নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ হলো সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া — নির্বাচন কমিশনার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ আহসান হাবিব খান বলেন নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ হলো একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। নির্বাচন কমিশন দেশের একটি অবাধ ও সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করায় অঙ্গিকারবদ্ধ।

সকলের  সহযোগিতায় প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ১৬১ টি উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন  বর্তমান কমিশন যতদিন আছে, ততদিন নির্বাচনি ব্যালোটসহ অন্যান্য সরঞ্জামাধি নির্বাচনের দিন সকালে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া ভোটের দিন ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসা প্রার্থীদের দায়িত্ব।  কোন প্রকার অনিয়ম ও কারচুপি মেনে নেয়া হবে না। ভোট প্রদানে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট  দিবে। আমরা এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছি।

নির্বাচনী  প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের সেই নির্দেশনা দেয়া হল। এরমধ্যে যদি কোন অফিসার বা কর্মকর্তা প্রদত্ত নিয়ম নীতি অমান্য করে তাৎক্ষণিক  তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বুধবার দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়ায় উপজেলার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং ও ভোট গ্রহনকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি”র বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সম্পর্কে বলেন, আমাদের কাছে কোন ছোট বড় প্রার্থী নেই। কে বড় প্রার্থী, কে ছোট প্রার্থী এটা আমরা দেখতে চাই না। ডুমুরিয়া উপজেলা শহিদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং অফিসার ও ষষ্ঠ ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২৪ মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির ও সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সাকেল) আসিফ কবির, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশীষ  মোমতাজ,  থানা অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা, আড়ংঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ কাজী কামাল হোসেন প্রমুখ।

 

লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার আজ ভোট দেবে প্রায় ১৮ কোটি ভোটার

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ চলছে। সোমবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

এই দফায় দেশটির ১০ রাজ্যের ৯৬টি আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এর মধ্যে অন্ধ্র প্রদেশের ২৫, তেলেঙ্গানার ১৭, উত্তর প্রদেশের ১৩, মহারাষ্ট্রের ১১ এবং মধ্যপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আটটি আসনে ভোট হচ্ছে। এছাড়া বিহারের পাঁচটি, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে চারটি করে এবং জম্মু ও কাশ্মীরের একটি আসনে ভোট হচ্ছে।

৯৬টি আসনে মোট ভোটার ১৭ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৮ কোটি ৯৭ লাখ আর নারী ৮ কোটি ৭৩ লাখ। ভোটের দায়িত্বে আছেন ১৯ লাখেরও বেশি কর্মী।

এই ধাপে বিরোধীদলীয় নেতা কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতা অখিলেশ যাদব, অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসি-সহ ১ হাজার ৭১৭ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। তারকা প্রার্থীদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান, কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, মহুয়া মৈত্র, অমৃতা রায়, অভিনেত্রী শতাব্দী রায় ও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

ভারতে মোট সাত দফায় লোকসভা নির্বাচন হবে। ইতোমধ্যে তিন দফার ভোট শেষ হয়েছে। প্রথম তিনটি পর্বে তুলনামূলকভাবে কম ভোটদানের হার, হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ খবরের শিরোনামজুড়ে থাকলেও চতুর্থ পর্বের শেষে ভারতের নির্বাচনী রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, দেশটি এখন সে দিকেই তাকিয়ে। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন…….

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গতকাল বুধবার মোট ১৩৯টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ১৩৮টি উপজেলায় বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

বেসরকারি ফলাফলে নির্বাচিত ব্যক্তিদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা। ১৩৮টি উপজেলার মধ্যে ১১৮টিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা জয়ী হয়েছেন। বাকি ২০টি উপজেলার মধ্যে আটটিতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা, দুটিতে জাতীয় পার্টি (জাপা), দুটিতে জনসংহতি সমিতি ও বাকিগুলোতে নির্দলীয় প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন।

রংপুরে আ.লীগ ১৭, অন্যান্য

প্রথম ধাপে রংপুর বিভাগে ১৯টি উপজেলার ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ১৭টিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা জয়ী হয়েছেন। এর বাইরে একজন জাতীয় পার্টির ও নির্দলীয় একজন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কামাল হোসেন, ঘোড়াঘাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী শুভ রহমান চৌধুরী ও বিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ কবীর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. রুকুনুজ্জামান, রৌমারীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম ও রাজীবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম নির্বাচিত হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সফিকুল ইসলাম ও হরিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম জয়ী হয়েছেন। পঞ্চগড় সদরে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য এ এস এম শাহনেওয়াজ প্রধান, তেঁতুলিয়ায় নির্দলীয় প্রার্থী নিজাম উদ্দিন খান ও আটোয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

রংপুরের কাউনিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম ও পীরগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জয়ী হয়েছেন। নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার ও ডোমারে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সরকার ফারহানা আক্তার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আনোয়ারুল নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের চাচাতো ভাই।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লিয়াকত হোসেন ও পাটগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন নির্বাচিত হয়েছেন। গাইবান্ধার ফুলছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আবু সাঈদ ও সাঘাটায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সামশিল আরেফিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগে আ.লীগ ২০, বিএনপি

রাজশাহী বিভাগের ২৩টি উপজেলায় গতকাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টিতে আওয়ামী লীগ, দুটিতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও একটিতে নির্দলীয় একজন প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহীর তানোরে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. লুৎফর হায়দার ও গোদাগাড়ীতে উপজেলা যুবলীগের কোষাধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জর নাচোলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের, গোমস্তাপুরে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আশরাফ হোসেন ও ভোলাহাটে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আনোয়ারুল ইসলাম চেয়ারম্যান হয়েছেন। জয়পুরহাটের কালাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান, ক্ষেতলালে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দুলাল মিয়া সরদার ও আক্কেলপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মোকছেদ আলী মাস্টার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নাটোর সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, নলডাঙ্গায় নির্দলীয় প্রার্থী রবিউল ইসলাম ও সিংড়ায় আওয়ামী লীগের কর্মী দেলোয়ার হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পাবনার সুজানগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবদুল ওহাব, সাঁথিয়ায় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও বেড়ায় আমিনপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক জয়ী হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বেলকুচিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুল ইসলাম ও কাজিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। নওগাঁর বদলগাছীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ শামসুল আলম খান, পত্নীতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল গাফফার চৌধুরী ও ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজহার আলী জয়ী হন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছেলে ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মেদ সাখাওয়াত হোসেন, সোনাতলায় সংসদ সদস্যের ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লিটন এবং গাবতলীতে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য অরুণ কান্তি রায় জয় পেয়েছেন।

খুলনার ১৭ উপজেলার সবাই আ.লীগের

প্রথম ধাপে খুলনা বিভাগের ১৭টি উপজেলার ভোট গ্রহণ হয়েছে গতকাল। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সবাই আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা। মেহেরপুর সদর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম, মুজিবনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমাম হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

কুষ্টিয়া সদরে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মাসুম মোর্শেদ নির্বাচিত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় দর্শনা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলি আজগারের সহোদর মো. আলি মুনছুর, জীবননগরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝিনাইদহ সদরে পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান ও কালীগঞ্জে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো. শিবলী নোমানী নির্বাচিত হয়েছেন। যশোরের মনিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন, কেশবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মাগুরা সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রানা আমির ওসমান ও শ্রীপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা শরিয়তউল্লাহ হোসেন মিয়া জয়ী হয়েছেন। নড়াইলের কালিয়ায় নড়াগাতি থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান শামীম রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বাগেরহাটের কচুয়ায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও রামপালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঈদ-উদ-জামান ও কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান বিজয়ী হয়েছেন।

বরিশালের পাঁচটির চারটিতেই আ.লীগ

বরিশাল বিভাগে প্রথম ধাপে মাত্র পাঁচটি উপজেলার ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে নির্দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে পিরোজপুরের নাজিরপুরে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের ছোট ভাই নূর ই আলম, সদরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম বায়েজিদ হোসেন ও ইন্দুরকানিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী জয়ী হয়েছেন। বরিশাল সদরে নির্দলীয় আব্দুল মালেক ও বাকেরগঞ্জে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাজিব আহম্মদ তালুকদার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ঢাকা বিভাগে আ.লীগ ২৬, জাপা ১, বিএনপি

প্রথম ধাপে বুধবার ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ২৯টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির একজন ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত দুজন ছাড়া বাকি ২৭ জন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ঢাকার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ, দোহারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও নবাবগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নাসিরউদ্দিন ঝিলু নির্বাচিত হন।

গোপালগঞ্জ সদরে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য কামরুজ্জামান ভূইয়া, কোটালীপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস ও টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ নির্বাচিত হন। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেন চেয়ারম্যান হয়েছেন। গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, কাপাসিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আমানত হোসেন খান ও সদরে জেলা বিএনপির সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) ইজাদুর রহমান জয়ী হয়েছেন।

রাজবাড়ীর পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম ও কালুখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলীউজ্জামান চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান সাইদুর রহমান ও সিঙ্গাইরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম নির্বাচিত হন।

