কালিয়ায় অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহক প্রতারণা: আটক ১

 

কালিয়ায় অনলাইনে চটকদার পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পাটেশ্বরী গ্রামের মামুন মোল্লা(২০) নামে এক প্রতারককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

আজ মঙ্গলবার (১লা জুন) বিকালে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে ভূয়া পেজ খুলে অনলাইনে পন্য বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করে আসছিল নড়াইলের কালিয়া উপজেলার অনলাইন প্রতারক মামুন মোল্লা নামে এক যুবক।

 

প্রতারক মামুন ফেসবুকে রংধনু শাড়ি প্যালেস নামের ঐ ফেসবুক পেজ থেকে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন সময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক লক্ষাধিক টাকা। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালিয়া থানা পুলিশ ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জহরুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে উপজেলার পাটেশ্বরী গ্রাম থেকে প্রতারক মামুন মোল্লাকে গ্রেফতার করেন।

প্রতারক মামুন পাটেশ্বরী গ্রামের ইদ্রিস মোল্লার ছেলে।

 

// মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

।।ভাগ্য বিড়ম্বনা।। সময়ের বিবর্তন ও সরকার পরিবর্তন হয়- জীবন বদলায়না

আদালতের রায় উপেক্ষা করে জোড়পূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণ

 

আদালতের রায় উপেক্ষা করে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরচর গ্রামে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে মহামান্য আদালতের রায় উপেক্ষা করে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও অবৈধভাবে ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে জোড়পূর্বক অবৈধভাবে অন্যের জায়গা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনাস্থলে সরেজমিনে দেখা যায় বিবাদী রাজেস তার সিন্ডিকেটের সহায়তায় অর্ধশতাধিক লোকজন নিয়ে অবৈধ ক্ষমতাবলে বাদী সাইদুল বাশারের জায়গা জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করে। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ স্থান ত্যাগ করার পর তারা (দখলাদর চক্র) আবার পুনরায় সংগঠিত হয়ে কাজ শুরু করে এবং অবৈধ দখল চলমান রাখে।

 

অভিযোগকারী বাদী সাইদুল বাশার বলেন গত ২০১৮ সালে দখলকারী রাজেস এই জমি নিয়ে আদালতে আমার বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা রুজ করে। তার প্রেক্ষিতে গত বছর অক্টোবর ২০২০ সালে মহামান্য আদালত আমার পক্ষে রায় প্রদান করে। অথচ সেই রায় উপেক্ষা করে আদালতকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে অদৃশ্য ক্ষমতা বলে আজ তারা লোকজন নিয়ে জোড় পূর্বক ভাবে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে।

 

আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াতে তাদের সাথে বিবাদে না জড়িয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবগত করি। পুলিশ পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও তারা পুলিশ কে অবজ্ঞা করে অবৈধ দখল কাজ চালায়। বিবাদী সূত্র জানায় আমাদের কাগজপত্র ঠিক রয়েছে। আমরা আমাদের ক্রয় করা সম্পত্তিতেই বৈধ উপায়ে বাড়ী নির্মাণ করছি।

 

এই বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইচ উদ্দিন বলেন গত তিন দিন আগে উভয় পক্ষের মধ্যে বিবাদের একটি অভিযোগ পেয়েছি। আজ তাদের এই কর্মকান্ডের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে দফায় দফায় পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হরিপুরে টিউবওয়েলের পানি পান করে এক শিক্ষক পরিবারে ৫ জন অজ্ঞান

 

 গৃহবধুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বরিশালে এসআইয়ের বিরু‌দ্ধে মামলা

 

 গৃহবধুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন  ভুক্তভূগীর পরিবার। সেই জিডি তদন্তের নামে ওই গৃহবধূকে থানায় ডেকে যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশের উপপরিদর্শকের (এসআই)এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (গৃহবধূকে) বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে সোমবার (২৪ মে) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন যৌন হয়রানির শিকার ওই গৃহবধূ। তবে এক সপ্তাহ পর আজ সোমবার (৩১ মে) বিষয়টি জানাজানি হয়। মামলার বাদী জানান, পুলিশের চাপের মুখে এতদিন কাউকে বিষয়টি জানাতে পারেননি। বাদীর আইনজীবী আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার উল্লেখ করা হয়েছে, নগরীর ধান গবেষণা রোড এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। তা তদন্তের দায়িত্ব পান কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আসাদুল ইসলাম। তিনি জিডির বিষয়টি তদন্তের জন্য বাদীকে থানায় ডেকে নেন। ১৬ অক্টোবর বাদী থানায় গেলে এসআই আসাদুল নানা অজুহাতে তার রুমে বাদীকে বসিয়ে রাখেন।

এরপর দস্তখত গ্রহণের অযুহাতে এসআই আসাদুল বাদীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং ঘাড়ে চুমু দেন। এর প্রতিবাদ জানালে মামলার আসামি বাদীকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং বিবাহ করার আশ্বাস দেন। এ সময় বাদীর স্বামী এসে পড়লে এসআই আসাদুল ওই নারীকে ছেড়ে দেন। এ ঘটনার পরপরই বাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালে তিনি বিচার করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

ওসি তখন জানান অভিযোগের বিষয়ে একজন নারী এএসআই তদন্ত করবেন। যৌন হয়রানির শিকার গৃহবধূ ওই এএসআইয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে জানতে পারেন তিনি কিছুই জানেন না। মূলত অসত্য অযুহাতে কালক্ষেপণ করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সেই সঙ্গে থানায় লিখিত এজাহার দিতে চাইলে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। মামলায় থানার সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যালোচনা করলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও বাদী উল্লেখ করেছেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, মামলার বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবে আমরাও খতিয়ে দেখছি। মামলার বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই আসাদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মামলার তদন্ত করতে যাওয়ায় মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরিশাল জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার হুমায়ূন কবির জানান, এখন পর্যন্ত এমন কোনো মামলার দায়িত্ব পিবিআইতে আসেনি। মামলার দায়িত্ব পেলে যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে ।

পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

৫ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল স্কাপ সিরাপসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

“একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদক মুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই স্লোগান সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা জেলাও গত কয়েক মাস যাবৎ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বুড়িচং থানাধীন বাকশিমুল ইউনিয়নের আজ্ঞাপুর সামনে বাগড়া হতে কুমিল্লাগামী সড়কের পাশ থেকে মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় (২০) কে ৫ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল স্কাপ সিরাপসহ গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে বুড়িচং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বিদেশী মদসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

 

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গত (২৮) মে শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযানে চালিয়ে পাঁচ বতল বিদেশি মদ দুটি হ্যান্ড সেট মোবাইল ফোনসহ এক জনকে আটক করেছে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, আটক কৃত ব্যাক্তি হলেন উপজেলার উপদইল গ্রামের হাবিবর রহমানের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী উজ্জ্বল হোসেন (৩৫) কে তার নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতে নাতে আটক করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদিপ কুমার রায় বলেন আসামি উজ্জ্বল কে তার নিজ বাড়ি থেকে হাতে নাতে আটক করা হয়েছে। এবং তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

//মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু : সালাম মূর্শেদী

 

৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম।  “একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদকমুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে সারাদেশে কয়েকমাস যাবত মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

 

তারই ধারাবাহিকতায় আজ (২৮ মে) কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে দাউদকান্দি টোল প্লাজা সংলগ্ন বলদাখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে মোঃ আলমগীর (২৪), গ্রাম- মনঘির মথনা,চকরিয়া, কক্সবাজারকে ৩ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

মাদকদ্রব্য ও মাদকাসক্তি আমাদের সমাজের একটি বিশাল সামাজিক সমস্যা।মাদকদ্রব্য সহজলভ্য হলে মাদক গ্রহনকারী লোকের সংখ্যাও বেড়ে যায়। নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি কিশোর- যুবসহ সকল প্রকার লোকের মধ্য আলাদা অনুসন্ধানী মনের কাজ করে।মাদকদ্রব্য তেমনই একটা জিনিস যার প্রতি সকলের একটা খারাপ উৎসাহের কাজ করে।

 

আর তাই প্রতিনিয়ত বেড়ে যায় মাদকাসক্ত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা।মাদকাসক্ত জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে তাদের নিরাময় ছাড়া মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করা সত্যি দূরুহ হয়ে পড়ছে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে নলকুপে জ্বলছে গ্যাস: বাপেক্স এর টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত

 

 ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ২কেজি গাজাসহ কুখ্যাত মাদক কারাবারিকে গ্রেফতার

 

