ডুমুরিয়ায় দেশিয় তৈরী দু’টি ওয়ান শুটার গান অস্ত্র উদ্ধার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়া থানা পুলিশ পরিত্যাক্ত অবস্হায় দেশিয় তৈরী দু’টি ওয়ান শুটার গান অস্ত্র উদ্ধার করেছে।  বৃহস্পতিবার  ২৫ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার  রুদাগরা ইউনিয়নের চহেড়া এলাকার  হরি নদীর পাশে একটি শিরিষ গাছের নিচে থেকে অস্ত্র দু’টি উদ্ধার করা হয়।

ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে জনৈক কাঠ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে চহেড়া এলাকার হরি নদীর পাড়ে একটি শিরিষ গাছ কাটতে যান। শ্রমিকরা গাছের গোড়ায় খুঁচতে গিয়ে দেখতে পান পুরাতন প্যান্টের কাপড়ে জড়ানো লোহার রড। এরপর পুরোপুরি খুলে দেখে দুটো ওয়ান শুটার গান।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্র দু’টি উদ্ধার করা হয়। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধীরা নিরাপদ স্থান ভেবে অস্ত্র দুটো এখানে রেখেছে। এখন এর পেছনের লোকদের খুঁজে বের করা হবে। এ  ব্যাপারে থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়েছে।

রামপালে ইয়াবা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

 বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোজিনা বেগম রুবি (৩৮) ও আবির কর্মকার (২৮) নামের দুই মাদক কারবারিকে দেড়শত পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক রোজিনা বেগম ও আবির কর্মকার কে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

আটক রোজিনা বেগম বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অপর আসামী  আবির কর্মকার খুলনা থানার বেনিবাবু রোডের মিল্টন কর্মকারের ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ফেব্রুয়ারি ) রামপাল উপজেলার শোলাকুড়া গ্রামের প্রীতম দেবনাথের বাড়িতে  রামপাল থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর তত্বাবধানে এস আই  হুসাইন আহমেদ সংগীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রোজিনা বেগম ও আবির কর্মকার কে ১৫০পিস ইয়াবা ট‍্যাবলেট সহ  গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  রোজিনা বেগম ও আবির কর্মকার কে ইয়াবা ট‍্যাবলেট সহ আটক করা হয়েছে এবং মাদক আইনে মামলা রুজুর পর বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক- ১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: আল আমিন হোসেন(২৫) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক আল আমিন কে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। সে ঠাঁকুরগাও উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মো: জামাত আলীর ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার  (১১ফেব্রুয়ারি ) রামপাল উপজেলার বড়দূর্গাপুর তমা ব্রীজের উপর রামপাল থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর তত্বাবধানে এস আই  দিনেশ ঘোষ সংগীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আল আমিন কে ৪৫ গ্রাম গাঁজা সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আল আমিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে এবং মাদক আইনে মামলা রুজুর পর আটক আল আমিন কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফকিরহাটে প্রতারণার শীর্ষে জ্যোতি ক্লিনিক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের ফকিরহাটে মানসা বাজার এলাকায় জ্যোতি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিজ্ঞ ডাক্তার,নার্স না থাকায় রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় তৈরি হয়েছে মরণফাঁদে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, এনেস্থিসিয়া ছাড়াই প্রতিনিয়ত চলছে অপারেশন কার্যক্রম। ওটি নোটে বিভিন্ন সার্জন,ও এনেস্থিসিয়ার নাম ব্যবহার করে প্রতারনা করে আসছে ক্লিনিকটি। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ফেব্রুয়ারির ২ তারিখে ওটি নোটে এনেস্থিসিয়া ডা: অনিকের নাম ব্যবহার করেছে,এ বিষয়ে ডা: অনিকের সাথে কথা হলে তিনি এনেস্থিসিয়া দেননি বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: মফিদুল ইসলামের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চায়লে তিনি বলেন আমি গত বুধবার(৭ ফেব্রুয়ারি ) জ্যোতি ক্লিনিক পরিদর্শন করেছি, তাদের পরিবেশ নোংড়া ছিলো,ডাক্তারদের নাম ব্যবহার করে অপারেশন করছে, ৫ বছর ধরে নেই লাইসেন্স নবায়ন,এনেস্থিসিয়া মেশিন নষ্ট,নেই মানি রিসিট,ক্যাশ ম্যামো। ডিপ্লোমা কোর্স কমপ্লিট করে ডাক্তার লেখা প্যাডে রুগী দেখছেন তমানাস বসু। তিনি আরও বলেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জ্যোতি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডি এম এফ) তমানাস বসুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমার প্যাডটি ডাক্তার লেখা এটি আমি নিজে করিনি ঔষধ কম্পানি বানিয়ে দিয়েছে, এবং আমরা নবায়ন এর টাকা জমা দিয়েছি সফটওয়্যারজনীত সমস্যার কারনে আটকে আছে।

