সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় তামিমের

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//
গুঞ্জনটা জোরালো হচ্ছিল গতকাল রাত থেকেই। হুট করেই গতকাল রাতে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজ কাভার করতে আসা সাংবাদিকদের নিয়ে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলন করার কথা জানান তামিম ইকবাল। তখন থেকেই তামিমের অবসর নিয়ে যত জল্পনাকল্পনার শুরু।

শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। আজ চট্টগ্রামের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে তামিম বিদায় জানিয়ে দিলেন সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। গত বছর ১৬ জুলাই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তামিম। এবার ওয়ানডে ও টেস্ট থেকেও অবসরের ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ওপেনার।

সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসজল চোখে তামিম বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেক দিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।’

জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে কোলাহলের মধ্যে তামিম এসে সবাইকে অনুরোধ করেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে দুইটা মিনিট কথা বলতে দেন।’ এরপর অবসরের ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে তামিম বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে এটাই সঠিক সময় সরে দাঁড়ানোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে। সবাইকে ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন।’

এরপর তামিমের গলা ধরে আসে। কান্নাভেজা কণ্ঠে কিছুটা ডুকরে উঠে সময় নিয়ে বলেন, ‘আমি সব সময়ই একটা বলেছি,  আমি ক্রিকেট খেলি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য। আমি জানি না তাকে কতটা গর্বিত করতে পেরেছি এই ১৬ বছরে।’

তামিম এই কথা বলার সময়ও কেঁদেছেন। এরপর বলেছেন, ‘আমি আরও কয়েকজনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার সবচেয়ে ছোট চাচা, যিনি ইন্তেকাল করেছেন, তাঁর নাম আকবর খান, যাঁর হাত ধরেই আমি প্রথম ক্রিকেট বলে টুর্নামেন্ট খেলেছি। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে তপন দা নামের একজন কোচ আছেন, তাঁর কাছে আমি ঋণী।’

তামিম এই কথা বলার সময় পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিল সংবাদ সম্মেলনে। শুধু ক্যামেরার শাটার ক্লিকের আওয়াজ শোনা গেছে আর তামিমের ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠার শব্দ।

ধরে আসা গলাতেই বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা এই ওপেনার বলেছেন, ‘আসলে আমার খুব বেশি কিছু বলার নেই। আমি একটা জিনিসই বলতে চাই, সেটি হলো, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি ভালো খেলার। আমি আসলেই নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আমি কতটা ভালো খেলোয়াড় ছিলাম, আদৌ ভালো ছিলাম কি না, আমি জানি না। তবে আমি সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, আমি আমার শতভাগ দিয়েছি।’

তামিমের মুখভঙ্গি, চোখেমুখে প্রকাশ পাওয়া আবেগ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল অনেক কিছুই বলতে চান কিন্তু পারছেন না। কথায় সেই শোকতাপের সুর তুলেই বললেন, ‘আমি অনেক কিছু বলতে চাই আসলে, কিন্তু আপনারা দেখছেন, আমি কথাই বলতে পারছি না। আমি আশা করি আপনারা পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করবেন। কথা বলার জন্য এটা খুব আদর্শ পরিস্থিতি নয়। বিশেষ করে এত বছর পর খেলার পর এই খেলাটাকে বিদায় বলাটা খুব সহজ কিছু নয়।’

ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তামিমের। ২০০৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কেনিয়ার বিপক্ষে দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজের ঘরের মাঠে এই সংস্করণেই তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন তামিম। ২৪১ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৬.৬২ গড়ে ৮৩১৩ রান করেছেন, সেঞ্চুরি ১৪টি, ফিফটি ৫৬টি।

টেস্টে ৭০ ম্যাচে ৩৮.৮৯ গড়ে ৫১৩৪ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১০টি ও ফিফটি ৩১টি। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি করেছেন তামিম।

টি–টোয়েন্টিতে ৭৪ ম্যাচে ১৭০১ রান করেছেন তামিম। এই সংস্করণে দেশের হয়ে শুধু তামিমই সেঞ্চুরি করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫ সেঞ্চুরি করা তামিম তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৫ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেশের আর কোনো ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত রান করতে পারেননি।

 

 