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ২ কেজি গাজাসহ এক কুখ্যাত মাদক কারাবারিকে গ্রেফতার করেছে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ। গত (২৭ মে বৃহস্পতিবার) রাত এগারো টায় পৌর শহরের কলেজ বাজার মসজিদ সংলগ্ন থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত ব্যাক্তি হলেন, পৌর শহরের কলেজ পাড়া মসজিদ সংলগ্ন নূর মোহাম্মদের ছেলে বাবুল আওয়াল ওরফে ঠুটা বাবুল (৫৫) কে তার নিজ বাড়ি থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ হাতে নাতে আটক করেছে। পুলিস সুত্রে জানা যায়,বাবুল দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় ব্যাপক হারে গাজা সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য বিক্রয় করছিল বলে একাধিক ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ থানা ওসি (তদন্ত) খাইরুল আনাম ডন বলেন আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুলকে আটক করেছি। এবং তার বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানা ও পীরগঞ্জ থানা সহ ৭/৮টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামিকে শুক্রবার বিকালে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

// মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাগুরার মহম্মদপুরে ফুটবল টূর্ণামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি বীরেন শিকদার

 

বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তার ওপর কাউন্সিলরের নেতৃত্বে হামলা, গ্রেফতার ৫

 

বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তার ওপর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ আহম্মেদ মান্নার নেতৃত্বে হামলা খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিরোধপূর্ণ জমি সংক্রান্ত একটি অভিযোগ তদন্তে কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন এবং এএসআই মিজান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মুসলিম গোরস্থান রোডে যান। এসময় কাউন্সিলর মান্না বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মৃত চাচা বিমল বিশ্বাসের ছেলে নিক্কন বিশ্বাস (৪৮) নামের ব্যক্তির পক্ষে অবস্থান নেন এবং লোকজন নিয়ে ওসি-এসআইকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করাসহ হামলা চালিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদ্বয়ের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। খবর পেয়ে থানা থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে ঘটনাস্থল থেকে ঘটনায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করলেও কাউন্সিলর পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন।

কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে দৈনিক বিশ্বকে জানান, ২১ নং ওয়ার্ডের মৃত বিধান বিশ্বাসেরর ছেলে বিলাস বিশ্বাস (৪৮) তাদের জমিতে দেয়াল দেওয়ার বিষয় তুলে ধরে চাচাতো ভাই নিক্কন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগটি তদন্তে ওসি আনোয়ার এএসআই মিজানুর রহমানকে সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে যান এবং দেওয়ার নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখতে বিলাস বিশ্বাসকে নির্দেশ দেন।

ঘটনাপ্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সদস্যরা জানায়, এই খবর পেয়ে কাউন্সিলর মান্না বেশকিছু লোক নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং পুলিশ কেন তার এলাকায় আসছে তা নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন। এতে পুলিশ সদস্যরা প্রতিবাদ জানান এবং তাদের সাথ্যে অসৌজন্যমূলক আচারণের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে মুঠোফোন হাতে নিয়ে কাউন্সিলরের সহযোগীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এবং ওসি আনোয়ার ও এএসআই মিজানসহ অপর এক পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের তিনজনের মুঠোফোন নিয়ে যায়।

 

পুলিশের ওপর হামলা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ছুটে যায়। এবং ঘটনায় জড়িত কাউন্সিলরের ৫ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু এর আগেই কাউন্সিলর মান্না ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর পূর্বে কাউন্সিলর মান্না তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে বিলাসের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ করেন। ৬ মিনিটের ওই ভিডিওটিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখিয়ে তিনি আরও বেশকিছু অভিযোগ তুলে ধরেন। যদিও ফেসবুক লাইভের সেই ভিডিওটি কিছুক্ষণ পর অর্থাৎ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার পরে সরিয়ে নিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে কাউন্সিলর মান্নার বক্তব্য না পাওয়া গেলেও স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, ওসি মর্যাদার কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাপোশাকে থাকায় মান্না ভেবেছিলেন এএসআই মিজান ও তিনি উভয়ে সমর্যদার কর্মকর্তা। এই কারণে তিনি বেশি রেগে গিয়েছেন এবং গালাগালি করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গালাগালির বিষয়টির প্রতিবাদ করলে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করার উদ্যোগ নিলে তাদের ওপর কাউন্সিলরের সহযোগীরা হামলা করে। এবং একপর্যায়ে দুই কর্মকর্তাসহ আরও এক পুলিশ সদস্যের মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সূত্রটি আরও জানায়, যখন কাউন্সিলর মান্না কোন এক মাধ্যম জানতে পারলেন যে, সাদাপোশাকের পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ওসি পদমর্যাদার তখনই তিনি ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়েন। এর পরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার ৫ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে।

পুলিশের কাজে বাঁধা দেওয়ার এই ঘটনায় কাউন্সিলরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা গ্রহণ করা হবে বলে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন হামলার শিকার পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।

এই বিষয়ে জানতে মেট্রোপলিটন পুলিশ উপ-কমিশনার (ডিসি/দক্ষিণ) মোকতার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে। বিষয়টিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বালিয়াডাঙ্গীতে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের ভিত্তিস্থাপন উদ্বোধনে এমপি দবিরুল

 

 

কুমিল্লায় ২৯ কেজি গাঁজা, ১ টি প্রাইভেটকারসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

কুমিল্লায় ২৯ কেজি গাঁজা এন এর একটি বড় গ্যাং আটক হয়েছে। সারাদেশে মাদকদ্রব্য চোরাচালানের যে ভয়াবহতা লক্ষ করা যাচ্ছে তাতে মনে হয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকই গিলে খাবে। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও মাদকদ্রব্যসহ মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে গ্রেফতার হচ্ছে কিন্তু মনে হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা যেন চক্রাকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজও কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বিভিন্ন জায়গায় ৩ টি বিশেষ পরিচালনা করে-

১. ১ টি পুরাতন সাদা প্রাইভেটকারসহ পলাতক আসামি জাকির হোসেন/বাইট্টা জাকির(৪৮) ও ঢাকা মেট্রো- খ-১১-৪৩৬৩ এর ড্রাইভার ও অজ্ঞাতনামা আরো ২ জনের ফেলে যাওয়া ২৫ কেজি গাঁজা,

২. মোঃ বশির(৪৮) ও মোঃ সোহেল (১৯) -এর নিকট থেকে ২ কেজি গাঁজা এবং

৩. আব্দুল হক সাগর(৩৫) এর নিকট হতে ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

উক্ত অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ২৯ কেজি গাঁজাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে ব্রাহ্মণ পাড়া থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় পৃথকভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশ প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলল হবে।মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে আর তা হলে হয়তো মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।আর তা-না হলে এই ধরনের মাদকের চালান আসতেই থাকবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরের কাজল বাহিনী জমি দখল বানিজ্য বহাল : গ্রামের লোকজন জিম্মি

জগন্নাথপুরের কাজল বাহিনী জমি দখল বানিজ্য বহাল : গ্রামের লোকজন জিম্মি

 

জগন্নাথপুরের কাজল বাহিনী দিয়ে আধিপত্য বিস্তার করে সনাতন ধর্মের ও সরকারী জমি বিক্রয় করা সহ নানান অপকর্ম করে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সাবেক ইউপি সদস্য কাজল মিয়া। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সহ নানা অভিযোগ। সরজমিনে জানা যায়, ক্ষমতাসিন দল আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে গ্রামের নিরিহ জনসাধারনদের অত্যাচার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী সহ তার বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখলের বিস্তর অভিযোগ।

এ নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য কাজল মিয়ার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ জগন্নাথপুর থানা ও আদালতে রয়েছে ৮ এর অধিক মামলা। তার হাত থেকে রক্ষা পায়নি পুলিশও। থানা পুলিশের উপর হামলা করে আহত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফলে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করায় জেলও কেটেছেন তিনি। তারপরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন নিরিহ গ্রামবাসীকে।

জানা যায়, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের রমাপতিপুর গ্রামের মৃত মুক্তার মিয়ার ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য কাজল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গড়ে তুলেছেন একটি শক্তিশালি বাহীনি। তার বাহীনি দিয়ে গ্রামের নিরিহ লোকজনের জমি দখল, সনাতন ধর্মের পরিত্যক্ত ভূমি ও সরকারী জমি নানা কৌশলে দখল করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন। তার অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হতে হয় জনসাধারনকে। এ ব্যাপারে গ্রামের ভুক্তভোগি আবুল মনাফ, সৈয়দ মিয়া, ছোরাব উল্লাহ, নাসির মিয়া, আনছার মিয়া, ফজলু মিয়া, হারুন মিয়া, আব্দুল মমিন, ফারুক মিয়া সহ শতাধিক লোকজন জানান, মোজাহিদপুর ও চৌকি মৌজার সরকারী জায়গা বিক্রয় করে টাকা আত্মসাৎ করেন।