ফকিরহাটে ডিবির অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি|| 

বাগেরহাটের ফকিরহাটে পাঁচ কেজি গাঁজসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

আটক নারী মাদক কারবারি সুমি আক্তার বকুল (৩০) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের মো. দুলাল হোসেনের স্ত্রী। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি ) ভোরে ফকিরহাট উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতেপারি ফকিরহাট উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া এলাকায় এক নারী মাদক কারবারি গাঁজা নিয়ে অপেক্ষা করছে। এর ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ভোর ৬টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সুমি আক্তার ওরফে বকুলকে ৫কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

ওই নারী দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারের সাথে জড়িত এবং এ ঘটনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ফকিরহাট থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ কারবারি গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

 বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো: খায়রুল ইসলাম (২৬) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক খায়রুল কে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। সে রামপাল উপজেলার কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মো: সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ) রামপাল উপজেলার কাপাসডাঙ্গা বাজারে ব্রীজের উপর  রামপাল থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর তত্বাবধানে এস আই  নাসির উদ্দিন সংগীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় খায়রুল কে ১০০ গ্রাম গাঁজা সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক আইনে মামলা রুজুর পর আটক খায়রুলকে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদক, অস্ত্র  ও জুয়া বিরোধী অভিযান অব‍্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

চিতলমারীতে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে আটক জেলা গোয়েন্দা পুলিশ

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে চিতলমারী নালুয়া বাজার হতে একজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে ৪ কেজি গাঁজা সহ আটক করে।

আটক কৃত মাদক কারবারি আব্দুল গফফার  বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিমান্ত এলাকা থেকে মাদক এনে বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় বিক্রি করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর স্বপন রায়।

মুক্তিপণ না পেয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা,আমতলীর তানজিলা হত্যার রহস্য উদঘাটন!

মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলীতে আলোচিত তানজিলা হত্যা রহস্য পুলিশ উদঘাটন করেছে। অপহরণকারী হৃদয় খাঁনের মুক্তিপণ দাবী করা মোবাইলের সুত্র ধরেই এ রহস্য উদঘাটন করা হয়।

অপহরণকারী হৃদয় খাঁন ও জাহিদুল খাঁন মাদ্রাসা ছাত্রী তানজিলাকে অপহরণ শেষে ধর্ষণ করে। পরে তানজিলার বাবার কাছে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। ওই দাবীকৃত টাকা না পেয়েই অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে। আসামী হৃদয় খাঁন ও জাহিদুল খাঁন পুলিশের কাছে এ হত্যা রহস্য স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে আমতলী থানায় হৃদয় খাঁন,  জাহিদুল খাঁনসহ আরো অজ্ঞাত ৩ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতকদের কঠোর শাস্তি দাবীতে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে।

জানাগেছে, উপজেলার পুঁজাখোলা গ্রামের তোফাজ্জেল খাঁনে মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়–য়া কন্যা তানজিলাকে সোমবার সকালে বাড়ীর সামনে থেকে চাচাতো ভাই হৃদয় খাঁন  ও জাহিদুল খাঁন অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে একটি বাড়ীতে রেখে তারা অপরূতাকে ধর্ষণ করে। ওইদিন রাতেই অপহৃতার বাবা তোফাজ্জেল খাঁনের কাছে হৃদয় খাঁন তার মোবাইল থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। বাবা তোফাজ্জেল খাঁন মুক্তিপণ দিতে বিলম্ব করে। পরে তারা তানজিলাকে হাত-পা বেঁধে গলায় স্কার্ফ পেচিয়ে হত্যা করে। ঘাতকরা হত্যা করেই খ্যান্ত হয়নি তানজিলার মরদেহ পুজাখোলা খালের চরে হোগলপাতার খেতে কাঁদা মাটির মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার তানজিলার বাবা তোফাজ্জেল খাঁন আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে পুলিশ হৃদয় খাঁনকে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে অপহরণের দুইদিন পরে তানজিলার বাড়ীর সামনে খালের চরে হোগলপাতার খেতের মধ্য থেকে বুধবার দুপুরে তার হাত-পা বাঁধা গলায় স্কাফ পেচানো মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে তানজিলার বাবা তোফাজ্জেল খান বাদী হয়ে ঘাতক হৃদয় খাঁন এবং জাহিদুল খাঁনসহ আরো অজ্ঞাত ৩ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালতে বিচারক মোঃ আরিফুর রহমানের কাছে আসামীরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্ধি দেন। পরে ওইদিন বিকেলে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এদিকে আসামী হৃদয় খাঁন ও জাহিদুলের কঠোর শাস্তির দাবীতে বৃহস্পতিবার সকালে আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে।

তানজিলার বাবা তোফাজ্জেল খাঁন কান্না জনিত কন্ঠে বলেন, অপহরণকারী হৃদয় ও জাহিদুলের পায়ে  পরে আমার মেয়ের জীবন  ভিক্ষা চেয়েছি। কিন্তু ওরা আমার মেয়েকে বাঁচতে দিল না। আমার মেয়েকে নির্মম নির্যাতন শেষে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনায় ওদের কঠোর বিচার দাবী করছি।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী হৃদয় ও জাহিদুল ঘটনার বর্ননা দিয়েছে। তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটে ১৬কেজি গাজাসহ মোটরসাইকেল ফেলে পালালো দুই  যুবক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটে পুলিশের চেকপোষ্ট দেখে মটরসাইকেলসহ দুই বস্তা গাঁজা ফেলে পালিয়েছে দুই মাদক কারবারি।  বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বাগেরহাট–খুলনা মহাসড়কের দশানী এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বক্সের সামনে তারা এই গাজা ফেলে চলে যায়। দুই বস্তায় ১৬ কেজি গাজা ছিল। পালিয়ে যাওয়া দুই মাদক বিক্রেতা ও মটরসাইকেলের মালিককে চিহ্নত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, বাগেরহাট দশানী পুলিশ চেকপোষ্টে সন্দেহজনক এক  মটরসাইকেলকে থামার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন  চালক ও আরোহি অজ্ঞাত মটরসাইকেলটি এবং দুটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। দুটি বস্তায় থাকা ৮টি প্যাকেটে ১৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। পালিয়ে যাওয়াদের শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মোটর সাইকেলের নিবন্ধন রয়েছে, সেই সূত্র ধরেও তদন্ত করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

কচুয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগ

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি//

কচুয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শহিদ জিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এঘটনা ঘটেছে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ছাত্রী। দুই সপ্তাহ হলেও কোন বিচার পায়নি ভুক্তভোগী ছাত্রী পরিবার। ভয়ে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে ঐ ছাত্রী ।  এঘটনায় এলাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবক ও অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও শহিদ জিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেন গত ২২ জানুয়ারী সোমবার পঞ্চম শ্রেনীতে ইংরেজি ক্লাস নিতেছিল  এসময় ওই ছাত্রী তার বান্ধবির দিকে তাকায়। এতে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রীর গায় প্রথমে চক ছুড়ে মারে এবং এসে হাত দিয়ে তার মুখে পিঠে ও স্কেল দিয়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়ক মারপিট করে। এরপর  ভয়ে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে ওই ছাত্রী।

ছাত্রীর দাদি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা অতি দরিদ্র গরিব মানুষ দিন আনি দিন খাই তাই আমাদের কোন কিছু হলে তার বিচার  হয় না। তিনি ওই শিক্ষকে দৃষ্ঠান্ত মূলক বিচারের দাবি জানান।

প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেন বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা,আমি জানিও না। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাঃ সামসুন্নাহার বলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে একটি অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি সঠিক কিনা জানি না তদন্তের জন্য চিঠি করতেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যন্যার্জী বলেন, শহিদ জিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছি।