রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

//এম মুরশীদ আলী//

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজনে রূপসায় পল্লী কর্মসংস্থান ও সড়ক রক্ষনাবেক্ষণ কর্মসূচী-৩ শীর্ষক প্রকল্পের নারী কর্মীদের সঞ্চয়কৃত অর্থের চেক ও সনদপত্র গত ২৭ আগষ্ট সকলে উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস কক্ষে বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় নারী কর্মীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন- উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি বলেন- রূপসা উপজেলায় ৫টি ইউনিয়ন। প্রতি ইউনিয়নে ১০ জন করে মোট ৫০ জন নারীর মাঝে চেক ‌ও সনদপত্র দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সালেহ মুসা আশিক, কমিউনিটি অর্গানাইজার মোছাঃ ফাতেমা তুজ জোহরা প্রমুখ।

অভয়নগর প্রাক্তন সৈনিক কল্যান সংস্হার পক্ষ থেকে বন্যার্তদের জন্য ৫০হাজার টাকার চেক প্রদান

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোরের অভয়নগরে প্রাক্তন সৈনিক কল্যান সংস্হার পক্ষ থেকে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বন্যার্তদের সহযোগিতার ৫০হাজার টাকার অনুদানের চেক প্রদান করেছেন। ২৭আগষ্ট মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার সময়  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আবু নওশাদ এর হাতে এ অনুদানের চেক প্রধান উপদেষ্টার তহবিলে দেওয়ার জন্য সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্ববৃন্দের উপস্থিতিতে প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন  উপদেষ্টা অনারারী ক্যাপ্টেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদ হোসেন,  সভাপতি  চিপপেডি অফিসার এম এ গফুর, (অঃ) কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস,  সংস্হার সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট মন্জুরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট মইন গাজী, কোষাধ্যক্ষ সার্জেন্ট ফিরোজ আলম,সহ সভাপতি  এস ডব্লিউ ও শুকুর আলী,এস এম আলূ হোসেন, সেলিম হোসেন,সার্জেন্ট জাবেদ আলী, সার্জেন আলমগীর হোসেন,সার্জেন্ট আমিনুল ইসলাম, সার্জেন্ট মুজিবুর রহমান, সার্জেন্ট মাহমুদুর রহমান, কর্পোরাল আকের আলী, মিজানুর রহমান ও সৈনিক হাফিজুর রহমান প্রমুখ। অভয়নগর প্রাক্তন সৈনিক কল্যান সংস্থার নেতাকর্মীগন দেশের বিভিন্ন দুর্যোগের সময়  এভাবেই ঝাপিয়ে পড়েন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর অধীন (আরই আর এম পি -৩) প্রকল্পের আওতায় নারী কর্মিদের সঞ্চিত অর্থের চেক ও সনদপত্র বিতরণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় স্থানীয় সরকার  প্রকৌশলী অধিদপ্তর এর অধীনে ( আর আর এম পি -৩) প্রকল্পের নারী কর্মীদের সঞ্চিত অর্থের চেক সনদ বিতরন উপলক্ষে  ১৮ আগষ্ট সোমবার দুপুরে , ডুমুরিয়া উপজেলা  প্রকৌলশী দপ্তরের আয়োজনে  শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এক  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন,  এর সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে প্রধান  অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন  স্থানীন সরকার প্রকৌশলী দপ্তরেরর  নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান সরদার, স্বাগত বক্তব্য দেন  উপজেলা প্রকৌশলী মোহাঃ রবিউল ইসলাম,  উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস,  সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস, প্রমুখ।।

আলোচনা সভা শেষে  নারী কর্মীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৩‘শ ৭৩ টাকার চেক প্রদান করা হয়। ৪ বছরে উপজেলার ১৪ইউনিয়নের ১৪০ জন নারী কর্মীদের মধ্যে মোট ১ কোটি ৬৮লাখ ১২ হাজার ৮‘শ ৬১ টাকার সঞ্চিত অর্থের চেক প্রদান করা হয়।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

“উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায়, দেশ গড়বো সমাজসেবায়” এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয়ে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে এক আলোচনা সভা গত ৮ জুলাই সকালে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন- ভিক্ষুকরা জীবন-জীবিকার জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল এবং ঠিকানাবিহীন কত লোক বসবাস করে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। নদী ভাঙন, অতি দারিদ্র্য, রোগ, ব্যাধি, অশিক্ষা প্রভৃতি কারণে কিছু লোক ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত হচ্ছেন। তাদের প্রকৃতপক্ষে সাহায্যের দরকার আছে। তবে কিছু কিছু কর্মবিমুখ লোক সহজ আয়ের পথ হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নিয়েছেন। এর পাশাপাশি কিছু দুষ্টচক্র নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অসহায় মানুষদের দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করাচ্ছে। তিনি আরও বলেন- সরকার ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে ভিক্ষাবৃত্তি সমাধানে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় রূপসা উপজেলা প্রশাসন ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করার জন্য কাজ করছে।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

সভাপতির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান। তিনি বলেন-, ভিক্ষুকদের ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে সঠিক পরিসংখ্যানের মাধ্যমে প্রকৃত ভিক্ষুকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা যায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ অর্থায়নে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন ও পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে রূপসায় দুইজন ভিক্ষুককে ৪১ হাজার ৩ শত ৫০ টাকার (মুদি-মনিহারি দোকান) মালামাল সহ নগদ ৫ হাজার টাকা করে কর্মসংস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনা, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইমদাদুল হক।

দুই ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করে রূপসা সমাজসেবা

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ কুদরত আলী শেখ, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, একাডেমিক সুপার ভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিপুল গাজী, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মো. রাসেল শেখ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোর্শেদুল আলম বাবু, প্রভাষক বাশির আহম্মেদ লালু, উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরের ফিল্ড অফিসার এস এ ফয়সাল প্রমূখ। এরপর সমাজসেবা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিব ও  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

রূপসায় কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণী উদ্বোধনে এমপি সালাম মূর্শেদী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

‘কৃষিই সমৃদ্ধ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের খরিপ- ২/২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রনোদনা রোপা আমন ধানের (উফশী) বীজ ও সার সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠান গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আলোচনা সভা শেষে কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়।

বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন- আমাদের উপজেলার কৃষকদের এ সব বীজ ও সার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার ফলে, কৃষি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবার পাশাপাশি এ খাত আরো সমৃদ্ধ হবে। তিনি আরো বলেন- বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা কৃষি ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশের কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নানান ফসল ফলাতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের কৃষকরা এখন এক অনন্যা দৃষ্টি স্থাপন করে যাচ্ছে। কৃষকরাই পারে দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে। জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে।

সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সারমিন সুলতানা রুনা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন- রূপসায় ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯৫০ জন কৃষক কে ৫ কেজি করে ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ভালো ফলন ফলাতে পারে সরকার সেদিকে খেয়াল রেখে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের (উফশী) বীজ ও সার  দিয়ে আমাদের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র কৃষকদের লাভবান করে তুলছেন। ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকের কষ্ট ও সময় বাঁচিয়ে আরো বেশী জমি আবাদ করতে সক্ষম হচ্ছে। তাতে কৃষকরা আশানুরূপ ফলশ্রুতি পাচ্ছে। তাছাড়া ঘুর্ণিঝড় রেমাল এ ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদেরও সহায়তা প্রদান করা হয়।

আলোচনা সভায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিতিশ চদ্র বালা’র পরিচালনায়- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আলী হাসান, মো. রাজু আহম্মেদ, জান্নাতুন নাহার, সমীর কুমার ঘোষ, শোয়েব তরিকুল্লাহ, সোহেল রানা, হিমাংশু রায়, হিমাদ্রি বিশ্বাস, প্রমিলা রানী বালা, মিলি বেগম, মো. মোজাহিদুর রহমান, দেবাশীষ কুমার দাস, আফরোজা মুমু প্রমুখ। এ সময় সকল ইউনিয়নের কৃষকবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাদের কৃষি উপকরণ বুঝে নেন।

Daily World News

অবশেষে আলোচিত পিস্তল বাবু’কে আটক করেছে র‌্যাব-৮

আমতলীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকরেন

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলীতে ঘূর্নিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পৃথক দু’টি সভায় ত্রাণ বিতরণ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিন্ত্রী মোঃ মহিববুর রহমান এমপি।

আজ বুধবার (৩ জুলাই) সকালে এবং দুপুরে বরগুনার আমতলী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্নবাসন বিষয়ক আমতলী উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভা আয়োজিত দুটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় মন্ত্রী বরগুনা জেলার জন্য ১ কোটি টাকা,আমতলী উপজেলা পরিষদের জন্য ৫০ লাখ টাকা এবং ১০০ বান্ডিল ঢেউটিন,৭ ইউনিয়নের জন্য ৩৫ লাখ টাকা,আমতলী পৌরসভার জন্য ১০ লাখ টাকা এবং ৫০ বান্ডিল ঢেউটিন ও গুলিশাখালী ইসাহাক ও শাখারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় দু’টিতে দুটি সাইক্লোন সেল্টার বরাদ্দের ঘোষাণা দেন। মন্ত্রী মতবিনিময় শেষে রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণের চাল তুলে দেন।

আমতলী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপত্বি করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান, আমতলী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমান,বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাস,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল হোসাইন ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম তালুকদার, আখতারুজ্জামান বাদল খান।

আমতলী পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ত্রাণ বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় সভাপত্বি করেন পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান। সভা দু,টিতে উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব তালুকদার, কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম,আমতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া,আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু,কুয়াকাটা পৌর মেয়র মোঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার,কলাপাড়া পৌর  মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, আমতলীর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক হাসান,ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা ও রফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

রামপালে রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান

 জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

উপকূলীয় অঞ্চল বাগেরহাটের রামপালে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থ ব্র্যাক ইউপিজি সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন  সামগ্রী বিতরন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বেলা ১১ টায় রামপাল উপজেল শাখা অফিসে এসব  সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অসীম কুমার ঘোষ এবং প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রমজান আলী।

ব্র্যাক আল্ট্রাপুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম এর সহায়তায় ২৫ জন উপকারভোগীকে খাবার সহায়তা বাবদ ২ হাজার টাকা করে মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা, ৫৩ জন সমন্বিত ধান, মাছ ও সবজির জন্য ৬ হাজার টাকা করে মোট ৩ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা, স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাটিন মেরামতের জন্য ৪৫ জনকে ১৫ শত টাকা করে মোট ৬৭ হাজার ৫ শত টাকা, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন স্থাপনের জন্য ১৫ জনকে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৪৫ হাজার টাকা, বসতি ঘর মেরামতের জন্য ৮ জনকে ৬ হাজার টাকা করে মোট ৪৮ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। উপকারভোগীদের মাঝে সর্বমোট ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৫ শত টাকার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক রামপাল অফিসের প্রগতি সিও বাদল সরকার, বিশ্বজিত কুমার, প্রেসক্লাব রামপালের সাধারন সম্পাদক সুজন মজুমদার, ইউপিজি শাখা ব্যবস্থাপক উত্তম কুমার ব্যানার্জী, শাখা হিসাব কর্মকর্তা রবিন্দ্র নাথ মৃধা, ইউপিজি কর্মী উত্তম মন্ডল, পলাশ বিশ্বাস, জুলেখা পারভীন প্রমুখ।

তালতলীতে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীকে গভীর নলকূপ প্রদানে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার তালতলীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে গভীর নলকূপ প্রদানের জন্য “সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠন” এর আয়োজনে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল ১১ টায় ‘রাইট টু গ্রো প্রকল্পের’ সহযোগিতায় উপজেলার “সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠন” এর কার্যালয়ে এক অ্যাডভোকেসি সভায় উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর হাতে নলকূপ  চাহিদার তালিকাটি তুলে দেন “সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠন”।

“সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠনের” সভাপতি নজরুল ইসলাম লিটু’র সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হোসেন সাহিন,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা,জন-প্রতিনিধি,স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিনিধি,সাংবাদিক, সিএসও কমিটির সদস্যসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানাগেছে “শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করবে দেশের সমৃদ্ধি” এই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে “সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠন ” বা সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) ডাচ সরকারের অর্থায়নে ‘এসিএফ’ ও ‘জাগো নারী’ বাস্তবায়নাধীন ‘রাইট টু গ্রো প্রকল্প’ এর সহযোগিতায় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে স্থানীয় পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্য,পুষ্টি ও ওয়াশ সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে।

“সমুদ্র সমাজ সুশীল সংগঠনের” সভাপতি নজরুল ইসলাম লিটু বলেন,আমরা ৩৩৬টি সামাজিক মানচিত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে তালতলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ৩৮৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা মনে করছি। যার মধ্যে পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নে ৩২টি,ছোটবগী ২৬টি, কড়াইবেড়িয়া ১৬টি, শারিকখালী ২৭টি,বড়বগী ১৬৫টি, নিশানবাড়িয়া ৮৯টি ও সোনাকাটা ৩৭টি।

ডুমুরিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনার ডুমুরিয়ার ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ শরাফপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত জেলেখালী চাঁদগড়, করিম নগর আকড়া ও বিরালা এলাকায় গরীব, অসহায় ও দুস্থ ২শ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

শরাফপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম‍্যান মহুরুম জাহাবক্স বিশ্বাসের ভাইপো ও ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি  বিশিষ্ঠ ব‍্যবসায়ী মোঃ মিজানুর রহমান বিশ্বাস ১৪ জুন  শুক্রবার সকালে ইউনিয়নের জেলেখালী ও চাদগড় ওয়াবদার মাথা  এলাকায়  ঈদ সামগ্রী সেমাই চিনি ডাল চাউল তেল সাবান শ‍্যাম্পু বিতরন করেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল গফুর শেখ, আবু বক্কার, সুজন গোলদার, মহিউদ্দিন গোলদার, রাজু গোলদার, সরোয়ার হোসেন খান, পাঞ্জাব আলী সরদার, মাসুম সরদার, নাসরিন বেগম, শাওন শেখ প্রমুখ।

ডুমুরিয়ায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থ অসহায় পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা ভিজিএফ খাদ্যশস্য চাল বিতরণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ঈদুল আযহা উপলক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৪ ইউনিয়নে দুস্থ অসহায় পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা ভিজিএফ খাদ্যশস্য চাল বিতরণ চলছে।

আজ  বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গুটুদিয়া ও ভান্ডারপাড়া ইউনিয়ন  পরিষদে উপকারভোগীদের  মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়েছে।  পরিষদের হলরুমে বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম,  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল  ইসলাম, ইউপি সচিবসহ সদস্যরা।  ভান্ডারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম‍্যান গোপাল চন্দ্র দে উপকারভোগীদের মাঝে চাউল বিতরন করেন এসময় সচিবসহ ইউপি সদস‍্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উপজেলার  ধামালিয়া ইউনিয়নে ২০৭৭ কার্ডধারীর  মাঝে ২০.৭৭০ মেট্রিক টন, রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ২১৪৫ জন কার্ডধারীর মাঝে ২১.৪৫০ মেট্রিক টন, রুদাঘরা  ইউনিয়নের ২০৮৬ কার্ডধারীর মাঝে ২০.৮৬০ মেট্রিক টন, খর্নিয়া ইউনিয়নে ১৭৯১ জন কার্ড ধারীর  মাঝে ১৭.৯১০ মেট্রিক টন,  আটলিয়া ইউনিয়নের২৮৪৪  জন কার্ডধারীর  মাঝে ২৮.৪৪০ মেট্রিক টন, মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের ১৯৮৬ জন কার্ডধারীর   মাঝে ১৯.৮৬০ মেট্রিক টন, শোভনা  ইউনিয়নে ১৫০০ জন কার্ড ধারীর  মাঝে ১৫.০০০ মেট্রিক টন.  শরাফপুর ইউনিয়নের ১৪৬১ জন কার্ড ধারীর  মাঝে ১৪ ৬১০  মেট্রিক টন,  সাহস ইউনিয়নের ১৬২০ কার্ড ধারীর মাঝে ১৬.২০০ মেট্রিক টন, ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের ১৫৭৩  জন কার্ড ধারীর  মাঝে ১৫.৭৩০ মেট্রিক টন,  ডুমুরিয়া ইউনিয়ন ২৭০৫ জন কার্ড ধারীর   মাঝে ২৭.০৫০ মেট্রিক টন,  রংপুর ইউনিয়নে ১১০০ জন কার্ড ধারীর  মাঝেই ১১.০০০ মেট্রিক টন, গুটুদিয়া ইউনিয়নে ২২৪৮ জনকে ২২.৪৮০ মেট্রিক টন,  মাগুরখালী ইউনিয়ন ১০০০ জন  কার্ডধারীর মাঝে ১০.০০০ মেট্রিক টন চাউল বিতরণ করা হবে ।