক কর্মকর্তা। নানান কথার অবসান ঘটিয়ে মোবাইলের নগদ মাধ্যমে দাবী করেন ৪২ হাজার ২০০ টাকা। এ টাকা মোবাইলে পরিশোধ করলেই পেয়ে যাবেন বেশ মোটা অংকের টাকা।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার দুপরে বসে বাড়িতে টিভি দেখছিলেন এ বীর মুক্তিযোদ্ধা। ইউএনও পরিচয়ে ফোন দেন এক প্রতারক। বলেন মুজিবর্ষ উপলক্ষে আপনার জন্য একটি অনুদান এসেছে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

 

শুরুটা এভাবে হলেও প্রতারণার জাল পেতে সোনালী ব্যাংকের জিএম পরিচয়ে মোবাইল ফোনে আরেক প্রতারক একই কথা বলে মুক্তিযোদ্ধার সাথে। টাকা পাইয়ে দিতে বিনিময়ে টাকা দিতে হবে মোবাইলে নগদ মাধ্যমে।

যদিও দু’জন কর্মকর্তার ফোন পেয়ে বিচলিত হয়ে উঠেন তিনি, তবুও মনে সন্দেহ বাসা বাঁধে। বুঝতে পারেন অপর প্রান্তে থাকা দু ব্যক্তিই প্রতারক।

কোনমতে এ মোবাইল ফাঁদ থেকে বেচে যান ঐ মুক্তিযোদ্ধা। হাফ ছেড়ে ছুটে আসেন রাণীশংকৈল নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে।

প্রতারকের বিষয়টি ইউএনও কে জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমার ভক্ত ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির জানান, বিষয়টি জানার সাথে সাথে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অবহিত করেছি।।

প্রতারক দুজনের মোবাইল নাম্বার দেয়া হলো-ভূয়া ইউএনও (০১৮৭৭৬২০০৯৭) ভূয়া ব্যাংক কর্মকর্তা( ০১৮৮৮২৬৭৫৬৬)

।।মাহাবুব আলম ,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

 

 

নড়াইলে গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক

 

নড়াইল সদর থানার পৌরসভাস্ত ভওয়াখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রাজু আহম্মেদ (২২) নামে এক গাঁজা ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে নড়াইল ডিবি পুলিশের একটি চৌকষ দল। ১৮ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে ৪ শত গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।আটকটকৃত রাজু চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর থানার কাশিপুর গ্রামের আরশেদ মন্ডলের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই দিন দুপুরে এস,আই, দেবব্রত চিন্তাপাত্র ও এএসআই সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল পৌরসভার ভওয়াখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজুকে ৪ শত গ্রাম গাঁজা সহ হাতে নাতে আটক করে।
এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দ (ডিবি) পুলিশের এসআই দেবব্রত চিন্তাপাত্র বলেন, আটকটকৃত রাজুকে নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীঃ

 

 

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে চাঞ্চল্যকর মনির হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন আটক-১

 

পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী থানাধীন বড়বাইশদিয়া ইউনয়িনের টুঙ্গিবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা মনির সিকদার (৪২) (মুদি দোকানদার) পিতা-মোসলেম সিকদার, গ্রাম-কাটাখালী, থানা-রাঙ্গাবালী জেলা-পটুয়াখালী গত ১৪-০৫-২০২১ খ্রিঃ রাত অনুমান ১১:১৫ ঘটিকায় নিজ বাড়ী থেকে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার শেষে দোকানে ঘুমানোর উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়।

 

রাত অনুমান ১১:৩০ ঘটিকায় রাঙ্গাবালী থানাধীন টুঙ্গিবাড়ীয়া সাকিনস্থ কাটাখালী এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জনৈক জাফর আকন এর বাড়ীর দক্ষিন পাশে কাঁচা রাস্তার উপর পৌঁছাইলে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা মনির সিকদারকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে পালিয়ে যায়।

মোঃ মনির সিকদারকে তার আত্মীয়-স্বজন কলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন।

 

এ সংক্রান্তে তার পিতা মোঃ মোছলেম সিকদার (৬৫), পিতা-মৃত বেলায়েত সিকদার, সাং-কাটাখালী, ০৫নং ওয়ার্ড, থানা-রাঙ্গাবালী জেলা-পটুয়াখালীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাঙ্গাবালী থানার মামলা নং-১০, তারিখ-১৫-০৫-২০২১ খ্রি: ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। ক্লুলেস এই খুনের ঘটনা সংগঠিত হওয়ার পরপরই জনাব মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ পিপিএম, পুলিশ সুপার পটুয়াখালী মহোদয়ের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কলাপাড়া সার্কেল) এর নেতৃত্বে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের একটি চৌকস টিমকে ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন।

 

ঘটনা সংগঠিত হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে উক্ত টিম ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং আসামী মোঃ জাকির আকন (৩৮), পিতা-মৃত হানিফ আকন, সাং-টুঙ্গিবাড়ীয়া, থানা-রাঙ্গাবালী জেলা-পটুয়াখালীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ জাকির আকনের স্ত্রী মোসাঃ নাছিমা বেগমের সাথে ভিকটিম মোঃ মনির সিকদার এর পরকীয়া প্রেমের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতিভাবে অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় ভিকটিম মোঃ মনির সিকদারকে খুন করেছে মর্মে প্রাথমিক তদন্তে প্রতিয়মান হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রচষ্টো অব্যাহত রয়েছে।

// মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে ফেসবুক লাইভে এসে আকাশ নামক যুবকের আত্মহত্যা