ফরিদপুর সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম চৌধুরী, চরভদ্রাসনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্লা, মধুখালীতে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান চেয়ারম্যান হয়েছেন।

মাদারীপুর সদরে সংসদ সদস্য শাজাহান খানের ছেলে ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খান, রাজৈরে আওয়ামী লীগ নেতা মহসিন মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ও ভেদরগঞ্জের সখীপুর থানা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ওয়াসেল কবির জয়ী হন।

নরসিংদী সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন ও পলাশে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জাবেদ হোসেন নির্বাচিত হন। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর আহমদ খান নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার, মধুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইয়াকুব আলী নির্বাচিত হয়েছেন। ইয়াকুব আলী সাবেক কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাকের খালাতো ভাই। কিশোরগঞ্জ সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, পাকুন্দিয়ায় বিএনপির সমর্থক এমদাদুল হক ও হোসেনপুরে আওয়ামী লীগের কর্মী মোহাম্মদ সোহেল চেয়ারম্যান হয়েছেন।

ময়মনসিংহে আ.লীগ ৬, বিএনপি

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার আটটি উপজেলায় গতকাল ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামী লীগ ও দুটিতে বিএনপির বহিষ্কৃত দুই নেতা জয় পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক (বহিষ্কৃত) মো. আবদুল হামিদ, ধোবাউড়ায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম ও ফুলপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। জামালপুর সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ নির্বাচিত হয়েছেন।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম ও ঝিনাইগাতীতে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. আমিনুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান ও কলমাকান্দায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুছ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেটে আ.লীগ ৯, অন্যান্য

সিলেট বিভাগের চার জেলার ১১টি উপজেলা গতকাল ভোট হয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতেই জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায় ও শাল্লায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি অবনী মোহন দাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেট সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সুজাত আলী রফিক, দক্ষিণ সুরমায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম, গোলাপগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী ও বিশ্বনাথে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কিশোর রায় চৌধুরী মনি, বড়লেখায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আজির উদ্দিন ও কুলাউড়ায় ফজলুল হক খান নামে আঞ্জুমানে আল ইসলাম নামের আরেকটি সংগঠনের নেতা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মী আলাউদ্দিন ও বানিয়াচংয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান জয়ী হন।

চট্টগ্রামে আ.লীগ ১৯, অন্যান্য ৭, ফল স্থগিত

প্রথম ধাপে চট্টগ্রাম বিভাগে গতকাল ১১ জেলার ২৭টি উপজেলায় ভোট হয়েছে। এর মধ্যে একটির ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ২৬টির মধ্যে ১৯টিতে আওয়ামী লীগ, তিনটিতে নির্দলীয়, দুটি জনসংহতি সমিতি এবং একটি করে উপজেলায় বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন থেকে বহিষ্কৃত নেতারা জয় পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আওয়ামী লীগের নেতা রোমা আক্তার ও সরাইলে উপজেলা যুবলীগের একাংশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শের আলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লার লাকসামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইউনুছ ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী ও মেঘনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন।

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মানিক দর্জি ও মতলব দক্ষিণে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার নির্বাচিত হন। ফেনীর ফুলগাজীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন মজুমদার নির্বাচিত হয়েছেন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নোয়াখালী-৪ (সদর–সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক ওরফে শাবাব চৌধুরী এবং হাতিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক আলী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর ছেলে। লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে নির্দলীয় প্রার্থী শরাফ উদ্দীন আজাদ ও কমলনগরে ইসলামী আন্দোলনের বহিষ্কৃত নেতা মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুল আলম চৌধুরী ও মিরসরাইয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এনায়েত হোসেন জয় পেয়েছেন। কক্সবাজার সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, মহেশখালীতে নির্দলীয় মো. জয়নাল আবেদীন ও কুতুবদিয়ায় নির্দলীয় প্রার্থী মো. হানিফ বিন কাশেম জয়ী হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, মাটিরাঙ্গায় নির্দলীয় আবুল কাশেম ভুইয়া ও রামগড়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিশ্ব প্রদীপ কারবারি জয়ী হয়েছেন। লক্ষ্মীছড়িতে ভোটগ্রহণ করা হলেও ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বান্দরবান সদরে বিএনপির সাবেক নেতা আব্দুল কুদ্দুস ও আলীকদমে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন চেয়ারম্যান হয়েছেন।

রাঙামাটি সদরে জনসংহতি সমিতি সমর্থিত অন্ন সাধন চাকমা ও বরকলে একই দলের বিধান চাকমা জয়ী হয়েছেন। কাউখালীতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সামশুদ্দোহা চৌধুরী ও জুরাছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

Daily World News

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল উদ্দিন বাদশার গণসংযোগ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল উদ্দিন বাদশার গণসংযোগ

তরুণ কান্তি পাইক, নিজস্ব প্রতিবেদক।৷

বর্তমান রূপসা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন বাদশা, তৃতীয় বার রূপসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ৯ মে  মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

আজ সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর বাজারে গণসংযোগ করেন প্রবীণ নেতা কামাল উদ্দীন বাদশা।

যিনি সকলের প্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। সাদাসিদে জীবন যাপন করে দীর্ঘদিন পথ পাড়ি দিয়ে আসছেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাচনে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন,ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ৫ জন ও ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) পদে তিনজন সহ মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিনে নির্ধারিত সময় বিকাল ৪টা পর্যন্ত আমতলী উপজেলা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আমতলী উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান অ্যাড. এম এ কাদের মিয়া,গোলাম সরোয়ার ফোরকান,আলতাফ হাওলাদার,এলমান উদ্দিন আহমেদ সুহাদ,অ্যাড. মোশাররফ হোসেন মোল্লা।

ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে  মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম শামসুদ্দিন শানু,মোয়াজ্জেম হোসেন খান,নাজমুল হাসান সোহাগ,অ্যাড. মঈন পহলান ও সৈয়দ নাজমুল হক।

ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন আমতলী উপজেলা পরিষদের বর্তমান নারী ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি,সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদা আক্তার জোছনা ও জেসিকা তারতিলা জুথী।

আমতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ সেলিম রেজা বলেন,তিন পদে ১৩ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মেহেদী হাসান বাবু চেয়ারম্যান নির্বাচিত

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মেহেদী হাসান বাবু (দোয়াত কলম প্রতীক) ২৬০৯০ ভোট পেয়ে বে-সরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসী আশরাফি জেমস (মোটর-সাইকেল প্রতিক) পেয়েছেন ১৯৪৬৭ ভোট। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার (ঘোড়া প্রতিক) পেয়েছেন ৮৪৬৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সুমন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হনুফা খাতুন নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোটার উপস্থিতির হার ৬২.৩৬% মোট ভাটার ৮৯,৬৯১জন, উপস্থিত ভোটার ৫৪৩৪০জন, বাতিল ভোট ১৫৮৯। এ নির্বাচনে  চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী  প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাবুকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন কচুয়া প্রসক্লাবের নেত্রীবৃন্দ। নেত্রীবৃন্দরা হলেন, সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল, সাধারন সম্পাদক  কাজী  ছাইদউজ্জামান সাইদ, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শুভংকর দাস বাচ্চু,অর্থ সম্পাদক রথীন সাহা,  নির্বাহী সদস্য, সুপার্থ কুমার মন্ডল, খান সুমন, প্রদ্যুৎ কুমার মন্ডল সহ সকল সদস্য বৃন্দ।

 

রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২৪৯ ভোটের ব্যবধানে পুনরায় চোয়ারম্যান মোয়াজ্জেম

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। কোনো সহিংসতার ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে বুধবার (৮ মে) সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে ভোট গ্রহণ। এ নির্বাচনে কোন পদের পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানই বেসরকারি ফলাফলে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে মাত্র ২’শ ৪৯ ভোটের ব্যাবধান নিশ্চিত হয়েছে জয় পরাজয়।  বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ২৪ হাজার ১’শ ৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে জামিল হাসান জামু পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯ ‘শ ৪৭ ভোট ।

ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল হক লিপন তালা প্রতীক নিয়ে ২০ হাজার ২ ‘শ ৩১ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন।  তার নিকটতম  প্রতিদ্বন্দি মেহেদী হাসান মিন্টু পেয়েছেন ১০ হাজার ৩’শ ৪২ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কলস প্রতীক নিয়ে হোসনেয়ারা মিলি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৮’শ ২১ ভোট । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফুটবল প্রতীক নিয়ে  মোসা. ছায়েরা বেগম পেয়েছেন ২০ হাজার ৯’শ ২৫ ভোট।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন রামপালবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যারা তাকে ভোটের মাধ্যমে আবারও নির্বাচিত করেছেন তাদর প্রতি সে চির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, স্মার্ট রামপাল গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এ জন্য তিনি সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

কচুয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহনের জন্যপ্রস্তুত ৩০ কেন্দ্র

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহটের কচুয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহনের জন্য প্রস্তুত ৩০ কেন্দ্র।

মঙ্গল বার দুপুরে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নীং অফিসারি হমাংশু বিশ্বাস প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে ভোট গ্রহনের সামগ্রীবুঝিয়ে দেন।

এসময় নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা,আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের ৮১ টি গ্রামের ৮৯,৬৯১জন ভোটার এর মধ্যে পুরুষ ৪৪,৭৬৪জন ও মহিলা ৪৪,৬২৭জন। আয়তন ১৩১.৬২ বর্গ কিলোমিটার।

 

বাগেরহাটের কচুয়ায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন,ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী লড়ছেন।

প্রার্থীরা যে যার মত করে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন সাধারন ভোটারদের। চেষ্ঠা করছেন নিজের পাল্লা ভারী করতে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে সব প্রার্থীদের প্রচারনা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে করছেন ভোট প্রার্থনা। এ উপজেলার আয়তন ১৩১.৬২ বর্গ কিলোমিটার, আগামী ৮মে উপজেলা নির্বাচনে ৭ টি ইউনিয়নের ৮১ টি গ্রামের ৮৯,৬৯১জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নিতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৪,৭৬৪জন ও মহিলা ৪৪,৬২৭জন।

বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার ঘোড়া প্রতিক, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসী আশরাফি জেমস মোটর-সাইকেল প্রতিক, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কে.এম.ফরিদ হাসান আনারস প্রতিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস.এম মাহফুজুর রহমানের ছেলে রাড়ীপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান বাবু দোয়াত কলম প্রতিক নিয়ে লড়ছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে শেখ সুমন টিয়াপাখি প্রতিক, মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ উড়ো জাহাজ প্রতিক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাধবী রানী প্রজাপতি প্রতিক, হনুফা খাতুন কলস প্রতিক, মোসাঃ ইয়াসমিন আক্তার হাস প্রতিক নিয়ে লড়ছেন।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। চাচ্ছেন ভোট, এছাড়া বিগত সময়ের ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনাও করছেন তারা। দিচ্ছেন নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি। ভোটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পাড়া মহল্লা, ওলিতে গলিতে চায়ের দোকান গুলোতে বেড়েছেও বিক্রি। দোকানীদের মাঝেও চলছে উৎসাহ। ভোটাররাও চান তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে।

বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার  তিনি তার বিগত বছরের কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে। সেই সাথে চাওয়া পাওয়ার হিসাব  মিলাচ্ছেন সাধারন ভোটাররা। কচুয়া উপজেলার মানুষ তাকে ভোট দিয়ে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন বলে আশাবাদী তিনি।

জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসী আশরাফি জেমস নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তার মেঝ কাকা প্রাক্তন সাংসদ মীর সাখাওয়াত আলী দারু এর জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অপর এক সাবেক সাংসদ মীর শওকাত আলী বাদশা এর ও ভাইপো তিনি। সভ্য, ভদ্র, শিক্ষিত প্রার্থী হিসাবে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিচ্ছেন ভোটারদের কাছে। তবে তিনি সবার শেষে প্রচারনায় নামলেও, ভোটের মাঠে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন। আগামী নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী দাবী করে তিনি জয়লাভেরও শতভাগ আশাবাদী।

জেলা আওয়ামীলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক কে.এম.ফরিদ হাসান রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে। তিনিও চেষ্ঠা করছেন ভোটের মাঠে নিজের অবস্থান শক্ত করতে। আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হবেন বলে আশা করেন তিনি।

রাড়ীপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান বাবু চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। বাবার মৃত্যুর পর থেকে রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে এবং চষে বেড়িয়েছেন উপজেলার প্রতিটি গ্রাম। বাবার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে জয়ের দিকে এগিয়ে যেতে চান তিনি। আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে তিনিই বসবেন উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ারে এমনটাই তার প্রত্যাশা ।

উপজেলা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নীং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার হিমাংশু প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাদ ও নিরপেক্ষ করতে কমিশনের সব ধরনের প্রস্তুতি

রয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমান আইনশৃংখলা রক্ষকারী বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সব প্রার্থীকে সমান গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নিরপেক্ষ রাখতে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Daily World News

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

সিলিং ফ্যানের বিশ্রাম প্রয়োজন আছে কি-না…? ফ্যানটাও তো ভালে নাখতে হবে…

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

//এম মুরশীদ আলী//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্বাচনী মতবিনিময় করেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শারমিন সুলতানা রুনা। তিনি খুলনা জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ৩ মে সন্ধ্যায়, ক্লাব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু, সহ সভাপতি এম মুরশীদ আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফ,ম আইয়ুব আলী, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, কোষাধ্যক্ষ মো. নাহিদ জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ, দপ্তর সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন, ক্লাবের অন্যতম সদস্য ইউসা মোল্লা, মিলন মোল্লা, মোড়ল জাফরিনা, আহম্মাদ হোসেন প্রমূখ।