ঋণের সুদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিস্তারিত

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

ঋণের সুদহার বাড়ানো শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। গ্রাহক ভেদে ঋণের সুদহার বছরে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ইতিমধ্যে নতুন সুদহার আরোপ করে বাড়তি কিস্তিও কাটা শুরু হয়েছে। গ্রাহককে আগাম কোনো তথ্য জানানো হয়নি। প্রতি মাসে ঋণের কিস্তি দিতে হয়, এমন যাঁদের ব্যাংকঋণ রয়েছে, তাঁদের চলতি মাসের কিস্তিতে বাড়তি টাকা দিতে হবে। আবার কিছু ব্যাংক অপেক্ষা করছে পরিস্থিতি বুঝে ওঠার জন্য। তবে ব্যাংকগুলো ঋণের সুদ যেভাবে বাড়িয়েছে, আমানতের সুদে সেভাবে হাত দেয়নি। তারল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে অনেক ব্যাংক পরবর্তী সময়ে আমানতের সুদহার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে আমরা বিনিয়োগের ওপর মুনাফা বাড়িয়েছি, যা ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা

বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি জুলাই থেকে স্মার্ট সুদহার নামে নতুন নিয়ম চালু করেছে। স্মার্ট হলো সিক্স মান্থস মুভিং এভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল। প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মে মাসে স্মার্ট ছিল ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা জুনে কমে হয়েছে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। কোনো ব্যাংক মে মাসের হার ও কোনো ব্যাংক জুন মাসের হারকে বিবেচনায় নিয়ে জুলাই থেকেই নতুন সুদ নির্ধারণ করছে। আর সুদহার নির্ধারণে বেশির ভাগ ব্যাংক একেবারে সর্বোচ্চ সীমাকে বেছে নিয়েছে। ব্যাংকগুলো তারল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সম্পদ-দায় ব্যবস্থাপনা কমিটি (অ্যালকো) আমানত ও ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে থাকে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান আনিস এ খান এ নিয়ে বলেন, সুদহার বাড়ার ফলে ঋণের চাহিদা কমবে, যা মূল্যস্ফীতি কমাতে সহায়তা করবে। এতে ব্যক্তি পর্যায়ে যাঁরা ঋণগ্রহীতা, তাঁদের ওপর চাপ পড়বে। এতে কিছু করার নেই। তবে ব্যাংকগুলো একেবারে সর্বোচ্চ সুদ নির্ধারণ না করে ধীরে ধীরে বাড়াতে পারে; যাতে গ্রাহকেরা সইতে পারেন। কিস্তির টাকা হঠাৎ বেড়ে গেলে তা খেলাপি হয়ে যেতে পারে। ঋণের সঙ্গে আমানতের সুদও বাড়াতে হবে, না হলে আমানতকারীদের আসলও হারিয়ে যাবে।

সিএমএসএমই খাতের রপ্তানি অর্থায়নে সুদ হবে ৯ শতাংশ। কৃষিঋণের সুদহার হবে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ ছাড়া করপোরেটদের চলতি মূলধন ঋণে সুদ হবে ১০ শতাংশ, রপ্তানিতে ৮ শতাংশ, গাড়ি কেনায় ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ ও অন্য সব ঋণে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ।

আগামী ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। আজ রোববার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলন কক্ষে

কোন ঋণে সর্বোচ্চ কত সুদ

ব্যবসায়ী ও ব্যাংকমালিকদের দাবির মুখে চালু হওয়া ৯ শতাংশ সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা থেকে চলতি জুলাইয়ে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। এই নিয়মে সব ধরনের ব্যাংকঋণের সুদহার বাড়ছে। এখন নতুন নিয়মে সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের ওপর, যা স্মার্ট নামে পরিচিত করার চেষ্টা চলছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের হারের সঙ্গে ৩ শতাংশ মার্জিন যোগ করে ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা যাবে। অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (সিএমএসএমই) ও ভোক্তা ঋণের আওতাধীন ব্যক্তিগত ঋণ ও গাড়ি ক্রয় ঋণে আরও ১ শতাংশ তদারকি মাশুল যুক্ত হবে। কৃষি ও পল্লি ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা যাবে স্মার্টের সঙ্গে ২ শতাংশ মার্জিন যোগ করে। জুনে স্মার্ট ছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ।

ফলে ব্যাংকঋণের সুদহার এখন ১০ দশমিক ১০ শতাংশ। আর সিএমএসএমই ও ভোক্তা ঋণের আওতাধীন ব্যক্তিগত ঋণ ও গাড়ি ক্রয় ঋণে আরও ১ শতাংশ তদারকি মাশুল যুক্ত করে সুদহার ১১ দশমিক ১০ শতাংশ। কৃষি ও পল্লি ঋণের সুদহার হবে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। আগে কৃষিঋণে সুদহার ছিল ৮ শতাংশ। অন্য সব ঋণে সুদহার ছিল ৯ শতাংশ। আর ক্রেডিট কার্ডে সুদহার আগের মতোই সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বহাল আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক যে সীমা দিয়েছে, আমরা সেটাই নতুন করে নির্ধারণ করেছি

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি জাফর আলম

সুদ বাড়ল কত: শরিয়াহ ব্যাংক

দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ ইসলামী ব্যাংকের। গত মার্চে ব্যাংকটির ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।

ব্যাংকটি নতুন করে আমানতের সুদহারে কোনো পরিবর্তন আনেনি। তবে জুলাই থেকে ঋণের সুদে পরিবর্তন এনেছে।

ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে সব শাখায় পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ও গাড়ি কেনার ঋণের সুদ হবে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর সঙ্গে ১ শতাংশ তদারকি মাশুল যুক্ত হবে। সিএমএসএমই ঋণে সুদ হবে ১১ থেকে ১১ দশমিক ১৩ শতাংশ। সিএমএসএমই খাতের রপ্তানি অর্থায়নে সুদ হবে ৯ শতাংশ। কৃষিঋণের সুদহার হবে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ ছাড়া করপোরেটদের চলতি মূলধন ঋণে সুদ হবে ১০ শতাংশ, রপ্তানিতে ৮ শতাংশ, গাড়ি কেনায় ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ ও অন্য সব ঋণে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে আমরা বিনিয়োগের ওপর মুনাফা বাড়িয়েছি, যা ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।’ একই রকম সুদহার নির্ধারণ করা শুরু করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকও। ব্যাংকগুলো সব চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি জাফর আলম বলেন, ‘আমরাও জুলাই থেকে বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার বাড়িয়েছি।’

এর বাইরে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে আগে কৃষি খাতে ঋণের সুদ ছিল ৪-৮ শতাংশ, নতুন করে তা বাড়িয়ে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। বড় করপোরেট, সিএমএসএমই ও বাণিজ্য খাতের ঋণের সুদ ৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ করা হয়েছে। রপ্তানি অর্থায়নে সুদহার ৭ থেকে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একই রকম সুদহার নির্ধারণ করেছে এক্সিম ব্যাংকও। ব্যাংকটির এমডি ফিরোজ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক যে সীমা দিয়েছে, আমরা সেটাই নতুন করে নির্ধারণ করেছি।’

প্রচলিত ধারার ব্যাংক

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক কৃষিঋণে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ, রপ্তানি অর্থায়নে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ নতুন সুদহার নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ছোট, মধ্য ও বড়দের সব ঋণের সুদহার ১০ দশমিক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। আগে কৃষিঋণে সুদহার ছিল ৮ শতাংশ, অন্য ঋণে ৯ শতাংশ। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বড়, ছোট ও মাঝারিদের জন্য মাশুল বাদে সুদহার ১০ দশমিক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, জুলাই থেকে নতুন সুদহার কার্যকর হয়েছে। এর আগে থেকে আমানতের সুদ বাড়ানোর জন্য চাপ শুরু হয়েছে। অনেক ব্যাংক ৮ শতাংশ সুদে আমানত নিচ্ছে। এর ফলে আমানত নিয়ে একটু টানাটানি শুরু হয়েছে। তারল্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও কয়েক মাস এমন চাপ থাকবে। এখন নতুন ঋণের তেমন চাহিদা নেই বললেই চলে।

ব্র্যাক ব্যাংক ছোট, মাঝারি ও বড়দের মেয়াদি এবং চলতি মূলধন ঋণের সুদহার ৮ দশমিক ১০ থেকে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ কার্যকর করেছে। একই সুদহার হবে বাণিজ্য অর্থায়ন, ভোক্তা ঋণ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে। আবাসন ঋণের সুদ হবে ৭ দশমিক ৫০ থেকে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ, কৃষি খাতে ৮ দশমিক ১০ থেকে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। ক্রেডিট কার্ডে সুদহার ১৭ থেকে ২০ শতাংশ। অন্যান্য ঋণের ৭ দশমিক ১০ থেকে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ। প্রাইম ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকে একইভাবে সুদহার বাড়িয়েছে।

না জানিয়ে বেশি কিস্তি কর্তন

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা দিয়েছে, গ্রাহককে না জানিয়ে কোনোভাবেই নতুন সুদহার প্রয়োগ করা যাবে না। তবে অনেক ব্যাংক তা মানছে না।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি বিভাগের কর্মকর্তা ফয়জুল্লাহ জিসান গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, প্রতি মাসে ইসলামী ব্যাংক গৃহঋণের কিস্তি কাটত ২৫ হাজার টাকা, কিন্তু এই মাস থেকে মূল্যস্ফীতি ও দুই অঙ্কের সুদের দোহাই দিয়ে কেটেছে ২৯ হাজার টাকা।

ইসলামী ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এ নিয়ে বলেন, গ্রাহককে জানিয়েই কিস্তি বেশি কাটার নিয়ম। কোনো গ্রাহককে জানানো না হলে সেটা ভুল হয়েছে। এটা শাখা পর্যায়ে সমাধান করে নেবে।

Daily World News

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে-সংসদে বিল পাশ

বিয়ে করবেননা ভেবেছেন….! তাহলেই পাবেন ভাতা

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে-সংসদে বিল পাশ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

স্বশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করার আগে তাকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এমন বিধান রেখে মঙ্গলবার সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল-২০২৩ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে।

বিলে স্বশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, অবসর-সুবিধা সরকারি চাকরি আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

বিরোধী দলের সদস্যরা এই আইন পাশের তীব্র বিরোধিতা করেন। যদিও তা আমলে নেওয়া হয়নি। বিলটি জাতীয় সংসদে পাশের জন্য তোলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে সংসদে পাশ হয়।

সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল ২০২৩-এ বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ১৫, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪ ও ৪৫ ধারার বিধান স্বশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকারের অধীন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

২০১৮ সালের আইনের ১৫ ধারায় বলা আছে, সরকারি গেজেট আদেশের মাধ্যমে কোনো সরকারি কর্মচারীর বা সব সরকারি কর্মচারীর বা সরকারি কর্মচারীর কোনো একটি অংশের জন্য বেতন, ভাতা, বেতনের গ্রেড বা স্কেল, অন্যান্য সুবিধা ও প্রাপ্যতা বা অবসর-সুবিধা সম্পর্কিত শর্তাদি নির্ধারণ করতে পারবে সরকার।

আর ৪১ ধারায় বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের আগে তাকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

বিলের বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান বলেন, এই আইন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। তিনি বলেন, ফৌজদারি মামলায় অভিযোগ গঠনের আগে যে কাউকেই গ্রেফতার করা হয়। এ জন্য কারো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের অভিযোগ গ্রহণের আগে গ্রেফতার করা যাবে না, এটা আইনের চোখে সবাই সমান- এই নীতির পরিপন্থি।

গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান বলেন, জনপ্রশাসনে আজ চরম বিশৃঙ্খলা। তারা ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স মানেন না। প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মচারী নিজেকে স্বঘোষিত মার্শাল আইয়ুব খান বা তার অনুসারী ভাবেন। তাদের ইচ্ছামতো স্বাধীন ও জনস্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ে গেলে দেখা যায় সচিব, অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্ম সচিব মন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকার পরও ঠিকমতো কাজ করেন না, গুরুত্ব দেন না। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা কোথাও গেলে তাদের গাড়ির বহর দেখে মনে হয় সরকারের কোনো উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী সেখানে গেছেন। বেশির ভাগ দপ্তরে জনপ্রতিনিধিদের প্রাপ্য সম্মান দিতে ইতস্ততবোধ করেন। কিছু ক্ষেত্রে মন্ত্রী মহোদয়দেরও অসহায় দেখা যায়। তাদের (মন্ত্রী) ইচ্ছা বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতেও গড়িমসি করেন।

মোকাব্বির খান বলেন, সরকার মনে করে জনপ্রশাসন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে তাদের হেফাজত করবে। এটা ভালো লক্ষণ নয়। এতে জনপ্রশাসনে বিশৃঙ্খলা আরও বাড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিত্তি দুর্বল হবে, জনস্বার্থ বিঘ্নিত হবে। কীভাবে কিছু আমলার কাছে আমাদের সংসদ সদস্যরা হেয়প্রতিপন্ন হন। এটার ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিলে জনপ্রতিনিধি ও জনগণ সম্মানিত হবেন।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি জানান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ৩৫, ৪০, ৫৫ এমনকি ৫৯ বছর পর্যন্ত চাকরির বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে একেবারে নিম্নপর্যায়ে আছে। বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হলে বেকার সমস্যা লাঘব হবে।

ভারত থেকে দেশে ঢুকল আরও ৪৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ- কমল দাম

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

ঈদুল আজহার টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর প্রথমদিনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬ ট্রাকে আরও প্রায় ৪৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ ঢুকেছে দেশে।

রোববার বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে আমদানিকৃত ভারতীয় কাঁচা মরিচের তিনটি চালান বেনাপোলে প্রবেশের পর রাতেই তা ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

এর আগে রোববার সকালে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছে ভারত থেকে আমদানি করা ৬ ট্রাক কাঁচা মরিচ।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, রোববার ভারত থেকে তিনটি চালানের বিপরীতে ৬ ট্রাকে ৪৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দরে পৌঁছেছে। এগুলো দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সীমান্তের ওপারে আরও কয়েক ট্রাক কাঁচা মরিচ এপারে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিন নিয়ে আসা কাঁচা মরিচের মধ্যে ঢাকার মেসার্স ঊষা ট্রেডিং দুটি ট্রাকে ২০ মেট্রিক টন ও এনএস এন্টারপ্রাইজ দুই ট্রাকে দেড় মেট্রিক টন এবং খুলনার এসএম করপোরেশন দু’টি ট্রাকে ১০ মেট্রিক টন আমদানি করে।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা কলিমুল্লাহ্ বলেন, জরুরি ও পচনশীল পণ্য হওয়ায় কাঁচা মরিচের চালানগুলো ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত খালাসের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের আমদানি মূল্য শূন্য দশমিক ২১৫ মার্কিন ডলার (২২ সেন্ট)। টাকার অঙ্কে ২৩ টাকা ৯৩ পয়সা। আর প্রতি কেজির বিপরীতে কাস্টম শুল্ক দিতে হয়েছে দশমিক ৫ মার্কিন ডলার (৫০ সেন্ট), যা টাকার অঙ্কে ৩৮ টাকা ৮২ পয়সা।

আমদানিকারক ঊষা ট্রেডিংয়ের সিএণ্ডএফ এজেন্ট বেনাপোলের রয়েল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, এদিন আমদানি হওয়া কাঁচা মরিচ তাদের রপ্তানিকারকরা বনগাঁসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজার থেকে সংগ্রহ করেছেন। আমদানি মূল্য ও কাস্টম শুল্ক ছাড়াও পরিবহনসহ দু’দেশের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে তাদের ২০ টনের পণ্য চালানটি ঢাকার বাজারে পৌঁছাতে আরও এক লাখ টাকার উপরে গুনতে হবে। সবমিলিয়ে ঢাকার পাইকারের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচের দাম পড়বে ১৫০-১৬০ টাকার মত। এর সঙ্গে বাজারের টোল ও সামান্য লাভ যোগ করে পণ্য বিক্রি করবেন।

প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভারত থেকে মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ঘাটতি ও উচ্চমূল্য ঠেকাতে ভারত থেকে এ পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৮৩০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

 

১৭ হাজার মুসল্লি গ্রেপ্তার হয়েছে হজ পালন করতে গিয়ে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

হজ পালন করতে সৌদি আরব যাওয়া ১৭ হাজারের বেশি মুসল্লিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা কর্মীরা। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও হজ করতে গেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলে।

শনিবার সৌদি প্রেস এজেন্সি এক রিপোর্টে এ তথ্য জানায়। খবর আরব নিউজের।

সৌদি আরবের পাবলিক নিরাপত্তা পরিচালক এবং হজ নিরাপত্তা কমিটির প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মাদ আল-বাসামি বলেন, তারা অবৈধভাবে হজ করতে এসেছিলেন। অবৈধভাব হজ করতে আসা ১৭ হাজার ৬১৫ জন মুসল্লিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বাসামি জানান, এর মধ্যে আবাসিক আইন ভঙ্গ, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন না মানায় ৯ হাজার ৫০৯ জনকে এবং ভুয়া হজ ক্যাম্প পরিচালনার দায়ে ১০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২ লাখ ২ হাজার ৬৯৫ জনকে মক্কা সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। হজ করার জন্য তাদের কোনো অনুমিতপত্র ছিল না। এ ছাড়া লাইসেন্স না থাকা ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৯৯টি গাড়ি মক্কায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

আল-বাসামি বলেন, পারমিট না থাকা হজযাত্রীদের পরিবহনকারী ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাসপোর্ট জেনারেল ডিরেক্টরেটের অধীনে প্রশাসনিক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

আল বাসামি বলেন, এ বছর হজে হাজিদের নিরাপত্তার জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে অনেক প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ কার্ডে প্রতিবন্ধী আঁখির আঁকা ছবি

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্ম নেওয়ায় যে সন্তানকে এক প্রকার ‘বোঝা’ হিসেবে মনে করে মানসিক কষ্টে ছিলেন আরিফা আক্তার আঁখির মা ও বাবা। সেই সন্তানকে নিয়ে এখন গর্ব করছেন শাহনাজ পারভীন ও আনারুল ইসলাম।

শুধু মা-বাবাই নন, আঁখিকে নিয়ে এখন গর্ব করছে গোটা দিনাজপুরবাসী। এবার পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা কার্ডে স্থান পেয়েছে আঁখির হাতে আঁকা দিনাজপুরের ঈদগাহ মাঠের ছবি।

আঁখির আঁকা এ ছবিতে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে অবস্থিত এশিয়ার সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মিনার ও ঈদ জামাতের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। আঁখির আঁকা ছবিতে এবার ঈদের রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বার্তা বহন করায় এখন অন্যরকম ঈদের আমেজ বইছে প্রতিবন্ধী এ শিক্ষার্থীর পরিবারে।

জন্ম থেকে শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী আরিফা আক্তার আঁখি দিনাজপুর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা এলাকার পুরাতন পুস্তক ব্যবসায়ী আনারুল ইসলামের মেয়ে। সে দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। শিশুকালেই তার বাবা-মা আঁখির বিশেষ প্রতিভার সন্ধান পান।

আঁখির মা শাহনাজ পারভীন বলেন, আমার মেয়ে যখন জন্মগ্রহণ করে তখন এ রকম একটা মেয়ে আমার ঘরে জন্ম নিল-এই ভেবে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। যখন সে ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করলো, তখন তাকে স্কুলে ভর্তি করলাম। যতই বড় হচ্ছে, ততই তার মধ্যে প্রতিভা জেগে উঠছে।

তিনি বলেন, ছবি আঁকতে পছন্দ করে আঁখি। মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, পরিবেশ, আকাশ, প্রকৃতিসহ বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকতে ভালো লাগে তার। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ছবি আঁকার প্রতিযোগিতায় সবার নজর কাড়ে আঁখি। এ জন্য স্থানীয়ভাবে অসংখ্য পুরস্কার রয়েছে আঁখির ভাণ্ডারে।

শিশুকাল থেকে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করে আঁখির পরিবার। কিন্তু কথা বলতে ও শুনতে না পারায় স্বাভাবিক পড়ালেখা সম্ভব হয়নি তার। এক সময় ছবি আঁকতে শুরু করে সে। মেয়ের আগ্রহ দেখে পরিবার তার পাশে দাঁড়ায়। ভর্তি করে দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে। পাশাপাশি একটি আর্ট স্কুলেও ভর্তি হয় আঁখি।

মা শাহনাজ পারভীন জানান, ঢাকায় ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় তার মেয়ে প্রথম হয়েছে।

আঁখির বাবা আনারুল ইসলাম বলেন, আমার মেয়ের আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর ঈদ কার্ডে স্থান পেয়েছে। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। এ ঈদের আমার পরিবারের জন্য এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে।

নিজের আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ কার্ডে স্থান পাওয়ায় অত্যন্ত খুশি প্রতিবন্ধী আরিফা আক্তার আঁখি। ইশারা ইঙ্গিতে নিজের ভাষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ জানায় সে। একইসঙ্গে আঁখি তার স্বপ্নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়-তার ইশারার ভাষা তেমনই।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড নিয়ে সম্প্রতি শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গায় আঁখির বাসায় হাজির হন ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের মূল পরিকল্পনাকারী জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড আঁখির হাতে তুলে দেন।

এ সময় তিনি বলেন, আঁখির প্রতিভায় দিনাজপুরবাসী গর্বিত। শারীরিক প্রতিবন্ধীরা যে সমাজের বোঝা নয়, বরং সম্পদ-তা আঁখি প্রমাণ করেছে। আঁখির এ ছবি শুভেচ্ছা কার্ডে সংযুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

আঁখির আঁকা ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ঈদগাহ ময়দানের ছবি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ কার্ডে স্থান পাওয়ায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আঁখিকে ঈদের শুভেচ্ছা পাঠানো হয়।

Daily World News

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারী আটক

ডুমুুরিয়া বড় বাজার ধান চাউল ব‍্যবসায়ী সমিতির কমিটি গঠন

ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা //

ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবে এক সাধারণ সভা ২৪ জুন  শনিবার সকালে ক্লাব ভবনের অনুষ্ঠিত হয়।

ক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহাতাব হোসেন এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কার্য-নির্বাহী সদস্য এম এ এরশাদ, সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ এলিন,সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান বিপ্লব, দপ্তর সম্পাদক শেখ আব্দুল মজিদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ বাচ্চু, নির্বাহী সদস্য সুজিত মল্লিক, সাব্বির খান ডালিম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, ইলিয়াস হুসাইন, আশরাফুল আলম, বাবুল আক্তার, আতিয়ার রহমান বদিয়ার, হাবিবুর রহমান প্রমুখ। সভার শুরুতে সদ্য প্রায়ত সাংবাদিক উদয় চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক আশরাফুল আলমের মাতা, ও মরহুম খান আজিজুর রহমান ও ফিরোজ খানসহ সকলের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন , প্রায়ত সাংবাদিক উদয় চক্রবর্তী’র মৃত্যু জনিত কারণে সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদটি শুন্য হয়। সভায় সর্ব-সন্মতিক্রমে সিনিয়র সাংবাদিক সাব্বির খান ডালিমকে ওই পদে স্থালভুক্তি করা সহ নতুন সদস্য নবায়ন, অবকাঠানোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

খুলনার ডুমুরিয়ার পাট চাষী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা //

খুলনার ডুমুরিয়ায় পাট অধিদপ্তরের আয়োজনে ২৪ জুন  শনিবার সকালে উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পাট চাষী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা পরিষদের হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান।

সমাবেশের সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্যদেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ,পাট অধিদপ্তর ঢাকা’র সহকারি প্রকল্প পরিচালক মোঃ কামাল উদ্দীন, পাট অধিদপ্তরের খুলনা’র সহকারি গোলাম সরোয়ার তালুকদার,খুলনার পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা বাসুদেব হালদার,মোংলা’র(বাগেরহাট) মূখ্য পরিদর্শক সরোজিৎ সরকার,দপ্তরের খুলনার সহকারি পরিচালক (পরীক্ষণ) রাধেশ্যাম নাথ। পাট দপ্তর খুলনার পরিদর্শক মোঃ মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্যদেন উপজলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিদ হোসেন, ডুমুরিয়ার উপসহকারি পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা নিলয় মল্লিক, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু,পাট চাষী আবু হানিফ মোড়ল, প্রমূখ। সভায় অতিথিবৃন্দ পরিবেশ এবং স্বাস্হ্যের জন্যে ক্ষতিকর পলিথিন ও প্লাস্টিক সামগ্রী বর্জন করে পাটের বহুমূখি ব্যবহারের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সমাবেশে ডুমুরিয়া ও পাইকগাছা উপজেলার ২’শ জন পাট চাষী সমাবেত হন।

অপরাধ প্রবণতা ও মাদক রোধে বিট পুলিশিং অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: সুশান্ত সরকার এএসপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার  বলেছেন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেই বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। অপরাধ প্রবণতা ও মাদক রোধে এই বিট পুলিশিং অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

সমাজের প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে বিট পুলিশিংয়ের কাজ তরান্বিত করতে হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। যা অল্প সময়ে পুলিশ সব ঘটনার মূল আসামিদের আটক করেছে। এগুলো নৈতিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের অবক্ষয় বলে প্রতীয়মান হয়। একটা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ যখন তাদের দায়িত্ব পালন করে না তখন এসব সামাজিক সমস্যার উতপত্তি হয়।

অপরাধ প্রবণতা ও মাদক রোধে বিট পুলিশিং অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: সুশান্ত সরকার এএসপি

তিনি আরো বলেন, করোনাকালে পুলিশ যেমন লাশ দাফন, জনগণকে খাবার পৌঁছে দিয়ে, রোগী ভর্তি করে সেবা দিয়েছে; সেভাবে সমাজ থেকে নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা, হত্যাসহ অন্যান্য সামাজিক অপরাধ নিবারণ করছে।

বিট পুলিশিংয়ের সদস্যরা সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার নিমিত্তে কমিউনিটি পুলিশিং কাক্রম, বিভিন্ন মিটিং ও উঠান বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমাজের সমস্যা সম্পর্কে অবগত হতে পারে এবং সমস্যার সমাধান করতে পারে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিট পুলিশ কর্মকর্তারাও যুব সমাজকে সঠিক পথেআনার জন‍্য কাজ করে যাচ্ছে।

এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের সব স্তরের মানুষকে সংগঠিত করে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে সকলকে কাজ করতে হবে।

পুলিশসহ সবাই যদি তার নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে, তাহলে সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, হত্যা, মাদক ও দুর্নীতি দূর করে একটা আদর্শ কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

রূপসা থানার আয়োজনে বিট পুলিশিং  কমিটির সমাবেশ ২২জুন বেলা ১১টায়  থানা চত্বরে অনুষ্ঠিত  সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা এ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:হাফিজুর রহমান বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বলেন, সন্ত্রাসী যে কেউ হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না। সমাজ বিশৃংখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।  মানুষকে হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্থ করলে তার কোন ছাড় হবে না। এক্ষেত্রে পুলিশও যদি জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের  সবাইকে ভাল থাকতে হবে। মাদক নির্মুল করতে হবে। এজন্য পুলিশের পাশাপাশি সাধারন মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।  যোগ্য সন্তান তৈরী করতে হলে মাদক থেকে দুরে রাখতে হবে। সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে  তুলতে হবে।

রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা  পুলিশিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাসেম ডাবলু, উপজলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, ইউপি চেয়ারম্যান মো:জাহাঙ্গীর শেখ,মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, কামাল হোসেন বুলবুল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ওসি তদন্ত মো:সিরাজুল ইসলাম,সেকেন্ড অফিসার এস আই আবুল কাইয়ুম, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ প্রচার সম্পাদক সোহেল জুনায়েদ, পুলিশিং কমিটি ও  ইউপি সদস‍্য  মো: মনিরুজ্জামান,মনিরুল ইসলাম বুলু, আ:গফুর খান, ইনতাজ মোল্লা, মো: মঈন শেখ, মনির হোসেন মোল্লা, আকলিমা খাতুন তুলি, শেখ মাসুম,জাকির মোড়ল,কামরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বাবু,দাউদ শেখ, শফিকুল ইসলাম, সমর মন্ডল, সহাদেব বৈরাগী,মনিরুল ইসলাম, সাগর শেখ, ফরহাদ শেখ, শাকিল শিকদার, মাধুরী সরকার,স্বপ্না পাল,জেসমিন বেগমসহ অনেকেই।

Daily World News

খুলনার রূপসায় ক্লাস্টার চাষীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ডুমুরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পইন ও ওষুধ বিতরন

খুলনার রূপসায় ক্লাস্টার চাষীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

//রূপসা প্রতিনিধি//

খুলনার রূপসা উপজেলায় সাসটেনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট এর আওতায় দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা ক্লাস্টার চাষীদের এ্যাডভান্সড টেকনিক্যাল ট্রেইনিং শীর্ষক ক্লাস্টার চাষীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ব্যাচ—২ রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ—পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল এবং প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন রূপসা উপজেলা মৎস্য সিনিয়র অফিসার বাপি কুমার দাশ।

এ প্রশিক্ষনে ক্লাস্টার ভিত্তিক গলদা চিংড়ি চাষের মাধ্যমে নিরাপদ উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, মৎস্য চাষীবৃন্দের জীবন মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।