অভয়নগরে রক্তচোষা সুদ চক্রের করালগ্রাসে দিশেহারা শ্রমজীবি ও অসহায় হতদরিদ্ররা

যশোরের অভয়নগর উপজেলা পৌর-নওয়াপাড়ার বিভিন্ন স্থানে সুদে টাকা লাগানো নারী ও পুরুষ চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ৷এই সুদ চক্রের টাকা ধার নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার হত দরিদ্র খেটে খাওয়া-অসহায় একাধিক পুরুষ ও মহিলা ৷ এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা সন্মানের ভয়ে সুদে টাকা লাগানো ওই সুদ চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পর্যন্ত পায়না ৷ সুদচক্র নারী ও পুরুষদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে ৷

পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত করলে বিভিন্ন ধরণের তথ্য উঠে আসবে বলে জানায় এলাকাবাসী ৷ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে , উপজেলার পৌর নওয়াপাড়ার-রাজঘাট, তালতলা, সর্দার মিল, ভাঙ্গাগেট, চেঙ্গুটিয়া, প্রেমবাগ,ধোপাদী, চলিশিয়া, পায়রা , ভৈরব নদের ওপার, ব্রীজ পার হয়ে দেয়াপাড়া, শংকরপাশা , বাঘুটিয়া , ভাটপাড়াসহ অভয়নগরের শহর-বন্দর ও গ্রামে অবৈধ কারেন্ট জালের মত ছড়িয়ে রেখেছে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা এই সুদখোর” চক্রটি ৷

রক্তচোষা এই সুদখোর চক্র বিশেষ করে অসহায় মানুষের মাঝে যেমন, শ্রমজীবি, হত-দরিদ্র, হকার, ভ্যান/রিক্সা চালক, জুট মিলের শ্রমিক,ঘাট শ্রমিকদের আর্থিক দূর্বলতার সুযোগ পেয়ে সুকৌশলে টাকা ধার দিয়ে তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার পথ তৈরি করে নেয় ৷ যদি কোন অসহায় মানুষ বড় ধরণের আর্থিক সমস্যায় পড়ে ওই সুদ”চক্রের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার নেয় তাহলে, প্রতি মাসে হাজারে ২’শত টাকা অর্থাৎ ১০ হাজারে ২’হাজার টাকার সুদ গুনতে হয় ৷

এক সময় দেখা যাচ্ছে, সুদের টাকা গুনতে গুনতে আসল টাকার ৪গুণ দেওয়া হয়ে গেছে  অথচ রক্তচোষা সুদখোরদের কাছে টাকা পরিশোধ হয়নি ৷ এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে কোন কাজ না থাকায় সুদ দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের ৷ যার ফলে সুদ’খোর চক্র তাদেরকে মারধর এবং ভয়ভীতি ও পর্যন্ত দেয় ৷মান সন্মানের ভয়ে এলাকার কোন লোক সুদখোর চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না ৷

এই সুদ চক্রটি এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীর ছত্রছাঁয়ায় থেকে দিন মুজুর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে সূদে টাকা লাগিয়ে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে ৷ অসহায় এক পরিবার বলেন, ওই সুদখোর চক্রের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হাজার হাজার টাকার সুদ গুনতে হচ্ছে , এমনকি সূদের টাকা ঠিক মতো দিতে না পেরে সুদখোর চক্রের ভয়ে এলাকা ছেড়ে অনেকে নিরুদ্দেশ ও রয়েছে এবং অপমানিতসহ নানা ধরণের শিকার হতে হচ্ছে অহরহ ৷

অনেকের ১০ হাজার টাকায় সপ্তাহে ১’হাজার টাকা সুদ গুনতে হচ্ছে ৷ আর না দিতে পারলে সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের মারধর করতেও দ্বিধা করেনা ওই সুদ চক্রটি ৷ সম্প্রতি নওয়াপাড়া (৪নং ওয়ার্ড) বউ বাজার এলাকায় সূদখোরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ৷ ধারে টাকা নেওয়া অসহায় ভূক্তভোগীরা ৷

এবিষয়ে ওসি তদন্ত মিলন কুমার মন্ডল বলেন, আমাদের কাছে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷

এ ব্যাপারে রক্তচোষা সুদখোরদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ৷

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

“রাজনৈতিক চক্রবূহের কবলে ভবদহের জলাবদ্ধতা”- ১০লক্ষ মানুষের কান্না

 

 

“রাজনৈতিক চক্রবূহের কবলে ভবদহের জলাবদ্ধতা”- ১০লক্ষ মানুষের কান্না

 

যশোরের দুঃখ হিসাবে খ্যাত মনিরামপুর, অভয়নগর, কেশবপুর, যশোর সদর, ডুমুরিয়া ও ফুলতলার ২৭ টি বিলের তীরবর্তী বসবাসরত ও জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত দুইশতাধিক গ্রামীণ জনপদের ১০ লক্ষাধিক জনগণ। পানি উন্নয়ন বোর্ড,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় ঠিকাদার ও মাছ চাষে জড়িত ক্ষমতাধর মালিকপক্ষ।

এর সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার চক্রবূহ। দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী ও তাদের জীবনধারাকে জিম্মি করে বর্গীদের ন্যায় কোটি কোটি টাকা লুট করার যে হীনমন্যতা তা দেশদ্রোহীতাকে হার মানায়।

ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধ মানুষের দীর্ঘদিনের এই চরম সংকট নিরসনের জন্য আজ ২৪ আগস্ট-২০২১ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ যশোর নীলরতন ধর রোডে অবস্থিত অস্থায়ী কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রনজিৎ বাওয়ালী।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হামিদ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক চৈতন্য কুমার পাল। বক্তরা বলেন,প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে’। কিন্তু একটি অসাধু ও সিন্ডিকেট চক্র এতই ক্ষমতাবান যে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ধৃষ্টতা দেখিয়েই চলেছেন। ফলশ্রুতিতে ভবদহ স্লুইচ গেট থেকে নদীর মোহনা পর্যন্ত ৫০/৬০ কিলোমিটার নদী পলি জমে ভরাট হয়ে গিয়েছে এবং ঐ এলাকার হরিহর, শ্রী,টেকাসহ সকল নদী তার গভীরতা ও গতিপথ হারিয়ে মৃতপ্রায় নদীতে পরিণত হয়েছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক জীবন ও যৌবন হারিয়ে উচ্ছল জোয়ার- ভাটা খেলতে পারেনা।

ফলে ঐ এলাকার ২৭ টি বিলের পানি বের হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পরিনতির কথা বারবার বলা সত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই উল্লেখিত বিষয়ে কর্ণপাত না করে গাদ্দার ও গণ-দুশমনের ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে। বক্তরা ভবদহ এলাকায় বিভিন্ন সময় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে টিআরএম ( টাইডার রিভার্স ম্যানেমেন্ট সিস্টেম)- ই সর্বাপেক্ষা পরীক্ষিত, সফল ও জনমূখী প্রকল্প।

এমনই পরিস্থিতিতে যদি দ্রুত টি.আর.এম চালু ও আমডাঙ্গা খাল প্রশস্ত এবং সংস্কার না করা হয় তাহলে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত ২০০ গ্রামের ১০ লক্ষাধিকেরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্হ হবে। শুধু তাই নয়- এলাকার ঘর- বাড়ি,রাস্তাঘাট,স্কুল-কলেজ, কবরস্থান-শ্মশান, মসজিদ-মন্দির আবারও পানির তলে চলে যাবে এবং ভবদহ জনপদের মানুষকে তার চৌদ্দ পুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে একাত্তর সালের মতো হয়তো আবারও দেশের মধ্যে বা পাশ্ববর্তী দেশে উদ্বাস্তুের মতো জীবন যাপন করতে হবে।

আর তাই ভবদহ এলাকার সমস্যা সমাধানে নেতৃবৃন্দ ৬টি দাবি উত্থাপন করেন।

দাবী গুলো হলো-

১। এই মুহূর্তে বিল কপালিয়ায় টি.আর.এম চালু করে নদীকে রক্ষা করা

২। অবিলম্বে বিল কপালিয়ায় টি.আর.এম বাস্তবায়ন, হরি শ্রী নদীতে পড়া পলি অপসারণ করা। পলি মাটি নদীগর্ভে নয়- নদী পাড়ের বাইরে ফেলা,

৩। পলিতে ভরাট হয়ে যাওয়া টেকা-মুক্তেশ্বরী নদী সংস্কার করা

৪। আমডাঙ্গা খাল প্রশস্থ ও গভীর করা। আমডাঙ্গা খালের স্লুইচগেটের পূর্বাংশে অবিলম্বে খালের দুই পাশে স্থায়ী টেকসই প্রাচীর নির্মাণ করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া,

৫। লুটপাটের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ৫০ কোটি টাকার সেচ প্রকল্প বাতিল করা,

৬। সমগ্র কাজ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে কার্যকরী করা এবং আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোকে কাজ মনিটরিংয়ের সুযোগ দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলন শেষে আগামী ২ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান ভিটু, তসলিমুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধা নারায়ন চন্দ্র মল্লিক, শিবপদ বিশ্বাস,  রাজু আহমেদ, শিশির মন্ডল, আব্দুল মজিদ, অমিতাব মল্লিক, কিংকর বিশ্বাস, রবি মল্লিক প্রমুখ।

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাকু ও চায়নিজ কুড়ালসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 

নারী নেতৃত্বের অহংকার ছিলেন আইভি রহমান: সালাম মূর্শেদী এমপি

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি সমাবেশ করতে এসে সাবেক রাষ্টপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী  আইভি রহমান রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিলেন। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার প্রধান টার্গেট ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। সেই হামলা ছিল ইতিহাসের নৃশংস ঘটনা।

আইভী রহমানকে স্মরণ করে বলেন, ১৫, ২১ ও ২৪ আগষ্টে আইভী রহমানসহ সকল শহিদদের সবাইকে স্মরণ করছি। এমন নির্লোভ নেতা বাংলাদেশে কমই দেখা যায়। নারী নেতৃত্বের অহংকার ছিলেন আইভি রহমান। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও নারী নেত্রী আইভি রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টানে ২৪আগষ্ট সন্ধ্যায় খুলনাস্থ দলীয় কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্টানে প্রধান বক্তা হিসেবে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বিএম এ সালাম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নারীদের সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সেদিন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আজকের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যেই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সারমিন সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। তার সকল কর্ম আমাদের কাছে স্বরনীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে হলে সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে এক সাথে দলের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি কখনও সভা মঞ্চে বসতেন না। কর্মীদের সঙ্গে মাঠে বসতেন। সেদিন ও ট্রাকের বাইরে মিছিল নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে ছিলেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর ব্যবস্থাপনায় অনুষ্টিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহানারা শহীদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আ:সালাম, সামসুন নাহার।

তেরখাদা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নয়ন তারা’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাবিনা বেগম, যুগ্ম সম্পাদক আজিজা সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা পারভিন, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন,ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

উপস্থিত ছিলেন মাধুরী সরকার, মমতা হেনা জোসনা, আনজুয়ারা সুমি, খাদিজা বেগম, নাসিমা কবীর,নাজমা বেগম, কাজল রেখা,দিপালী মালী, ইউপি সদস্য শিরিনা আকতার, রাবেয়া সুলতানা, চয়নিকা খাতুন, সাবেক ইউপি সদস্য রাশিদা বেগম,স্বপ্পা পাল, আসমা বেগম,হাসনা হেনা, আসমানী বেগম, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, যুবলীগের জসিম সরদার, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য মঈন উদ্দীন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ: রাজ্জাক শেখ, সেবা সংঘের তরিকুল, খলিল, সোহেল, আরাফাত, জাহিদুল, ইমন প্রমূখ।

দোয়া মোনাজাত করেন আওয়ামীলীগ নেতা প্রভাষক মো: অহিদুজ্জামান।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো  // 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ডিউটিরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে পুলিশ সদস্যের মুত্যু মাগুরার শ্রীপুরে

 

 

ডিউটিরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে পুলিশ সদস্যের মুত্যু মাগুরার শ্রীপুরে

 

মাগুরার শ্রীপুর থানায় কর্মরত ডি এস বি’র কনস্টেবল রবিউল ইসলাম (৪১) নামে এক পুলিশ সদস্যে হাসপাতালে ডিউটিরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু বরন করেছেন। তিনি ২৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় করোনা টিকা গ্রহণকারীদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার গ্রামেরবাড়ি ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রবিউল ইসলাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আউটডোর থেকে একটি টিকিট নিয়ে ডাক্তার দেখানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার আগে তিনি কমপ্লেক্স এর ৩য় তলায় করোনার টিকা গ্রহণকারীদের দেখার জন্য সেখানে যান। সেখানে টিকা গ্রহণকারীদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বেঞ্চে বসেন।

বসার পর পরই তিনি হার্ট অ্যাটাক হয়ে পড়ে যান। সাথে সাথে তাকে পাশেই করোনা ইউনিটের বেডে নেওয়া হয় এবং ডাক্তারকে সংবাদ জানানো হয়।এই সংবাদ জানার পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঈসউজ্জামান ও ডিউটিরত ডাক্তার এসে তাকে মৃত অবস্থায় পান।

শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায় জানান,সকাল থেকেই পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার বিষয়খালী গ্রামে পাঠানো হয়েছে।

তাঁর মৃত্যুতে পুলিশ সদস্যদের মাঝে ও তাঁর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

// শ্যামল বিশ্বাস,  বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সোনালী ব্যাংকের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

চট্টগ্রামে করোনায় ১০ জনের মৃত্যু: নতুন সনাক্ত ৩১৮

মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আরো ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে সঙ্গে করোনায় আক্রান্তদের সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আরো ৩১৮ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৬৭০ জন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১ শত ৯৩ জন। মঙ্গলবার (২৪ আগষ্ট) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তর্থ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ২ হাজার ১৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৩১৮ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব সনাক্ত হয়। নতুন সনাক্তদের মধ্যে ২০২ জন নগরের এবং ১১৬ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। সনাক্তদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৫৬ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ৭১ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪০ জন, সিভাসু ল্যাবে ৫৭ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৫ জন, শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ২২ জন, মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৯ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ২ জন,  আরটিআরএল ল্যাবে ২ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ২৭ জন ও এন্টিজেন টেস্টে ১৭ জনের শরীরে করোনার জীবাণু সনাক্ত হয়।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩১৮ জনের দেহে করোনা প্রজেটিভ এসেছে। একই সময়ে ১০ জন করোনায় আক্রান্ত রোগির মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হচ্ছে ৯৭ হাজার ৬৭০ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১৯৩ জন।
//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে ৭৪ পুরুষ রোহিঙ্গা আটক

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৭৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃতরা সকলে পুরুষ বলে জানা গেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) ভোরে বোয়ালখালী উপজেলার আহলা করলডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, দীর্ঘ দিন যাবত উপজেলার আহলা ইউনিয়ন এলাকায় বহু রোহিঙ্গা বসবাস করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় করলডাঙ্গা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ৭৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

আটককৃত রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সময়ে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বোয়ালখালী এলাকায় এসে অবস্থান করছিল। তারা এলাকায় দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে এবং সংশ্লিষ্ট মালিকের ঘরে দিনযাপন করে আসছিল। আটককৃতদের বিরোদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাকু ও চায়নিজ কুড়ালসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার

  ”দেশের মানুষকে রাখবো নিরাপদ, সত্যিই উদঘাটনে বদ্ধ পরিকর”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে যশোর জেলাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছে যশোর জেলা পুলিশ। কিন্তু প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত ২০ আগস্ট-২০২১ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানার প্যারিস রোডে সোহানুজ্জামান সাগর ( ২২) কে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা চাকুদিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার ঘটনায় জড়িত আসামি ১) আলী রাজ বিশ্বাস অপূর্ব/ মন্টু / শুটার রাজ (১৯), পিতা- মোঃ মিরাজ বিশ্বাস, গ্রাম-বেজপাড়া,থানা-কোতোয়ালী, জেলা-যশোরকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বীকার করে যে তার বসতবাড়ি বেজপাড়ায় রান্না ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা আছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালিসহ পুলিশের একটি চৌকস টীম আসামির বেজপাড়ার বাসায় আজ ২৪ আগস্ট -২০২১ রোজ মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করেন এবং আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রান্নাঘর থেকে ১ টি ওয়ানশূটারগান,১ রাউন্ড গুলি, ১ টি বার্মিজ চাকু ও ১ টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করেন।
উল্লেখ্য আসামি রাজের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ১ টি অস্ত্র, ১ টি মাদক,১ টি মারামসহ ৩ টি মামলা রয়েছে।
// নিজস্ব প্রতিনিধি //

সোনালী ব্যাংকের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

সোনালী ব্যাংকের সি এস আর কার্যক্রমের অংশ হিসাবে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে । আজ মঙ্গলবার মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০ জন ব্যাক্তিকে 2000/= টাকা করে মোট একলক্ষ টাকা সহায়তা প্রদান করা হয় ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন , ড.আশরাফুল আলম জেলা প্রশাসক মাগুরা ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,জনাব কামরুজ্জামান উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)স্থানীয় সরকাৱ মাগুরা। লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট’র ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর (এলজিএসপি-৩) জনাব মোঃ শামছুজ্জোহা, মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব রামানন্দ পাল, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জনাব মোঃ দবির উদ্দীন, ম্যানেজার সোনালী ব্যাংক মহম্মদপুর শাখা জনাব,দেবাশিষ বিশ্বাস ।

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ নাসির উদ্দীন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু আব্দুল্লাহেল কাফি। সার্বিক সহযোগীতায় ,জনাব মো:খোকন মিয়া চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত)তিন নং দীঘা ইউনিয়ন পরিষদ মহম্মদপুর মাগুরা।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মহম্মদপুরে মাধ্যমিক স্তরের মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল প্রদান

 

বরিশালের সেই ইউএনও মু‌নিবুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে বদলী

// পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু‌নিবুর রহমান শোভনের পদায়ন। মু‌নিবুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় পদায়ন করেন কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু‌নিবুর রহমানের পদায়নের বিষয়টি আজ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় এর একজন সিনিয়র সচিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু‌নিবুর রহমান শোভনকে গত মাসে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় পদায়ন করা হয়েছে।

তিনি আগামী মাসে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে যোগদান করবেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মহম্মদপুরে মাধ্যমিক স্তরের মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল প্রদান

 

মহম্মদপুরে মাধ্যমিক স্তরের মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল প্রদান

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে রাজা সীতারাম রায়ের দোলমঞ্চ প্রাঙ্গণে ৮টি ইউনিয়নের মাধ্যমিক স্তরের ২০০ জন দরিদ্র-মেধাবী ছাত্রীদের মধ্যে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় বাইসাইকেল প্রদান করা হয়।
অদ্য মঙ্গলবার দুপুরে উক্ত বাইসাইকেল প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের মাগুরার উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ কামরুজ্জামান, লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট’র ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর (এলজিএসপি-৩) মোঃ শামছুজ্জোহা,মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ দবির উদ্দীন,মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দীন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু আব্দুল্লাহেল কাফি। প্রসঙ্গত-এলজিএসপি-৩ এঁর আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের অনুকুলে ২০২০-২১ অর্থ বছরের ২য় কিস্তির বরাদ্দের টাকা হতে এই সাইকেল ক্রয় করা হয়েছে বলে জানাগেছে।
জেলা প্রশাসক নিজে ছাত্রীদের সাথে বাই সাইকেল চালিয়ে তাদের অনুপ্রানিত করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ শাহিন সরদার।
Sujan Mahmud  // সুজন মাহমুদ,মাগুরা জেলা প্রতিনিধি /./