হিজাব বিতর্কের জেরে ব্যাঙ্গালোরে স্কুল-কলেজে ১৪৪ ধারা জারি

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের ব্যাঙ্গালোরের সব স্কুল-কলেজের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কর্নাটক সরকার। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।

কর্নাটকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদীরা। আবার হিজাবের সমর্থনে সরব মুসলিম পড়ুয়াদের একাংশ। এই বিতর্ক ঘিরে অশান্তি ঠেকাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এর আগে অশান্তি ঠেকাতে কর্নাটকের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের সরকার মঙ্গলবার থেকে তিন দিন রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এখন শুক্রবার স্কুল-কলেজ খোলার পর রাজ্যের রাজধানীতে নয়া নিয়ম কার্যকর হবে।

ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ কমিশনার কমল পান্ত বুধবার ১৪৪ ধারা ঘোষণা করে বলেন, শহরে উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অপরিহার্য। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে স্কুল-কলেজের আশপাশে ফৌজদারি দণ্ডবিধির অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

কর্নাটকের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবিতে গেরুয়া উত্তরীয় পরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। অন্যদিকে হিজাবের সমর্থনে পথে নেমেছে মুসলিম পড়ুয়ারা।

এদিকে হিজাব পরার অধিকার চেয়ে ছাত্রীরা কর্নাটক হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। বিচারপতি জানিয়েছেন, তিনি যতদিন রায় না দিচ্ছেন, ততদিন যেন রাজ্যে শান্তি বজায় থাকে। সব পক্ষ যেন ধৈর্য ধরেন।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ড্রেস কোড চালু করেনি। তবে রাজ্যের নিয়মানুযায়ী, স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ড্রেস কোড চালু করতে পারে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ড্রেস কোড চালু আছে।

এই হিজাব বিতর্ক মধ্যপ্রদেশ ও পুদুচেরিতেও ছড়িয়েছে। মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘হিজাব স্কুল বা কলেজ ইউনিফর্মের অঙ্গ নয়। স্কুলে এলে ইউনিফর্ম পরে আসতে হবে। বাড়িতে যে যার মতো পোশাক পরতে পারেন।’ মধ্যপ্রদেশেও সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

প্রদীপ-লিয়াকত এখন কাশিমপুর কারাগারে

১৪ দিন পর আবার উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে ১৪ দিন পর আবার রাস্তায় নামলো শিক্ষার্থীরা।

আজ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আজ বিকেলের দিকে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে কিলোসড়ক ধরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে চেতনা-৭১ প্রদক্ষিণ করে আবার গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ফরিদের গদি অস্তাচলে, ফরিদ যাবে রসাতলে’, ‘ফরিদের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ কেন?’ সহ উপাচার্য বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আবেদীন বলেন, ‘আমরা অধ্যাপক জাফর ইকবালের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশ্বাসে অনশন কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলাম। সে সময় আমাদের বলা হয়েছিল আমাদের বিভিন্ন দাবিগুলো মেনে নেয়া হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পরও আমাদের দেয়া আশ্বাসগুলোর কোনোটিই বাস্তবায়নের কোনো প্রচেষ্টা আমরা দেখতে পারিনি। এমনকি শিক্ষার্থীদের ওপর দেয়া দুটি মামলা এখনো ঝুলে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রায় আড়াই শ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখনও বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সেগুলোও চালু করা হয়নি। অন্যদিকে আমাদের এক দফা দাবি উপাচার্যের পদত্যাগ কিংবা অপসারণের ব্যাপারেও কোনো অগ্রগতি আমরা দেখতে পাচ্ছি না। আমরা আমাদের কঠোর কর্মসূচিগুলো থেকে সরে আসার পরও ন্যূনতম দাবিগুলো পূরণ করা হয়নি। এ জন্য এত দিন পর আমরা আবার কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছি। দাবি আদায়ের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবারও আমরা বিক্ষোভ মিছিল করব।’

উল্লেখ্য গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। সেই সকল কর্মসূচির একপর্যায়ে গিয়ে ১৯ জানুয়ারি থেকে এক দফা দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ জন শিক্ষার্থী। ২৪ জন থেকে বেড়ে সেই সংখ্যা ২৮হয় একসময়।

এরপর ২৬ জানুয়ারি সকালে শাবিপ্রবির সাবেক অধ্যাপক ও দেশের জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। এরপর থেকেই অবরোধ ও অনশন কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়িয়ে অহিংস আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, নাটক, খেলাধুলা ইত্যাদির মাধ্যমে নাদোলন অব্যাহত রেখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। তবে ১৪ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আবারও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

এবছর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হচ্ছে জমির উদ্দিন মিলনের একগুচ্ছ বই

রামপালে প্রাঃবিদ্যালয়ে ৩৪ প্রধান শিক্ষক ও ৫৭ সহ শিক্ষকের পদ খালী, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ১২৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ জন প্রধান শিক্ষকের ও ৫৭ জন সহ শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। করোনার অতিমারি ও প্রশাসনিকভাবে নতুন নিয়োগ ও বদলী না থাকায় এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রামপাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান জানান, এ উপজেলায় ১২৮ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৯৭ জন শিক্ষকের পদের বিপরীতে ৬০৬ জন কর্মরত আছেন। এর মধ্যে সোমা রানী পাল নামের এক শিক্ষিকা গত ২০১৯ সাল থেকে কোন কারণ ছাড়াই অনুপস্থিত রয়েছেন। হাওলাদার জাকির হোসেন নামের অপর একজন সহ শিক্ষক বরখাস্ত হয়েছেন। ৬৯৭ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের বিপরীতে শূন্য পদ রয়েছে ৩৪ টি। সাধারণ শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৫৭ টি। জনবল নিয়োগ ও বদলী বন্ধ জনিত কারনে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নিয়োগ ও বদলী শুরু হলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে উপজেলার চাকশ্রী স. প্রাথমিকে দুই জন সহ শিক্ষক নেই। এমন বিদ্যালয় আছে বারুইপাড়া সপ্রবি, বড় কাটালী সপ্রবি, ফুলপুকুরিয়া সপ্রবি, দক্ষিণ বেতকাটা সপ্রবি, কালেখারবেড় সপ্রবি ও ছোট ডাকরা সপ্রবি। এ ছাড়াও রাজনগর কালিকা প্রসাদ স. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন জন সহ শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

বিষয়ে রামপাল উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি মহিউদ্দিন শেখ বলেন, শূন্য পদের বিপরীতে জনবল বাড়াতে হবে। পুরোদমে বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হলে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হবে বলে মত দেন তিনি। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এ ব্যপারে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আপনারা জানেন যে, করোনার অতিমারীর কারণে আমরা একটি সংকট সময় পার করছি। আশা করি করোনা সংক্রমণ কমে গেলে আল্লাহর রহমতে এমন সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে। আমরা আমাদের সোনামনিদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যহত না হয় এ জন্য কাজ করছি, আমাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকলে মনিটরিং করছে।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ওমিক্রনে শেষ নয় পরবর্তী ধরন হবে আরও সংক্রামক- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

কীভাবে স্মার্ট হওয়া যায় বা স্মার্ট কাকে বলে এমন প্রশ্ন অনেকের…

কীভাবে স্মার্ট হওয়া যায়? বা স্মার্ট কাকে বলে? এমন প্রশ্ন থাকতেই পারে।

সাধারণত আমরা SMART এর Meaning দেখে নেই-

Specific, Measurable, Achievable, Relevant, and Time-Bound

স্মার্ট হবার বহু পথ। তন্মধ্যে কিছু নিম্নে দিলাম।

১. কথা বলার সময় অতিরিক্ত ভঙ্গিমা না দেখানো।

২. যখন সবাই চুপ করে কারও কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে তখন আপনি বেখেয়াল হয়ে বা ইচ্ছে করে সবার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য বা মনোযোগ নষ্ট করার জন্য এমন কিছু করতে পারেন না যা আপনাকে সবার কাছে বিরক্তিকর হিসেবে রিপ্রেজেন্ট করে।

৩. হুট করে ইংরেজি শব্দ দিয়ে কাউকে ছোট করতে চেষ্টা না করা।

৪. লেখার ক্ষেত্রে বানানের সঠিকতা মেনে চলা।

৫. চলার ক্ষেত্রে পুরো রাস্তা জুড়ে না হাঁটা বা অন্য কারও দিকে এমন ভাবে না তাকানো যা ওই পথচারীকে দ্বিধায় ফেলে দেয়।

৬. কারও অতি গোপনীয় বিষয় সবার সামনে জানতে চেষ্টা না করা।

৭. নিজেকে সবার চেয়ে ছোট মনে করা এবং সুযোগ পেলে নিজের অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে সত্যকে রিপ্রেজেন্ট করা।

এছাড়াও, সত্যবাদী হওয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা, হাসি মুখে কথা বলা, সিরিয়াস কোনো ব্যপারে ফানি মোডে না থাকা ইত্যাদি বহু দিক আছে যা আপনাকে স্মার্ট করে তুলতে পারে। ধন্যবাদ।

সংগৃহীত।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

পুনরায় প্রেসিডেন্ট হতে চান ট্রাম্প!

১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

সারা দেশে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত ১১-২০ গ্রেড এর কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত হল ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর ১২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।
মাগুরার কৃতি সন্তান জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম (পরিবার পরিকল্পনা) কে সভাপতি ও গোপালগঞ্জের শেখ ফরিদ আহমেদ কে সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
চলমান বেতন বৈষম্য নিরসন করে দ্রুত নবম পে কমিশন গঠন করে দ্রুত নবম পে স্কেল প্রদান, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড প্রদান,
৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান,এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি প্রণয়ন সহ ৫ দফা দাবী আদায়ে দীর্ঘ দিন যাবত কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠন টি।
নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি বলেন,আমরা দীর্ঘ দিন যাবত কর্মচারীদের নাজ্য দাবী সমূহ আদায়ে কাজ করছি।
আমাকে ১৪ লক্ষ কর্মচারীর প্রাণের সংগঠন ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর সভাপতি নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ঠ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সেই সাথে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
কর্মচারীদের কল্যাণে বিগত দিনে পাশে ছিলাম,পাশে আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।
কর্মচারীদের নাজ্জ্য দাবী বাস্তবায়নে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

একুশে বইমেলায় প্রকাশ হতে চলেছে কাব্যগ্রন্থ “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ “

 

অমর একুশে গ্রন্থ মেলা নামটি যেনো কবি,লেখক,পাঠক ও বই প্রেমিদের কাছে স্বপ্নের আয়োজন। প্রতি বছর বাংলা একাডেমির উদ্যোগে ফেব্রুয়ারী মাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

চলতি বছরেও খুব শীঘ্রই সূচনা হতে চলেছে লেখক পাঠকদের স্বপ্নের সেই আয়োজন অমর একুশে গ্রন্থ মেলা ২০২২ এবং এ মেলা কে কেন্দ্র করেই প্রকাশ হতে চলেছে কবি রকিবুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ “।

স্কুল জীবন থেকেই কবি রকিবুল ইসলাম অনেক গল্প কবিতা লিখেছেন, যা ছাপা হয়েছিলো দৈনিক পত্রিকা, অসংখ্যক যৌথগ্রন্থ সহ সাহিত্য ম্যাগাজিনে।

এর পর থেকে পড়াশুনার চাপে আর গল্প লেখা হয়ে উঠেনি তার। কিন্তু সাহিত্য প্রেমি এই মানুষটি আমৃত্যু সাহিত্যকে ছাড়তে পারবে না জেনেই বেছে নেয় কবিতার আশ্রয়। এবং পড়ালেখার ফাকে ফাকে লিখে যান অসংখ্য কবিতা, যা এখন একটি গ্রন্থে রুপ নিতে চলেছে।

” ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ ” গ্রন্থটি সম্পর্কে কবি রকিবুল ইসলাম বলেন, এটি শুধু একটি গ্রন্থই নয়, এটি একটি স্বপ্ন, যা তিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। “ইচ্ছে ডানায় এক ফালি চাঁদ ” গ্রন্থিটি কবির কাছে সন্তানের মত। মা যেমন রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে সন্তানকে বুকে আগলে রেখে বড় করে তুলে, ঠিক তেমনি এই গ্রন্থের প্রতিটি কাব্য,প্রতিটি পঙক্তি, প্রতিটি শব্দ কবির মমতায় জড়ানো সৃষ্টি। একটি কবিতা লিখবে বলে একের পর এক রাত জাগা, গভির ভাবনায় ডুবে যাওয়া এ সবই যেনো তার স্বার্থক হতে চলেছে। এ বিষয়ে কবি রকিবুল ইসলাম বলেন, তার একের পর এক রাত জাগার কষ্ট তখনই স্বার্থক হবে যখন তার লেখা গুলো পাঠকের মন ছুয়ে যাবে। আশা করি “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ ” গ্রন্থটি পাঠক মহলের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

ডুমুরিয়ায় বিদুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষকের মৃত‍্যু

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের আবেদন করেছে হাইকোর্টে

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

করোনা বেড়ে যাওয়ায় ৩০ দিনের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য সচিব, শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

বুধবার এই আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি দেশজুড়ে করোনা মহামারিতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। তাই সংক্রমণ রোধ ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আপাতত ৩০ দিনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের আবেদন জানিয়েছি।’

এদিকে দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে কোর্ট প্রশাসন।

উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় সে ছুটি বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ দেড় বছর পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সশরীরে ক্লাস শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

//অনলাইন নিউজ//

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ আরও বেড়ে গেলে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেবে। তবে এখনই এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে যাতে ভার্চুয়াল ক্লাশ নেয়া যায় সেটার প্রস্তুতি রাখার জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যেখানে ভার্চুয়াল ক্লাস নেয়া সম্ভব নয় সেখানে অ্যাসাইনমেন্টের ওপর নির্ভর করতে হবে।’

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষা সব প্রতিষ্ঠানে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। এটা করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে হাইস্কুল ও কলেজগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কমিটিতে ডিসিদের রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এখন পর্যন্ত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ৮৫ লাখকে টিকা দেয়া হয়েছে। এর চেয়ে কম বয়সীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।

এর আগে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি ডিসিদের উদ্দেশে বলেন, দেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ায় দায়িত্ব বেড়ে গেছে। সরকারি সেবা পেতে সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে ডিসিদের লক্ষ রাখতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

//মো: শফিকুল ইসলাম পিকুল,বিশেষ প্রতিনিধি//

অভয়নগর উপজেলার পার্শ্ববর্তী ফুলতলা উপজেলার যোগিনীপাশায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে স্কুল প্রাঙ্গনে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে দিবসটির শুভ সূচনা করা হয়। পরে স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মেহেদী মাসুদ বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জুম্মা মোল্যা ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি

হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেজর (অব:) নাসির উদ্দিন আহম্মেদ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জুম্মা মোল্যা ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী আবদুর রাকিব প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির ৫০ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার এক প্রস্তুতি মুলকসভা

//ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা//

ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া  সমিতির ৫০ তম শীতকালীন  ক্রীড়া  প্রতিযোগিতার এক প্রস্তুতি মুলকসভা ১৬ জানুযারী সকালে উপজেলা  মাধ‍্যমিক শিক্ষা  অফিসে  অনুষ্ঠিত হয। উপজেলা চেয়ারম‍্যান এজাজ আহম্মেদ গাজীর সভাপতিত্বে  সভায় বক্তব‍্য রাখেন ভাইন্স চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, ও শারমিনা পারভীন রুমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ  সম্পদাক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদার, উপজেলা মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, ক্রীড়া  সংগঠক জামিল আক্তার লেলিন, এসময স্কুল মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ক্রীড়া  শিক্ষক উপস্থিত  ছিলেন। আগামী ২৪ ও ২৫ জানূয়ারি স্থানীয়  যুব সংঘ খেলার মাঠে চূডান্ত পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হবে।