খুলনার রূপসায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম

//এম মুরশীদ আলী//

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম “জীবনেও সাথী, মরণেও সাথী” এরই ধারাবাহিকতায় সমাজের দুস্থ, গরিব ও বয়স্কদের মাসিক ভাতা, শীতবস্ত্র বিতরণ, বিভিন্ন দুর্যোগে দুর্গত এলাকায় সেবা ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করেছে আঞ্জুমান। এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা প্রদান করে আঞ্জুমান। অধিকন্তু, জেলা শাখার মাধ্যমে দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ এবং নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার কার্যক্রম পরিচালনা করছে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। বেওয়ারিশ লাশ দাফনের ঐতিহাসিক কর্মধারার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে লাশ বহনের কাজ অব্যাহত রেখেছে সংস্থাটি।

এরই অংশ বিশেষে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম গত ২৮ জানুয়ারী সকালে, রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন ইলাইপুর গ্রামে মৃত: দলিত উদ্দিন, এর বাড়ির চত্বরে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সংস্থা কর্তৃক দুস্থ, গরিব ও বয়স্কদের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের ট্রাষ্টি সহ সভাপতি চেয়ারম্যান কো-অডিনেশন কমিটি মোঃ আজিম বস্ক, নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক মোঃ সামছুল আলম, নারায়নগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক যুগ্ম সচীব এসএম হারুনার রশিদ, কর্নেল (অবঃ) শেখ আকরাম আলী, কো-অর্ডিনেশন অফিসার মোঃ আব্দুল আওয়াল।

সংস্থাটি’র শীতবস্ত্র বিতরণী সভা পরিচালনা করনে খুলনার বাণী পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আরিফুল ইসলাম রিপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোটের আইনজীবি মো. সফিউল আলম, নৈহাটী ইউপি সদস্য মো. কামরুজ্জামান সোহেল, আ’লীগ নেতা আমজেদ হোসেন, আসমান শেখ, রহমত মৃধা, বাকি বিল্লাহ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন প্রমূখ।

বরগুনার আমতলী পৌরসভায় বিতরণ করা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৫০০ কম্বল

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার আমতলী পৌরসভায় এ কম্বল বিতরন করা হয়। পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান কম্বল বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমতলী পৌরসভায় অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ দিয়েছেন। শুক্রবার আমতলী পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান পৌরসভা প্রাঙ্গণে এ কম্বলগুলো বিতরণ করেন।

বরগুনার আমতলী পৌরসভায় বিতরণ করা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৫০০ কম্বল

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান,প্যানেল মেয়র মোঃ হাবিবুর রহমান, নারী কাউন্সিলর মোসাঃ লিপি বেগম, মোসাঃ ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
৮০ বছরের বৃদ্ধা আয়শা বেগম কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনার লইগ্যা দোয়া হরি। এই শীতে মুই একখান কম্বল পাইছি, এহন আর শীতের কষ্ট করতে হইবো না। রাইতে ভালো কইররা ঘুমাইতে পারমু।
আমতলী পৌর সভার মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপকার।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নেন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আমতলী পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য শীতকষ্ট দুরকরনের জন্য কম্বল দিয়েছেন। এই কম্বলগুলো বিতরন করেছি।

ডুমুরিয়ায় ১৯ জানুয়ারি থেকে ৫ দিনব্যাপি জলাতঙ্ক নিরাময়ে কুকুরকে টিকাদান কার্যক্রমে অবহিত করন সভা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার উদ্যেগে জলাতঙ্ক নির্মূলে আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুীয়ারি পর্যন্ত ডুমুরিয়া উপজেলা জুড়ে সকল কুকুরকে টিকাদান করা হবে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মোট ৩৩ টি টিম ৫ দিন ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রতিটি টিমে ৫ জন সদস্য থাকবেন। সদস্য ৫ জন হচ্ছেন ২’জন কুকুর ধরা বিশেষজ্ঞ, ১ জন টিকাদান কর্তা, একজন লোকাল ব্যক্তি এবং একজন ডাটা বেজ তৈরিকারক। এ উপলক্ষে এক অবহিত করণ সভা ১৬ জানুয়ারি সোমবার  সকাল ১১ টায় ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে’র সভাকক্ষে অনুুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুফিয়ান রোস্তম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আশরাফুল কবির, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার এমডিভি সুপারভাইজার মোঃ আজহারুল ইসলাম, ফিল্ড সুপারভাইজার মনির মুন্সী,ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহাবুব হাসান, সাব ইন্সপেক্টর আবু হাসান, ডাঃ মোঃ

নাইম, ডাঃ রিফাত রহমান প্রমুখ। ১৮ জানুয়ারি ৩৩টি।টিমের ট্রেনিং করা হবে বলে সভায় অবহিত করা হয়। রাশেদুল গাজী মৃত আব্দুল হামিদ গাজী

প্রথমবারের মত বরিশালে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে টোটাল ফিটনেস দিবস উদযাপিত

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

প্রথমবারের মত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে  টোটাল ফিটনেস দিবস উদযাপন করেছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল সুস্থ্য দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন । দুই  শতাধিক মানুষের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠানে ছিল প্রাণায়াম,মেডিটেশন যোগ ব্যায়াম শরীরের ভারসাম্য ব্যালেন্স পরীক্ষা জীবন ঘনিষ্ঠ আলোচনা ও সচেতনতামূলক বুলেটিন বিতরন। এর পর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা একটি বর্নাঢ্য রেলী করে বঙ্গবন্ধু উদ্যান হয়ে জর্ডন রোডস্থ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বরিশাল শাখায় আসেন।

শারীরিক ফিটনেস, মানসিক ফিটনেস, সামাজিক ফিটনেস ও আত্মিক ফিটনেস  এই চারটি শাখা  নিয়েই টোটাল ফিটনেস। মানুষ এখন স্বাস্থ্য সচেতন তাছাড়া করোনা মহামারীর পর থেকে মানুষের ফিটনেসের প্রতি আগ্রহ অনেকাংশে বেড়েছে । শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য মেডিটেশন এবং যোগব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশে এখন লক্ষ লক্ষ মানুষ শারীরিক ও মানসিক ফিটনেসের জন্য মেডিটেশন এবং যোগব্যায়াম করছেন।এর পরই আসে সামাজিক ফিটনেস।পারস্পরিক যোগাযোগ

সম্পর্ক, সহযোগিতাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে একজন মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাজে তার অবস্থানের উপর নির্ভর করে তার সামাজিক ফিটনেস। নিজের অন্তরের গভীরে ডুব দিয়ে কাজকে সেবায় পরিনত করার প্রক্রিয়াই হলো আত্মিক ফিটনেস। এই টোটাল ফিটনেস অর্জন করা মানে সব দিক থেকে ভালো থাকা।  ফলে একজন মানুষ যা যা ভাবতে পারে তাই অর্জন করতে পারে। একজন মানুষ যা যা চায় সে তাই পেতে পারে। এতে করে সে সুস্বাস্থ্য, সাফল্য, প্রাচুর্য ও প্রশান্তিতে জীবন পরিপূর্ণ করতে পারে।

সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে ঘন্টাব্যাপী একার্যক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী সালাহউদ্দিন  বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এম জি কবির ভুলু, শেবাচিম এর গাইনী বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ হাওয়া আক্তার জাহান, ডাঃ সাবরিনা সুলতানা, বরিশাল মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোফাজ্জল সারোয়ার, ঝালকাঠি মহিলা কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে বরিশাল শাখার পরিচালক ফয়সাল মাহমুদ সহ বিভিন্ন পেশা ও শ্রেনীর মানুষ অংশগ্রহণ করেন।সারাদেশের একশো’রও বেশী ভেন্যুতে পালিত হয় এ দিবসটি। তারা ধারাবাহিকতায় একই সাথে একই সময়ে বরিশালেও এ দিবসটি পালন করলো কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এ বছরের ন্যায় প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম শুক্রবার টোটাল ফিটনেস দিবস পালন করবে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। মূলত মানুষকে সচেতন করা এবং টোটাল ফিটনেসকে প্রতি মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার জন্যই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের এ আয়োজন।

চীনে কোভিডে মৃত্যু নিয়ে ব্রিটেনের রিপোর্ট শুনলে আপনি চমকে যাবেন….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

জানুয়ারিতেই চিনে কোভিডে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ২৫ হাজার ছোঁবে, উদ্বেগ বাড়াল নয়া রিপোর্ট।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিন দৈনন্দিন কোভিড-তথ্য প্রকাশ্যে না আনলেও, সে দেশে প্রতি দিন ৯ হাজার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন।

জানুয়ারিতেই চিনে কোভিডে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ২৫ হাজার ছোঁবে, দাবি ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

কোভিড নিয়ে চিনের ভোগান্তি আরও বাড়বে। এমনটাই মনে করছেন ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। রীতিমতো গাণিতিক পদ্ধতি অনুসরণ করে তাঁরা দেখিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে সে দেশের অন্তত ২৫ হাজার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে প্রতি দিন মারা যাবেন।

চিনের বিরুদ্ধে বার বার কোভিডের তথ্য লুকোনোর অভিযোগ তুলেছে পশ্চিমী মিডিয়ার একাংশ। ব্রিটেনের এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিন দৈনন্দিন কোভিড-তথ্য প্রকাশ্যে না আনলেও, সে দেশে প্রতি দিন ৯ হাজার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। গত সপ্তাহে এই সংখ্যাটা ৫ হাজারের নীচে ছিল বলে দাবি তাঁদের।

নির্দিষ্ট গাণিতিক মডেলের উপর ভিত্তি করে বিশেষজ্ঞদের দাবি, ১৩ জানুয়ারি চিনে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছবে কোভিড স‌ংক্রমণ। ওই দিন ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হতে পারেন। ২৩ জানুয়ারি সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ওই দিন ২৫ হাজার জনের মৃত্যু হতে পারে কোভিডে। সে ক্ষেত্রে চিনে কোভিডে মৃত মানুষের সংখ্যা হবে ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার।

চিনের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সে দেশে মাত্র কয়েক হাজার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বেজিং প্রশাসন জানিয়েছে, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা মাত্র দশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র প্রধান কিছু দিন আগেই কোভিড নিয়ে স্বচ্ছ পরিসংখ্যান প্রকাশ করার জন্য চিনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। সূত্র: আনন্দবাজার

Daily World News

গণমিছিলে বিএনপির কে কোথায় কোন দায়িত্ব পালন করছেন…?

ডুমুরিয়ায় ব্রাকের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা অধিকার বিষয়ে দিনব্যাপী সংলাপ অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

ডুমুরিয়ায় যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা অধিকার বিষয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়ক প্রাপ্তবয়স্ক ও যুবদের মধ্যে দিনব্যাপী সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে  অফিসার্স ক্লাবে  ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং আইনি সুরক্ষা কর্মসূচীর ‘অধিকার এখানে এখনই প্রকল্প এই সংলাপের আয়োজন করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মসূচীতে  সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচীর এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মোঃ জিল্লুর রহমান কর্মসূচীর দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব‍্য দেন।

সংলাপে স্বাগত বক্তব্যদেন ‘অধিকার এখানে এখনই’ প্রকল্পের জেলা যুব সমন্বয়কারী শিখা রাণী শীল। প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে সম্পর্কে তিনি জানান, জাঁতি ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গবৈচিত্র নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্হ্য সেবা নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের পক্ষ হতে সকল জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত যুব ও তরুণদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে এই প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

মো:   জিল্লুর রহমানএর   সভাপতিত্বে সংলাপে অন্যানের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা সহকারি পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ খুররম হোসেন,ডুমুরিয়া ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান খান, উপজেলা ব্র্যাক কর্মকর্তা শিব দাস,দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ, প্রধান শিক্ষক আইয়ুব হোসাইন ও দেবাশীষ চন্দ, ইউপি সদস্য খান আবু বক্কার,শামীমা খানম, শিল্পী গাইন, আফসানা মীম প্রমূখ।সংলাপে যৌন ও প্রজনন স্বাস্হ্য শিক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও সমাধানের সুপারিশ করা হয়।

রামপালে একটি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের ঝনঝনানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অ্যাসেম্বলির পর রৌদ্রে মাঠ পরিষ্কার করায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

জানাগেছে, বুধবার সকালে উপজেলার ঝনঝনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের মত স্কুলে হাজির হয়। এরপর তাদের অ্যাসেম্বলি শেষ হলে মাঠ পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বিশ্বাস। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকরা তাদের অভিভাবকদের খবর দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করান। অসুস্থ শিকার্থীরা হলো নিপাহ (১৪), কারিমা (১২), তানিয়া (১৩), চায়না (১২), জুইমনি (১২), অন্তরা (১২), শাহাদাৎ ব্যাপারী (১৪), তুলি (১২), নাম (১৪), সপিয়া (১৩) ও সাবিনা (১২)। এরা সবাই ৭ম ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।  এদের সবার বাড়ি ঝনঝনিয়া গ্রামে। সাংবাদিকরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে তারা সবাই অভিযোগ করে বলে, স্কুলে গেলে পিটি করানোর পর রৌদ্রে তাদের মাঠ পরিষ্কার করায়। এতে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। একই অভিযোগ করেন অভিভাবকরা। তারা বলেন আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের সকালে খাবার খাওয়ায়ে ও টিফিন দিয়ে স্কুলে পাঠাই। শিক্ষকরা অসত্য বলেছেন।

রামপালে একটি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি

এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন শিক্ষার্থীরা ঠিকমত না খেয়ে স্কুলে আসে। তাদের গ্যাসের সমস্যা হয়েছে। বিদ্যালয়ে কর্মচারী থাকতে কেন শিশুদের দিয়ে মাঠ পরিষ্কার করালেন এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এতে দোষ কি ? আমরা ও তো বিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে মাঠ পরিষ্কার করেছি। প্রশ্ন করা হয় এত শিক্ষার্থীর এক সাথে গ্যাস্টিকের সমস্যা কি করে হতে পারে ? এর কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেনি। সহকারী প্রধান শিক্ষক তাহিদুল ইসলাম বলেন মাস হিষ্টিরিয়া হয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূরুল হক লিপন জানান, শিক্ষার্থীরা হটাৎ কেন অসুস্থ হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য প. প. কর্মকর্তা ডাক্তার সুকান্ত কুমার পাল এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা গণ হিষ্টিরিয়া। আমরা বেলা ১১ টা থেকে ২ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আগত রোগীদের ভর্তি করে সেবা দিচ্ছি। তাদের গ্যাস্টিক বা অন্য কোন সমস্যা নেই তবে একটি ছেলে পূর্ব থেকেই অসুস্থ।

দেশ সংযোগ পত্রিকার সম্পাদকের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

//শুংকর দাস, কচুয়া, বাগরেহাট//

খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দেশ সংযোগ পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ এর রোগ মুক্তি কামনা করে কচুয়া প্রেসক্লাবে বুধবার বিকাল ৫টায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কচুয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক দেশ সংযোগ পত্রিকার প্রতিনিধি খান সুমনের উদ্যোগে এ মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলনে, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল, সাধারণ

সম্পাদক কাজী সাইদুজ্জামান সাইদ, অর্থ সম্পাদক রথীন্দ্র নাথ সাহা, নির্বাহী সদস্য তুষার রায় রনি, শুভংকর দাস বাচ্চু, প্রদ্যুৎ কুমার মন্ডল, সদস্য আজমীর আলম খান সহ প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

