মোংলায় টর্চারসেলে নির্যাতন, হত‍্যাচেষ্টা মামলার ৪ আসামী র‍্যাবের হাতে আটক

এ এইচ নান্টু,  বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের মোংলায় ইউপি সদস্যের টর্চারসেলে দুই ভাইকে বিবস্ত্র করে পাঁচ ঘন্টা ধরে নির্যাতন ও হত্যাপ্রচেষ্টা মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) সকালে র‌্যাব-৬ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে রোববার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট সদরের ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকা থেকে ওই চার আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুলতান হাওলাদার (৫০)। খোকন ঘোষাল (৩০), বেল্লাল খাঁ (৪৫) ও মো. নিয়ামুল ব্যাপারী (৩০)। এদের বাড়ী বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার কানাইনগর ও কালিকাবাড়ী গ্রামে।

এ ঘটনার মূলহোতা সুলতান হাওলাদারের পুত্র জাকির হাওলাদারকে রোববার সকালে মোংলার কানাইনগর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

র‌্যাব জানায়, শনিবার সকালে বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার বাংলাদেশ হোটেলের সামনে থেকে বিনোদ সরকার ও বিপ্লব সরকার নামে দুই ভাইকে তুলে নেয় সুলতান মেম্বার ও তার দুই ছেলেসহ অন্য সহযোগীরা। পরে সিঙ্গাপুর মার্কেটে ও কাইননগরে গুচ্ছগ্রামে নিয়ে তাদের টর্চারসেলে উলঙ্গ করে ৫ ঘন্টা ধরে দফায় দফায় নির্যাতন চালায় তারা।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মোংলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে থানায় নির্যাতিতদের ভাই কাইনমারী গ্রামের কুমুদ সরকার বাদী হয়ে সুলতান হাওলাদার ও তার ছেলে জাকির হাওলাদারসহ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

 English Dainikbiswa

আমতলীতে ইটভাটায় করাতকল: হুমকির মুখে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্

রাণীশংকৈলের পৌর কাউন্সিলর কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর পীরগঞ্জে গ্রেফতার

//হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরসভার কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) গত শনিবার ১৬ এপ্রিল রাতে পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ পৌর শহরে তারাবী নামাজ চলাকালীন মসজিদ সংলগ্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গণধোলাই খেয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। রাজ্জাক রাণীশংকৈল পৌর শহরের ভান্ডারা মহল্লার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে ও ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গতকাল ১৬ এপ্রিল  রাণীশংকৈল পৌর কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাককে মোটর সাইকেল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়। এনিয়ে তার বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে জেলা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

রাণীশংকৈল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৌর কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তৈরি করে রাণীশংকৈল, হরিপুর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ ও ঠাকুরগাও, দিনাজপুর, বগুড়া ও শেরপুর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মোটর সাইকেল চুরি করে আসছিলেন। গত ২ সপ্তাহ আগে হরিপুরে মোটর সাইকেল চুরি করতে গিয়ে তিনি জনতার হাতে ধরা পড়েন এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। ক’দিন পরেই তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার চুরির কাজে জড়িত হন। তার নামে এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ৩৫ টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল পীরগঞ্জে মোটর সাইলে চুরি করতে গিয়ে তিনি গণধোলাই এর শিকার হন। এসময় ঠাকুরগাঁও ও রাণীশংকৈল থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং রাজ্জাককে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কাউন্সিলর রাজ্জাককে প্রায় ৬ মাস আগে পৌরসভায় রেজুলেশন করে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তার কপি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এদিকে মোটর সাইকেল চোর রাজ্জাকের পিছনে একটি প্রভাবশালী চক্র কাজ করে আসছে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

English Dainikbiswa

আ.লীগ পরিবারের ছেলে ছাত্রদলের নতুন সভাপতি

নিজেদের তৈরি ভিসা ও টিকিট দিয়ে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

এক ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে তার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তোফায়েল নামের এক প্রতারক গৃহকর্মী হিসেবে সৌদিআরব পাঠানোর প্রলোভন দেখায়। এমন প্রলোভনে পড়ে ভিকটিম সৌদিআরব যেতে রাজি হন। এরপর সৌদিআরব যেতে হলে আরবী ভাষার ট্রেনিং করতে হবে, এই কথা বলে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে এসে আটক রেখে ধর্ষণ করা হয়।

মানবপাচার ও প্রতারক চক্রটি মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভূয়া ভিসা ও টিকিট সরবরাহ করে বিদেশ গমনেচ্ছু বেকার যুবক যুবতীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে সর্বস্বান্ত করছে। চক্রটির ভূয়া ভিসা ও টিকিট বিমানবন্দরে প্রদর্শন করার পর ইমেগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সেগুলো জাল হওয়ায় বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে।

ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর রামপুরা ও হাতিরঝিল এলাকা থেকে প্রতারক চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলছে, তাদের জনশক্তি রপ্তানির কোনো লাইসেন্স না থাকলেও ভুক্তভোগীদের থেকে জনপ্রতি নেয়া হতো ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা করে। গত পাঁচ বছরে অবৈধভাবে ৫ শতাধিক নারী-পুরুষকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর নামে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।

শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলো, কামরুল আহমেদ (৪২), খালেদ মাসুদ হেলাল (৩৬), তোফায়েল আহমেদ (৩৮) ও মোহাম্মদ জামাল (৪২)। এসময় তাদের কাছ থেকে ২৭টি পাসপোর্ট, ১টি মনিটর, ১টি সিপিইউ, ১০০ ভিসার কপি, ১২৫টি টিকেট, কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহ পরীক্ষার কাগজ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, আসামিরা সংঘবদ্ধ মানবপাচার ও প্রতারক চক্রের সদস্য। কামরুল ওই চক্রের মূলহোতা এবং অপরাপর আসামিরা তার সহযোগী। তাদের জনশক্তি রপ্তানির কোনো লাইসেন্স নেই। তারা দীর্ঘদিন ধরে জনশক্তি রপ্তানির নামে অবৈধভাবে ভ্রমণ ভিসার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে লোক পাঠিয়ে আসছিল। এছাড়াও লোক পাঠানোর এবং চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ গমনেচ্ছু বেকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা ও ভুয়া টিকেট ধরিয়ে দিতো।

সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ জানায়, গ্রেপ্তার কামরুল ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় দুবাই যায়। সেখান থেকে মানবপাচারের অর্জিত টাকা দিয়ে দুবাইয়ের রেসিডেন্স ভিসা পায় এবং একটি প্রাইভেটকার কিনে নিজেই ড্রাইভিং করে অর্থ আয় করছিলো। করোনার কারণে ২০২১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে বিভিন্ন ট্যুর এবং ট্রাভেলস এর সাথে যোগাযোগ করে অবৈধভাবে ভ্রমণ ভিসায় বিভিন্ন দেশে লোকজন পাঠানো শুরু করে। কামরুলের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে একটি চেক জালিয়াতির মামলা এবং মৌলভীবাজার আদালতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ১৮ লাখ টাকার একটি মামলা রয়েছে। তার বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে ৩৮ লাখ টাকার ওপরে পাওয়া গেছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, কামরুলের অন্যতম সহযোগী জামাল মাহবুব ইন্টারন্যাশনাল এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার। মাহবুব ইন্টারন্যাশনাল মানবপাচারের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বিএমইটি কর্তৃক তাদের লাইসেন্স ব্লক করে দেয়া হয়েছে। জামাল সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। পাঁচ বছর ধরে সে কামরুলের সাথে প্রতারণা এবং মানবপাচারের কাজ করে আসছে।

গ্রেপ্তার খালেদ ২০০১ সাল থেকে ১৫ বছর সৌদিআরবে ছিল। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ফেরত এসে সে রাজনগর মৌলভীবাজারে রেস্টুরেন্টের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু ওই ব্যবসায় সফল হতে না পেরে কামরুলের সাথে প্রতারণা ও মানবপাচারের কাজে যোগ দেয়। সে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক বলেন, গ্রেপ্তার তোফায়েলের পেশা ড্রাইভিং। এছাড়াও মৌলভীবাজারে তার সিএনজি পার্টস এবং ডেকোরেটরসের ব্যবসা রয়েছে। অতি লাভের আশায় সে কামরুলের সাথে প্রতারণা ও মানবপাচারের কাজে যোগ দেয়। কামরুলের বড় ভাইয়ের মাধ্যমে কামরুলের সাথে তার পরিচয় হয়। উদ্ধার ভিকটিম তোফায়েলের গ্রাম সম্পর্কীয় আত্মীয়। ভিকটিমের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে সৌদিআরবে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়েছিল। এরপর সে ভুক্তভোগীকে কৌশলে ঢাকায় এনে কামরুলের বাসায় আটক রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়। র‌্যাবের অভিযানে ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার হয়। তোফায়েলের নামে একটি চুরি মামলা রয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব।

English Dainikbiswa

ডুমুরিয়ায় অভিযোগের শুনানি শেষ হওয়ার আগেই নালিশী সম্পত্তিতে গাছ লাগিয়ে দখলের চেষ্টা

কথা বলতে বলতেই সোহেলকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে মারলো

কথা বলতে বলতেই সোহেলকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে মারলো

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

নড়াইলের লোহাগড়ায় সোহেল খান (৩৮) নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে উঠানে বসে গল্প করার সময় স্ত্রীর সামনেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের কুমড়ি গ্রামের বদিয়ার খান ওরফে কানা বদিরের ছেলে সোহেল খান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার ও প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকা থেকে পলাতক ছিলেন। গোপনে তিনি শ্বশুরবাড়ি উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের হাসান মুন্সির বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সোহেল খান বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শ্বশুরবাড়ির উঠানে বসে স্ত্রীর সঙ্গে বসে কথা বলছিলেন।

এ সময় উঠানের পাশে শব্দের আওয়াজ পেয়ে সোহেল সেখানে এগিয়ে গেলে সেখানে ওতপেতে থাকা ১২-১৩ জন দুর্বৃত্ত তাকে ঘিরে ফেলে তার মাথা, হাত-পা, বুকে-পিঠে ও মুখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। এ সময় সোহেলের স্ত্রী রিজিয়া খানম তাকে উদ্ধার করতে গেলে সেও আহত হয়।

নিহত সোহেলের নামে ২০১৮ সালে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কুমড়ি গ্রামের লতিফুর রহমান পলাশ, ২০২০ সালে দিঘলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুমড়ি গ্রামের শেখ জহিরুল ইসলাম রেজওয়ান ও ২০১৩ সালে উপজেলা যুবদলের সাংগাঠনিক সম্পাদক কুমড়ি গ্রামের তোহিদুল ইসলাম তনু ফকির হত্যা মামলাসহ তার নামে অস্ত্র, ডাকাতি, চুরি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে লোহাগড়া ও নড়াগাতী থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। সোহেল পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন আসামি ছিল।

লোহাগড়া থানার ওসি শেখ আবু হেনা মিলন জানান, লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। খুনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জোর চেষ্টা চলছে। নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

English Dainikbiswa

ইইউয়ের ১৮ কূটনীতিক বহিষ্কার রাশিয়া থেকে

সুন্দরী নারী সেজে ফেসবুকে প্রেম, মাদ্রাসা শিক্ষককে ডেকে নিয়ে হত্যা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বহুল প্রচলিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সামিয়া জাহান নামের একজন নারী সেজে মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে প্রেম করছিলেন এক যুবক। একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর কথা বলে সেই শিক্ষককে ডেকে নিয়ে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় হাত-পা বেঁধে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে গোয়াইনঘাট থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সিলেট জেলা পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের শিকার মাদ্রাসাশিক্ষক হলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কালাম বহরপুর গ্রামের বাসিন্দা কাউসার মিয়া (৩৪)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত যুবকের নাম শামসুল ইসলাম (২৮)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক মিয়াপাড়ার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, সামিয়া জাহান পরিচয়ধারী যুবক শামসুল ইসলামের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার কাউসার মিয়া জাফলং বেড়াতে আসেন। শামসুলের কথামতো কাউসার জাফলংয়ে মেঘালয় নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। সেখানে গিয়ে বুঝতে পারেন, সামিয়া জাহান আসলে একজন পুরুষ। তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরে সেখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করলে কাউসারের বেশ কিছু সম্পাদনা করা ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন শামসুল। সেই সঙ্গে নিজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাঁকে ভয় দেখান। মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলে কাউসার দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে তাঁর ওপর নির্যাতন শুরু হয়। পরে কাউসারের হাত-পা বেঁধে জাফলং জিরো পয়েন্টের টিলাসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শামসুলকে আটক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, শামসুল ইসলামের কাছ থেকে একটি নকল পিস্তল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্টিকারযুক্ত চারটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বিভিন্ন অপরাধ ও প্রতারণামূলক কাজে জড়িত। যার কারণে পরিবার থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন। ৬ থেকে ৭ মাস ধরে সামিয়া জাহান পরিচয় দিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে নারী সেজে মাদ্রাসাশিক্ষক কাউসার মিয়ার সঙ্গে প্রেমের ফাঁদ পেতেছিলেন। মূলত ভুয়া ফেসবুক আইডির নারী সামিয়া জাহানের আমন্ত্রণেই জাফলংয়ে গিয়েছিলেন কাউসার মিয়া। এটিই কাল হয়েছিল কাউসারের। ফলে জীবন দিতে হলো তাঁকে।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার বিন সালেহ, গোয়াইনঘাট সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার প্রবাস কুমার সিংহ, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর ফারুক মোড়ল।

এদিকে অপর একটি ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে গোয়াইনঘাটের পেকেরখাল এলাকা থেকে মুক্তার হোসেন নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ছুরিকাঘাতে তিনি নিহত হন। নিহত মুক্তার উপজেলার ভিতরগুল গ্রামের কুটু মিয়ার ছেলে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

English Dainikbiswa

রাশিয়া কিয়েভে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে

ইয়াবা সহ বিক্রেতা গ্রেফতার বরগুনার তালতলীতে

// বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে ১৩০ পিচ ইয়াবাসহ সুমন হাওলাদার (৩০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে তালতলী থানা পুলিশ।গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার  উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা গ্রামের ফজলে হাওলাদারের ছেলে।

জানা গেছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের বগীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে আল-মামুন তালুকদারের মটর গ্যারেজের সামনে পাকা রাস্তার উপরে এক মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রি করছেন।এ খবর পেয়ে এস আই পলাশ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম কৌশলে সুমন হাওলাদারকে আটক করে। এ সময় সুমনকে তল্লাশি করে ১৩০পিচ ইয়াবা জব্দ করে তালতলী থানা পুলিশ।

এবিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ  কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, গ্রেফতারকৃত সুমনের  বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বাবার কোলে থাকা চার বছরের শিশু খুনের লোমহর্ষক বিবরণ

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

বাংলাদেশের নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের হাজীপুর ইউনিয়নে বাবার সাথে থাকা চার বছরের শিশু খুনের ঘটনার লোমহর্ষক বিবরণ দিচ্ছেন এলাকাবাসী।

তারা বলছেন এলাকার চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা শিশুটির বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে শিশুটির দিকে ইট ছুঁড়ে মারে এবং শিশুটির বাবা প্রতিবাদ করলে শিশুটিকে টার্গেট করে গুলি করে।

সে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর উপস্থিত কয়েকজনের সাথে হামলাকারীদের বাদানুবাদ হয় এবং এর মধ্যে শিশু ও তার বাবাকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।

“পেছন থেকে আবার এসে সন্ত্রাসীরা শিশুটির বুক ও মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে। একই সাথে তারা শিশুর বাবাকেও গুলি করে। গুলিতে শিশুটির মাথা ঝাঁঝরা হয়ে যায়,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। নিরাপত্তার কারণে তিনি তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন।

গুলি করার সময় বাচ্চাটি বাবার কোলে ছিল।

এ ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে আজ বেগমগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন শিশুটির এক আত্মীয়।

ওদিকে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে শিশুটির মৃতদেহ নিয়ে আজ দুপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শাহ আজিম আজ বৃহস্পতিবার বেলা বারটার দিকে ওই শিশুটির বাড়িতেই ছিলেন।

সেখান থেকেই বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছেন বুধবার বিকেলে ঘটে যাওয়া এ ভয়াবহ ও বীভৎস ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিরা এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত, কিন্তু কখনো তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না।

তিনি বলেন শিশুটির বাবার সাথে সন্ত্রাসীদের কোন বিষয় ছিলো না। তারা একজনের দোকানে গিয়ে ঝামেলা করছিলো।

সেই দোকানেই বাচ্চাটি বাবার পাশে দাঁড়ানো ছিলো। শিশুর বাবা সন্ত্রাসীদের আচরণের প্রতিবাদ করেছিলেন।

এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে বাচ্চাটিকে ইট মেরে আহত করা হয়।

“এরপর তো বাচ্চাটাকে খুনই করে ফেলা হলো। এখানে সবাই জানে কারা করেছে। এদের অত্যাচারে সবাই অতিষ্ঠ। কিন্তু কারও কোন মাথাব্যথা নেই,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মিস্টার আজিম।

যদিও বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর জাহেদুল হক রনি বলছেন তারা তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এবং এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় আরেকজন জানিয়েছেন শিশুর বাবা যে বাড়িতে বসবাস করছিলেন সেখানকার এক ব্যক্তির সাথে জমির মাটি কাটা নিয়ে আরেক ব্যক্তির বিরোধ চলছিলো।

সে বিরোধের জের ধরে আগেও হামলা করেছিলো একই সন্ত্রাসীরা।

পরে এ নিয়ে সালিশও হয়।

সে সালিশে শিশুটির বাবাও উপস্থিত ছিলেন।

“শিশুটিকে গুলি করার সময় সন্ত্রাসীরা তার বাবাকে বলেছে যে, তুই তো সেদিন ছিলি,” বলছিলেন স্থানীয় একজন, যিনি তার নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

ওদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মাইজদি হাসপাতালে গুলিতে নিহত শিশুটির মৃতদেহের ময়না তদন্ত চলছিলো।

চেয়ারম্যান শাহ আজিম জানিয়েছেন ময়না তদন্তের পর মৃতদেহ এনে দাফন করা হবে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশুটির বাবাও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

সুনামগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে নিহত ৫

বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: থানায় জিডি

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিক মাহমুদুল হাসানকে হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তালতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী।

মঙ্গলবার(১২ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তালতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। মাহমুদুল হাসান তালতলী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও দৈনিক খোলা কাগজে কাজ করেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাতিপাড়া এলাকার হাফেজ মল্লিক ও দুলাল খানের  সাথে সাংবাদিক মাহমুদুল হাসানের দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। তারই ভাড়াটে লোক একাধিক মামলার আসামী ভূমিদস্যু শহিদুল ইসলাম (৪৫)  বিভিন্ন সময় সরাসরি ও মোবাইল ফোনে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক কে।পরে গত কাল রাত ৯ টা ৪৮ মিনিটের দিকে শহিদুল ইসলাম ০১৭১৩৯৩২৪৫৮ নাম্বার থেকে হুমকি দেয় ।সেখানে বলা হয় তুই কোথায় আছো,তুই আমার হাত থেকে বাঁচতে পারবি না। তোকে যেখানে পাইবো সেখানেই মারধর করবো ও হাতপা ভেঙ্গে পঙ্গু করে ফেলবো। আরও বলেন তুই তোর দখলী জমি থেকে চলে যাবি। ঔ জমি আমার দরকার, ওখানে থাকার চেষ্টা করলে তোকে খুন করা হবে এই বলে ফোনের লাইনটি কেটে দেওয়া হয়। বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য ও বিচার চেয়ে তালতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান। যার জিডি নং ৪৫৮।

সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান বলেন ভূমিদস্যু শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মুঠোফোনে আমাকে হুমকি দেয় এজন্য তালতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

এবিষয়ে হাফেজ মল্লিক বলেন,শহিদুল ইসলামের বিষয়ে কিছু জানি না।সে যদিও আমার লোক কিন্তু কাউকে হুমকি দিতে আমি বলিনি। যদি কাউকে হুমকি দিয়ে থাকে তার দায়ভার আমি নিবো কেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এবিষয়ে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন জমিজমা নিয়ে ঝামেলায় থাকতে পারে। সেটা আইনের আইনের মাধ্যমে সমাধান হবে। তাই বলে ভারাটে লোক দিয়ে সাংবাদিককে মৃত্যুর হুমকি দেওয়া টা মোটেই উচিত হয়নি। আমরা এই ভূমিদস্যু শহিদুল ইসলামের বিচার চাই।

তালতলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান একটি জিডি করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

English Dainikbiswa

সহস্রাধিক ইউক্রেনীয় সেনা মারিয়ুপোলে আত্মসমর্পণ করেছে- রাশিয়া

১৯ বছর পর আজ হুমায়ুন আজাদ হত্যার রায় হলো

ডুমুরিয়ায় চিংড়ি তে অপদ্রব‍্য পুশ করার সময ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জেল জরিমানা

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

ডুমুরিয়া বাজারের একটি মৎস্য ডিপোতে চিংড়ী মাছে অপদ্রব্য (জেলি)পুশ করার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৭ জন কে জেল- জরিমানা করা হয়েছে।  ১২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ এর নেতৃত্বে এ আদালত পরিচালিত হয়।

আদালত ও  সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,মৎস অধিদপ্তরের নিয়মিত  অভিযানের অংশ হিসাবে ডুমুরিয়া বাজারের ট্রলার ঘাট নামক স্হানে জনৈক নুর ইসলাম নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ীর ডিপোতে গলদা চিংড়ি মাছে অপদ্রব্য পুশ করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় ডিপো মালিক নুর কৌশলে পালিয়ে যায়।  তার  সহযোগি ডুমুরিয়া গ্রামের লিটু হালদার ও হুসাইন গাজীকে ভোক্তা অধিকার আইনে  প্রত্যেক কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়। এছাড়া চিংড়ি তে অপদ্রব্য পুষ কাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিক ডুমুরিয়া গ্রামের আসমা বেগম,পাপিয়া বেগম,বৃষ্টি খাতুন,পারভীন বেগম ও শাহানারা বেগম প্রত্যেক কে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে তিন দিনের জেল আদেশ দেয়া হয়। অপর দিকে পলাতক ডিপো মালিক নুর ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

এ সময় অপদ্রব্য পুশকৃত ১২০ কেজি গলদা চিংড়ি জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয় এবং অপদ্রব্য পুষ কাজে কেমিক্যাল ও অন্যান সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল,সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক, থানা পুলিশের এস,আই মোঃ হাচানসহ অন্যান কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

English Dainikbiswa

মঙ্গল গ্রহ এলন মাস্কের প্রধান লক্ষ্য নয়- রোগজিন

প্রশাসনের সামনেই জিকোর কোপে মারা গেল শেকবর আলী

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

শেরপুরের শ্রীবরদীতে পুলিশের সামনেই শেখবর আলী নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ১৮ দিন পর একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ মার্চ এ হত্যার ঘটনা ঘটলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে  ভিডিওটি ভাইরাল হয় রোববার।

ভিডিওটি ভাইরালের পর জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির ঘটনাটি নানা মহলে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এদিকে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখবর আলীর ছোটভাই মাহফুজ বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর ঘটনার দিন ৩ জন এবং পরবর্তীতে প্রধান আসামি জিকোসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরীসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী জাকির হোসেন জিকোর সঙ্গে শেখবর আলীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২২ মার্চ প্রতিপক্ষ জিকোসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শেখবর আলী। পরে ঘটনা তদন্তে পরদিন ২৩ মার্চ বিকালে ঘটনাস্থলে যান থানা পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ সময় জিকোসহ ৪-৫ জন অতর্কিতভাবে ধারালো দা, রাম দা, ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর ওপর হামলা করলে ঘটনাস্থলেই শেখবর আলী মারা যান।

এ ঘটনায় ওই দিন অভিযান চালিয়ে জিকোর স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। ২৪ মার্চ রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান রাজাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার ছায়া তদন্তে নেমে একই দিন শ্রীবরদীর বালিজুড়ি এলাকার গহীন অরণ্য থেকে মামলার প্রধান আসামি জিকোকে গ্রেফতার করে র্যা ব-১৪। এ নিয়ে ওই মামলায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়- পুলিশের সামনেই অতর্কিতে রাম দা, গরু জবাই করার ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর উপর উপর্যুপরি আঘাত করে জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ অন্যরা। ঘটনার আকস্মিকতায় পুলিশ হতবিহবল হয়ে পড়ে এবং নির্বাক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো হত্যাকাণ্ড এবং পুলিশের প্রতি তেড়ে আসার ঘটনা ভিডিওতে লক্ষ্য করা যায়।

শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের জড়িতের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে জিকো ও সাইফুল। এছাড়াও এ ঘটনায় পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এছাড়া এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

English Dainikbiswa

জাতীয় পরিচয় পত্র থেকে পেশা পতিতা শব্দটি বাদ