গ্রামের লোকদের বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। ভূমি খেকো কাজল মিয়ার নেতৃত্বে হাতের লেখা স্টাম্প করে প্রতারনার মাধ্যমে ভূমিগুলো বিক্রয় করেছেন। এমনকি গ্রামের বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটি ভেঙ্গে নিজে একাই দায়িত্ব নিয়ে কোন রকম হিসাব নিকাশ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে পকেটভারি করে যাচ্ছেন। যার কারনে দীর্ঘ ৫মাস ধরে মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনের বেতন বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।

তার নিজস্ব বাহিনি দিয়ে বার বার হামলা চালিয়ে আতঙ্কে পরিনত করেছেন নিরিহ গ্রামবাসীকে। বর্তমানে কাজল বাহিনির ভয়ে গ্রামের লোকজন গ্রামের মসজিদে নামাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তার ভয়ে গ্রামবাসী গত ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন জগন্নাথপুর থানার এসআই সাফায়েত ও এসআই শামিম সহ একদল পুলিশি পাহারায়। গ্রামের রাস্তা ঘাটে চলা ফেরায় প্রতিবন্ধকতা সহ পার্শবতি শিবগঞ্জ বাজারেও আসতে পারছেন না গ্রামে নিরিহ লোকজন। বার বার অপরাধ করেও ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন অদৃশ্য খুটির জোড়ে। এ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মধ্যে মিশ্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

কাজল ও তার বাহিনির হাত থেকে রক্ষা পাননি গ্রামের অসহায় মহিলাও। বার বার আক্রমের শিকার হলেও গ্রামের লোকজন তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। সরকারী জায়গা থেকে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করলে গ্রামবাসী বাঁধা দেন এতে হামলার শিকার হন গ্রামের নিরিহ লোকজন। রমাপতিপুর গ্রামের সংযোগ সড়কের মুখে কাজল মিয়া তার নিজস্ব লোকের কাছে সরকারী জমি বিক্রয় করে গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তায় বাঁধার সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে এলাকার গন্যমান্য লোকজন বার বার শালিসির চেষ্টা করলেও সুযোগ দিচ্ছেনা এই ইউপি সদস্য। এ দিকে সম্প্রতি গ্রামবাসী ও কাজল বাহীনির মধ্যে সংর্ঘষে ঘটনা ঘটে এতে উভয় পক্ষের প্রায় ২০জন আহত হন।

এ সময় কাজল মিয়ার লোকজন কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। এ ব্যাপারে ভোক্তভোগী জনসাধারন কাজল মিয়া ও তার লোকদের হাত থেকে রক্ষা পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী সহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। অভিযুক্ত কাজল মিয়ার সাথে মুঠোফোনের ৩টি নাম্বারে ০১৭১১-০১৭৮৫-০১৩১….নিউজ লেখার আগ মর্হূতে বার বার যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনটি বন্ধ থাকায় আলাপ করা সম্ভব হয় নাই এমনকি কাজলের ওয়াটসআপ নাম্বারে যোগাযোগ করলে ফোন রিসিভ করেন নাই। কাজলের লোকজনের সাথে আলাপ করার চেষ্টা করা হলে তারা মন্তব্য করতে নারাজ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহান আহমদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এই গ্রামের বাসিন্দা আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবকে নিয়ে বারবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উভয় পক্ষের লোকজনের সম্মতি না থাকায় সমাধান করতে পারি নাই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যারম্যান হাজী মখলিছ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রমাপতিপুরের দুই পক্ষের লোকজনের সমস্যার জন্য আমি সহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বার বার সমাধান করার চেষ্টা করেছি।

কিন্তু কোন পক্ষেই আমাদের বিচারের তারিখ দেয় নাই। আমাাদের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহেব ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সহ আরো অনেকেই বহু চেষ্টা করে সমাধান করতে পারেন নাই। সহকারী পুলিশ সুপার জগন্নাথপুর (সার্কেল) কামরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ উভয় পক্ষেই দিয়েছে।

অভিযোগের আলোকে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করতেছি। আসামী যাকে পাব থাকেই ধরবো আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মধুখালী টু মাগুরা রেল লাইন।। স্বপ্ন নয় বাস্তব।। প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন