রাশিয়া আরব আমিরাত একসঙ্গে কাজ করবে আন্তর্জাতিক তেল বানিজ্যে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের যোগান নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করবে আরব আমিরাত।

রাশিয়া সফরে গিয়ে এমন কথা বলেছেন বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদনকারী আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান।

ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা করার পর তেলের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।  ফলে এখন তেলের সংকট সমাধানে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের দিকে ঝুঁকতে চাইছে তেলের ক্রেতারা।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা যেন তেলের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে দেশগুলো। তারা বলেছে বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংস্থা ওপেক প্লাসের সঙ্গে তারা চুক্তিবদ্ধ। এই চুক্তিতে রাশিয়াও রয়েছে।

ওপেক প্লাসে থাকা দেশগুলো চুক্তি করেছে তারা প্রতিদিন ও প্রতিমাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল উত্তোলন করবে।

মূলত বাজারে তেলে দাম পড়ে যাওয়ার পর এমন চুক্তি করেছিল তারা।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে আলোচনা করার আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন তেল বাণিজ্যে রাশিয়ার সঙ্গেই থাকবেন তারা।

এ ব্যাপারে আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খাবারের বাজারে স্থিতিশীলতা রাখা প্রয়োজন।

তাছাড়া তিনি আরও জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব শেষ করতে আরব আমিরাত মধ্যস্থতা করতেও প্রস্তুত আছে এবং তারা চেষ্টাও করবে।

সূত্র: আরব নিউজ

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বরিশালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিক এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাশিয়া

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান এবং সিআইএ প্রধান উইলিয়াম বার্নসের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাশিয়া।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ক্রেমলিনের ঘোষণা উদ্ধৃত করে রাশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যম আরটি বলছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পুতিনসহ রাশিয়ার বেশ কজন নেতা ও কর্মকর্তাকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করার পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে মস্কো মোট ১৩ জন জন আমেরিকানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।

তালিকায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং তার কয়েকজন মন্ত্রী এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছাড়াও মার্কিন সেনা প্রধান জেনারেল মার্ক মাইলি এবং হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকিও রয়েছেন।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এবং জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনকেও রাশিয়ার এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ঢোকানো হয়েছে।

আরটি বলছে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত এসব আমেরিকান রুশ ফেডারেশনে প্রবেশ করতে করতে পারবেন না। তবে একইসাথে বলা হয়েছে, রাশিয়ার ‘জাতীয় স্বার্থে’ ভবিষ্যতে মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করার সম্ভাবনা নাকচ করা হচ্ছেনা।

ক্রেমলিনের বিবৃতি উদ্ধৃত করে আরটি বলছে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় “অদূর ভবিষ্যতে” আরো নাম ঢুকবে।

বলা হয়েছে, আমেরিকার “যেসব কর্মকর্তা, সাময়িক কর্মকর্তা, আইন-প্রণেতা, ব্যবসায়ী, বিশেষজ্ঞ এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রুশোফোবিক (রুশ বিদ্বেষী) অথবা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোতে ভূমিকা রাখছেন” তাদেরও কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

আমেরিকাও এর আগে রাশিয়ার বেশ কজন ব্যবসায়ী এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

রাশিয়া এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে যুক্তরাষ্ট্র রুশ বেশ কজন সিনিয়র রুশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। তাদের মধ্যে রাশিয়ার বেশ কজন উপমন্ত্রী এবং সরকারি একটি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক রয়েছেন।

অন্যদিকে কানাডাও সোমবার ১৫ জন সিনিয়র রুশ কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ঢুকিয়েছে। সূত্র: বিবিসি

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন-২০২২অনুষ্ঠিত, সভাপতি-নাহিদ খান, সম্পাদক- হামিদুল ইসলাম

ক্রেমলিন// ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অংশ বলে মানতে হবে ইউক্রেনকে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়া বলেছে ইউক্রেন তাদের দাবী মানলে সাথে সাথেই সামরিক অভিযান বন্ধ করা হবে।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলছেন ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসাবে মানতে হবে ইউক্রেনকে।

সেই সাথে, তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক এবং দনিয়েস্ক অঞ্চল দুটোকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে মেনে নিতে হবে।

মি পেসকভ রাশিয়ার অন্যতম প্রধান দাবির পুনরুল্লেখও করেছেন – ইউক্রেন নেটো বা অন্য কেনো জোটের অংশ হতে পারবে না, এবং সে ব্যাপারে দেশের সংবিধান সংশোধন করতে হবে।

তিনি বলেন, এসব দাবি মেনে নিলে এই মুহূর্তে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করে দেবে রাশিয়া।

তবে, মি পেসকভ বলেন, রাশিয়া অবশ্যই ইউক্রেনের ‘নিরস্ত্রীকরণ’ নিশ্চিত করবে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র এমন দিনে রাশিয়ার এসব দাবি নতুন করে তুলে ধরলেন যেদিন দুই দেশের প্রতিনিধিরা যুদ্ধ বিরতির লক্ষ্যে আজ বেলারুশে তৃতীয়বারের মত বৈঠক করছেন।

জানা গেছে বৃহস্পতিবার দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে তুরস্কের আনাতলিয়ায় মুখোমুখি একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুণ…

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর ‘মারাত্মক বিরূপ প্রভাবের’ আশংকা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ// বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ

ইউক্রেনের ওপর ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে- মার্কো রুবিও

রাশিয়া বলছে শান্তি বৈঠকের মধ্যস্থতাকারীকে ইউক্রেন খুন করেছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

অবশেষে ‘যুদ্ধবিরতি’ শব্দটা শোনা গিয়েছিল রাশিয়ার মুখে। আজ সকালে তারা ঘোষণা করেছিল, মস্কোর সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে ইউক্রেনের মারিয়ুপোল ও ভোলনোভকায় বন্ধ রাখা হবে হামলা। সাধারণ মানুষকে উদ্ধারের পথ করে দেয়া হবে। তাই হলো। নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হল গোলাগুলি। অর্ধমৃত মানুষগুলো যুদ্ধের ক্লান্তি নিয়ে বেরিয়ে এল বাঙ্কার থেকে। ঠিক তখনই ফের কানফাটানো আওয়াজ, সব কথার কথাই রইল। বরং আরও শক্তি বাড়িয়ে দিনভর চলল রুশ গোলাবর্ষণ। তড়িঘড়ি বন্ধ করে দিতে হল উদ্ধার অভিযান।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শান্তি বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন, দু’দেশই কথা দিয়েছিল, যুদ্ধের মাঝে আটকে থাকা নিরীহ মানুষজনকে উদ্ধারের পথ করে দেয়া হবে। এর পরের ২৪ ঘণ্টা এ নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি রাশিয়া। কিন্তু যা তারা বলল, আর যা করল, তাতে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব।

কথার খেলাপ করা বা ভুয়া তথ্য দেয়া, যুদ্ধের গোড়া থেকেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ উঠছে। গত কাল তারা একটি রিপোর্টে দাবি করে, দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। এ-ও জানায়, পোল্যান্ডে রয়েছেন তিনি। আজ সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে ইনস্টাগ্রামে হাজির হন জ়েলেনস্কি। কিভে নিজের অফিসে বসে ভিডিও করে তা পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে লেখেন, ‘‘আমি কিভেই আছি। এখানে বসে কাজ করছি। কেউ কোথাও পালিয়ে যায়নি।’’ এর পরে আর তাদের মতামত জানায়নি মস্কো। বরং আজ তারা নতুন খবর দিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি বৈঠকের মধ্যস্থতাকারী ডেনিস কিরিভকে খুন করা হয়েছে। খবর ছড়িয়েছে, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাকে খুন করেছে ইউক্রেন।

আজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের মারিয়ুপোল বন্দরটি কৌশলগত ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেরসেন বন্দরকে দখল করতে পারলেও এটিকে এখনও কব্জা করতে পারেনি রাশিয়া। গত কয়েক দিন ধরে বিধ্বংসী হামলা চলছে এ শহরে।

মারিয়ুপোলের মেয়র গত কাল জানান, পরিস্থিতি এমনই, কেউ জখম হলে তাকে যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথটুকু রাখছে না রুশরা। প্রায় একই অবস্থা ভোলনোভকায়। আজ সকালে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয় ঘোষণা করে, এই দুই শহর থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধারের জন্য নিরাপদ করিডর করে দেয়া হবে। যুদ্ধ বন্ধ রাখা হবে। কিন্তু কত ক্ষণের জন্য, তা বলেনি মস্কো।

কতক্ষণ রুশ হামলা বন্ধ ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে যুদ্ধবিরতির খবর প্রকাশ্যে আসার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ইউক্রেন জানায়, উদ্ধারকাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে। মারিয়ুপোল থেকে জ়াপোরিজিয়া যাওয়ার রাস্তাটিকে মানব করিডর করা হয়েছিল। ওই রাস্তাটিকে নিশানা করেই গোলাবর্ষণ শুরু করে রাশিয়া। যে যেখানে পারে প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নেয়। যারা রওনা দিয়েছিলেন, মাঝপথ থেকে তাদের অনেকে ফিরে আসেন।

তারা জানান, রাস্তায় তত ক্ষণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে একাধিক লাশ। পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের উপপ্রধান কিরিলো টিমোশেঙ্কো সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘রাশিয়ার পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি মানা হয়নি। ক্রমাগত হামলা চালানো হয়েছে মারিউপোল ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়।’’

ভোলনোভকাতেও কথা রাখেনি ক্রেমলিন। উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুকও সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘‘হামলা বন্ধ রাখার জন্য আমরা রাশিয়ার কাছে বারবার আবেদন জানাচ্ছি।’’ একটি রুশ দৈনিকের রিপোর্টে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয় তাদের জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছিল। জ়েলেনস্কি এ দিনও বলেন, ‘‘যা যা করা সম্ভব, করে চলেছি। দেখা যাক, কথা বলে কোনও সমঝোতায় পৌঁছতে পারি কি না।’’

মারিউপোলের পরিস্থিতি ভীষণই শোচনীয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে রুশরা। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় ঘর গরম রাখার উপায় নেই। ফোনের পরিষেবা নেই। খাবার নেই, পানি নেই। ওষুধের দোকানগুলোতে ওষুধও নেই। মারিউপোলের মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো জানান, যুদ্ধবিরতির কথা শুনে শহর ছেড়ে পালাতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। বাস ছাড়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল। এমন সময় হঠাৎই গোলাবর্ষণ শুরু হয়। বয়চেঙ্কো বলেন, ‘‘শহরের সব বাসিন্দার জীবনের দাম আছে। আমরা ঝুঁকি নিতে পারি না। উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে।’’

ব্রাসেলসে নেটোর বৈঠকে যোগ দেয়ার পরে আজ পোল্যান্ডে পৌঁছেছেন আমেরিকার বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এখানে ইউক্রেনের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন তিনি। ইউক্রেনের আকাশপথকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করতে নেটোর কাছে আবেদন জানিয়েছিল কিভ। আকাশপথে রুশ হামলা ঠেকাতেই এই সাহায্য চেয়েছিলেন জেলেনস্কি। কিন্তু গত কাল তা প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে নেটো। তাদের ব্যাখ্যা, ইউক্রেনকে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হলে, পরমাণু শক্তিধর দেশ রাশিয়াকে আরও উস্কে দেয়া হবে। সে ক্ষেত্রে যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে ইউরোপে। পরে আজ রাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নেটোর বক্তব্যের রেশ ধরে বলেন, ‘‘ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো-ফ্লাই জোন করায় যারা সমর্থন জানাবে, ধরে নেয়া হবে তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘর্ষে নামতে চাইছে। শুধু ইউরোপ নয়, সে ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের জন্য তা বিপর্যয় ডেকে আনবে।’’

ক্ষুব্ধ জেলেনস্কি তার বক্তৃতায় নেটো গোষ্ঠীর দেশগুলির উদ্দেশে বলেছেন, “এত মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী আপনারা। আপনাদের দুর্বলতা, অনৈক্যের জন্যই এটা ঘটছে।” জেলেনস্কির অভিযোগ, বিমান-হানা অনিবার্য জেনেও ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করেনি নেটো। তিনি বলেন, “আজ নেটোর শীর্ষ বৈঠকে স্পষ্ট হয়ে গেল, ইউরোপের স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়টিতেই সবাই একমত নয়।”

রাষ্ট্রনেতারা দ্বিধা-ধন্দে থাকলেও আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলিতে লাগাতার যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। এমনকি রাশিয়ার বড় শহরগুলোতেও পথে নামছেন হাজার হাজার বাসিন্দা। ভিডিয়ো-বার্তায় তাদের কাছেও সাহায্য চেয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা যদি শেষ হয়ে যাই, আপনারাও হবেন।’’ শোনা যাচ্ছে, ‘ঘরের অশান্তি’ সামলাতে মাঝেমধ্যেই ফেসবুক, টুইটার ব্লক করে দিচ্ছে মস্কো। সরকার-বিরোধী খবর রুখতে মিডিয়াকেও চাপে রাখছে তারা।

যুদ্ধ আজ দশ দিনে পা রেখেছে। নিহতের সংখ্যার কোনও হিসেব নেই। জখম হাজার হাজার মানুষ। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি বা পালিয়ে যাননি, যুদ্ধে না-মরলেও তারা হয়তো না-খেতে পেয়ে কিংবা ঠান্ডায় মরবেন। ক্রমশ সেই আশঙ্কা প্রকট হচ্ছে। রাষ্ট্রপুঞ্জ আজ জানিয়েছে, অন্তত দেড় কোটি মানুষ সব হারাতে বসেছেন। ইতিমধ্যেই ১৪ লক্ষ মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছেন। কিভের সেন্ট্রাল ট্রেন স্টেশনে আজও আতঙ্কে ভরা মুখের ছড়াছড়ি। তারা যে কোনও উপায়ে হোক পালাতে চান। রাজধানীর বাইরে ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রুশ সেনা কনভয় দাঁড়িয়ে। এখনও তাদের ঠেকিয়ে রেখেছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। আশঙ্কা, যে কোনও সময় বাঁধ ভাঙবে। এক বাসিন্দার কথায়, ‘‘আমরা নেটোয় যোগ দিতে চেয়েছিলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে চেয়েছিলাম। এটাই অপরাধ! তার জন্য এই দাম দিতে হল!’’ কিভের বাসিন্দা সেনিয়ার কথায়, ‘‘এখন আর কিছু চাই না। শুধু বাঁচতে চাই।’’ সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রাশিয়ার বিরুদ্ধেভোট না দেওয়ায় চাপ বাড়ছে ভারতের উপড়: বিবিসি

রাশিয়ার বিরুদ্ধেভোট না দেওয়ায় চাপ বাড়ছে ভারতের উপড়: বিবিসি

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি ভারত। পরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত ছিল নয়াদিল্লি। চলমান সংকট সমাধানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছেন ভারতের নেতারা। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে ভারতের ওপর পশ্চিমাদের চাপ বাড়ছে বলে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট ঘিরে ভারত সরকার এর মধ্যেই নানা বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে ইউক্রেনে হামলা নিয়ে রাশিয়ার সমালোচনা করেনি দিল্লি।

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। দেশটির সামরিক সরঞ্জামের প্রায় ৫০ শতাংশ আমদানি করা হয় রাশিয়া থেকে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক নানা ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে মস্কোর পরীক্ষিত বন্ধু দিল্লি। অপর দিকে গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক জোরদার হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বিষয়ে ভারতের অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া বিপরীতমুখী বিবৃতি দিচ্ছে। এ থেকেই চলমান সংকট ঘিরে দিল্লির চ্যালেঞ্জ বোঝা যায়। গতকাল শনিবার ভারতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত দেনিস আলিপোভ দিল্লির পররাষ্ট্রনীতিকে স্বাধীন অভিহিত করে স্বাগত জানিয়েছেন। একই সময়ে এ নিয়ে কথা বলেছেন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক ডোনাল্ড লু। তিনি বলেন, ইউক্রেন নিয়ে ভারত যেন স্পষ্ট অবস্থান নেয়, সে জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলতে থাকলে ভারতের জোটনিরপেক্ষ নীতি অবলম্বন করে চলাটা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিবিসি

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ইউক্রেন ইস্যুতে এমন নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধ ঘোষণার শামিল

ইউক্রেন ইস্যুতে এমন নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধ ঘোষণার শামিল

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন ইস্যুতে এমন নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উপকণ্ঠে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গতকাল শনিবার বিমানবালাদের একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে পুতিন এই হুঁশিয়ারি দেন।

এ সময় পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে পুতিন বলেন, ‘চলমান অভিযানের মধ্যে ইউক্রেনে যদি পশ্চিমারা নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করে, তাহলে সেই উদ্যোগকে সশস্ত্র সংঘাতে অংশ নেওয়া হিসেবে বিবেচনা করবে রাশিয়া।’

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা শুরুর নির্দেশ দেন পুতিন। এরপর থেকে রুশ সেনারা ইউক্রেনের কয়েকটি শহর, বন্দর, পারমাণবিক স্থাপনা দখলে নিয়েছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে পৌঁছে গেছে রাশিয়ার বিশাল সেনাবহর। এর প্রতিবাদে রাশিয়ার ব্যবসা–বাণিজ্য, লেনদেন, ক্রীড়া, প্রযুক্তি, বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতে পশ্চিমাদের ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞায় চাপে পড়েছে রাশিয়া ও দেশটির অর্থনীতি।

এ পরিস্থিতিতে শনিবার দেওয়া বক্তব্যে পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে রুশভাষীদের রক্ষার জন্য তিনি দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন। রাশিয়ার লক্ষ্য ইউক্রেনকে নিরস্ত্র করা। দেশটি থেকে নাৎসিপন্থীদের বিতাড়িত করা। ইউক্রেনে সামরিক হামলার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পুতিন এর আগেও একই কথা বলেছিলেন।

অভিযান শুরুর পর ধারণা করা হচ্ছিল, কয়েক দিনের মধ্য রুশ সেনাদের হাতে কিয়েভের পতন ঘটতে পারে। তবে এমনটা হয়নি। এর ফলে পশ্চিমা সমর বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলছেন, ইউক্রেনে প্রত্যাশা অনুযায়ী সফল হতে পারেনি রুশ বাহিনী। এমন মতের সমালোচনা করে পুতিন বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই, আমাদের সেনারা সব লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে। প্রশিক্ষিত সেনারা অভিযানে অংশ নিয়েছেন। সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে।’

গুঞ্জন ছড়িয়েছে, ইউক্রেন পরিস্থিতিকে ঘিরে রাশিয়ায় জরুরি অবস্থা কিংবা সামরিক আইন জারি করতে চলেছেন পুতিন। এমন গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাইরে থেকে বড় ধরনের আক্রমণের সম্ভাবনা থাকলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। রাশিয়া এখন তেমন আশঙ্কার মুখে নেই। তাই রাশিয়ায় জরুরি অবস্থা কিংবা সামরিক আইন জারির পরিকল্পনা রুশ সরকারের নেই।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয় কর্মীর লাশ উদ্ধার

ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার শর্ত গুলো কি…?

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক// 

ইউক্রেন ইস্যুতে জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে ক্রেমলিনের বরাত প্রতিবেদনে বলা হয়, শলৎসের সঙ্গে ফোনালাপে ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানে দেশটির রাজধানী কিয়েভ বা অন্য কোনো শহরের বেসামরিক এলাকায় রুশ বাহিনীর বোমা বর্ষণের সংবাদকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন পুতিন। তিনি বলেছেন, রুশ সেনারা কিয়েভ বা অন্য কোনো শহরে বোমা বর্ষণ করেনি।

এছাড়া বেলারুশে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে বৈঠক শুরু হয়েছে, সেটি ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযান বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলেও জার্মান চ্যান্সেলরকে জানিয়েছেন পুতিন। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো— কিয়েভকে অবশ্যই মস্কোর শর্তসমূহ পূরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

টেলিফোনে শলৎসকে পুতিন বলেন, কিয়েভ বরাবর মস্কোর শর্ত মূলত চারটি। এগুলো হলো—একটি নিরপেক্ষ ও পরমাণু অস্ত্রমুক্ত দেশ হিসেবে ইউক্রেনের অবস্থান স্পষ্ট করা, দেশটি থেকে নাৎসীবাদ নির্মূল, ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকার করে নেয়া এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ন্যাটোর সিদ্ধান্তে জেলেনস্কির ক্ষোভ।। এখন থেকে প্রতিটি ইউক্রেনীয়ের মৃত্যুর জন্য ন্যাটো দায়ী থাকবে

সিঙ্গাপুর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ নিচ্ছে

ভারতের প্রথম টায়ার কারখানা ডানলপ বিলুপ্তির পথে

সরকার সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিনাশে বদ্ধপরিকর : ড. হাছান মাহমুদ

দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশকে ২০৮ রানের টার্গেট দিয়েছে 

জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে পুতিনের কি কথা হলো ফোনে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক// 

ইউক্রেন ইস্যুতে জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে ক্রেমলিনের বরাত প্রতিবেদনে বলা হয়, শলৎসের সঙ্গে ফোনালাপে ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানে দেশটির রাজধানী কিয়েভ বা অন্য কোনো শহরের বেসামরিক এলাকায় রুশ বাহিনীর বোমা বর্ষণের সংবাদকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন পুতিন। তিনি বলেছেন, রুশ সেনারা কিয়েভ বা অন্য কোনো শহরে বোমা বর্ষণ করেনি।

এছাড়া বেলারুশে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে বৈঠক শুরু হয়েছে, সেটি ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযান বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলেও জার্মান চ্যান্সেলরকে জানিয়েছেন পুতিন। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো— কিয়েভকে অবশ্যই মস্কোর শর্তসমূহ পূরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

টেলিফোনে শলৎসকে পুতিন বলেন, কিয়েভ বরাবর মস্কোর শর্ত মূলত চারটি। এগুলো হলো—একটি নিরপেক্ষ ও পরমাণু অস্ত্রমুক্ত দেশ হিসেবে ইউক্রেনের অবস্থান স্পষ্ট করা, দেশটি থেকে নাৎসীবাদ নির্মূল, ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকার করে নেয়া এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ন্যাটোর সিদ্ধান্তে জেলেনস্কির ক্ষোভ।। এখন থেকে প্রতিটি ইউক্রেনীয়ের মৃত্যুর জন্য ন্যাটো দায়ী থাকবে

সিঙ্গাপুর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ নিচ্ছে

ভারতের প্রথম টায়ার কারখানা ডানলপ বিলুপ্তির পথে

সরকার সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিনাশে বদ্ধপরিকর : ড. হাছান মাহমুদ

দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশকে ২০৮ রানের টার্গেট দিয়েছে 

ন্যাটোর সিদ্ধান্তে জেলেনস্কির ক্ষোভ।। এখন থেকে প্রতিটি ইউক্রেনীয়ের মৃত্যুর জন্য ন্যাটো দায়ী থাকবে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে ইউরোপে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে  জানান আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

যে ইউক্রেনবাসীরা এখন থেকে মারা যাবেন তাঁরা আপনাদের কারণেই মারা যাবেন। ইউক্রেনের উপর বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা (নো-ফ্লাই জোন) জারি না করার নেটোর সিদ্ধান্তকে এই ভাষাতেই সমালোচনা করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার বিমান যাতে আকাশপথে হামলা না চালাতে পারে তার জন্য নেটোর কাছে ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করার আবেদন করেন জেলেনস্কি। যদি এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাশিয়া হামলা চালাত, তা হলে তা হত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার শামিল। কিন্তু জেলেনস্কির আশায় জল ঢেলে এই অনুরোধ মেনে নিতে অস্বীকার করে নেটো। ইউক্রেনে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে ইউরোপে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে জানান আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এই কারণেই নেটো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান। শুক্রবার ফেসবুকে নেটোর এই সিদ্ধান্তেরই প্রতিবাদ করেন জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, ‘‘নেটো দেশগুলি এমন ব্যাখ্যা দিচ্ছে যাতে মনে হয় ইউক্রেনের আকাশপথে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিলে তা নেটোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসনকে সরাসরি উস্কে দেবে। এর মাধ্যেমে তারা নিজেদের দুর্বল এবং নিরাপত্তাহীন বলেই প্রমাণিত করছে। যদিও তাদের কাছে আমাদের চেয়ে অনেক গুণ শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে।’’

নেটো নেতৃত্বকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘‘ইউক্রেনের আকাশে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি না করে আপনারা এই দেশের শহর ও গ্রামে আরও বোমা হামলা চালানোয় সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। আপনারা চাইলে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারতেন। কিন্তু আপনারা তা করলেন না।’’

শুক্রবার নেটোর শীর্ষ অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অধিবেশনকেও ‘দুর্বল এবং বিভ্রান্তিকর’ অধিবেশন বলে উল্লেখ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। জেলেনস্কি অবশ্য নেটোতে থেকেও ইউক্রেনকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করা দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন এই দিন।

শনিবার কিভের উপর মস্কোর আগ্রাসনের দশম দিনে পড়ল। ইতিমধ্যেই রুশ হামলার মুখে পড়ে ইউক্রেন বিপর্যস্ত। রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কয়েক হাজার মানুষ মারা যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশও ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও ইউক্রেনের জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত বলেই জানিয়েছেন জেলেনস্কি। সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

সিঙ্গাপুর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ নিচ্ছে

ভারতের প্রথম টায়ার কারখানা ডানলপ বিলুপ্তির পথে

সিঙ্গাপুর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ নিচ্ছে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিরল পদক্ষেপ নিয়েছে সিঙ্গাপুর।

সিঙ্গাপুর জানিয়েছে, ইউক্রেনে হামলা করার কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে।

দেশটির জন্য এটি এক বিরল পদক্ষেপ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র সিঙ্গাপুর জানিয়েছে, তারা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করবে এবং রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংকের লেনদেন সীমিত করার পদক্ষেপ নেবে।

সেই সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করবে এবং রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করার ওপর অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে। সূত্র: বিবিসি