এ সময়ে দৈনিক দেশ সংযোগ পত্রিকার সম্পাদকের রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে মিলাদ ও

দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ রেজোয়ান।

খুলনার রূপসায় ২ হাজার ৫০ জন শিশু বাচ্চা ফাইজারে

//এম মুরশীদ আলী//

রূপসায় শিশু বাচ্চাদের কোভিড-১৯ এর টিকা দেওয়া কার্যক্রম শুরু হয়। গত ১১ অক্টোবর সকাল ১০ টায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এ ব্যাপারে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রূপসার ৫টি ইউনিয়নে ১৬৮ টি সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কিন্ডার গার্ডেন রয়েছে। তার মধ্যে প্রথম দিনে ১০ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চা ২ হাজার ৫০ জনকে ফাইজার টিকা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয় এবং বিকেল ৩ টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালু ছিল।

প্রথম দিনে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি অর্থাৎ ৫ বছর বয়স থেকে ১১ বছর বয়সীদের জন্য এ টিকা প্রযোয্য। এ সকল বাচ্চারা প্রথম ডোজ দেওয়ার ৫৬ দিন পর একই নিয়মে দ্বিতীয় ডোজ স্কুলে কেন্দ্র করে দেওয়া হবে। এই বাচ্চাদের তৃতীয় ডোজের প্রয়োজন হবে না। বিশেষ কারনে বাদ পড়া বাচ্চাদের পাশ্ববর্তী স্কুলে গিয়ে টিকা দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। যাদের বয়স ১৮র পর উত্তির্ন হয়েছে। শুধুমাত্র তাদের জন্য তৃতীয় ডোজ চালু আছে।

পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক ফারজানা জাফরিন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহ নাজ সবনাম ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম মতিয়ার রহমান।

রামপালে সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে ৩ সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে দক্ষিণ বঙ্গের সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবির সম্পন্ন শুরু হয়েছে। ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ও লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম আবারও শুরু করা হয়।

বড়দিয়া হাজী আরিফ (র.) মাদরাসা মাঠে সোমবার দিনব্যাপী রোগী বাছাই করা হয়েছে। এ বছর প্রায় ৫ শতাধিক ছানিপড়া ও নেত্রনালী রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

এসব বাছাইকৃত রোগীদের ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করে অপারেশন ও লেন্স সংযোজন করা হবে। এ ছাড়াও প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিনামূল্যে ঔষধ ও বয়স্ক রোগীদের চশমা প্রদান করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের এই সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে প্রায় সড়ে ৪ হাজার চোখে ছানি পড়া ও নেত্রনালীর রোগীকে ঢাকা নিয়ে অপারেশনসহ লেন্স সংযোজন করা হয়েছে। ওই সময়ে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে।

চিকিৎসা নিতে আগত বাগেরহাট সদরের সৈয়দপুর গ্রামের রোগী বৃদ্ধ ইসরাফিল মোড়ল তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন দীর্ঘ দুই তিন বছর এ এলাকায় চক্ষু চিকিৎসা শিবির বন্ধ থাকায় আমরা খুব অসুবিধায় ছিলাম। আবার চক্ষু চিকিৎসা শিবির চালু হওয়ায় আমাগো পরানের মানুষের জন্যি আমরা দুয়া করি। একই অনূভুতি ব্যক্ত করেন রামপালের সোনাতুনিয়া গ্রামের লাইলী বেগম, পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চার বলেস্বর গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদার।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমি মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। এ জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি ও দোয়া চাই। করোনার কারণে ২ দুই বছর পর আবারও আমাদের চক্ষু চিকিৎসা শিবির শুরু করেছি। আজকে আমরা ছানি পড়া ও নেত্রনালী রোগীসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রায় ৫ শতাধিক রোগী বাছাই করেছি। প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগী। যা চলমান আছে। রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রচন্ড রৌদ্র ও তাপ উপেক্ষা করে শত শত রোগী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছিলেন।